সময়ের অক্ষর,নবোন্মেষ সাহিত্য পত্রিকার পরিবেশনায় প্রকাশিত হচ্ছে। ২৫শে ফেব্রুয়ারী আগরতলা স্টুডেন্টস্ হেল্থ হোমে,

লেখক শিবশঙ্কর দেবনাথ এবং সৌরভ শীল-এর সম্পাদনায় ত্রিপুরার বিশিষ্ট কবিদের নিয়ে যৌথ কবিতা সংকলন  'সময়ের অক্ষর' প্রকাশিত হচ্ছে জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনী থেকে ২৫শে ফেব্রুয়ারী ২০২১ স্টুডেন্ট হেল্থ হোম হলে,আগরতলা। পাবেন আগরতলা ২০২১ বই মেলাতে, জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনীতে।

সময়ের অক্ষর,নবোন্মেষ সাহিত্য পত্রিকার পরিবেশনায় প্রকাশিত হচ্ছে। ২৫শে ফেব্রুয়ারী আগরতলা স্টুডেন্টস্ হেল্থ হোমে,

লেখক শিবশঙ্কর দেবনাথ এবং সৌরভ শীল-এর সম্পাদনায় ত্রিপুরার বিশিষ্ট কবিদের নিয়ে যৌথ কবিতা সংকলন  'সময়ের অক্ষর' প্রকাশিত হচ্ছে জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনী থেকে ২৫শে ফেব্রুয়ারী ২০২১ স্টুডেন্ট হেল্থ হোম হলে,আগরতলা। পাবেন আগরতলা ২০২১ বই মেলাতে, জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনীতে।

দ্যা গল্পগ্রাম,প্রকাশিত হচ্ছে জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনী থেকে,২৫ শে ফেব্রুয়ারী স্টুডেন্টস্ হেল্থ হোমে

লেখক গৌরাঙ্গ সরকার'এর সম্পাদনায় ত্রিপুরার এক ঝাঁক গল্পকার দ্বারা লিখিত যৌথ গল্প সংকলন  'দ্যা গল্পগ্রাম' প্রকাশিত হচ্ছে জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনী থেকে ২৫শে ফেব্রুয়ারী ২০২১ স্টুডেন্ট হেল্থ হোম হলে,আগরতলা। পাবেন আগরতলা ২০২১ বই মেলাতে, জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনীতে।

দ্যা গল্পগ্রাম,প্রকাশিত হচ্ছে জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনী থেকে,২৫ শে ফেব্রুয়ারী স্টুডেন্টস্ হেল্থ হোমে

লেখক গৌরাঙ্গ সরকার'এর সম্পাদনায় ত্রিপুরার এক ঝাঁক গল্পকার দ্বারা লিখিত যৌথ গল্প সংকলন  'দ্যা গল্পগ্রাম' প্রকাশিত হচ্ছে জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনী থেকে ২৫শে ফেব্রুয়ারী ২০২১ স্টুডেন্ট হেল্থ হোম হলে,আগরতলা। পাবেন আগরতলা ২০২১ বই মেলাতে, জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনীতে।

'স্থাপত্য কাব্যের পাঞ্জাবি' কবি গৌরাঙ্গ সরকার-এর কাব্যগ্রন্থ, প্রকাশিত হচ্ছে জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনী থেকে ২৫শে ফেব্রুয়ারী ২০২১ স্টুডেন্ট হেল্থ হোম হলে,আগরতলা।

 কবি গৌরাঙ্গ সরকার'এর কাব্য 'স্থাপত্য কাব্যের পাঞ্জাবি' প্রকাশিত হচ্ছে জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনী থেকে ২৫শে ফেব্রুয়ারী ২০২১ স্টুডেন্ট হেল্থ হোম হলে,আগরতলা। গ্রন্থটি মূলত রোমান্টিক কবিতা নিয়ে। পাবেন আগরতলা ২০২১ বই মেলাতে, জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনীতে।

