ননী গোপাল

    ✍️ তমাল দেবনাথ 

জাগো জাগো ননীগোপাল,
প্রভাত হয়ে এলো।
পূব আকাশে সূর্যি মামা,
উঁকি যে দিল।
হে প্রভু নন্দের নন্দন,
সকলেই আমরা তোমার আপনজন।
দেশবাসীকে রক্ষা করো,
একসাথে করো মিলন।
তুলসী, পূষ্প, চন্দন পরিয়ে,
ধূপ, দ্বীপ জ্বালিয়ে,
রাখি তোমায় স্বরণে।
প্রণাম জানাই তোমার চরণে।।
তুমি প্রভু, তুমি ঈশ্বর, তুমিই নন্দলাল,
তুমি গুরু, তুমি কৃষ্ণ, তুমিই গোপাল।
তুমি আছো বলেই,
পৃথিবী আজ আলোকিত।
তুমি আছো বলেই,
মানব আজও  জীবিত।
তোমার ঐ বাঁশির সুরে,
বৃন্দাবনে গান ধরে।
কৃষ্ণগোপাল বলে,
তোমার  ওই নাম করে।
হে প্রভু তোমার কৃপায়,
এ পৃথিবীতে আমার আশা।
তোমার প্রতি জানাই,
আমার আন্তরিক ভালোবাসা।

ভাবনার দৌড়

   ✍️ পার্থজিৎ ভৌমিক

বোঝিনি মায়ের আদর,পাইনি বাবার ছোঁয়া 
সবার জীবনে আলো আমার কেন  ছায়া?
এবেলায় ঠ‍্যালা কাকুর জল-বতাসাই সই,
ওবেলায় হয়তো জুটবে মিষ্টি আর দই।
আমি ভাবছিলাম.....

সকালে কাধেঁ ব‍্যাগ নিয়ে ছুটে যায় যারা,
মনে হয় আমারই বয়সী ওরা।
এভাবে আমিও পড়বো, স্কুলে যাবো
মাঠে খেলা করবো,মধ‍্যাহ্নে পেটপুরে খাবো
আমি ভাবছিলাম...

পড়নে আছে ছেঁড়া কাপড় 
কেউ রাখে না মোদের খবর।
ইচ্ছে গুলি পেতো যদি ইচ্ছে ডানার খোঁজ 
দুবেলা দুমুঠো খেতে পেতাম রোজ।
আমি ভাবছিলাম...

ভাবনাটাকে করবো সিঁড়ি 
বাস্তবতায় রাখবো পা।
সুখ পাখিটা  খোঁজে পেলে 
দুঃখ মনে রাখবো না।
এটাও ভাবছিলাম...

বাংলা তুমি

    ✍️ সুজন দেবনাথ

বাংলা তুমি মায়ের আঁচল 
বোনের ভালোবাসা,
বাংলা তুমি কুড়েঘর জুড়ে 
ছোট্ট ছোট্ট আশা।

বাংলা তুমি বুক জুড়ানো 
পল্লী গানের সুর,
বাংলা তুমি রাখালী বাঁশী 
কত মিষ্টি সুমধুর।

বাংলা তুমি শীতের ভোরে 
পিঠে পুলির আশ,
বাংলা তুমি তেরো পার্বণে 
সজ্জিত বারো মাস।

বাংলা তুমি দুঃখীর কন্ঠে 
করুন আর্তনাদ,
বাংলা তুমি সব মানিয়ে 
একটু বাঁচার সাধ।

বাংলা তুমি এপার ওপার 
মৈত্রী বন্ধন সেতু,
বাংলা তুমি গলে পরা ওই 
মিলন মালার সূতো।

বাংলা তুমি মাঠ ভরা ধান 
কৃষকের মুখে হাসি,
শহীদ রক্তে রঞ্জিত বাংলা 
ভীষণ ভালোবাসি।

