বাংলাদেশ


                    ✍️সুপর্ণা 

সেথায় আছে শ্যামল ছায়া মিষ্টি মধুর রেশ, 
সবুজে ঘেরা শ্যামল শোভন চিরসবুজ বাংলাদেশ ।
দোয়েল কোয়েল ফিঙের সাথে আরও কত পাখীর গান, 
নদীর জলে ঢেউ খেলে যায় মাঝিভাইয়ের দাঁড়ে টান । 
সবুজ ধানের শীষগুলোতে সবুজ টিয়া ভীড় জমায়, বনবীথির ছায়ায় ছায়ায় শীতল হাওয়ায় প্রাণ জুড়ায়। 
সুদূর মাঠে ধেনু চড়ে নীল সবুজের প্রান্তরে, 
সুধা মাটির গন্ধে ভরা চলার পথে মন্থরে। 
(সেথা) খালে বিলে নানান জলে কত শালুক ফোটেরে , 
মাছরাঙার জলের ধারে  মাছের আশায় বসেরে। 
হাঁসগুলো সব সারি বেঁধে ঢেউয়ের তালে ভেসে যায়, 
বাংলা মাটির মিঠে জলে সবাকার তৃষ্ণা মেটায়। 
খেলার ছলে কচিকাঁচা জল ছিটিয়ে করে স্নান, 
পাকা ধানের গন্ধে সেথা করে আকুল মন-প্রাণ । 
মুছে যাওয়া কত স্মৃতি রাজকাহিনীর ভগ্নাশেষ, 
ভাল-মন্দের সাক্ষী সে যে বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ । 
সোনার ফসল, সোনার বাংলা হৃদয়বানের সেই যে দেশ ----,
বাউল কবির আবেগভরা মধুমাখা বাংলাদেশ । 
বাংলা ভাষার বঙ্গমাতা মুক্তিযোদ্ধার মুক্তির দেশ, 
শস্য -শ্যামলা বসুন্ধরা মন ভুলানো বাংলাদেশ ।

বাংলাদেশ


                    ✍️সুপর্ণা 

সেথায় আছে শ্যামল ছায়া মিষ্টি মধুর রেশ, 
সবুজে ঘেরা শ্যামল শোভন চিরসবুজ বাংলাদেশ ।
দোয়েল কোয়েল ফিঙের সাথে আরও কত পাখীর গান, 
নদীর জলে ঢেউ খেলে যায় মাঝিভাইয়ের দাঁড়ে টান । 
সবুজ ধানের শীষগুলোতে সবুজ টিয়া ভীড় জমায়, বনবীথির ছায়ায় ছায়ায় শীতল হাওয়ায় প্রাণ জুড়ায়। 
সুদূর মাঠে ধেনু চড়ে নীল সবুজের প্রান্তরে, 
সুধা মাটির গন্ধে ভরা চলার পথে মন্থরে। 
(সেথা) খালে বিলে নানান জলে কত শালুক ফোটেরে , 
মাছরাঙার জলের ধারে  মাছের আশায় বসেরে। 
হাঁসগুলো সব সারি বেঁধে ঢেউয়ের তালে ভেসে যায়, 
বাংলা মাটির মিঠে জলে সবাকার তৃষ্ণা মেটায়। 
খেলার ছলে কচিকাঁচা জল ছিটিয়ে করে স্নান, 
পাকা ধানের গন্ধে সেথা করে আকুল মন-প্রাণ । 
মুছে যাওয়া কত স্মৃতি রাজকাহিনীর ভগ্নাশেষ, 
ভাল-মন্দের সাক্ষী সে যে বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ । 
সোনার ফসল, সোনার বাংলা হৃদয়বানের সেই যে দেশ ----,
বাউল কবির আবেগভরা মধুমাখা বাংলাদেশ । 
বাংলা ভাষার বঙ্গমাতা মুক্তিযোদ্ধার মুক্তির দেশ, 
শস্য -শ্যামলা বসুন্ধরা মন ভুলানো বাংলাদেশ ।

সরল প্রেম

               ✍️বিউটি কর্মকার

যদি ভালোবাসো আমায়,
তবে তার মধ্যে কোনো
যোগ-বিয়োগ রেখোনা।
সেখানে থাক শুধুই একটু বিশ্বাস,
আর অনেকখানি বেহিসাবি সরল।
একটু উষ্ণতা, যাতে আমি
ডুবতে পারি-
যেভাবে পদ্মকলি ডোবে
একবুক দিঘিতে,
তবু যেন মাথা তুলতে পারি
তোমার অহংকারে,
যেভাবে মাথা তোলে ফোটা পদ্ম,
খুশির সূর্য খেলে তার মুখে।
একটু শীতলতা, যেখানে
সব অন্তরাল সরে গিয়ে আসে
আলোয় ভরানো পথ--
সেই পথে চলবো আমরা
হাতে হাত ধরে, একসাথে।

সরল প্রেম

               ✍️বিউটি কর্মকার

যদি ভালোবাসো আমায়,
তবে তার মধ্যে কোনো
যোগ-বিয়োগ রেখোনা।
সেখানে থাক শুধুই একটু বিশ্বাস,
আর অনেকখানি বেহিসাবি সরল।
একটু উষ্ণতা, যাতে আমি
ডুবতে পারি-
যেভাবে পদ্মকলি ডোবে
একবুক দিঘিতে,
তবু যেন মাথা তুলতে পারি
তোমার অহংকারে,
যেভাবে মাথা তোলে ফোটা পদ্ম,
খুশির সূর্য খেলে তার মুখে।
একটু শীতলতা, যেখানে
সব অন্তরাল সরে গিয়ে আসে
আলোয় ভরানো পথ--
সেই পথে চলবো আমরা
হাতে হাত ধরে, একসাথে।

আমাদের পৌষ


      ✍️কৃতিদীপা ভট্টাচার্য্য

ঋতু শীত, পৌষের মাস, 
বাঙালির প্রাণে পিঠের সুবাস । 
মাঠের ঘাস কুয়াশায় ঢাকা, 
পাতায় পাতায় শিশির আঁকা ।
সংক্রান্তির পূন্য স্নান সেরে, 
আলপনায় বাড়ির উঠোন ভরে । 
পিঠে পুজোর ধুম আয়োজন, 
প্রতি বাড়ি মকর রবির নেমত্তন ।
খড়ের আগুনে অশুভ বিনাশ,
সাথে শুভারম্ভ নতুন মাস ।
পায়েশ হবে নলেনের রসে,
নতুন চালের ঘ্রান বাতাসে । 
পুলি, মালপো, পাটিসাপটা,
তিল কদমার সাথে খোলা পিঠা। 
নেয়ে-খেয়ে বিকেলের কীর্তন, 
পাড়া বেড়ান কীর্তনীয়া জন । 
ছেলে বেলার স্মৃতির খাতায়,
আঁকি বুকি সব ভেসে বেড়ায় । 
পৌষ মানেই হিমেল হাওয়া, 
পৌষ মানেই পিকনিক যাওয়া । 
চড়ুই ভাতির হৈ হুল্লোড়, 
খাওয়া-দাওয়া তোড় জোড় । 
শীতের বেলার আমেজ নিয়ে, 
সঙ্গে আড্ডা ও গান জমিয়ে । 
দিনান্তের সূর্য মেঘের আড়ালে, 
গোধূলি বেলায় লুকোচুরি খেলে । 
পৌষালী সন্ধ্যায় বিচিত্র মেলা, 
ছোটদের হরেকরকম খেলা । 
পিঠে উৎসব জম জমাট, 
চার দিকে যেন পৌষের হাট । 
প্রাঙ্গণ ভরা আট থেকে আশি, 
আর গাল ভরা ঠাট্টা হাসি । 
পৌষ কাটিয়ে মাঘে পা, 
হাড় হিম শীতের ঘা । 
শহুরে যান্ত্রিক আধুনিকতায়, 
গ্রাম শোভা নিমেষে হারায় । 
বারো মাসে তেরো পার্বণ, 
লুপ্তপ্রায় বাংলার জীবন।

