সম্পাদকীয়...................

আজ ২২-শে শ্রাবণ, গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবস। এইদিনেই অর্থাৎ ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের ২২শে শ্রাবণ(7th August, 1941) আমাদের আঁখি ফাঁকি দিয়ে চলে গিয়েছিলেন মহান সাধক, দার্শনিক, বিশ্বকবি, সংগীতকার, সুরকার এবং মানুষের প্রাণের প্রাণ গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, যেন আকাশ-বাতাস বিষাদের বাসস্থান তৈরি হয়েছিল। উনি আমাদের ভালোবাসার উৎস, বাঙালীর,ভারতবর্ষের এবং পার্থিব জগতের গর্ব, ধনাত্মক উৎসাহের বটগাছ। উনার চরণতলে রইলো শতকোটি প্রণাম, রইলো প্রাণ ভরা ভালোবাসা। 
সবার জন্য রইলো করুণ ভালোবাসা 
 -গৌরাঙ্গ সরকার
    *সম্পাদক*
    *নবোন্মেষ*

নবোন্মেষ এ আপনাকে স্বাগত

নবোন্মেষ এ আপনাকে স্বাগত

সম্পাদকীয়...................

আজ ২২-শে শ্রাবণ, গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবস। এইদিনেই অর্থাৎ ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের ২২শে শ্রাবণ(7th August, 1941) আমাদের আঁখি ফাঁকি দিয়ে চলে গিয়েছিলেন মহান সাধক, দার্শনিক, বিশ্বকবি, সংগীতকার, সুরকার এবং মানুষের প্রাণের প্রাণ গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, যেন আকাশ-বাতাস বিষাদের বাসস্থান তৈরি হয়েছিল। উনি আমাদের ভালোবাসার উৎস, বাঙালীর,ভারতবর্ষের এবং পার্থিব জগতের গর্ব, ধনাত্মক উৎসাহের বটগাছ। উনার চরণতলে রইলো শতকোটি প্রণাম, রইলো প্রাণ ভরা ভালোবাসা। 
সবার জন্য রইলো করুণ ভালোবাসা 
 -গৌরাঙ্গ সরকার
    *সম্পাদক*
    *নবোন্মেষ*

💐শ্রদ্ধাঞ্জলি💐

         ✍️কবিতা সাহা

স্তব্ধ সকাল যেন আজ রবিহীন, 
অঝোরে অশ্রুধারা বইছে সারা দিন।
জমা জল ভেঙেছে বাঁধ,
বেড়েছে হৃৎস্পন্দন!
বিনামেঘেই বৃষ্টি নামলো,
তবে, এ বুঝি রবি হারানোর ক্রন্দন?
আজ শ্রাবণ ধারায় ভাসছে বুক,
ভেসে আসছে রবির সেই চেনা মুখ ।
রবির ছবি সেজে উঠেছে
শুভ্র সাদা জুঁই ফুলে,
তা দেখে চারদিক যেন,
ঝাপসা হয়ে আসছে নোনাজলে।
আজকের দিনেই বাইশে শ্রাবণ,
বিদায় নিয়েছিলেন রবি।
সৃষ্টির মাধ্যমে আজও স্মরণীয়, 
মোদের বিশ্বকবি।।
রচনা করে গেলেন তিনি 
বহু গান, কবিতা এবং গদ্য ।
বাংলা সাহিত্যকে কবিগুরুই
করেছিলেন সমৃদ্ধ।
সারা বিশ্বে বরণীয় তিনি,
বাঙালীর মহারাজা। 
শিশু মনকে  ভাবতে শিখিয়েছিলেন,
"আমরা সবাই রাজা"।
"ভেঙে মোর ঘরের চাবি 
নিয়ে যাবি কে আমারে";
এই গানের মাধ্যমে তিনি
যেমন প্রেম জাগিয়েছিলেন,
ঠিক তেমনি একা পথিককে
জুগিয়েছিলেন মনোবল-
"যদি তোর ডাক শুনে কেউ না
আসে তবে একলা চলো রে "।
তিনি বঙ্গভঙ্গ রোধের সমর্থনে,
"ও আমার দেশের মাটি"
গানের মাধ্যমে জাগ্রত
করেছিলেন দেশপ্রেম।
"জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে"
ও "আমার সোনার বাংলা"
এই দুই রাষ্ট্রীয় সংগীতের মতো 
অনবদ্য সকল সৃষ্টির মাধ্যমে, 
সর্বদা মোদের মাঝে কবিগুরু
আজও বিরাজমান।
তাই,কবির প্রতি শ্রদ্ধা জানাই,
এবং চরণে জানাই সহস্র প্রনাম।
পরিশেষে কবিরই গানের ভাষায়;
আজ কবিকে জানাতে চাই,
"তুমি রবে নীরবে হৃদয়ে মম"।