'স্থাপত্য কাব্যের পাঞ্জাবি' কবি গৌরাঙ্গ সরকার-এর কাব্যগ্রন্থ, প্রকাশিত হচ্ছে জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনী থেকে ২৫শে ফেব্রুয়ারী ২০২১ স্টুডেন্ট হেল্থ হোম হলে,আগরতলা।

 কবি গৌরাঙ্গ সরকার'এর কাব্য 'স্থাপত্য কাব্যের পাঞ্জাবি' প্রকাশিত হচ্ছে জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনী থেকে ২৫শে ফেব্রুয়ারী ২০২১ স্টুডেন্ট হেল্থ হোম হলে,আগরতলা। গ্রন্থটি মূলত রোমান্টিক কবিতা নিয়ে। পাবেন আগরতলা ২০২১ বই মেলাতে, জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনীতে।

গ্রন্থ প্রকাশ অনুষ্ঠান

গ্রন্থ প্রকাশ অনুষ্ঠান

ফেব্রুয়ারীর ই- সংখ্যা

ফেব্রুয়ারীর ই- সংখ্যা

সম্পাদকীয়

সম্পাদকীয়............✍️
'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' বা ২১শে ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশ সহ সমগ্র বিশ্বে মাথা উঁচু করে বিশ্ববাসী 'শহীদ দিবস' হিসাবে জনগনের গৌরবোজ্জ্বল একটি দিন পালন করছে।  যার সৃষ্টি বিশ্বের এক শ্রেষ্ঠ জাতি 'বাঙালী'র হাত ধরে, বাঙালী'র রক্তে, ত্যাগে! এই জাতি বিশ্ববাসীকে শিখিয়েছে যে, মাতৃভাষা মায়ের দুধের সমান, আর মাতৃভাষার জন্য যে প্রাণ দেওয়া যায় সেটাও বাঙালী দেখিয়েছে। আমরা ইতিহাস শুনেছি, যখন অধম পশ্চিম পাকিস্তান (বর্তমান পাকিস্তান) অপশক্তির বলে পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) বসবাসকারী বাংলাবাসীর জনগনের উপর নানান নির্মম গণহত্যা ও  অত্যাচারের মাধ্যমে উর্দু ভাষা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তখন ১৯৫২ সালে( ৮ ফাল্গুন, ১৩৫৮, বৃহস্পতিবার) নিজের মাতৃভাষা তথা বাংলাভাষা'কে রক্ষা এবং পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা আন্দোলন করে তখন ছাত্রদের উপর পাকিস্তানি পুলিশের গুলিবর্ষণে কয়েকজন তরুণ শহীদ হন। তাঁদের মধ্যে অন্যতম রফিক, জব্বার, শফিউল, সালাম, বরকত আরো অনেকেই। তাই এই দিনটি শহীদ বা দধীচি দিবস হিসেবে চিহ্নিত এবং অমর হয়ে আছে। তারপর ২০১০ সালে জাতিসংঘ গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুসারে প্রতিবছর ২১শে ফেব্রুয়ারী বিশ্বব্যাপী 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে পালন করা হয়।
   'নবোন্মেষ' সাহিত্য পত্রিকার ফেব্রুয়ারী ই-সংখ্যা 'মাতৃভাষা' সংখ্যার মাধ্যমে বাংলাভাষা, সমগ্র মাতৃভাষা এবং মাতৃভাষা রক্ষা করতে যাঁরা প্রাণ দিয়েছেন তাঁদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা এবং অফুরন্ত ভালোবাসা রইল।

         ধন্যবাদ এবং শ্রদ্ধা
         গৌরাঙ্গ সরকার (সম্পাদক,নবোন্মেষ)
                    ও
       শিবশঙ্কর দেবনাথ (সহ-সম্পাদক, নবোন্মেষ)