আমাদের পৌষ


      ✍️কৃতিদীপা ভট্টাচার্য্য

ঋতু শীত, পৌষের মাস, 
বাঙালির প্রাণে পিঠের সুবাস । 
মাঠের ঘাস কুয়াশায় ঢাকা, 
পাতায় পাতায় শিশির আঁকা ।
সংক্রান্তির পূন্য স্নান সেরে, 
আলপনায় বাড়ির উঠোন ভরে । 
পিঠে পুজোর ধুম আয়োজন, 
প্রতি বাড়ি মকর রবির নেমত্তন ।
খড়ের আগুনে অশুভ বিনাশ,
সাথে শুভারম্ভ নতুন মাস ।
পায়েশ হবে নলেনের রসে,
নতুন চালের ঘ্রান বাতাসে । 
পুলি, মালপো, পাটিসাপটা,
তিল কদমার সাথে খোলা পিঠা। 
নেয়ে-খেয়ে বিকেলের কীর্তন, 
পাড়া বেড়ান কীর্তনীয়া জন । 
ছেলে বেলার স্মৃতির খাতায়,
আঁকি বুকি সব ভেসে বেড়ায় । 
পৌষ মানেই হিমেল হাওয়া, 
পৌষ মানেই পিকনিক যাওয়া । 
চড়ুই ভাতির হৈ হুল্লোড়, 
খাওয়া-দাওয়া তোড় জোড় । 
শীতের বেলার আমেজ নিয়ে, 
সঙ্গে আড্ডা ও গান জমিয়ে । 
দিনান্তের সূর্য মেঘের আড়ালে, 
গোধূলি বেলায় লুকোচুরি খেলে । 
পৌষালী সন্ধ্যায় বিচিত্র মেলা, 
ছোটদের হরেকরকম খেলা । 
পিঠে উৎসব জম জমাট, 
চার দিকে যেন পৌষের হাট । 
প্রাঙ্গণ ভরা আট থেকে আশি, 
আর গাল ভরা ঠাট্টা হাসি । 
পৌষ কাটিয়ে মাঘে পা, 
হাড় হিম শীতের ঘা । 
শহুরে যান্ত্রিক আধুনিকতায়, 
গ্রাম শোভা নিমেষে হারায় । 
বারো মাসে তেরো পার্বণ, 
লুপ্তপ্রায় বাংলার জীবন।

মুখর দিনে


         ✍️পৌষালী ভৌমিক

এই মুখর দিনে,
শীতল স্পর্শের স্পর্শ শীতে
রামধনু তার রঙ ছড়ায়।
বেরঙ আকাশের রঙিন কোনায়,
টিপটিপ বৃষ্টি আর ভেজা হাওয়া,
কী যেন চাইছে দেখ,কী যেন তার চাওয়া ।
স্পর্শিত হাতের সেই ভেজাভাব
স্মৃতিতে ঠাসা স্মৃতির অভাব
আশা তার নাম লিখেছে,
স্মৃতির সেই পাঠ শিখেছে
বয়ে বেড়ায় শীতল হাওয়া।
নিয়ে হাতে তার রঙিন নেশা
সবুজের আলোয় আজ জল মিশেছে,
আকাশের কাহিনী তাই সেথায় লিখেছে।

মুখর দিনে


         ✍️পৌষালী ভৌমিক

এই মুখর দিনে,
শীতল স্পর্শের স্পর্শ শীতে
রামধনু তার রঙ ছড়ায়।
বেরঙ আকাশের রঙিন কোনায়,
টিপটিপ বৃষ্টি আর ভেজা হাওয়া,
কী যেন চাইছে দেখ,কী যেন তার চাওয়া ।
স্পর্শিত হাতের সেই ভেজাভাব
স্মৃতিতে ঠাসা স্মৃতির অভাব
আশা তার নাম লিখেছে,
স্মৃতির সেই পাঠ শিখেছে
বয়ে বেড়ায় শীতল হাওয়া।
নিয়ে হাতে তার রঙিন নেশা
সবুজের আলোয় আজ জল মিশেছে,
আকাশের কাহিনী তাই সেথায় লিখেছে।

বাংলা


✍️প্রদ্যুৎ মিশ্র

বাংলা আমার প্রাণের সুখ
বাংলা আমার মায়ের মুখ l
বাংলা হল তপ্ত দুপুরে
শীতল তরুর ছায়া,
বাংলাই হল প্রাণভরা উল্লাসে
মাটিতে রাঙানো কায়া।
খুঁজে পাই আমি বাংলাকে
মাটির ভাড়ের চা এ,
বাংলা কে দেখি আমি 
প্রলয় ঝড়ের আগে।
কৃষ্ণ কালো মেঘ 
আসে যখন ঘনায়ে,
বাংলায় যেন বয়ে যায়
প্রবল বায়ু হয়ে।
হাঁটে বাজারে বাংলাই যেনো
দৈন্য লোকের হাহাকার,
ক্ষেপে গিয়ে আমি 
বাংলায় করি চিৎকার।
বাংলা হল সন্তান হারা
মায়ের বক্ষ ফাটা ক্রন্দন,
বাংলা তো যেন বোনের দেওয়া
ভাইয়ের কপালের চন্দন।
বাংলা আমার মধুর স্মৃতি
স্নিগ্ধ শ্যামল শান্তি,
এইটুকুই আশা বার বার
যেন ফিরে এই বাংলায় আসি।

বাংলা


✍️প্রদ্যুৎ মিশ্র

বাংলা আমার প্রাণের সুখ
বাংলা আমার মায়ের মুখ l
বাংলা হল তপ্ত দুপুরে
শীতল তরুর ছায়া,
বাংলাই হল প্রাণভরা উল্লাসে
মাটিতে রাঙানো কায়া।
খুঁজে পাই আমি বাংলাকে
মাটির ভাড়ের চা এ,
বাংলা কে দেখি আমি 
প্রলয় ঝড়ের আগে।
কৃষ্ণ কালো মেঘ 
আসে যখন ঘনায়ে,
বাংলায় যেন বয়ে যায়
প্রবল বায়ু হয়ে।
হাঁটে বাজারে বাংলাই যেনো
দৈন্য লোকের হাহাকার,
ক্ষেপে গিয়ে আমি 
বাংলায় করি চিৎকার।
বাংলা হল সন্তান হারা
মায়ের বক্ষ ফাটা ক্রন্দন,
বাংলা তো যেন বোনের দেওয়া
ভাইয়ের কপালের চন্দন।
বাংলা আমার মধুর স্মৃতি
স্নিগ্ধ শ্যামল শান্তি,
এইটুকুই আশা বার বার
যেন ফিরে এই বাংলায় আসি।

নারীত্ব


           ✍️পিয়ালী দেব

 নারীর আলোয় আলোকিত হল ভুবন।
অতীত হতে বর্তমান পর্যন্ত নারীর আলোয় বাঁচে জাতি।।
নারী শক্তি পূর্ণশক্তি, নারী বীনা বৃথা ভুবন।
নারীর উন্নতি সমাজের উন্নতি, নারী ছাড়া জটিল জীবন।।
তবু লাগে নারী এখনও বন্দী করা পাখি যেমন।
জন্ম হতে বড় পর্যন্ত গুরুজনদের কথা শুনতে হয়।।
বিয়ে হলে বৃদ্ধ পর্যন্ত স্বামীর কথা মানতে হয়।
নিজের ইচ্ছায় চলতে গেলে পর অপবাদ শুনতে হয়।।
সংসারের নিয়মানুসারে নারী-পুরুষ ভিন্ন দু-জন।
নারী পারে না,পুরুষ পারে এই ভাবনায় লিপ্ত সকল।।
জন্ম হতে শিক্ষা দেয় পুরুষ যা পারে, নারী পারে না।
এ সব কেমন নিয়মকানুন?
নারীকে না দাবিয়ে উত্তরণের সুযোগ দাও।।
নারী জাগো জাগাও নারীত্ব, বাঁচতে হবে নিজের মতো।
উন্নতির শিখর ধরতে হলে, বাঁধা সকল ভুল তবে।
বাঁচো আকাশে  নিজের মতো, শোন কেন পর বচন।।