ছেঁড়া কাঁথায় শুয়ে নেতা

   ✍️ কৃষ্ণকুসুম পাল

"ছেঁড়া কাঁথায় শুয়ে নেতা, বড় হলে ফেন ভাতে,
এখন বড় ভুঁড়ি,অনেক টাকা তোমার হাতে।
গাধা মার্কা ছিলে তুমি,
বারে বারে ফেল,
এখন গড় শিক্ষানীতি,
দেশ উচ্ছন্নে গেল।
ছিন্নমূল ছিলে তুমি,
কাঁপালে তিনকুল,
এখন দেশভক্ত ভ্রমর তুমি,
ভজ ভোটের ফুল।"

অর্পন

   ✍️ পৌষালী ভৌমিক

তুমি কাঠগোলাপ চেয়েছিলে,
আমি রাঙিয়ে দিতে পেরেছি।।
তুমি রং ভরা স্বপ্ন চেয়েছিলে,
আমি রামধনু আঁকতে পেরেছি।।
তুমি মরীচিকা চেয়েছিলে,
আমি প্রাণ ছোঁয়াতে পেরেছি।।
তুমি মধুমাস চেয়েছিলে,
আমি কাননে ফুল ফোটাতে পেরেছি।।
তুমি মায়াবী আঁধার চেয়েছিলে,
আমি আলোহীন কুন্তল ছড়াতে পেরেছি।।
তুমি আমায় চেয়েছিলে,
আমি তোমার প্রতিমূর্তিতে মিশতে পেরেছি।।

মনে রাখা সেই দিন

   ✍️ রঞ্জিত চক্রবর্তী

সৃষ্টির সময় থেকে 
রাত-দিন ফুরিয়ে কাল যখন পূর্ণ হয়
তখন ফিরে আসে
এই এমন একটি দিন।
আমি বা আমার মতো 
অনেকেই এসেছে বা আসবে 
মায়ের জঠর ছেঁড়া ব‍্যথার বিরতি দিয়ে 
বাবার উদ্বেগের পাহাড় পার হয়ে অন্ধকার থেকে আতুরঘরে আদরে নাম রাখা হয়
ঘর ভরে উঠে আলোয় - আলোয় 
জিভ নাড়িয়ে স্বাগত জানাই 
দিকে দিকে ছড়ায় নতুনের বার্তা।
অতীত মনে রেখেই জীবনের শুরু 
পায়ে-পায়ে শিঁড়ি বেয়ে ওঠা 
হয়তো কেউ ভুলে যায় 
কেউ মনে রাখে
ঋণী-তো তাদের কাছেই স্নেহ গন্ধ যার শরীরে।
জীবন ফিরে আসে
জীবনের হাত ধরে
ধাপ শেষ হলেই থেমে যাবে রথ
জন্মদিন এ কথায় বলে
যেনো ভুলে না যায় সে মানুষ আর ঈশ্বরে।

এক টুকরো আলোর প্রচ্ছদ

   ✍️কানু বনিক 

যতটুকু পথ আগলে রেখে তুমি প্রণয়ের পরিধি বাড়িয়েছো,  আমি তার সহবাসে সরোবর পযর্ন্ত এগিয়ে যেতে থাকি। 

শ্রাবনীধারার শেষলগ্নে আকাশ যখন ধূসর মেঘে আচ্ছন্ন, সনাতনী ধারায় গেরুয়া সন্ন‍্যাসী এসে ছটপূজায় শান্তিযজ্ঞ করে নেয়। 

তুমি এখনও ধ‍্যানে মগ্ন, ধ‍্যান ভাঙ্গলে না' হয় দিনের শেষে আশার বাণী শুনিয়ে যাবে। 

আমি আজ সায়ন্তনী সন্ধ‍্যায় তোমার নির্ভেজাল কথাগুলো, ছায়ামেঘের বুকে অক্ষরে অক্ষরে সাজিয়ে চন্দ্রবিন্দু পযর্ন্ত পৌঁছে যেতে চাই । 