💐শ্রদ্ধাঞ্জলি💐

         ✍️কবিতা সাহা

স্তব্ধ সকাল যেন আজ রবিহীন, 
অঝোরে অশ্রুধারা বইছে সারা দিন।
জমা জল ভেঙেছে বাঁধ,
বেড়েছে হৃৎস্পন্দন!
বিনামেঘেই বৃষ্টি নামলো,
তবে, এ বুঝি রবি হারানোর ক্রন্দন?
আজ শ্রাবণ ধারায় ভাসছে বুক,
ভেসে আসছে রবির সেই চেনা মুখ ।
রবির ছবি সেজে উঠেছে
শুভ্র সাদা জুঁই ফুলে,
তা দেখে চারদিক যেন,
ঝাপসা হয়ে আসছে নোনাজলে।
আজকের দিনেই বাইশে শ্রাবণ,
বিদায় নিয়েছিলেন রবি।
সৃষ্টির মাধ্যমে আজও স্মরণীয়, 
মোদের বিশ্বকবি।।
রচনা করে গেলেন তিনি 
বহু গান, কবিতা এবং গদ্য ।
বাংলা সাহিত্যকে কবিগুরুই
করেছিলেন সমৃদ্ধ।
সারা বিশ্বে বরণীয় তিনি,
বাঙালীর মহারাজা। 
শিশু মনকে  ভাবতে শিখিয়েছিলেন,
"আমরা সবাই রাজা"।
"ভেঙে মোর ঘরের চাবি 
নিয়ে যাবি কে আমারে";
এই গানের মাধ্যমে তিনি
যেমন প্রেম জাগিয়েছিলেন,
ঠিক তেমনি একা পথিককে
জুগিয়েছিলেন মনোবল-
"যদি তোর ডাক শুনে কেউ না
আসে তবে একলা চলো রে "।
তিনি বঙ্গভঙ্গ রোধের সমর্থনে,
"ও আমার দেশের মাটি"
গানের মাধ্যমে জাগ্রত
করেছিলেন দেশপ্রেম।
"জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে"
ও "আমার সোনার বাংলা"
এই দুই রাষ্ট্রীয় সংগীতের মতো 
অনবদ্য সকল সৃষ্টির মাধ্যমে, 
সর্বদা মোদের মাঝে কবিগুরু
আজও বিরাজমান।
তাই,কবির প্রতি শ্রদ্ধা জানাই,
এবং চরণে জানাই সহস্র প্রনাম।
পরিশেষে কবিরই গানের ভাষায়;
আজ কবিকে জানাতে চাই,
"তুমি রবে নীরবে হৃদয়ে মম"।

২২-শে শ্রাবণ

      ✍️সুস্মিতা দেবনাথ 
২২-শে শ্রাবন
সেদিন তুমি চলে গিয়েছিলে চিরনীরবে।
যাবার আগে অনেক অলঙ্কারে;
বিশ্বভুবন রেখে গেছো সাজিয়ে।
বাতাসের ধ্বনি, পাহাড়ের নির্জনে;
নিঃসঙ্গ  হিমাদ্রি চূড়া জ্বালিয়েছো শব্দের আগুনে।
সমুদ্রের গর্জনে, জনতার কোলাহলে। 
করুণ ব্যাথা নারীর অন্তঃপুরে
কাব্য আর কবিতায়
অম্ল মধুর ছন্দে।
ছবির ক্যানভাসে তুলি টেনে
গল্প  আর নাটকে,
সমাজের ছবি এঁকে
তুমি দেখিয়েছো আলো;
সমাজকে সমাজের দরবারে।
আজকের  মতোই 
সেদিন যাবার আগে,
পৃথিবীর কোলে শেষবারের মত,
মাথা রেখে কবি তুমি দেখেছিলে।
বৃষ্টির ধ্বনি বাজিয়ে
কাজল চোখের এক
কৃষ্ণাঙ্গ বালিকা নাচে,
রিমঝিম, রিমঝিম
তারপর নিঃশব্দে 
চিরঘুমে,চিরবিদায়.......।