নারীত্ব


           ✍️পিয়ালী দেব

 নারীর আলোয় আলোকিত হল ভুবন।
অতীত হতে বর্তমান পর্যন্ত নারীর আলোয় বাঁচে জাতি।।
নারী শক্তি পূর্ণশক্তি, নারী বীনা বৃথা ভুবন।
নারীর উন্নতি সমাজের উন্নতি, নারী ছাড়া জটিল জীবন।।
তবু লাগে নারী এখনও বন্দী করা পাখি যেমন।
জন্ম হতে বড় পর্যন্ত গুরুজনদের কথা শুনতে হয়।।
বিয়ে হলে বৃদ্ধ পর্যন্ত স্বামীর কথা মানতে হয়।
নিজের ইচ্ছায় চলতে গেলে পর অপবাদ শুনতে হয়।।
সংসারের নিয়মানুসারে নারী-পুরুষ ভিন্ন দু-জন।
নারী পারে না,পুরুষ পারে এই ভাবনায় লিপ্ত সকল।।
জন্ম হতে শিক্ষা দেয় পুরুষ যা পারে, নারী পারে না।
এ সব কেমন নিয়মকানুন?
নারীকে না দাবিয়ে উত্তরণের সুযোগ দাও।।
নারী জাগো জাগাও নারীত্ব, বাঁচতে হবে নিজের মতো।
উন্নতির শিখর ধরতে হলে, বাঁধা সকল ভুল তবে।
বাঁচো আকাশে  নিজের মতো, শোন কেন পর বচন।।

পৌষ আগমন

       
              ✍️শিবশঙ্কর দেবনাথ 

দীর্ঘ অপেক্ষা ডানা মেলে, 
পৌষ আগমন সুধা ঢেলে। 
গ্রাম বাংলায় লেগেছে ধুম, 
পিঠে পুলির এই মৌসুমে
 মা মাসির চোখে নেই ঘুম।
তৈরি করে হরেকরকম পিঠে, 
ভেসে আসে প্রাণ ভরা ঘ্রান মিঠে। 
কুয়াশার আবরণ শৈত প্রবাহ
বইছে পল্লীগ্রাম জুড়ে ,
সকলে শরীর উষ্ণ করে শীতে    
ধান ক্ষেতে ন্যাড়ার ঘর পুড়ে। 
ঘুমন্ত আকাশের রবির মৃদু আলো 
পাতার ফাঁকে গাঁয়ে পড়ে যখন সোজা,
কাক ভোরে স্নান শেষে 
চোখ ধাঁধানো আলপনায় 
মেয়েরা করে সূর্য দেবের পূজা। 
সুদূর আকাশে উড়ে ঘুড়ি, 
সুতোর লাটাই হাতে নিয়ে 
করে আনন্দ, হৈ চৈ ছোট ছোট কুঁড়ি। 
খাওয়া দাওয়া হৈ হুল্লোড় 
কাটে যে সারা বেলা,
সন্ধ্যা বেলা টুসু গানে জমে উঠে মেলা।

পৌষ আগমন

       
              ✍️শিবশঙ্কর দেবনাথ 

দীর্ঘ অপেক্ষা ডানা মেলে, 
পৌষ আগমন সুধা ঢেলে। 
গ্রাম বাংলায় লেগেছে ধুম, 
পিঠে পুলির এই মৌসুমে
 মা মাসির চোখে নেই ঘুম।
তৈরি করে হরেকরকম পিঠে, 
ভেসে আসে প্রাণ ভরা ঘ্রান মিঠে। 
কুয়াশার আবরণ শৈত প্রবাহ
বইছে পল্লীগ্রাম জুড়ে ,
সকলে শরীর উষ্ণ করে শীতে    
ধান ক্ষেতে ন্যাড়ার ঘর পুড়ে। 
ঘুমন্ত আকাশের রবির মৃদু আলো 
পাতার ফাঁকে গাঁয়ে পড়ে যখন সোজা,
কাক ভোরে স্নান শেষে 
চোখ ধাঁধানো আলপনায় 
মেয়েরা করে সূর্য দেবের পূজা। 
সুদূর আকাশে উড়ে ঘুড়ি, 
সুতোর লাটাই হাতে নিয়ে 
করে আনন্দ, হৈ চৈ ছোট ছোট কুঁড়ি। 
খাওয়া দাওয়া হৈ হুল্লোড় 
কাটে যে সারা বেলা,
সন্ধ্যা বেলা টুসু গানে জমে উঠে মেলা।

সিটিয়ে প্রহর

✍️আসরাফ আলী সেখ

আকাশ কানে কানে বলে
বাতাস কে ,বলো না কাউ কে,
সিঁটিয়ে সবাই, কখন যে কি হয়,
কে জানে!

বাতাস বলে মেঘের কানে কানে,
বলো না ভায়া ,কারো কানে ,
কি হয় দেখা যাক ! তার পর 
না হয় হবে,

মেঘের পেট ভারি হয়ে ওঠে,
বলে জল কণার কানে কানে ,
কি বলি যে! তুমি যেন বলো 
না কারো সনে , কি যে হবে কে জানে!


জল ফোঁটা ফোঁটা রসময় 
গালে চলে সমুদ্র ধারে ,,
মালিক!
মালিক!
কি যে হবে কে জানে!
সিঁটিয়ে সবাই , আমার টা 
কেও শোনে! 


আমার টুকু হলে ই চলে যায়,
বয়ে যায়, কার দায় কে নেয়!


বজ্রপাত শোনে সব , রেগে - মেগে
ডেকে দেয়, মেঘ ধেয়ে চলে যায়,
জল কণা পড়ে যায়, সাগর তোলে হাই , , বলে ছিলি মনে মনে কেও
যেন না শোনে, কার দায় কে নেয়,
চল জীবন ভাসায় !


প্রহর গুনে গুনে যায় 
ছাড় কেও না পায়, কানে কানে
রাষ্ট্র চলে নিশি দিন ,জল কণা থামে না, ঝোপ বুঝে চলে সেও
ও বজ্রপাতের ধ্বনি,  কানে কানে 
মনে মনে শোনে সেও ।।

সিটিয়ে প্রহর

✍️আসরাফ আলী সেখ

আকাশ কানে কানে বলে
বাতাস কে ,বলো না কাউ কে,
সিঁটিয়ে সবাই, কখন যে কি হয়,
কে জানে!

বাতাস বলে মেঘের কানে কানে,
বলো না ভায়া ,কারো কানে ,
কি হয় দেখা যাক ! তার পর 
না হয় হবে,

মেঘের পেট ভারি হয়ে ওঠে,
বলে জল কণার কানে কানে ,
কি বলি যে! তুমি যেন বলো 
না কারো সনে , কি যে হবে কে জানে!


জল ফোঁটা ফোঁটা রসময় 
গালে চলে সমুদ্র ধারে ,,
মালিক!
মালিক!
কি যে হবে কে জানে!
সিঁটিয়ে সবাই , আমার টা 
কেও শোনে! 


আমার টুকু হলে ই চলে যায়,
বয়ে যায়, কার দায় কে নেয়!


বজ্রপাত শোনে সব , রেগে - মেগে
ডেকে দেয়, মেঘ ধেয়ে চলে যায়,
জল কণা পড়ে যায়, সাগর তোলে হাই , , বলে ছিলি মনে মনে কেও
যেন না শোনে, কার দায় কে নেয়,
চল জীবন ভাসায় !