আমার আকাশ ততটাই নির্মল, যতটা পূর্ণতা তোমার খেয়ালে ছায়ামেঘের অন্তরালে দিবাকরের এক টুকরো আলোর প্রচ্ছদ এঁকেছে। 

আমি যখন পথিক,  দুপাশের বনানীর আলতো ছোঁয়া মনটাকে উজাড় করে দূর দূরান্তে চলে গিয়ে ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে রয়ে গেছে। 

তুমি যদি ছায়াপথ ঘুরে এসে বলো একটা নতুন আলোর সন্ধান পেয়েছি, আমি তার ঠিকানাটা হয়তো তোমার কাছে চেয়ে নিতে পারি। 

আমি  নিধিবনের গভীরে গিয়ে শুধু জোনাকির আলো দেখতে পাই ,  তোমার অলিখিত সম্পদ সেই আলোর লহরীতে বুদবুদ ছড়ায়। 

তোমার অমোঘ কথাগুলো যদি কোনো পবিত্রগ্রন্থে লেখা হতো, আমার সায়ন্তনী সকালে  সকল পাওয়া বুকে মেখে নেওয়া যেতো।

বসন্ত

   ✍️ সুবর্ণা

স্নিগ্ধ সকাল,  মিঠে কড়া আলো
হিমেল হাওয়ায় হৃদয় ছুঁয়ে গেলো।

ফুটপাথের ধূমায়িত চায়ে
কুয়াশার চাদরে উষ্ণতা মাখিয়ে।

প্রজাপতিরা  উড়ে  বেড়াবে মনে
  মেঘের সাথে খেলার সনে।

দোতারায় সুর তুলে
প্রতীক্ষার সকল স্মৃতি ভুলে।

বসন্তের ক্যানভাসে রঙের আঁকিবুঁকি
রক্তিম পলাশে বুঁদ হয়ে থাকি।

গল্পটা

   ✍️ শিউলি দাস

যদি গল্পের শুরুটা  লেখা ছিলো অন্য কোথাও 
শেষ টা হোক তোমার নামে ।
তবে বেনামি চিঠি টা আজও লুকোনো আছে শূন্য খামে।
অজস্র ঝরা বসন্ত আর না দেখা শরৎ আছে তাতে ,
টেবিলের এক পাশে পরে আছে ।
দিনের শেষে এক বার ছুঁয়ে দেখি, 
আজও চিঠিটা সতেজ কিনা ,
নাকি পড়ে থেকে ফেকাসে হয়ে গেছে ।
নাঃ শেষ এখনও হয়ে যায়নি 
তবে আগের মত জীবন্ত ও রয়ে যয়নি 
বেঁচে আছে শেষ নিঃশ্বাস নিয়ে 
ছোট্ট একটা খামের দেয়ালে
বন্দি জীবন নিয়ে।

চিঠি

   ✍️ মিঠু মল্লিক বৈদ‍্য 

আধুনিকতার রঙ্গীন ছোঁয়া,
মুঠোফোনের একচেটিয়া বাজার,
স‍্যোসাল মিডিয়ার সুবিপুল চাহিদা,
ভুলতে বসেছি তোমায়।

এখন আর নেই সেই প্রতীক্ষা,
ডাক বাক্সে নেই ভীড়,
রানারের ছোটাছুটি,পোষ্টকার্ড,সুবহ -
পীতরঙ্গা খামটি চোখেও পরেনা আজকাল।

লালরঙা বাক্সটি কেমন যেন বুড়িয়ে গেছে,
অনুভূতি,সুখানুভব,আবেগ
সবটাই সীমাবদ্ধ ঐ মুঠোফোনে।
তোমায় লেখার অনন্ত ভালোলাগা লুপ্তপ্রায়।

