সম্পাদকীয়

সম্পাদকীয়.............….✍


বর্তমানে জন্মদিন মানেই বুঝি যে আনন্দ, ফূর্তি এবং কেক কাটা ইত্যাদি। আমরা যদি আধ্যাত্মিকতা দার্শনিক দিক দিয়ে দেখি বা ভাবি তাহলে কোনো জীব জন্তুর জন্মদিন, মানে পরম পুরুষ অর্থাৎ ঈশ্বরের জন্মদিন। কারণ যেহেতু আমরা ঈশ্বর থেকে এসেছি, সেহেতু কোনো জীবজন্তুর জন্মদিন মানেই ঈশ্বরের জন্মদিন। তাই জন্মদিনে মনে রাখতে হবে যে, আজ ঈশ্বরের জন্মদিন। সে যে-ই হোক।

 

ধন্যবাদান্তে এবং শুভকামনায়

            গৌরাঙ্গ সরকার

                (সম্পাদক)

                'নবোন্মেষ'


সম্পাদকীয়

সম্পাদকীয়.............….✍


বর্তমানে জন্মদিন মানেই বুঝি যে আনন্দ, ফূর্তি এবং কেক কাটা ইত্যাদি। আমরা যদি আধ্যাত্মিকতা দার্শনিক দিক দিয়ে দেখি বা ভাবি তাহলে কোনো জীব জন্তুর জন্মদিন, মানে পরম পুরুষ অর্থাৎ ঈশ্বরের জন্মদিন। কারণ যেহেতু আমরা ঈশ্বর থেকে এসেছি, সেহেতু কোনো জীবজন্তুর জন্মদিন মানেই ঈশ্বরের জন্মদিন। তাই জন্মদিনে মনে রাখতে হবে যে, আজ ঈশ্বরের জন্মদিন। সে যে-ই হোক।

 

ধন্যবাদান্তে এবং শুভকামনায়

            গৌরাঙ্গ সরকার

                (সম্পাদক)

                'নবোন্মেষ'