প্রহর গুনে গুনে যায় 
ছাড় কেও না পায়, কানে কানে
রাষ্ট্র চলে নিশি দিন ,জল কণা থামে না, ঝোপ বুঝে চলে সেও
ও বজ্রপাতের ধ্বনি,  কানে কানে 
মনে মনে শোনে সেও ।।

শীতকাল


       ✍️ সুমিতা স্মৃতি

শীতকাল মানেই হল নিত্যনতুন আয়োজন। 
নতুন নতুন খাবার রেসিপি সময় প্রয়োজন।। 

চারদিক থেকে ভেসে আসে পিকনিক পিকনিক গন্ধ। 
মনের কোনে জেগে ওঠে হাজার আনন্দ।। 

শীতকাল মানেই হল মেলা মেলা ভাব। 
পিঠে পুলির গন্ধে উৎফুল্ল মনোভাব।। 

শীতকাল মানেই হলো পৌষ পার্বণের আগমন। 
দুপুরের হালকা রোদের তাপে আনন্দিত মন।। 

শীতকাল মানেই হল উঠোনে আলপনা আঁকা। 
কুয়াশার আস্তরনে চারদিক পড়ে ঢাকা।। 

ভালো লাগে শীতের সন্ধ্যায় আগুন পোহানো। 
কুয়াশার আস্তরন স্পর্শ করে ঠোঁটে লাগানো।। 

শীতকাল মানেই হল আনন্দের সমারোহ। 
খাওয়া-দাওয়া এবং ঘুরতে যাওয়ার আগ্রহ।।

শীতকাল


       ✍️ সুমিতা স্মৃতি

শীতকাল মানেই হল নিত্যনতুন আয়োজন। 
নতুন নতুন খাবার রেসিপি সময় প্রয়োজন।। 

চারদিক থেকে ভেসে আসে পিকনিক পিকনিক গন্ধ। 
মনের কোনে জেগে ওঠে হাজার আনন্দ।। 

শীতকাল মানেই হল মেলা মেলা ভাব। 
পিঠে পুলির গন্ধে উৎফুল্ল মনোভাব।। 

শীতকাল মানেই হলো পৌষ পার্বণের আগমন। 
দুপুরের হালকা রোদের তাপে আনন্দিত মন।। 

শীতকাল মানেই হল উঠোনে আলপনা আঁকা। 
কুয়াশার আস্তরনে চারদিক পড়ে ঢাকা।। 

ভালো লাগে শীতের সন্ধ্যায় আগুন পোহানো। 
কুয়াশার আস্তরন স্পর্শ করে ঠোঁটে লাগানো।। 

শীতকাল মানেই হল আনন্দের সমারোহ। 
খাওয়া-দাওয়া এবং ঘুরতে যাওয়ার আগ্রহ।।

স্মৃতিতে পার্বণ

           ✍️পিংকী দাস

মনে পড়ে ছোটবেলার পৌষের দিন 
কাঁথা মুড়ি দিয়ে শুয়ে থাকা
কুহেলিকার চাদরে চারিদিক ঢাকা।

পূর্ব পানে তখনও সূর্য উঠেনি
খেজুর গাছে হাঁড়ি বাঁধা 
রসের গন্ধ ছড়ায় বাতাসে।

ঘরের দাওয়ায় সারিসারি গাঁদাফুল 
উঠুন মাঝে চালের গুঁড়ির আলপনা।

বুড়ির ঘরের ছাউনী কলাপাতায় গড়া
রাত্রি জেগে চলে গান আর ভোজন।

পৌষ সংক্রান্তির সারা বেলা
গাঁয়ে গাঁয়ে ফেরি কীর্তন
তিল্লাই-বাতাসা-কমলা লুফালুফি।

ঘরে ঘরে রকমারি পিঠে-পুলির বাহার
ভেসে আসে পায়েসের সুগন্ধ।
আত্মীয় স্বজনের আনাগোনায়
জমজমাট এ পিঠে উৎসব।

তবে সবই এখন স্মৃতির পটে আঁকা
মুছে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার রীতি-নীতি,
পশ্চিমা হাওয়ায় বাঙালি মজেছে
খর্ব করছে নিজ জাতির সংস্কৃতি।

                           

স্মৃতিতে পার্বণ

           ✍️পিংকী দাস

মনে পড়ে ছোটবেলার পৌষের দিন 
কাঁথা মুড়ি দিয়ে শুয়ে থাকা
কুহেলিকার চাদরে চারিদিক ঢাকা।

পূর্ব পানে তখনও সূর্য উঠেনি
খেজুর গাছে হাঁড়ি বাঁধা 
রসের গন্ধ ছড়ায় বাতাসে।

ঘরের দাওয়ায় সারিসারি গাঁদাফুল 
উঠুন মাঝে চালের গুঁড়ির আলপনা।

বুড়ির ঘরের ছাউনী কলাপাতায় গড়া
রাত্রি জেগে চলে গান আর ভোজন।

পৌষ সংক্রান্তির সারা বেলা
গাঁয়ে গাঁয়ে ফেরি কীর্তন
তিল্লাই-বাতাসা-কমলা লুফালুফি।

ঘরে ঘরে রকমারি পিঠে-পুলির বাহার
ভেসে আসে পায়েসের সুগন্ধ।
আত্মীয় স্বজনের আনাগোনায়
জমজমাট এ পিঠে উৎসব।

তবে সবই এখন স্মৃতির পটে আঁকা
মুছে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার রীতি-নীতি,
পশ্চিমা হাওয়ায় বাঙালি মজেছে
খর্ব করছে নিজ জাতির সংস্কৃতি।

                           

একচোখা

✍️গোপাল দে

ভাগ‍্য------
তুমি বড়ই একচোখা
একদিকে দেখো কেমন সুপ্রসন্নতা
সুমিষ্ট ফল আর আনন্দ উল্লাস।
দুহাত দিয়ে লক্ষীদেবী 
করে যাচ্ছেন স্বর্ণবৃষ্টি বর্ষণ।
ফুলে ফলে সুশোভিত কিছু রঙিন বাগিচা।

আর অন‍্যদিকে.....?
শুধু হতাশা,ক্ষোভ,আর অব‍্যক্ত যন্ত্রনা।
একচোখা নিয়তির বিধানে
জীবনের দৌড়ে এক আহত সৈনিক
নিত‍্য লড়ে যাচ্ছে।
মানুষ আপন ভাগ‍্যের স্রষ্টা ভেবে
সে আজও পথ চেয়ে আছে-----
ভাগ‍্য প্রসন্ন হবে।

একচোখা

✍️গোপাল দে

ভাগ‍্য------
তুমি বড়ই একচোখা
একদিকে দেখো কেমন সুপ্রসন্নতা
সুমিষ্ট ফল আর আনন্দ উল্লাস।
দুহাত দিয়ে লক্ষীদেবী 
করে যাচ্ছেন স্বর্ণবৃষ্টি বর্ষণ।
ফুলে ফলে সুশোভিত কিছু রঙিন বাগিচা।

আর অন‍্যদিকে.....?
শুধু হতাশা,ক্ষোভ,আর অব‍্যক্ত যন্ত্রনা।
একচোখা নিয়তির বিধানে
জীবনের দৌড়ে এক আহত সৈনিক
নিত‍্য লড়ে যাচ্ছে।
মানুষ আপন ভাগ‍্যের স্রষ্টা ভেবে
সে আজও পথ চেয়ে আছে-----
ভাগ‍্য প্রসন্ন হবে।

দুঃখীর জীবন জয়‌‌


‌‌           ✍️সুজন দেবনাথ

হিমেল পরশ লাগলো বুকে
আসলো বুঝি শীত?
দিকে দিকে বাজছে যে আজ
পৌষ পাবনের গীত।।
বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ
এটাও তার একটি অঙ্গ।
আনন্দেতে মেতে ওঠে তাই
সকলেই দিই তাতে সঙ্গ।।
গ্ৰীষ্ম কাটে যেমন তেমন
দরিদ্রের, শীত বস্ত্রের বড্ড অভাব।
পরিস্থিতির স্বীকার তারা
এটা নয়তো তাদের স্বভাব।।
আমি আছি সদাই ঘরে মহা আনন্দেতে
শীতের রাতে উষ্ণতা পেতে আছে দামী কম্বল।
কিন্তু যাদের দুঃখ নিত্যসঙ্গী রয়েছে আস্তাকুঁড়ে
তাদের আছে বিছানা জুড়ে ছেঁড়া কাঁথাটাই সম্বল।।
আনন্দ যেমন বীরহও তেমন
সবার পাশা-পাশি তেই রয়।
চলো না এবার হাতে হাত ধরি,
মিলেমিশে করি, দুঃখীর জীবন জয়।।