মায়ের সোহাগ,বাবার নিঃস্বার্থ প্রেম
বোনের খুনসুটি,ভাইয়ের অভিমান
প্রেয়সীর সুনির্মল ভালোবাসার প্রেমময় সুবাস
তোমার বুকে আঁচড় কাটে না আর।

ভীষণ অনুভূত তোমার শূন‍্যতা,
আগামী প্রজন্মের কাছে হয়তো-
হয়তো বা তুমি একটি ইতিহাস,
তোমার অস্তিত্বের লড়াই বড্ড যাতনার।

আমি শূন্যতা ঢাকি

   ✍️ চিন্ময় রায়
  
       শূন্য দিয়েই বিচরণ মোর,
 শূন্যতেই শেষ-
 হেসেখেলে দিন গুলো মোর,
 কাটছে মজায় বেশ।
 কেউ কখনো পূর্ণ হয়না,
 শূন্যেই রয়ে যায়।
 আবার কেউ কখনো হাসি আনন্দে,
 শূন্যতা ঢাকতে চায়।
 সকল মানুষ জর্জরিত,
 পরিস্থিতির কারণে।
 শূন্যতেই বিচরন করি,
 সুখ নেই তাই জীবনে।
 সন্ধান নেই কাজের আজও,
 শূন্য হয়েই রই।
এখন মোর সম্বল শুধু,
কাব‍্য লিখন আর বই।
 লিখতে আমি ভালোবাসি,
তাই লিখি মনের সুখে।
কষ্টগুলো চেপে মনে,
থাকি হাসিমুখে।

কবর

   ✍️ সঙ্ঘমিত্রা

জানি আমি ফিরে আসার পরে তোমার বাঁধন খুলে যাবে
তুমি পাহাড় হয়ে আবির রাঙানো আকাশ ছোঁবে
 যদি আমার স্থবিরতা তোমায় নাড়া দেয়
তোমার উঠোন খুলে পড়ে নিও প্রতিটি মধুময় ক্ষণ
আর যদি হঠাৎ মেঘের দিকে তাকাও তার ভাজে পেয়ে যাবে খারাপি মনের লাশ।
অবনমিত কুয়াশাদের খুলে দেখে নিও যুগল অট্টহাসি,
আমার ছায়ারা এখন নিয়ন্ত্রিত
হঠাৎ কান্না পেলে মুহূর্তদের কবর দিও।

দুঃখ

✍️ ঈশানী ভট্টাচার্য

চিৎকার করে কাউকে ডাকতে ইচ্ছে করে।
কিন্তু সেই ডাকের সারা মিলবে তো?

চিৎকার করে কাঁদতে ইচ্ছে করে,
কিন্তু সেই কান্নার কারণ 
শোনার কেউ আছে কি?

চিৎকার করে রাতের 
অন্ধকারে
কাউকে নিজের মনের চাপা
কষ্টগুলো উগরে দিতে ইচ্ছে করে।
সেইটুকু শোনার সময় কারোর আছে কি?

ডানপিঠে

    ✍️ রুপালী রায় 

তুমি আসবে বলে এই যে আমার  এত বিশাল আয়োজন 
সে সবটাই কি তবে ব্যর্থ হলো ।
না, না
এতটা স্বার্থপর তোমাকে তো আমি
চিনিনি ।
এই যে আমি, 
 নিজের হাতে তোমাকে 
আমার মতো করে গড়েছি 
একটু একটু করে,
তার সবটাই যদি মিথ্যে হয় 
তাহলে আর এত অজুহাত কিসের?
কিসের এত মান ভঞ্জনের পালা ?
আমাকে তুমি প্রেমিক করো নি ,
আমাকে তুমি প্রতিদ্বন্দ্বি করেছো ।
আমার চুপ থাকার রহস্যে 
আমি নিজেই ডুবে যাই ।
আমার নিঃপ্রাণ কর্ম আমাকে নিয়ে 
উপহাস করে ।
তবুও আমি কাউকে ডুবে যেতে দেইনি ।
আমাকে যারা নিঃস্ব করতে সদা প্রয়াসী ,
আমি তাদের বারবার সুযোগ করে দিয়েছি ।
কিন্তু এরা তার সঠিক ব্যবহার জানেনি ।
আমাকে যারা বন্ধু ভেবেছে 
আমি তাদের বন্ধুত্বের মর্যাদা দিয়েছি 
আমাকে যারা প্রতিপক্ষের আসনে বসিয়েছি 
তারা আমার চিরকালের শত্রু ।
আমি তাদের ভালোবাসি ।