সম্পাদকের প্রতি

   ….✍সুচরিতা পাটারী


আজি হতে কিছু বর্ষ আগে জন্মেছিলে তুমি, 

2রা জুলাই দেখেছিলে এই সুন্দর ভারত ভূমি। 

সাজিয়া এসেছিলে তুমি, নবরূপ সাজে, 

বিধাতার সৃষ্টি করা এই বিশ্ব মাঝে। 

তোমার জন্মে যাঁর ছিল সর্বশ্রেষ্ঠ দান, 

নয় মাস, দশ দিনের কষ্ট হল তাঁর অবসান। 

তোমার দেওয়া প্রথম সেই বুক ফাটা চিৎকারে, 

বুক ভরা খুশি এনে দিয়েছিল, তোমার পরিবারে। 

বাইরে বসা যে মানুষটির চিন্তা ছিল ভারী, 

কান্না শুনে প্রথম, জল ভরা চোখে হাসি ফুটল তাঁর-ই। 

বুঝেছ কি? কে সেই জন? আর কেউ নয় ওরে, 

প্রথম বুলিতে বাবা বলে ডেকেছিলে যাঁরে। 

কিছুদিন পর রমরমা করে করিল মানুষ সাঙ্গ, 

মা ,বাবা দু-জন অতি খুশি মনে নাম দিল তোমার গৌরাঙ্গ। 

তারপর আরও তোমাকে নিয়ে হলো বহু আয়োজন, 

চিনিল তোমায় বহু লোকে, হইলা তুমি প্রিয়জন। 

দেখতে দেখতে সাতাশ টি  বছর করেছ তুমি পার,

 ক্রমে কিন্তু বেড়েই চলছে দায়-দায়িত্বের  ভার। 

জীবনটাকে গঠন করো, ফিরো না পিছু পানে, 

মৃত্যুতে যাতে তুমি হাসলেও, জল ঝরে ভুবনে। 

চেষ্টা করো হয়ে উঠতে মা, বাবার গর্ব, 

তোমার জন্য করলাম আমি এই কবিতা উৎসর্গ। 

বেশি কিছু আর বললাম না, আজকে শুভদিন,

শুভ কামনার সাথে জানাই, শুভ জন্মদিন।।

সম্পাদকের প্রতি

   ….✍সুচরিতা পাটারী


আজি হতে কিছু বর্ষ আগে জন্মেছিলে তুমি, 

2রা জুলাই দেখেছিলে এই সুন্দর ভারত ভূমি। 

সাজিয়া এসেছিলে তুমি, নবরূপ সাজে, 

বিধাতার সৃষ্টি করা এই বিশ্ব মাঝে। 

তোমার জন্মে যাঁর ছিল সর্বশ্রেষ্ঠ দান, 

নয় মাস, দশ দিনের কষ্ট হল তাঁর অবসান। 

তোমার দেওয়া প্রথম সেই বুক ফাটা চিৎকারে, 

বুক ভরা খুশি এনে দিয়েছিল, তোমার পরিবারে। 

বাইরে বসা যে মানুষটির চিন্তা ছিল ভারী, 

কান্না শুনে প্রথম, জল ভরা চোখে হাসি ফুটল তাঁর-ই। 

বুঝেছ কি? কে সেই জন? আর কেউ নয় ওরে, 

প্রথম বুলিতে বাবা বলে ডেকেছিলে যাঁরে। 

কিছুদিন পর রমরমা করে করিল মানুষ সাঙ্গ, 

মা ,বাবা দু-জন অতি খুশি মনে নাম দিল তোমার গৌরাঙ্গ। 

তারপর আরও তোমাকে নিয়ে হলো বহু আয়োজন, 

চিনিল তোমায় বহু লোকে, হইলা তুমি প্রিয়জন। 

দেখতে দেখতে সাতাশ টি  বছর করেছ তুমি পার,

 ক্রমে কিন্তু বেড়েই চলছে দায়-দায়িত্বের  ভার। 

জীবনটাকে গঠন করো, ফিরো না পিছু পানে, 

মৃত্যুতে যাতে তুমি হাসলেও, জল ঝরে ভুবনে। 

চেষ্টা করো হয়ে উঠতে মা, বাবার গর্ব, 

তোমার জন্য করলাম আমি এই কবিতা উৎসর্গ। 

বেশি কিছু আর বললাম না, আজকে শুভদিন,

শুভ কামনার সাথে জানাই, শুভ জন্মদিন।।

কৃতজ্ঞতা

….✍প্রিয়াঙ্কা দেবনাথ

 

বন্ধু যতো পেয়েছি চলার পথে, 

সবাই তো আর রয়নি সাথে।

কেউ ছিল দু'দিনের অতিথি,

কেউ মাঝপথে গেলো ছেড়ে।

কেউ ডুবে গেলো ব্যস্ততায়,

কেউবা হলো উধাও;

জীবনের কঠিন বাস্তবতায়।

কেউ আবার আসলো নতুন আশার আলো নিয়ে।

আগলে রাখার চেষ্টা করেছিলাম

একই রকম ভাবে,

ভালোবেসে দিয়েছিলাম মনের দুয়ার খোলে।

এতো ভালোবাসা নাকি আবার সয়না কারো,

তাই হয়তোবা ---

তবে, এই যাওয়া আসার ভিড়ের মাঝেই

শক্ত করে হাতটি ধরে রেখে,

সাথে সাথে চলার মতো

বন্ধু ও তো রয়েছে জীবনে।

সুখের দিনে পাই বা না পাই,

দুঃখের দিনে সদাই যাদের চাই।

জীবন টা হয়তোবা মাঝপথেই থমকে যেতো..

যদি না পেতাম পাশে তোমাদের।

তাই, ব্যস্ততার অজুহাতে 

কোনোদিনও বলা হয়ে উঠেনি

যে কথাগুলো...

আজ বলতে চাই বন্ধু,

    হৃদয়ের গভীরে তোমাদের

যে স্থান,

আজ সেই অন্তঃস্থল হতে

জানাতে চাই '' কৃতজ্ঞতা ''

তোমাদের অকৃত্রিম ভালোবাসার প্রতি।

তোমাদের স্নেহ, মায়া, মমতা,

এই দু'নয়নের অশ্রু মোচনে

তোমাদের অক্লান্ত প্রচেষ্টার প্রতি...