দুঃখীর জীবন জয়‌‌


‌‌           ✍️সুজন দেবনাথ

হিমেল পরশ লাগলো বুকে
আসলো বুঝি শীত?
দিকে দিকে বাজছে যে আজ
পৌষ পাবনের গীত।।
বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ
এটাও তার একটি অঙ্গ।
আনন্দেতে মেতে ওঠে তাই
সকলেই দিই তাতে সঙ্গ।।
গ্ৰীষ্ম কাটে যেমন তেমন
দরিদ্রের, শীত বস্ত্রের বড্ড অভাব।
পরিস্থিতির স্বীকার তারা
এটা নয়তো তাদের স্বভাব।।
আমি আছি সদাই ঘরে মহা আনন্দেতে
শীতের রাতে উষ্ণতা পেতে আছে দামী কম্বল।
কিন্তু যাদের দুঃখ নিত্যসঙ্গী রয়েছে আস্তাকুঁড়ে
তাদের আছে বিছানা জুড়ে ছেঁড়া কাঁথাটাই সম্বল।।
আনন্দ যেমন বীরহও তেমন
সবার পাশা-পাশি তেই রয়।
চলো না এবার হাতে হাত ধরি,
মিলেমিশে করি, দুঃখীর জীবন জয়।।

প্রবন্ধ । বিষয় - পিসির পিঠে


               ✍️প্রানেশ দেবনাথ
                    
  দীর্ঘ ৫ বৎসর আগের কথা । আমি যখন অষ্টম শ্রেণীতে পড়তাম তখন একবার পিসিমনির বাড়িতে গিয়েছিলাম। আমার পিসুমশাই নেই, তিনি দাদার বয়স যখন ১২ তখন এই পৃথিবী ছেড়ে দূরের অসীম ওই আকাশের উদ্দেশ্যে রওনা দেন । আমার দাদা এমনিতে একটু দুষ্টু কিন্তু মন থেকে খুব ভালো । যাইহোক আমার পিসিমনিই আমার দাদাকে এই সুন্দর ভবিষ্যত প্রদান করল পিসুমশাইয়ের অনুপস্থিতিতে । দীর্ঘ ৫ বৎসর আগে আমি যখন পিসিমনির বাড়িতে গিয়েছিলাম তখন ছিল পৌষ মাস, আর পৌষ মাস মানেই হল বাঙ্গালিদের কাছে পৌষ সংক্রান্তি বা মকরক্রান্তি, আর মকরসংক্রান্তি মানেই হল পিঠের মেলা । আহ্ ...... বলতেই মুখে মিষ্টি রসালো ভাব চলে এলো । আমি যখন পিসিমনির বাড়িতে যাই তখন দেখলাম পিসিমনি আমি যাওয়ার আগেই বিভিন্ন রকমের পিঠে বানিয়ে বসে আছেন । আমি তাদের বাড়ির প্রধান দরজা পেরোতেই আমাকে দাদা এবং পিসি দুইজনই ঝাপটে ধরলেন । পিসিকে প্রনাম করে ঘরে প্রবেশ করলাম । এরপর পিসি আমাকে বিভিন্ন রকমারি পিঠে খেতে দেয় যা পিসি নিজের হাতে সকাল থেকে বানিয়ে রেখেছেন । সরাই পিঠের সঙ্গে খেজুর রস ....... আহ্, কী স্বাদ । তখন অনুভূতিটা এমন হচ্ছিল যেন আমি সেই খেজুর রসে ডুবে যাচ্চি। পাটি সাপটা, গোকুল পিঠে, পুলি আরো কত রকমারি পিঠে যে পিসি বানিয়েছে তা আমি চিনিও না । খাওয়া শেষ করার পরে দাদা বলল " চল ভাই এখন একটু ঘুরে আসি " । পিসিমনির বাড়ির কাছে একটি মাঠ ছিলো ওইখানে দেখলাম ছোটো ছোটো ছেলে মেয়ে ঘুড়ি উড়ানোর প্রচেষ্টা করছে । দাদা একটু দুষ্টু স্বভাবের আমার সাথে রাস্তা দিয়ে কথা বলতে বলতে কখন যে আঁখ খেতে ঢুকে গেলো আমি টেরও পাইনি । ওই আঁখ খেত থেকে দাদা খানিকের মধ্যে আঁখ তুলে এনে একটি অংশ আমাকে দেয় আর বাকিটা নিজে চিবোতে লাগলো । যখন বেলা ২ টো বাজে তখন হল স্নান করার পালা ।সেখানে গিয়েও দাদার দুষ্টুমীর শেষ নেই । আমি যতবার স্নান করে উঠে আসতে লাগলাম ততবার দাদা আমাকে কাদা দিয়ে ভরিয়ে দিতো । শেষমেষ আমাকে রেহাই দিলো আর নিজেও স্নান সেরে বাড়ির পথে রওনা দিলো । অনেক সময় কাটলো পিসিমনির বাড়িতে এবার নিজের গন্তব্যস্থলে অর্থাৎ নিজের আবাসিক বাসভবনে ফিরে যাওয়ার পালা । ভাত খেয়ে যওয়ার কথা বলল পিসিমনি কিন্তু ওইদিন ছিলো ওইদিনের শেষ বাস যেটা ধরতে না পারলে আমার আর বাড়ি যাওয়া হবে না সেইসঙ্গে আমার আগামীকালকের ক্লাসটাও হারানো হবে, যেটা আমি কোনোমতেই হারাতে চাই না । শেষে বাস আসল এবং আমাকে পিসিমনির সকল মায়া-মমতা ত্যাগ করে নিজের গণ্ডিতে ফিরে আসতেই হল । আজকের এই মকরসংক্রান্তির দিনে আমার আবার কথা গুলো মনে পড়ল। জানিনা দাদার ও পিসিমনির কতটুকু মনে আছে কিন্তু আমার পক্ষে ওইসব ঘটনা ভুলে যাওয়া খুবই কষ্টসাধ্য ব্যাপার । বর্তমানে আমি দ্বাদশ শ্রেণীতে পাঠ্যরত এবং দাদাও নাকি টেট পাশ করে শিক্ষকতার কাজে নিযুক্ত হয়েছেন এবং আমার পিসিমনি ছেলের জন্য মেয়ে খুজতে ব্যস্ত আছেন ।