২২-শে শ্রাবণ

      ✍️সুস্মিতা দেবনাথ 
২২-শে শ্রাবন
সেদিন তুমি চলে গিয়েছিলে চিরনীরবে।
যাবার আগে অনেক অলঙ্কারে;
বিশ্বভুবন রেখে গেছো সাজিয়ে।
বাতাসের ধ্বনি, পাহাড়ের নির্জনে;
নিঃসঙ্গ  হিমাদ্রি চূড়া জ্বালিয়েছো শব্দের আগুনে।
সমুদ্রের গর্জনে, জনতার কোলাহলে। 
করুণ ব্যাথা নারীর অন্তঃপুরে
কাব্য আর কবিতায়
অম্ল মধুর ছন্দে।
ছবির ক্যানভাসে তুলি টেনে
গল্প  আর নাটকে,
সমাজের ছবি এঁকে
তুমি দেখিয়েছো আলো;
সমাজকে সমাজের দরবারে।
আজকের  মতোই 
সেদিন যাবার আগে,
পৃথিবীর কোলে শেষবারের মত,
মাথা রেখে কবি তুমি দেখেছিলে।
বৃষ্টির ধ্বনি বাজিয়ে
কাজল চোখের এক
কৃষ্ণাঙ্গ বালিকা নাচে,
রিমঝিম, রিমঝিম
তারপর নিঃশব্দে 
চিরঘুমে,চিরবিদায়.......।

💐মহাকালের মহাপ্রয়াণ💐

       ✍️সাধন নমঃ
হাজারটা আলো এসে ভীড় করেছে
চোখের কোণে।
তবু আমি গুরুদেব ছুটেছি
তোমার শিখার পানে।।
সপ্তরঙের আভাস  দিয়েছো
মোর আঁখিপানে,
হাজারও ভাষা দিয়েছ প্রভু
মোর শুষ্ক ঠোঁটে।।
অবুঝ শিশু বলে নিলে পারে তোলে
কোমল স্নেহের প্রেমে।
আজ কেন কাঁদিয়ে গেলে মোরে
বুকফাটা সুরে ?
আজ যখন শ্রাবণ সন্ধ্যায় ভাঙ্গলো
আমার ঘুম,
দেখি পথের মোরে হাজারও যাত্রী
করে আছে চুপ।।
যদি বা জানিতাম যাবে প্রভু
এই শ্রাবণঘন মোহে,
জড়িয়ে ধরিতাম যুগল চরণ
নাহি দিতাম যেতে।।

💐মহাকালের মহাপ্রয়াণ💐

       ✍️সাধন নমঃ
হাজারটা আলো এসে ভীড় করেছে
চোখের কোণে।
তবু আমি গুরুদেব ছুটেছি
তোমার শিখার পানে।।
সপ্তরঙের আভাস  দিয়েছো
মোর আঁখিপানে,
হাজারও ভাষা দিয়েছ প্রভু
মোর শুষ্ক ঠোঁটে।।
অবুঝ শিশু বলে নিলে পারে তোলে
কোমল স্নেহের প্রেমে।
আজ কেন কাঁদিয়ে গেলে মোরে
বুকফাটা সুরে ?
আজ যখন শ্রাবণ সন্ধ্যায় ভাঙ্গলো
আমার ঘুম,
দেখি পথের মোরে হাজারও যাত্রী
করে আছে চুপ।।
যদি বা জানিতাম যাবে প্রভু
এই শ্রাবণঘন মোহে,
জড়িয়ে ধরিতাম যুগল চরণ
নাহি দিতাম যেতে।।

পরাণ

       ✍️উজ্জ্বল ভট্টাচার্য্য
সখী মোর কই গেলা কই?
পরাণে বাঁচি
মৃত্যু যন্ত্রণা লই!
তুমি দেখলেই জানবে কোন্ কারণ!
শ্রাবণের ধারায়
আমি কত অসহায়!
শোকাশোকের সুরে 
স্মৃতি ভবঘুরে
রোজ-রোজ একটু-একটু
আগাছায় পরাণটারে কোপায়়! 
আর কত? আর কত?
সইতে পারিনা যে!
হৃদয়হীনা তুমি বড়ো স্বার্থপর!
আমারে এ অচেনা পৃথিবীর
মধ্যবিন্দু'য়
মনে হয় মিছি মিছি।
জানিনা চক্রান্ত কি'না
ছেড়ে গেলে অনাথের মত!
ফাঁসির আসামীর মতো
চিল্লায় পরাণ শান্ত হয় ফের,
কে আর খোঁজ রাখে
এতসব গোলমাল
ব্যস্ত দুনিয়ায় আগুন দাম সময়ের!