সম্পাদকীয়

সম্পাদকীয়............✍️
'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' বা ২১শে ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশ সহ সমগ্র বিশ্বে মাথা উঁচু করে বিশ্ববাসী 'শহীদ দিবস' হিসাবে জনগনের গৌরবোজ্জ্বল একটি দিন পালন করছে।  যার সৃষ্টি বিশ্বের এক শ্রেষ্ঠ জাতি 'বাঙালী'র হাত ধরে, বাঙালী'র রক্তে, ত্যাগে! এই জাতি বিশ্ববাসীকে শিখিয়েছে যে, মাতৃভাষা মায়ের দুধের সমান, আর মাতৃভাষার জন্য যে প্রাণ দেওয়া যায় সেটাও বাঙালী দেখিয়েছে। আমরা ইতিহাস শুনেছি, যখন অধম পশ্চিম পাকিস্তান (বর্তমান পাকিস্তান) অপশক্তির বলে পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) বসবাসকারী বাংলাবাসীর জনগনের উপর নানান নির্মম গণহত্যা ও  অত্যাচারের মাধ্যমে উর্দু ভাষা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তখন ১৯৫২ সালে( ৮ ফাল্গুন, ১৩৫৮, বৃহস্পতিবার) নিজের মাতৃভাষা তথা বাংলাভাষা'কে রক্ষা এবং পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা আন্দোলন করে তখন ছাত্রদের উপর পাকিস্তানি পুলিশের গুলিবর্ষণে কয়েকজন তরুণ শহীদ হন। তাঁদের মধ্যে অন্যতম রফিক, জব্বার, শফিউল, সালাম, বরকত আরো অনেকেই। তাই এই দিনটি শহীদ বা দধীচি দিবস হিসেবে চিহ্নিত এবং অমর হয়ে আছে। তারপর ২০১০ সালে জাতিসংঘ গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুসারে প্রতিবছর ২১শে ফেব্রুয়ারী বিশ্বব্যাপী 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে পালন করা হয়।
   'নবোন্মেষ' সাহিত্য পত্রিকার ফেব্রুয়ারী ই-সংখ্যা 'মাতৃভাষা' সংখ্যার মাধ্যমে বাংলাভাষা, সমগ্র মাতৃভাষা এবং মাতৃভাষা রক্ষা করতে যাঁরা প্রাণ দিয়েছেন তাঁদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা এবং অফুরন্ত ভালোবাসা রইল।

         ধন্যবাদ এবং শ্রদ্ধা
         গৌরাঙ্গ সরকার (সম্পাদক,নবোন্মেষ)
                    ও
       শিবশঙ্কর দেবনাথ (সহ-সম্পাদক, নবোন্মেষ)

বর্ণমালার চাদর


              ✍️খোকন সাহা

এই দিতা !  মাথা তোল ।
কেন মেঘ দিয়ে মাখলি চুল।
অমিতাভই যদি দুঃহাতে  মাখিস্
তোর সুমেরু কুমেরু বুকে ,
কেন তবে লাল ফিতায় বাঁধলি -না
ঢেউ তোলা আঁধারের ঢল্ ।

যাবি যদি চল্ ।
অষ্টাদশীর কুলোতে ঝাড়ন্
একুশ ধানের শীষ  ;
খল্ খল্ নদীর পাশে
অগ্নিবৃত্তের মুখ ধোওয়া
আ-মরি !  বাংলা ভাষার বুকে  ;
মুখ তোলে ------
নগরনটির হাস্যমুখর  হংসপাখার তলে ।

আয়  আয় !  বন্দী সুন্দরের  নগ্ন উনুন  হতে
যত বারুদের বর্ণমালা ডেকে ওঠে
তোর নদীমাতৃক .  দেশমাতৃক. বন্দনার মর্মতল
ছিন্নভিন্ন করে ,
পারিস্ -তো,  দু-বেলার আত্মজীবনী সেলাই করে
রক্ত তোলপাড় ,  পরানমাঝির  বৈঠা দিয়ে
বন্ধ বন্যার  আর্তনাদ  ভেঙ্গে ফেল্  । 