প্রবন্ধ । বিষয় - পিসির পিঠে


               ✍️প্রানেশ দেবনাথ
                    
  দীর্ঘ ৫ বৎসর আগের কথা । আমি যখন অষ্টম শ্রেণীতে পড়তাম তখন একবার পিসিমনির বাড়িতে গিয়েছিলাম। আমার পিসুমশাই নেই, তিনি দাদার বয়স যখন ১২ তখন এই পৃথিবী ছেড়ে দূরের অসীম ওই আকাশের উদ্দেশ্যে রওনা দেন । আমার দাদা এমনিতে একটু দুষ্টু কিন্তু মন থেকে খুব ভালো । যাইহোক আমার পিসিমনিই আমার দাদাকে এই সুন্দর ভবিষ্যত প্রদান করল পিসুমশাইয়ের অনুপস্থিতিতে । দীর্ঘ ৫ বৎসর আগে আমি যখন পিসিমনির বাড়িতে গিয়েছিলাম তখন ছিল পৌষ মাস, আর পৌষ মাস মানেই হল বাঙ্গালিদের কাছে পৌষ সংক্রান্তি বা মকরক্রান্তি, আর মকরসংক্রান্তি মানেই হল পিঠের মেলা । আহ্ ...... বলতেই মুখে মিষ্টি রসালো ভাব চলে এলো । আমি যখন পিসিমনির বাড়িতে যাই তখন দেখলাম পিসিমনি আমি যাওয়ার আগেই বিভিন্ন রকমের পিঠে বানিয়ে বসে আছেন । আমি তাদের বাড়ির প্রধান দরজা পেরোতেই আমাকে দাদা এবং পিসি দুইজনই ঝাপটে ধরলেন । পিসিকে প্রনাম করে ঘরে প্রবেশ করলাম । এরপর পিসি আমাকে বিভিন্ন রকমারি পিঠে খেতে দেয় যা পিসি নিজের হাতে সকাল থেকে বানিয়ে রেখেছেন । সরাই পিঠের সঙ্গে খেজুর রস ....... আহ্, কী স্বাদ । তখন অনুভূতিটা এমন হচ্ছিল যেন আমি সেই খেজুর রসে ডুবে যাচ্চি। পাটি সাপটা, গোকুল পিঠে, পুলি আরো কত রকমারি পিঠে যে পিসি বানিয়েছে তা আমি চিনিও না । খাওয়া শেষ করার পরে দাদা বলল " চল ভাই এখন একটু ঘুরে আসি " । পিসিমনির বাড়ির কাছে একটি মাঠ ছিলো ওইখানে দেখলাম ছোটো ছোটো ছেলে মেয়ে ঘুড়ি উড়ানোর প্রচেষ্টা করছে । দাদা একটু দুষ্টু স্বভাবের আমার সাথে রাস্তা দিয়ে কথা বলতে বলতে কখন যে আঁখ খেতে ঢুকে গেলো আমি টেরও পাইনি । ওই আঁখ খেত থেকে দাদা খানিকের মধ্যে আঁখ তুলে এনে একটি অংশ আমাকে দেয় আর বাকিটা নিজে চিবোতে লাগলো । যখন বেলা ২ টো বাজে তখন হল স্নান করার পালা ।সেখানে গিয়েও দাদার দুষ্টুমীর শেষ নেই । আমি যতবার স্নান করে উঠে আসতে লাগলাম ততবার দাদা আমাকে কাদা দিয়ে ভরিয়ে দিতো । শেষমেষ আমাকে রেহাই দিলো আর নিজেও স্নান সেরে বাড়ির পথে রওনা দিলো । অনেক সময় কাটলো পিসিমনির বাড়িতে এবার নিজের গন্তব্যস্থলে অর্থাৎ নিজের আবাসিক বাসভবনে ফিরে যাওয়ার পালা । ভাত খেয়ে যওয়ার কথা বলল পিসিমনি কিন্তু ওইদিন ছিলো ওইদিনের শেষ বাস যেটা ধরতে না পারলে আমার আর বাড়ি যাওয়া হবে না সেইসঙ্গে আমার আগামীকালকের ক্লাসটাও হারানো হবে, যেটা আমি কোনোমতেই হারাতে চাই না । শেষে বাস আসল এবং আমাকে পিসিমনির সকল মায়া-মমতা ত্যাগ করে নিজের গণ্ডিতে ফিরে আসতেই হল । আজকের এই মকরসংক্রান্তির দিনে আমার আবার কথা গুলো মনে পড়ল। জানিনা দাদার ও পিসিমনির কতটুকু মনে আছে কিন্তু আমার পক্ষে ওইসব ঘটনা ভুলে যাওয়া খুবই কষ্টসাধ্য ব্যাপার । বর্তমানে আমি দ্বাদশ শ্রেণীতে পাঠ্যরত এবং দাদাও নাকি টেট পাশ করে শিক্ষকতার কাজে নিযুক্ত হয়েছেন এবং আমার পিসিমনি ছেলের জন্য মেয়ে খুজতে ব্যস্ত আছেন ।

জীবন যুদ্ধ


            ✍️ সাধন নমঃ

হাত এখনো মুষ্টিবদ্ধ,
এক টাকার কয়েনটা মুঠোয় আছে।
শুধু দায়িত্বের ভারে মাথা নত
বুকে জমাট বেঁধেছে অজস্র ক্ষত।
যৌবন আজও উত্তাল হয় বসন্তের আগমনে
পথের মোড়ের সুন্দরী মেয়েরা চোখের কোনে উঁকি মারে।
তবুও পারি না গোলাপ তুলতে,পারি না শব্দ বুনতে,
পেটের জ্বালায় ভালোবাসা হৃৎপিন্ডে গুমড়ে মরে।
কন্ঠ আমার বাক্ রুদ্ধ হয় প্রতিবাদের ঝড়ে
কয়েনটা খরচ হয়নি,আজও আছে হাতে।
জীবনকে বড় ভালোবাসি,তাই  আজও আছি,
যৌবন নয়,হেমন্তের রুক্ষতায় প্রতীক্ষারত আমি।

জীবন যুদ্ধ


            ✍️ সাধন নমঃ

হাত এখনো মুষ্টিবদ্ধ,
এক টাকার কয়েনটা মুঠোয় আছে।
শুধু দায়িত্বের ভারে মাথা নত
বুকে জমাট বেঁধেছে অজস্র ক্ষত।
যৌবন আজও উত্তাল হয় বসন্তের আগমনে
পথের মোড়ের সুন্দরী মেয়েরা চোখের কোনে উঁকি মারে।
তবুও পারি না গোলাপ তুলতে,পারি না শব্দ বুনতে,
পেটের জ্বালায় ভালোবাসা হৃৎপিন্ডে গুমড়ে মরে।
কন্ঠ আমার বাক্ রুদ্ধ হয় প্রতিবাদের ঝড়ে
কয়েনটা খরচ হয়নি,আজও আছে হাতে।
জীবনকে বড় ভালোবাসি,তাই  আজও আছি,
যৌবন নয়,হেমন্তের রুক্ষতায় প্রতীক্ষারত আমি।

অন্তর_কথন

 
             ✍️আক্তার হোসেন

যদি কোনো দিন হারিয়ে যাই
স্রোতের সাথে মিশে,
আমায় তুমি খুঁজতে যেও
সাগর বুকে এসে।

সাগরেরই অথৈ জলে
খুঁজে যদি পাও,
আমায় তুমি নিয়ে যেও
তোমার ছোট্ট গাঁও।

সে দিন আমায় চিনতে যদি
তোমার কষ্ট হয়, 
নতুন প্রেমে করে নিও
আমার পরিচয়।

যদি সে দিন চিনতে তোমার 
না হয় কোনো ত্রুটি, 
বুঝে নিও ভালোবাসাটা
ছিলো অনেক খাঁটি।

অন্তর_কথন

 
             ✍️আক্তার হোসেন

যদি কোনো দিন হারিয়ে যাই
স্রোতের সাথে মিশে,
আমায় তুমি খুঁজতে যেও
সাগর বুকে এসে।

সাগরেরই অথৈ জলে
খুঁজে যদি পাও,
আমায় তুমি নিয়ে যেও
তোমার ছোট্ট গাঁও।

সে দিন আমায় চিনতে যদি
তোমার কষ্ট হয়, 
নতুন প্রেমে করে নিও
আমার পরিচয়।

যদি সে দিন চিনতে তোমার 
না হয় কোনো ত্রুটি, 
বুঝে নিও ভালোবাসাটা
ছিলো অনেক খাঁটি।

পৌষপার্বণ


      ✍️মন্দিরা ভারতী

বছর পরে আবার এলো
   পিঠেপুলির স্বাদ,
পৌষপার্বনের আনন্দে সবাই
     হয়েছে উন্মাদ।
হাড়কাপানো শীতের ভোরে
এলো স্নানের পালা,
বন্ধুরা সব আয়রে তোরা
আয়রে আগুন জ্বালা।
বাড়ি ফিরে খাবো সবে
নানারকম পিঠে,
সঙ্গে পাবো সুস্বাদু
নলেনগুড় মিঠে মিঠে।
নতুন নতুন পোষাক পরে 
যাবো সাঁঝের মেলা,
চলরে তোরা তাড়াতাড়ি
বয়ে যাচ্ছে বেলা।
সংক্রান্তি শেষে পৌষের হাওয়া
এবারের মতো নিলো বিদায়,
আসবে ফিরে বছর পরে
রইলো মন এই অপেক্ষায়।