আমি চিরকৃতজ্ঞ ।

দুঃখ যদি দিয়ে থাকি অগোচরে,

ক্ষমা করে দিও তবের পথে,

নতুন অঙ্গীকার এর সাথে।

'' নোতুন পৃথিবী'' গড়ার স্বপ্ন নিয়ে

'' নবোন্মেষ'' এর আলোর পথে।


কৃতজ্ঞতা

….✍প্রিয়াঙ্কা দেবনাথ

 

বন্ধু যতো পেয়েছি চলার পথে, 

সবাই তো আর রয়নি সাথে।

কেউ ছিল দু'দিনের অতিথি,

কেউ মাঝপথে গেলো ছেড়ে।

কেউ ডুবে গেলো ব্যস্ততায়,

কেউবা হলো উধাও;

জীবনের কঠিন বাস্তবতায়।

কেউ আবার আসলো নতুন আশার আলো নিয়ে।

আগলে রাখার চেষ্টা করেছিলাম

একই রকম ভাবে,

ভালোবেসে দিয়েছিলাম মনের দুয়ার খোলে।

এতো ভালোবাসা নাকি আবার সয়না কারো,

তাই হয়তোবা ---

তবে, এই যাওয়া আসার ভিড়ের মাঝেই

শক্ত করে হাতটি ধরে রেখে,

সাথে সাথে চলার মতো

বন্ধু ও তো রয়েছে জীবনে।

সুখের দিনে পাই বা না পাই,

দুঃখের দিনে সদাই যাদের চাই।

জীবন টা হয়তোবা মাঝপথেই থমকে যেতো..

যদি না পেতাম পাশে তোমাদের।

তাই, ব্যস্ততার অজুহাতে 

কোনোদিনও বলা হয়ে উঠেনি

যে কথাগুলো...

আজ বলতে চাই বন্ধু,

    হৃদয়ের গভীরে তোমাদের

যে স্থান,

আজ সেই অন্তঃস্থল হতে

জানাতে চাই '' কৃতজ্ঞতা ''

তোমাদের অকৃত্রিম ভালোবাসার প্রতি।

তোমাদের স্নেহ, মায়া, মমতা,

এই দু'নয়নের অশ্রু মোচনে

তোমাদের অক্লান্ত প্রচেষ্টার প্রতি...

আমি চিরকৃতজ্ঞ ।

দুঃখ যদি দিয়ে থাকি অগোচরে,

ক্ষমা করে দিও তবের পথে,

নতুন অঙ্গীকার এর সাথে।

'' নোতুন পৃথিবী'' গড়ার স্বপ্ন নিয়ে

'' নবোন্মেষ'' এর আলোর পথে।


নারীকে হেয় নয়

  ….✍সৌরভ শীল


নারীকে আর হেয় নয়!

তিলে তিলে আর যে কত সয়।

এবার জবাব দিতে নেমেছি পথে;

তাইতো প্রতিবাদী সুর গাইছি একসাথে।

তাই নারীকে আর হেয় নয়!

রেখো না বন্দিনী করে বদ্ধ কারাগারে;

জবাব দেবে সময়ের পরে।

সময়ের চাকা ঘুরবে এবার;

ঘুমন্ত যারা চক্ষু খুলবে সবার।

তাই নারীকে আর আঘাত নয়!

আধুনিকতার একুশ শতকে এলে;

মর্ডান কাকে বলে তাও ভুলে গেলে।

এবার পাল্লা দিয়ে জয়ী হবে;

তারাও আজ আকাশ ছুঁবে।

এ যুগের ইতিহাসে নারীও অমর রবে।

এসব দেখে কি আধুনিক হই,

এ কোন মানসিকতা বিবেক কী কই?

নরপিশাচ তুমি মাংসপিণ্ড ভক্ষণ করিবে কত;

দশভূজা রূপে নারী আসবে শত শত!!


নারীকে হেয় নয়

  ….✍সৌরভ শীল


নারীকে আর হেয় নয়!

তিলে তিলে আর যে কত সয়।

এবার জবাব দিতে নেমেছি পথে;

তাইতো প্রতিবাদী সুর গাইছি একসাথে।

তাই নারীকে আর হেয় নয়!

রেখো না বন্দিনী করে বদ্ধ কারাগারে;

জবাব দেবে সময়ের পরে।

সময়ের চাকা ঘুরবে এবার;

ঘুমন্ত যারা চক্ষু খুলবে সবার।

তাই নারীকে আর আঘাত নয়!

আধুনিকতার একুশ শতকে এলে;

মর্ডান কাকে বলে তাও ভুলে গেলে।

এবার পাল্লা দিয়ে জয়ী হবে;

তারাও আজ আকাশ ছুঁবে।

এ যুগের ইতিহাসে নারীও অমর রবে।

এসব দেখে কি আধুনিক হই,

এ কোন মানসিকতা বিবেক কী কই?