বীরত্ব

   ✍️ চন্দন পাল

ফুলটি ছিঁড়ে নিল নিষ্ঠুর, প্রবঞ্চক বলল অমূলক, সমাজকে কাটল কীট !। 

তাই বলে তুমিও, অনুমোদিত আমিও ? 

একবার প্রতিভাহীন ফুলদানির দিকে তাকাই,
তাকাই শ্রীহীন নগরীটির দিকে। 
ম্লেচ্ছ লোকগুলিরে অনুভব করি।
সভ্যতার কাপড় পরা কিনা জানতে চেও না !

স্বার্থান্ধ কিবা ছল প্রতিভাতেই কী বিশেষ বীরত্ব ! 
জানি, প্রজন্ম ঘুমে। বুমেরাং জেগে কিনা জানতে চেও না।

নারী নির্যাতন

    ✍️ সৌরভ দেবনাথ

পএিকার পাতা গুলো উলটুলেই নজরে আসে কিছু পুরুষ জাতির বীরত্বের কাহীনি,
ওরা যে কত বীর তা প্রমান করে একজন নিরীহ নাবালিকা কে অপমান করে,ধষণ করে।

হে নারী তুমি কি ভুলে গেছ? 
আজ যে দেশে তুমার সাথে অন্যায় হচ্ছে,
সেই দেশের মাটিতেই জন্ম নিয়েছিলেন রানী লখি বাই এর মতো নারী যুদ্ধারা,

হে নারী আজ অসহায় হয়ে পড়ছে তুমার স্বাধীনতা,

তবে কি আর আসবে না আমার স্বাধীনতা?
আসবে অবশ্যই আসবে,
তোমাকেও ঝাসি রানী,লখি বাই এর মতো যুদ্ধা হতে হবে।

হে নারী আজ তোমরাও দাঁড়িয়ে আছ মৃতু এবং জীবন যুদ্ধের মাঝে,
আজ তোমাকেও যুদ্ধা হতে হবে এই নষ্ট সমাজে নগ্ন চরিত্রের বিরুদ্ধে।

কতই না আশা ছিল আমার এই কোমল শিশু মনে,
পুরো স্বপ্ন আশাটাই নষ্ট করে দিল নষ্ট সমাজের কোনে নিয়ে।

যৌবনের বসে কুলাঙ্গাররা চোখ রাখে শিশুদের মাঝে,
দেহ তৃপ্তি হয়ে গেলে কন্যা পরে থাকে রক্তাত্ব অবস্থায় রাস্তার মোড়ে। 

কেউ বলে এ নারী নারী নয় এতো অহারে,
                      আবার 
কেউ বলে মেয়ে তো চরিএহীনা, না জানি কোথায় কোথায় চলে তার লেনাদেনা।

তবু আমি থেমে যায়নি,
ছুটে যায় পুলিশ বাবুর কাছে, তারাও করল কত রঙ্গরসা,
তবু আমি রাখি ভরসা।

তারপর আবার চলে যায় চিকিতসালয়ে,তারাও করে কত রঙ্গনীলা।
আমি আবারও আহারে,আমি আবারও চরিএহীনা।

এরপর কিছু মিডয়া এসে জানতে চায় নষ্ট সমাজের নষ্ট লোকটি কিভাবে তার লালসা,যৌবন তৃপ্তির অবসাদ ঘটাল?