কারুময় মাটির কাচুলি দিয়ে
ঢেকে ফেলা জলোচ্ছ্বাসের  প্রত্নময় ছেনীতে ---
যে আগুন   এখনও ,   রক্তে ডাকে বান -----
শুকিয়ে যাওয়া  ধূলট পথে
ফুল ফুটানোর   অমৃতজয়ী গান , ......
সেখানে পাঁজরের হাড় গুণে গুণে
বোকা মেয়ের  পায়ের কাছে
তীব্র চাবুক চিৎকার........ তৃতীয় বিশ্বের প্রাণঃ
.........তোর যত  ভাঙ্গনের প্রবাহ দিয়ে
গড়েছ মোদের  হাঃ  হাঃ , হো  হো.....
সূর্যের শর্ষক্ষেতে, মাধ্যাকর্ষনের যত নম্র নখ
ঝক্ ঝক্ করে ----- আমাদের শরীরে  ;
তাদের ধন্য করে,  কিসের শরীর থেকে
কাদের শরীরে গলে যাওয়ার আগে ......
হে বস্তির দূরন্ত মেয়ে !  অফুরন্ত মনিমঞ্জুষা !
ধূলোবালি গায়ে মেখে  সারাদিন টই টই ডাংগুলি ঘুড়ি ,
আর ক্লান্ত লাটাইয়ে যখন
কুড়োনো খাবার তুলে ঘুমিয়ে পড় ----
শহরের এঁটোবাস গলির ভাঙ্গা রিক্ সায় ;

------তখন , আমরাই তোর গায়ে
শীতের রোদের মত  জড়িয়ে থাকি
বর্ণমালার  চাদর  নিয়ে , অক্ষরবুটির আকাশছায়ায়
জ্বলে উঠি ,  রাত্রিশেষের ঝড়োপাতায় ।

তবু তোর  দু-চোখ ভরে
বিজয়ার বাজনা মুছে , এঁকে দি ----
অপুষ্টির অন্নসৃজন  শিল্পের দুনিয়া ।
আর দেশভ্রাতৃক নদীমাতৃক  বন্দনার মর্মতল
তোলপাড় করে -----
নানা ছাঁদে ,  নানা রঙে , এঁকে দি
তোর ভাষাজলতার  মনজলতার দীর্ঘ বেণী !

তবুও , বঙ্গভঙ্গের  আমরন অনশন   ঝেড়ে ফেলে.....
একবার ,  শুধু একবার
.....এই দিতা ,  মাথা তোল্ !  মুখ খোল্ !
তোর জাগরন  আমরনে চেয়ে আছে ----
পিতামাতার অন্নজল তুলে ধরা
বোবা দস্যু  রত্নাকরের দল ।
নতুবা ,  পৃথিবীর সব শব্দগুহায়
আজও লিখে চলে ----
ধমনীতান্ডব  অক্ষরের জয় ,
মানুষের......বিপন্ন....... বিস্ময় !
                 

বর্ণমালার চাদর


              ✍️খোকন সাহা

এই দিতা !  মাথা তোল ।
কেন মেঘ দিয়ে মাখলি চুল।
অমিতাভই যদি দুঃহাতে  মাখিস্
তোর সুমেরু কুমেরু বুকে ,
কেন তবে লাল ফিতায় বাঁধলি -না
ঢেউ তোলা আঁধারের ঢল্ ।

যাবি যদি চল্ ।
অষ্টাদশীর কুলোতে ঝাড়ন্
একুশ ধানের শীষ  ;
খল্ খল্ নদীর পাশে
অগ্নিবৃত্তের মুখ ধোওয়া
আ-মরি !  বাংলা ভাষার বুকে  ;
মুখ তোলে ------
নগরনটির হাস্যমুখর  হংসপাখার তলে ।

আয়  আয় !  বন্দী সুন্দরের  নগ্ন উনুন  হতে
যত বারুদের বর্ণমালা ডেকে ওঠে
তোর নদীমাতৃক .  দেশমাতৃক. বন্দনার মর্মতল
ছিন্নভিন্ন করে ,
পারিস্ -তো,  দু-বেলার আত্মজীবনী সেলাই করে
রক্ত তোলপাড় ,  পরানমাঝির  বৈঠা দিয়ে
বন্ধ বন্যার  আর্তনাদ  ভেঙ্গে ফেল্  । 