নরপিশাচ তুমি মাংসপিণ্ড ভক্ষণ করিবে কত;

দশভূজা রূপে নারী আসবে শত শত!!


ফাঁসি চাই দাবী মোর

       ….✍রাজদীপ ঘোষ


আজ আমি আবারো এসেছি, 

আবারো এসেছি প্লে- কার্ড হাতে নিয়ে। 

আজ আমি ধর্না দিতে আসি নি, 

আজ এসেছি নিজের ইচ্ছার কথা জানাতে। 


যে নর-খাদক খেয়েছে আমার বোনের শরীর! 

ধ্বংস করেছে অনাগত একটি প্রাণ'কে!

আমি আজ বিচার চাইতে এসেছি এখানে, 

নর-খাদকের ফাঁসির দাবীতে। 


কী ভেবেছো তোমরা বিচার করবে না?

আজ বছর খানেক হলো বিচারপতি, 

তুমি নিশ্চুপ কেন? তোমার জবাব চাই। 

আমি যে আজ এসেছি আবার, 

দাবী একটাই --- 'আমি বিচার চাই।'


বিচার করো, ন্যায় বিচার দাও;

সমাজ আজ তাঁকিয়ে আদালত তোমার দিকে। 

সমাজের নারীরা চাইছে নিজেদের স্বাধীনভাবে বাঁচার অধিকার। 

সমাজের মানুষ হিসেবে আমি চাই --- 'ন্যায় বিচার।'


হ্যাঁ, হ্যাঁ, হ্যাঁ - আমি ন্যায় চাই। 

আমি সাম্যের গান গাই, আমি সাম্যবাদী তাই। 

নজরুল আমায় শিক্ষা দিয়েছে ---

''সাম্যের গান গাওয়ার জন্যে।'

রামমোহন আমায় আহ্বান করেছে ---

'নারী জাতির হয়ে লড়াই করতে।'


ফাঁসি চাই দাবী মোর

       ….✍রাজদীপ ঘোষ


আজ আমি আবারো এসেছি, 

আবারো এসেছি প্লে- কার্ড হাতে নিয়ে। 

আজ আমি ধর্না দিতে আসি নি, 

আজ এসেছি নিজের ইচ্ছার কথা জানাতে। 


যে নর-খাদক খেয়েছে আমার বোনের শরীর! 

ধ্বংস করেছে অনাগত একটি প্রাণ'কে!

আমি আজ বিচার চাইতে এসেছি এখানে, 

নর-খাদকের ফাঁসির দাবীতে। 


কী ভেবেছো তোমরা বিচার করবে না?

আজ বছর খানেক হলো বিচারপতি, 

তুমি নিশ্চুপ কেন? তোমার জবাব চাই। 

আমি যে আজ এসেছি আবার, 

দাবী একটাই --- 'আমি বিচার চাই।'


বিচার করো, ন্যায় বিচার দাও;

সমাজ আজ তাঁকিয়ে আদালত তোমার দিকে। 

সমাজের নারীরা চাইছে নিজেদের স্বাধীনভাবে বাঁচার অধিকার। 

সমাজের মানুষ হিসেবে আমি চাই --- 'ন্যায় বিচার।'


হ্যাঁ, হ্যাঁ, হ্যাঁ - আমি ন্যায় চাই। 

আমি সাম্যের গান গাই, আমি সাম্যবাদী তাই। 

নজরুল আমায় শিক্ষা দিয়েছে ---

''সাম্যের গান গাওয়ার জন্যে।'

রামমোহন আমায় আহ্বান করেছে ---

'নারী জাতির হয়ে লড়াই করতে।'