পরাণ

       ✍️উজ্জ্বল ভট্টাচার্য্য
সখী মোর কই গেলা কই?
পরাণে বাঁচি
মৃত্যু যন্ত্রণা লই!
তুমি দেখলেই জানবে কোন্ কারণ!
শ্রাবণের ধারায়
আমি কত অসহায়!
শোকাশোকের সুরে 
স্মৃতি ভবঘুরে
রোজ-রোজ একটু-একটু
আগাছায় পরাণটারে কোপায়়! 
আর কত? আর কত?
সইতে পারিনা যে!
হৃদয়হীনা তুমি বড়ো স্বার্থপর!
আমারে এ অচেনা পৃথিবীর
মধ্যবিন্দু'য়
মনে হয় মিছি মিছি।
জানিনা চক্রান্ত কি'না
ছেড়ে গেলে অনাথের মত!
ফাঁসির আসামীর মতো
চিল্লায় পরাণ শান্ত হয় ফের,
কে আর খোঁজ রাখে
এতসব গোলমাল
ব্যস্ত দুনিয়ায় আগুন দাম সময়ের!

চিরস্মৃতিতে তুমি

      ✍️ বিথী দেব ভট্টাচার্য
আমি একা বসে ঘরে হেরি যবে তোমার ছবি,
মনে হয় তুমি ছবি নও শুধু-
আমার কবিতারও কবি!
আঁখি পানে চেয়ে থাকি যবে দুনয়ন মেলে,
মনে হয় তুমি সত্যিই আছ-
ছবির ঐ অন্তরালে।

তুমি ছিলে বলেই প্রেম জেগেছিল শূন্য হৃদয় মাঝে,
তুমি ছিলে বলেই সুন্দর পৃথিবী-
আজও সকাল সাজে।
তোমাকে মনে করে যে আমার 
কবিতায় ছন্দ সাজে,
তোমাকে মনে করে এ প্রাণে
সুরের ঝংকার  বাজে।

তুমি নেই আজ ভাবি কেমনে!
হারিয়ে যাবে তুমি সইব কেমনে!!...
ভেবে আমার এ ব্যাকুল হৃদয়-
শান্ত থাকেনা,যে..!
তাইতো আমার চোখের ভাষায় রেখেছি তোমায় মনের কথায়,
চিরজীবিত থাকবে তুমি- আমার হৃদয় মাঝে।।

চিরস্মৃতিতে তুমি

      ✍️ বিথী দেব ভট্টাচার্য
আমি একা বসে ঘরে হেরি যবে তোমার ছবি,
মনে হয় তুমি ছবি নও শুধু-
আমার কবিতারও কবি!
আঁখি পানে চেয়ে থাকি যবে দুনয়ন মেলে,
মনে হয় তুমি সত্যিই আছ-
ছবির ঐ অন্তরালে।

তুমি ছিলে বলেই প্রেম জেগেছিল শূন্য হৃদয় মাঝে,
তুমি ছিলে বলেই সুন্দর পৃথিবী-
আজও সকাল সাজে।
তোমাকে মনে করে যে আমার 
কবিতায় ছন্দ সাজে,
তোমাকে মনে করে এ প্রাণে
সুরের ঝংকার  বাজে।

তুমি নেই আজ ভাবি কেমনে!
হারিয়ে যাবে তুমি সইব কেমনে!!...
ভেবে আমার এ ব্যাকুল হৃদয়-
শান্ত থাকেনা,যে..!
তাইতো আমার চোখের ভাষায় রেখেছি তোমায় মনের কথায়,
চিরজীবিত থাকবে তুমি- আমার হৃদয় মাঝে।।

বিমর্ষে তুমি

      ✍️ পরিতোষ সরকার
সেদিন দেখেছিলাম তোমায় শহরতলীর ভিরে।
প্রতিটি গলিতে তোমার পদরেনুর স্পর্শ পরছে।
গোল চেহারায় টান-টান চোখ, আর-
মাঝে মাঝে শুকিয়ে ওঠা ঠোঁট।
বিনি বাঁধানো সত্ত্বেও অবাধ্য মেয়ে-ছেলের মতো
একগোছা চুল ভ্রু বেয়ে কানের পাশ কেটে
মাঝ গালে হাওয়ায় হাওয়ায় উড়ে -
যেন আপন নগরী সাজিয়েছে।
বিকেলের রক্তিম আলো তোমার শরীরে
ঝড়া পাতার মতন খসে পড়েছে।
চোখে-মুখে তোমার আনন্দের ভরাডুবি।
আমি জানিনে কীসের সেই আনন্দ,
যৌবনের -
না-কি সাময়িক স্বাধীনতা।
আজ দীর্ঘকাল আমি তোমার পাশে বসি,
তোমার হাত ছোঁয়ে দেই।
মাঝ রাতে ঠোঁটের উত্তপ্ত শিহরণ নিয়ে
নতুন এক আঙিনা সাজাই।
কিন্ত তবুও ফেলে আসা তোমার সেই - 
মসৃণ রুপের উদ্দামতা খুঁজে পাই না ।
জানি না কেন তোমার রুপ এখন
বড্ড ফ্যাঁকাশে লাগে।
মনে হয় যেন, কোনো এক অভিনয়ের
রঙে রাঙায়িত তুমি।
তোমার চোঁখে আর এখন তাকানো যায় না-
সব কিছু যেন বিমর্ষ লাগে।