কারুময় মাটির কাচুলি দিয়ে
ঢেকে ফেলা জলোচ্ছ্বাসের  প্রত্নময় ছেনীতে ---
যে আগুন   এখনও ,   রক্তে ডাকে বান -----
শুকিয়ে যাওয়া  ধূলট পথে
ফুল ফুটানোর   অমৃতজয়ী গান , ......
সেখানে পাঁজরের হাড় গুণে গুণে
বোকা মেয়ের  পায়ের কাছে
তীব্র চাবুক চিৎকার........ তৃতীয় বিশ্বের প্রাণঃ
.........তোর যত  ভাঙ্গনের প্রবাহ দিয়ে
গড়েছ মোদের  হাঃ  হাঃ , হো  হো.....
সূর্যের শর্ষক্ষেতে, মাধ্যাকর্ষনের যত নম্র নখ
ঝক্ ঝক্ করে ----- আমাদের শরীরে  ;
তাদের ধন্য করে,  কিসের শরীর থেকে
কাদের শরীরে গলে যাওয়ার আগে ......
হে বস্তির দূরন্ত মেয়ে !  অফুরন্ত মনিমঞ্জুষা !
ধূলোবালি গায়ে মেখে  সারাদিন টই টই ডাংগুলি ঘুড়ি ,
আর ক্লান্ত লাটাইয়ে যখন
কুড়োনো খাবার তুলে ঘুমিয়ে পড় ----
শহরের এঁটোবাস গলির ভাঙ্গা রিক্ সায় ;

------তখন , আমরাই তোর গায়ে
শীতের রোদের মত  জড়িয়ে থাকি
বর্ণমালার  চাদর  নিয়ে , অক্ষরবুটির আকাশছায়ায়
জ্বলে উঠি ,  রাত্রিশেষের ঝড়োপাতায় ।

তবু তোর  দু-চোখ ভরে
বিজয়ার বাজনা মুছে , এঁকে দি ----
অপুষ্টির অন্নসৃজন  শিল্পের দুনিয়া ।
আর দেশভ্রাতৃক নদীমাতৃক  বন্দনার মর্মতল
তোলপাড় করে -----
নানা ছাঁদে ,  নানা রঙে , এঁকে দি
তোর ভাষাজলতার  মনজলতার দীর্ঘ বেণী !

তবুও , বঙ্গভঙ্গের  আমরন অনশন   ঝেড়ে ফেলে.....
একবার ,  শুধু একবার
.....এই দিতা ,  মাথা তোল্ !  মুখ খোল্ !
তোর জাগরন  আমরনে চেয়ে আছে ----
পিতামাতার অন্নজল তুলে ধরা
বোবা দস্যু  রত্নাকরের দল ।
নতুবা ,  পৃথিবীর সব শব্দগুহায়
আজও লিখে চলে ----
ধমনীতান্ডব  অক্ষরের জয় ,
মানুষের......বিপন্ন....... বিস্ময় !
                 

বাড়িটা কাঁদছে


              ✍️নিধির রায়

বাড়িটা কাঁদছে
ছাদ থেকে গড়িয়ে পড়েছে অশ্রুজল,
আমার কানের কাছে সেই জল পড়ার শব্দ 
অবিরত বেজে চলেছে,
আজ বাড়িটির মালিক চলে যাচ্ছে,
অন‍্যত্র বাসা হয়েছে তার।
এতবছর ধরে আমার কানের কাছে 
আমার ঠিক শিয়রের কাছে 
ঝরেছে ছাদের জল,বৃষ্টির জল
একদিনও মনে হয়নি বাড়িটা কাঁদছে,
মনে হতো বিরক্তিকর ঝর্ণাধ্বনি,ভেবেছি
একদিন বলবো,বন্ধ করো ঐ ঝর্ণা 
ঘুম হয়না, জানো না।
বলার আগেই চলে গেছে ওরা 
অন‍্যত্র হয়েছে বাস,
বাড়িটা একা পড়ে আছে,
একা আছে বলেই ওর কান্না
দীর্ঘতর বড়াখেয়ালের মতো
স্থায়ী থেকে অন্তরায় ধীরতম ধীর লয়ে 
ছড়িয়ে পড়েছে সমস্ত পাড়ায়।
বাড়িটিও কাঁদে মালিক এর জন্য 
মালিকটি যেমন কেঁদেছিল বিদায়ের বেলা।