পরে খবরটি  Facebook-এ দেওয়ার পর সমাজবাসীরা Like ও Comment করে দোষীর ফাসি চায় বলে নিজ গৃহে আবদ্ধ হয়ে পড়ে।

নারীরা আজ বাঁচতে চায়,দেওন ওদের একটু ঠাই।

লড়াই করে ছিল আদালতের দরবারে,
সেখানেও নারী তুমি অস্মান হও নষ্ট সমাজের মাঝে। 

অবশেষে তুমি বিজয়ী হলে কাগজ আর কলমে,                 
                              কিন্তু 
আজ-অ আমি কলঙ্কিত হয়ে রয়েছি এই নষ্ট সমাজের দাঁড়ে।

আগে কত স্ব-জনের চলিত আসাযাওয়া আমার বাড়িতে,
আজ কেউ আসে না আমাকে খুজিতে।।   

বাবা

    ✍️ অগ্রদীপ দত্ত

বাবা তুমি যে আমার অন্ধকারের আলো,
আমার জীবনের তোমারি প্রদীপ জ্বালো।
বাবা তুমিতো বর্ষার ছাতার মতো, 
তোমার নিচে আমি আশ্রিত।
বাবা তুমি প্রভাতের আলো,
 আমার জীবনের পথ কে করো ভালো।
বাবা তুমি রাত জাগা সেই পাখি,
আমার অসুখে না মুদিলে আঁখি,
আমার জন্য তোমার ব্যাকুলতা দেখি।
তুমি দাও মাথায় হাত বুলিয়ে,
সে রাতে আমি যাই ঘুমিয়ে। 
ঘুমে তোমার চোখ হয় রাতা,
তুমি যে আমার জন্মদাতা। 
তুমি যখন করো মোর প্রতি রাগ,
মনে হয় জড়িয়ে ধরে করি সোহাগ।
 মানে-অভিমানে আছো তুমি,
 কি করি বুঝিনু আমি।
করিও না আর রাগ,
ভুল হলে করো মাফ।

 তোমার বয়স বাড়ে যত,
ভগবানের কাছে করি মাথা নত,
 তোমার আয়ু বাড়ে একশত। 
তুমি হবে যেদিন আকাশের তারা,
 চলতে হবে এ ভুবনে তোমায় ছাড়া।
বয়ে নিয়ে যাব তোমার সংসারের ধারা,
আমার ভাবনায় তোমার স্মৃতি সব দেবে সারা।

উড়তে ইচ্ছে করে

    ✍️ বিপ্লব গোস্বামী

ইচ্ছে করে উড়ে উড়ে চাঁদের দেশে যাই
সেথা গিয়ে স্বপ্নে দেখা পরীর দেখা পাই।
 ইচ্ছে করে পরীর সনে আকাশ মাঝে উড়তে
 মেঘের ভেলায় ভেসে ঐ বাযুর সাথে দুলতে।
 ইচ্ছে করে উড়ে উড়ে দূূূর চাঁদের দেশে যাই
 সেথায় গিয়ে চরকা কাটা বুড়ির দেখা পাই।
ইচ্ছে করে দেখে আসি যে তারার ঝিকিমিকি
 চাঁদের বুড়ির কাছে গিয়ে সুতা কাটা শিখি।।
 ইচ্ছে করে উড়ে উড়ে রামধনুর দেশে যাই
 সেথায় গিয়ে নকশা আঁকা মেয়ের দেখা পাই।

আগুন

    ✍️সুস্মিতা মহাজন 

একসাথে অনেকগুলো মনকে পুড়তে দিলাম,
শেষে বললাম ভালো থেকো!
জানি এগুলো ছাঁই হবে,
একটা সময় দমকা হাওয়ায় সবটা উড়ে যাবে।
কিছুটা আগুনের তাপের দাগ হবে শরীরে, 
জমাট বাঁধা কালো ছাঁইপোড়া দাগ।