অব্যক্ত কথা

….✍মোঃরুবেল


গ্রীষ্মে চৌচির একটা মাঠ যেমন এক বিন্দু বৃষ্টির করে অপেক্ষা,

আমিও তোমার উষ্ণ পরশের করি দীর্ঘ প্রতীক্ষা।

একটা বিকেল ঘুড়ি যেমন বাতাসের অসীম প্রেমে মাতে,

আমিও তোমার প্রগাঢ় প্রেমে ভাসতে চাই আনমনে।

একটি সান্ধ্য তারা যেমন চাঁদের সাথে থাকে নিগূঢ়ভাবে,

আমিও তোমার সাথে পথ চলতে চাই সঙ্গোপণে।

মেঘের আড়ালে সূর্য যেমন হাসে চুপটি করে,

আমিও তোমার রাগ-অনুরাগে মানিয়ে নেবো চুপিসারে।

নদী যেমন সুশ্রী হয় জলের পূর্ণতায়,

আমিও তোমার ভালোবাসায় স্বয়ং সম্পন্ন হতে চাই।


অব্যক্ত কথা

….✍মোঃরুবেল


গ্রীষ্মে চৌচির একটা মাঠ যেমন এক বিন্দু বৃষ্টির করে অপেক্ষা,

আমিও তোমার উষ্ণ পরশের করি দীর্ঘ প্রতীক্ষা।

একটা বিকেল ঘুড়ি যেমন বাতাসের অসীম প্রেমে মাতে,

আমিও তোমার প্রগাঢ় প্রেমে ভাসতে চাই আনমনে।

একটি সান্ধ্য তারা যেমন চাঁদের সাথে থাকে নিগূঢ়ভাবে,

আমিও তোমার সাথে পথ চলতে চাই সঙ্গোপণে।

মেঘের আড়ালে সূর্য যেমন হাসে চুপটি করে,

আমিও তোমার রাগ-অনুরাগে মানিয়ে নেবো চুপিসারে।

নদী যেমন সুশ্রী হয় জলের পূর্ণতায়,

আমিও তোমার ভালোবাসায় স্বয়ং সম্পন্ন হতে চাই।


ছোট গ্রাম

              ….✍মনিকা বিশ্বাস 


আমাদের এই ছোট গ্রামে,

আঁকা বাঁকা মাটির পথে,

চারপাশে গাছেদের সারি।

মাটির পথগুলি ধুলায় মাখা,

আমাদের এই ছোট ঘরবাড়ি।

গাছে গাছে ময়না টিয়ে, 

আরো কতধরনের পাখি। 

সবসময় গাছে বসে

করে শুধু ডাকাডাকি। 

আমাদের এই ছোট গ্রামে 

মাটিগুলিতে কতধরনের সোনার ধান, 

বড় বড় পাহাড়েতে রয়েছে জুম। 

কৃষকের চোখে মুখে 

আনন্দ উল্লাসে ভরে দেয় ভালোবাসার চুম।

এইভাবে সুখ দুঃখ সব নিয়ে 

তারা মিলেমিশে এক সাথে 

থাকে সারামাস।


ছোট গ্রাম

              ….✍মনিকা বিশ্বাস 


আমাদের এই ছোট গ্রামে,

আঁকা বাঁকা মাটির পথে,

চারপাশে গাছেদের সারি।

মাটির পথগুলি ধুলায় মাখা,

আমাদের এই ছোট ঘরবাড়ি।

গাছে গাছে ময়না টিয়ে, 

আরো কতধরনের পাখি। 

সবসময় গাছে বসে

করে শুধু ডাকাডাকি। 

আমাদের এই ছোট গ্রামে 

মাটিগুলিতে কতধরনের সোনার ধান, 

বড় বড় পাহাড়েতে রয়েছে জুম। 

কৃষকের চোখে মুখে 

আনন্দ উল্লাসে ভরে দেয় ভালোবাসার চুম।

এইভাবে সুখ দুঃখ সব নিয়ে 

তারা মিলেমিশে এক সাথে 

থাকে সারামাস।


অচেনা পথচারী

   ….✍প্রেমচাঁদ ঠাকুর  


তুমি কে গো অচেনা পথচারী?

রন্ধ্র থেকে করছো লুকোচুরি খেলা;

ধরি ধরি তবুও না ধরিতে পারি।

বিশ্ব ব্রহ্মান্ডের ভার লইয়ে ভাইছো ভেলা।

যখনই তামসিকতার তালে হয়েছি বিহ্বল,

তমসার সেই ঘাটে দিয়েছো বাঁধ বেঁধে। 

বলছো তুমি, 'আমার নাম বল' ' চল ফিরে চল।

তখুনি অনুভবে দিলেম আমি কেঁদে!


তুমি যে মোর সাথে থাকো প্রতিখনে।

লিন্সা ভারে যখনই হয়েছি বিপদগামী;

হাত ছেড়ে দাওনি,রয়েছো মোর ঘুমের বনে,

অভিশপ্ত হয়েও পেয়েছি আশীষের  চরণধামি!

হে প্রিয়, তুমি কে গো? বিরাজ করছো মনের বনে।

আজও বুঝতে পেলেম না তুমি কোন্ মহাস্বামী!