বাড়িটা কাঁদছে


              ✍️নিধির রায়

বাড়িটা কাঁদছে
ছাদ থেকে গড়িয়ে পড়েছে অশ্রুজল,
আমার কানের কাছে সেই জল পড়ার শব্দ 
অবিরত বেজে চলেছে,
আজ বাড়িটির মালিক চলে যাচ্ছে,
অন‍্যত্র বাসা হয়েছে তার।
এতবছর ধরে আমার কানের কাছে 
আমার ঠিক শিয়রের কাছে 
ঝরেছে ছাদের জল,বৃষ্টির জল
একদিনও মনে হয়নি বাড়িটা কাঁদছে,
মনে হতো বিরক্তিকর ঝর্ণাধ্বনি,ভেবেছি
একদিন বলবো,বন্ধ করো ঐ ঝর্ণা 
ঘুম হয়না, জানো না।
বলার আগেই চলে গেছে ওরা 
অন‍্যত্র হয়েছে বাস,
বাড়িটা একা পড়ে আছে,
একা আছে বলেই ওর কান্না
দীর্ঘতর বড়াখেয়ালের মতো
স্থায়ী থেকে অন্তরায় ধীরতম ধীর লয়ে 
ছড়িয়ে পড়েছে সমস্ত পাড়ায়।
বাড়িটিও কাঁদে মালিক এর জন্য 
মালিকটি যেমন কেঁদেছিল বিদায়ের বেলা।

স্বপ্নের বাস্তব


           ✍️ডাঃ রূপক পোদ্দার

গানের ভিতর দিয়ে যখন দেখি ভুবনখানি তখন তারে চিনি আমি,
তখন তারে জানি। তখন তারি আলোর ভাষায়
আকাশ ভরে ভালোবাসায়,
তখন তারি ধুলায় ধুলায় জাগে পরম বাণী।
তখন সে যে বাহির ছেড়ে অন্তরে মোর আসে,
তখন আমার হৃদয় কাঁপে তারি ঘাসে ঘাসে।
রূপের রেখা রসের ধারায়
আপন সীমা কোথায় হারায়,
তখন দেখি আমার সাথে সবার কানাকানি ॥

স্বপ্নের বাস্তব


           ✍️ডাঃ রূপক পোদ্দার

গানের ভিতর দিয়ে যখন দেখি ভুবনখানি তখন তারে চিনি আমি,
তখন তারে জানি। তখন তারি আলোর ভাষায়
আকাশ ভরে ভালোবাসায়,
তখন তারি ধুলায় ধুলায় জাগে পরম বাণী।
তখন সে যে বাহির ছেড়ে অন্তরে মোর আসে,
তখন আমার হৃদয় কাঁপে তারি ঘাসে ঘাসে।
রূপের রেখা রসের ধারায়
আপন সীমা কোথায় হারায়,
তখন দেখি আমার সাথে সবার কানাকানি ॥

মাতৃভাষা


        ✍️ মনচলি চক্রবর্তী 

বাংলা মোদের মা।
বাংলা মোদের মাতৃভাষা ।।
বাংলা ভাষার মাঝে আছে প্রান।
এই ভাষায় জাগে  বুকে শিহরণ ।।
কত দেশ কত যে ভাষা,
আমার হৃদয়ে লেখা থাকুক
 চিরকাল অমর হয়ে ।
আমার  মাতৃভাষা বাংলা ভাষা ।।
বাংলা ভাষায় বলবো কথা।
বাংলাভাষায় লিখবো গাথা।।
বাংলায় ভাষায় গাইব গান ।
বাংলা মনে আনে ছন্দ তাল।।
মায়ের ভাষার আছে সুখ ।
মাতৃভাষায় জুড়ে যায় বুক।।
বাংলা মায়ের মুখ দেখে।
জীবন মন দেবো সঁপে।।
রক্ত জড়ানো একুশে ফুটুক।
শত শ্রদ্ধার  একরাশ গোলাপ।।