পৌষপার্বণ


      ✍️মন্দিরা ভারতী

বছর পরে আবার এলো
   পিঠেপুলির স্বাদ,
পৌষপার্বনের আনন্দে সবাই
     হয়েছে উন্মাদ।
হাড়কাপানো শীতের ভোরে
এলো স্নানের পালা,
বন্ধুরা সব আয়রে তোরা
আয়রে আগুন জ্বালা।
বাড়ি ফিরে খাবো সবে
নানারকম পিঠে,
সঙ্গে পাবো সুস্বাদু
নলেনগুড় মিঠে মিঠে।
নতুন নতুন পোষাক পরে 
যাবো সাঁঝের মেলা,
চলরে তোরা তাড়াতাড়ি
বয়ে যাচ্ছে বেলা।
সংক্রান্তি শেষে পৌষের হাওয়া
এবারের মতো নিলো বিদায়,
আসবে ফিরে বছর পরে
রইলো মন এই অপেক্ষায়।

ক্লান্ত ভাবনা


                   ✍️আলমগীর কবীর।

যখন কোনো কর্ম ক্ষেত্র থেকে বাড়ি ফিরি
ক্লান্ত শরীর নিয়ে একটা চেয়ারে বসে পড়ি। 
চেয়ারে বসে বসে মনে পড়ে হাজারও কথা
জীবনে চলার পথে পেয়েছি যত ব্যথা।
ভাবতে থাকি এ কি আজব দুনিয়া
যেখানে এক পলকের মাঝে জরিয়ে পরি মায়ায়।
আবার কখনও কেউ ব্যথা দিয়ে থাকে
সেই চিত্রখানি তখন মনের মধ্যে ছবি আঁকে। 
ভালবাসায় ভরা এ মানবজনম
আবার আঘাত দিয়ে চলছে বর্তমান ভুবন। 
জীবন ধারায় মিলেছে কত বন্ধু প্রিয় সাথী 
তাদের কভু ভুলার নয় তবু হারিয়ে যায় দেখি।
প্রিয়জন প্রিয়ই রয় হৃদয়ের মাঝে
তারাই আপন পর কাজে অকাজে।

ক্লান্ত ভাবনা


                   ✍️আলমগীর কবীর।

যখন কোনো কর্ম ক্ষেত্র থেকে বাড়ি ফিরি
ক্লান্ত শরীর নিয়ে একটা চেয়ারে বসে পড়ি। 
চেয়ারে বসে বসে মনে পড়ে হাজারও কথা
জীবনে চলার পথে পেয়েছি যত ব্যথা।
ভাবতে থাকি এ কি আজব দুনিয়া
যেখানে এক পলকের মাঝে জরিয়ে পরি মায়ায়।
আবার কখনও কেউ ব্যথা দিয়ে থাকে
সেই চিত্রখানি তখন মনের মধ্যে ছবি আঁকে। 
ভালবাসায় ভরা এ মানবজনম
আবার আঘাত দিয়ে চলছে বর্তমান ভুবন। 
জীবন ধারায় মিলেছে কত বন্ধু প্রিয় সাথী 
তাদের কভু ভুলার নয় তবু হারিয়ে যায় দেখি।
প্রিয়জন প্রিয়ই রয় হৃদয়ের মাঝে
তারাই আপন পর কাজে অকাজে।

বুড়িমার ঘর


               ✍️প্রীতম শীল

বুড়িমা তুমি আছো কোথায়,
ঘর বেঁধেছি তোমার জন্য।
খড়কুটোতে ঘর যে তোমার,
আয়োজন সে অতি নগন্য।
রুটি মাংসে নাতি নাতনিরে,
খাইয়ো রান্না করে তুমি।
না হয় খেজুর রসের মিষ্টান্নে,
চালিয়ে নেবো আমি।
ভোর সকালে গরম জলে,
স্নান করে ঘর পুড়বে।
আচ্ছা বুড়িমা তখন তুমি,
কোথায় একটি বছর রবে?
আমরা তো ঘর পুড়ে এসে,
সংক্রান্তির পিঠে খাবো।
তুমি কি আসবে ফিরে আবার,
আমরা আবার ফিরে পাবো?

            

বুড়িমার ঘর


               ✍️প্রীতম শীল

বুড়িমা তুমি আছো কোথায়,
ঘর বেঁধেছি তোমার জন্য।
খড়কুটোতে ঘর যে তোমার,
আয়োজন সে অতি নগন্য।
রুটি মাংসে নাতি নাতনিরে,
খাইয়ো রান্না করে তুমি।
না হয় খেজুর রসের মিষ্টান্নে,
চালিয়ে নেবো আমি।
ভোর সকালে গরম জলে,
স্নান করে ঘর পুড়বে।
আচ্ছা বুড়িমা তখন তুমি,
কোথায় একটি বছর রবে?
আমরা তো ঘর পুড়ে এসে,
সংক্রান্তির পিঠে খাবো।
তুমি কি আসবে ফিরে আবার,
আমরা আবার ফিরে পাবো?

            

বাবা

                    ✍️প্রসেনজীৎ সাহা 

বাবা মানে হাজার বিকেল
হাজার ভালোবাসা।। 
বাবা মানে সন্তানের জন‍্য 
অনেক স্বপ্ন অনেক আশা।।
বাবা মানে ছোট্ট ছোট্ট 
পায়ে চলতে শেখা।।
বাবা মানে শত বায়না 
শত শত আবদার করা।।
বাবা মানে সন্তানের 
কাছে বটবৃক্ষ।।
বাবা মানে নিজে শত কষ্টে 
থেকেও সন্তানের মুখে হাসি দেখা।।
বাবা মানে যার বুকে 
মাথা রেখে ঘুমানো।।
বাবা মানে শাসন
বাবা মানে আদর।।
বাবা মানে পুরো সংসারের 
দায়িত্ব যার কাঁধে।।
বাবা মানে নিজের কষ্ট 
নিজের কাছে লুকিয়ে রাখা।।
আমি তোমায় বড্ড ভালোবাসি বাবা।।
একথা পারিনি আজও তোমায় বলতে সামনে দাঁড়িয়ে।।
রোদ,বৃষ্টি, ঝড় মাথায় করে 
পূর্ণ করো আমাদের আবদার।।
নিজের ইচ্ছে দাও বিসর্জন 
আমাদের মুখের দিকে তাকিয়ে ।।
অনেক সময় অনেক খারাপ
 ব‍্যবহার করি বাবা
আমাদের করে দিও ক্ষমা।।
আমি তোমায় বড্ড ভালোবাসি বাবা।।

বাবা

                    ✍️প্রসেনজীৎ সাহা 

বাবা মানে হাজার বিকেল
হাজার ভালোবাসা।। 
বাবা মানে সন্তানের জন‍্য 
অনেক স্বপ্ন অনেক আশা।।
বাবা মানে ছোট্ট ছোট্ট 
পায়ে চলতে শেখা।।
বাবা মানে শত বায়না 
শত শত আবদার করা।।
বাবা মানে সন্তানের 
কাছে বটবৃক্ষ।।
বাবা মানে নিজে শত কষ্টে 
থেকেও সন্তানের মুখে হাসি দেখা।।
বাবা মানে যার বুকে 
মাথা রেখে ঘুমানো।।
বাবা মানে শাসন
বাবা মানে আদর।।
বাবা মানে পুরো সংসারের 
দায়িত্ব যার কাঁধে।।
বাবা মানে নিজের কষ্ট 
নিজের কাছে লুকিয়ে রাখা।।
আমি তোমায় বড্ড ভালোবাসি বাবা।।
একথা পারিনি আজও তোমায় বলতে সামনে দাঁড়িয়ে।।
রোদ,বৃষ্টি, ঝড় মাথায় করে 
পূর্ণ করো আমাদের আবদার।।
নিজের ইচ্ছে দাও বিসর্জন 
আমাদের মুখের দিকে তাকিয়ে ।।
অনেক সময় অনেক খারাপ
 ব‍্যবহার করি বাবা
আমাদের করে দিও ক্ষমা।।
আমি তোমায় বড্ড ভালোবাসি বাবা।।

