ই সংখ্যা "পলাশ"
সম্পাদকীয়
মার্চ মাস শুরু হলেই মনে একটি আলাদা অনুভূতির জোয়ার। বসন্তের রঙিন বাতাসে, নব পুষ্প কুঞ্জে মুখরিত হয়ে থাকে।
আমাদের এইবারের ই সংখ্যা "পলাশ"। 38 জন কবি, লেখক, সাহিত্যিকদের ভালোবাসায় নবোন্মেষ সাহিত্য পত্রিকার এই ই সংখ্যাটি প্রত্যেক সাহিত্যিকের প্রতি ভালোবাসার একটি অঙ্গ।
এই সংখ্যার মাধ্যমে আমরা বসন্ত প্রেমের বাতাস ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছি।
বসন্ত মানেই পলাশ ফুল।
পলাশ গাছ সর্বোচ্চ ১৫ মিটার পর্যন্ত উঁচু হয়ে থাকে। শীতে গাছের পাতা ঝরে যায়। এর বাকল ধূসর। শাখা-প্রশাখা ও কাণ্ড আঁকাবাঁকা। নতুন পাতা রেশমের মতো সূক্ষ্ম। গাঢ় সবুজ পাতা ত্রিপত্রী। বসন্তে এ গাছে ফুল ফোটে। টকটকে লাল ছাড়াও হলুদ ও লালচে কমলা রঙের পলাশ ফুলও দেখা যায়। পলাশ ফুল ছোট, ফুল ২ থেকে ৪ সে.মি. লম্বা হয়।
বাংলা সাহিত্যে পলাশ ফুলের প্রসঙ্গ এসেছে নানাভাবে। কবি নজরুল তার একটি গানে লিখেছেন- “ হলুদ গাঁদার ফুল, রাঙা পলাশ ফুল
এনে দে এনে দে নইলে
বাঁধব না, বাঁধব না চুল..."
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অনেক কবিতা ও গানেও পলাশ ফুলের উল্লেখ আছে। যেমন - দোলের গান, ওরে গৃহবাসীতে "রাঙা হাসি রাশি রাশি প্রভৃতি।
এই মাসে সমস্ত কিংবদন্তী কবি, লেখক, সাহিত্যিকদের জন্ম তিথি ও প্রয়াণ তিথিতেও নবোন্মেষ শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেছে।
তাই মননে চিন্তনে আমরা এই "পলাশ" ই সংখ্যার মাধ্যমে সবার মাঝে সাহিত্য অনুভূতি জাগ্রত করার চেষ্টা করেছি।
ধন্যবাদান্তে,
শ্রী পান্থ দাস
সম্পাদক (ই)
নবোন্মেষ সাহিত্য পত্রিকা
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যসমূহ (Atom)