মাতৃভাষা


        ✍️ মনচলি চক্রবর্তী 

বাংলা মোদের মা।
বাংলা মোদের মাতৃভাষা ।।
বাংলা ভাষার মাঝে আছে প্রান।
এই ভাষায় জাগে  বুকে শিহরণ ।।
কত দেশ কত যে ভাষা,
আমার হৃদয়ে লেখা থাকুক
 চিরকাল অমর হয়ে ।
আমার  মাতৃভাষা বাংলা ভাষা ।।
বাংলা ভাষায় বলবো কথা।
বাংলাভাষায় লিখবো গাথা।।
বাংলায় ভাষায় গাইব গান ।
বাংলা মনে আনে ছন্দ তাল।।
মায়ের ভাষার আছে সুখ ।
মাতৃভাষায় জুড়ে যায় বুক।।
বাংলা মায়ের মুখ দেখে।
জীবন মন দেবো সঁপে।।
রক্ত জড়ানো একুশে ফুটুক।
শত শ্রদ্ধার  একরাশ গোলাপ।।

মাতৃভাষা


            ✍️সুপর্ণা মজুমদার 

বাংলা আমার মাতৃভাষা বাংলা আমার দেশ, 
এই ভাষাতেই "মা " বলি ভাই এই ভাষাটাই বেশ। 
বাংলায় আমি গরব করি বাংলায় হই সরব,
আত্মপ্রকাশের ভাষা আমার নয়তো ছিলাম নীরব। 
অতুল, রজনী, নজরুল, 
 ডি.এল রায় আর রবি,
এই ভাষাতেই হয়েছিলেন বিশ্বখ্যাত কবি।
বাংলার পুত্র বীরেশ্বর
 করলেন বিশ্বজয়,
সুভাষ বোস তো এই ভাষাতেই সব বাঙালির হৃদয়ে রয়!
বাংলা ভাষা মায়ের মতো মিস্টি মধুর ভাষা, 
এই ভাষাতেই গান গেয়ে যায় মাঝি ভাই আর চাষা।
এই ভাষাতেই কেঁদে হেসে মিটে সবার আশা,
প্রাণের ভাষা, মনের ভাষা আমার বাংলা ভাষা। 

মাতৃভাষা


            ✍️সুপর্ণা মজুমদার 

বাংলা আমার মাতৃভাষা বাংলা আমার দেশ, 
এই ভাষাতেই "মা " বলি ভাই এই ভাষাটাই বেশ। 
বাংলায় আমি গরব করি বাংলায় হই সরব,
আত্মপ্রকাশের ভাষা আমার নয়তো ছিলাম নীরব। 
অতুল, রজনী, নজরুল, 
 ডি.এল রায় আর রবি,
এই ভাষাতেই হয়েছিলেন বিশ্বখ্যাত কবি।
বাংলার পুত্র বীরেশ্বর
 করলেন বিশ্বজয়,
সুভাষ বোস তো এই ভাষাতেই সব বাঙালির হৃদয়ে রয়!
বাংলা ভাষা মায়ের মতো মিস্টি মধুর ভাষা, 
এই ভাষাতেই গান গেয়ে যায় মাঝি ভাই আর চাষা।
এই ভাষাতেই কেঁদে হেসে মিটে সবার আশা,
প্রাণের ভাষা, মনের ভাষা আমার বাংলা ভাষা। 