পৌষ পার্বণ

                            
                 ✍️দিপীকা চক্রবর্তী 

কথিত যে বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ,
তার মধ্যে একটি হলো আমাদের পৌষ পার্বণ।
পিঠে,পুলি,পাটিসাপটা,
আহা!! তাহার গন্ধে যে ভরে মনটা,
ওঠন জুড়ে আলপনা সব
সকলের মনে যেনো এক উৎসবের রব।
ভোর না হতেই স্নানের ঘাটে ছেলে বুড়োর ভীর,
আসবে কবে পৌষ পার্বণ তাহা ভেবেই মন অস্থীর।
গ্রাম বাংলার ঘরে ঘরে আসে কীর্তনের দল,
আহা! সেই মধুর গানে সকলের মন হয় চঞ্চল।
মাঠে-ঘাটে, আকাশে-বাতাসে উৎসবেরই রব,
আসবে কবে পৌষ পার্বণ অপেক্ষায় থাকে সব।
   

পৌষ পার্বণ

                            
                 ✍️দিপীকা চক্রবর্তী 

কথিত যে বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ,
তার মধ্যে একটি হলো আমাদের পৌষ পার্বণ।
পিঠে,পুলি,পাটিসাপটা,
আহা!! তাহার গন্ধে যে ভরে মনটা,
ওঠন জুড়ে আলপনা সব
সকলের মনে যেনো এক উৎসবের রব।
ভোর না হতেই স্নানের ঘাটে ছেলে বুড়োর ভীর,
আসবে কবে পৌষ পার্বণ তাহা ভেবেই মন অস্থীর।
গ্রাম বাংলার ঘরে ঘরে আসে কীর্তনের দল,
আহা! সেই মধুর গানে সকলের মন হয় চঞ্চল।
মাঠে-ঘাটে, আকাশে-বাতাসে উৎসবেরই রব,
আসবে কবে পৌষ পার্বণ অপেক্ষায় থাকে সব।
   

হেমন্ত এসে গেছে

   ✍️  সুস্মিতা দেবনাথ। 

হেমন্ত এসে গেছে। 
মাঠে মাঠে সোনালী ধান
হালকা হিমের পরশ ,
শিশিরে ভেজা সকাল
হেমন্ত দিয়েছে উঁকি -
শিউলির আমেজ এখনো বাকি।
সুন্দর মনোরম পরিবেশ!
চারিদিকে নবান্নের উৎসব।
অন্নদাতার মুখে জয়ের হাসি
ঘরে ঘরে নতুন ধানের পিঠে
আহা্! কি দারুণ খেতে!
এ যেনো ঐশ্বরিক কাব্যিক আভা,
আকাশে বাতাসে মিলেমিশে 
হেমন্ত এসে গেছে ।।
.           ___________

হেমন্ত এসে গেছে

   ✍️  সুস্মিতা দেবনাথ। 

হেমন্ত এসে গেছে। 
মাঠে মাঠে সোনালী ধান
হালকা হিমের পরশ ,
শিশিরে ভেজা সকাল
হেমন্ত দিয়েছে উঁকি -
শিউলির আমেজ এখনো বাকি।
সুন্দর মনোরম পরিবেশ!
চারিদিকে নবান্নের উৎসব।
অন্নদাতার মুখে জয়ের হাসি
ঘরে ঘরে নতুন ধানের পিঠে
আহা্! কি দারুণ খেতে!
এ যেনো ঐশ্বরিক কাব্যিক আভা,
আকাশে বাতাসে মিলেমিশে 
হেমন্ত এসে গেছে ।।
.           ___________

আদর

                ✍️অন্তরা ভট্ট

আছি তো বেশ
পৌষের হালকা রোদ গায়ে মেখে।
মৃদু বাতাসের আমেজ নিয়ে
 বেশ লাগছে এই অনুভূতিটা।

মনে পড়ে ছোট বেলায়
ঠাকুমার সাথে পুকুরে মাছ ধরতে যাওয়া।
 সন্ধ্যায় ঠাকুমার পিঠে বানান
সে গন্ধ স্বাদ মনে ওঠে সব সময়।

আজও কথাগুলি মনে করি খুব করে।
ধীরে ধীরে বয়ে গেল সেই সব সময়।
রয়ে গেল শুধু স্মৃতির পাতায় কথাগুলো।

ঠাকুমার সাথে কাটানো সময় গুলো ছিল খুব প্রীতিকর।
কিছু মাস হল নেই আর আমাদের মাঝে কথাগুলো মনে করে আজও চোখের কোনটা ভরে ওঠে।।

আদর

                ✍️অন্তরা ভট্ট

আছি তো বেশ
পৌষের হালকা রোদ গায়ে মেখে।
মৃদু বাতাসের আমেজ নিয়ে
 বেশ লাগছে এই অনুভূতিটা।

মনে পড়ে ছোট বেলায়
ঠাকুমার সাথে পুকুরে মাছ ধরতে যাওয়া।
 সন্ধ্যায় ঠাকুমার পিঠে বানান
সে গন্ধ স্বাদ মনে ওঠে সব সময়।

আজও কথাগুলি মনে করি খুব করে।
ধীরে ধীরে বয়ে গেল সেই সব সময়।
রয়ে গেল শুধু স্মৃতির পাতায় কথাগুলো।

ঠাকুমার সাথে কাটানো সময় গুলো ছিল খুব প্রীতিকর।
কিছু মাস হল নেই আর আমাদের মাঝে কথাগুলো মনে করে আজও চোখের কোনটা ভরে ওঠে।।

পৌষ পার্বণের বিশেষ সংখ্যা "বাংলা ও বাঙালি "

 বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ। তারই একটি অঙ্গ হিসেবে রয়েছে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পৌষপার্বণ। এই উৎসব সাধারণত ইংরেজি মাসের 14 জানুয়ারি বা তার একদিন আগে -পরে তিথি অনুযায়ী হয়ে থাকে। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে বাঙালির ঘরে ঘরে রসনা পিঠে ও পায়েশ তৈরি করে। চোখ ধাঁধানো আলপনায় মেয়েরা সূর্য দেবের পূজা করে থাকেন। সারা দিন খাওয়া দাওয়ার শেষে বিকেল বেলা ঘুড়ি উড়ানো উৎসব। পৌষের শেষ দিনে সারা রাত টুসু গানের আসর বসে। এই উৎসব বাঙালির ঘরে নিয়ে আসে আনন্দ বার্তা। আত্মীয় স্বজনদের আগমনে এই উৎসব পূর্ণতা লাভ করে। 

পৌষ পার্বণের বিশেষ সংখ্যা "বাংলা ও বাঙালি "

 বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ। তারই একটি অঙ্গ হিসেবে রয়েছে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পৌষপার্বণ। এই উৎসব সাধারণত ইংরেজি মাসের 14 জানুয়ারি বা তার একদিন আগে -পরে তিথি অনুযায়ী হয়ে থাকে। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে বাঙালির ঘরে ঘরে রসনা পিঠে ও পায়েশ তৈরি করে। চোখ ধাঁধানো আলপনায় মেয়েরা সূর্য দেবের পূজা করে থাকেন। সারা দিন খাওয়া দাওয়ার শেষে বিকেল বেলা ঘুড়ি উড়ানো উৎসব। পৌষের শেষ দিনে সারা রাত টুসু গানের আসর বসে। এই উৎসব বাঙালির ঘরে নিয়ে আসে আনন্দ বার্তা। আত্মীয় স্বজনদের আগমনে এই উৎসব পূর্ণতা লাভ করে।