বাংলা আমার অহংকার


             ✍️সৈকত মজুমদার

আমি গর্বিত আজ 
আমার মায়ের ভাষা বাংলা ,
আমি বাংলায় কথা বলি এবং 
গর্ববোধ করি একজন বাঙালি।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
রাজা রামমোহন রায় 
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর থেকে  
স্বামী বিবেকানন্দ প্রমুখ
মনীষীদের জন্য গর্ববোধ করি।
উনারা সবাই বাঙালি, আর 
সেই ভাষায় আমি কথা বলি;

২১ ও পাড় ১৯ এ পাড় 
ভাষা শহীদরা আমার অহংকার।

বাংলা আমার অহংকার


             ✍️সৈকত মজুমদার

আমি গর্বিত আজ 
আমার মায়ের ভাষা বাংলা ,
আমি বাংলায় কথা বলি এবং 
গর্ববোধ করি একজন বাঙালি।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
রাজা রামমোহন রায় 
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর থেকে  
স্বামী বিবেকানন্দ প্রমুখ
মনীষীদের জন্য গর্ববোধ করি।
উনারা সবাই বাঙালি, আর 
সেই ভাষায় আমি কথা বলি;

২১ ও পাড় ১৯ এ পাড় 
ভাষা শহীদরা আমার অহংকার।

একুশে ফেব্রুয়ারি


             ✍️ সুজন দেবনাথ

কত যে ভাইয়ের রক্তে রাঙিয়ে
স্মরণে আজ একুশে ফেব্রুয়ারি।
আমরা ভুলবো না কভু সেই কথা
সদা স্মরণে থাকবে তুমি সবারই।।
আমি বাঙালি, এই বাংলা আজি
তোমার আমার সবার অহংকার।
কত বাঙালির মহান ত্যাগে আজ
বাংলা হয়েছে আমাদের অলংকার।।
অথচ মর্ডান যুগের বাঙালি আজ
ভুলে যাচ্ছি আমাদের সেই আদর্শ।
যেই ভাষাকে মর্যাদা দিতে বাঙালির
আঘাতে আঘাতে কেটেছে কত বর্ষ।।
মোদের গর্ব, আশা প্রিয় বাংলাভাষা
আজ চেয়ে দেখো তার কি অবগতি।
স্বদেশি বন্ধনা ছেড়ে বিদেশি চর্চায়
বাঙালির আজ হয়েছে ভ্রষ্ট মতি।।
উন্নতি হয়েছে বাঙালির চিন্তাধারা
তাই চেতনায় ধরাচ্ছে মলিন ঘুন।
বিদেশি শিক্ষায় সবে শিক্ষিত হচ্ছে
ক্রমান্বয়ে স্বদেশ টাকে করছে খুন।।

একুশে ফেব্রুয়ারি


             ✍️ সুজন দেবনাথ

কত যে ভাইয়ের রক্তে রাঙিয়ে
স্মরণে আজ একুশে ফেব্রুয়ারি।
আমরা ভুলবো না কভু সেই কথা
সদা স্মরণে থাকবে তুমি সবারই।।
আমি বাঙালি, এই বাংলা আজি
তোমার আমার সবার অহংকার।
কত বাঙালির মহান ত্যাগে আজ
বাংলা হয়েছে আমাদের অলংকার।।
অথচ মর্ডান যুগের বাঙালি আজ
ভুলে যাচ্ছি আমাদের সেই আদর্শ।
যেই ভাষাকে মর্যাদা দিতে বাঙালির
আঘাতে আঘাতে কেটেছে কত বর্ষ।।
মোদের গর্ব, আশা প্রিয় বাংলাভাষা
আজ চেয়ে দেখো তার কি অবগতি।
স্বদেশি বন্ধনা ছেড়ে বিদেশি চর্চায়
বাঙালির আজ হয়েছে ভ্রষ্ট মতি।।
উন্নতি হয়েছে বাঙালির চিন্তাধারা
তাই চেতনায় ধরাচ্ছে মলিন ঘুন।
বিদেশি শিক্ষায় সবে শিক্ষিত হচ্ছে
ক্রমান্বয়ে স্বদেশ টাকে করছে খুন।।