বিমর্ষে তুমি

      ✍️ পরিতোষ সরকার
সেদিন দেখেছিলাম তোমায় শহরতলীর ভিরে।
প্রতিটি গলিতে তোমার পদরেনুর স্পর্শ পরছে।
গোল চেহারায় টান-টান চোখ, আর-
মাঝে মাঝে শুকিয়ে ওঠা ঠোঁট।
বিনি বাঁধানো সত্ত্বেও অবাধ্য মেয়ে-ছেলের মতো
একগোছা চুল ভ্রু বেয়ে কানের পাশ কেটে
মাঝ গালে হাওয়ায় হাওয়ায় উড়ে -
যেন আপন নগরী সাজিয়েছে।
বিকেলের রক্তিম আলো তোমার শরীরে
ঝড়া পাতার মতন খসে পড়েছে।
চোখে-মুখে তোমার আনন্দের ভরাডুবি।
আমি জানিনে কীসের সেই আনন্দ,
যৌবনের -
না-কি সাময়িক স্বাধীনতা।
আজ দীর্ঘকাল আমি তোমার পাশে বসি,
তোমার হাত ছোঁয়ে দেই।
মাঝ রাতে ঠোঁটের উত্তপ্ত শিহরণ নিয়ে
নতুন এক আঙিনা সাজাই।
কিন্ত তবুও ফেলে আসা তোমার সেই - 
মসৃণ রুপের উদ্দামতা খুঁজে পাই না ।
জানি না কেন তোমার রুপ এখন
বড্ড ফ্যাঁকাশে লাগে।
মনে হয় যেন, কোনো এক অভিনয়ের
রঙে রাঙায়িত তুমি।
তোমার চোঁখে আর এখন তাকানো যায় না-
সব কিছু যেন বিমর্ষ লাগে।

শ্রাবণের ধারার মতো

         ✍️জয়শ্রী রায়
দিগন্তের ঐ নীলরঙা আকাশের কোনে
ঝর ঝর দুরন্ত শ্রাবণে-
মনে পরে রজনীগন্ধার মালায় সাজানো
বিকেলের বর্ষামঙ্গলের তোমার
বিরহ-গাথা, বর্ষায় ভরা
টুপ টাপ জলধারায় 
বৃষ্টির গান,সে তুমি রবীন্দ্রনাথ -
আষাঢ়ের পাখনায় উড়ে চলছে নির্ঝর 
শ্রাবনের দিকে,
মংপুর কালোবরণ ঢেউ ছুটে চলেছে
কোন মহা নেশায় মহা প্রাপ্তির সনে!!
সঙ্গী তোমার দেবদারু,পাইন
নুড়ি পাথর বিছানো তিসতার কল কল শব্দে,
কখনো গভীর খোয়াই এর প্রান্তদেশে,
একাকী বজ্রমানিকের গগম্ভীর স্বরে
গেঁথেছ আদিগন্ত মাঠের সৃষ্টি জলছবি।
বৃষ্টি ধোয়া কুমারী রঙের সূর্যে আঁকা
ঘুম ভাঙা পাহাড়।
রামধনু আঁকা আকাশের বুকেসবুজের নির্নিমেষ 
বুনোফুলের হাতছানি,
প্রথম কদম ফুলের মৌতাতে
আমার সকল চেতনা লুপ্ত
জলজ সুখের নিবিড় দুঃখে,গহীন
গহনে মগ্ন হয়ে রই
২২ শে শ্রাবন
যদিও আমার মাঝে তুমি সুপ্ত

শ্রাবণের ধারার মতো

         ✍️জয়শ্রী রায়
দিগন্তের ঐ নীলরঙা আকাশের কোনে
ঝর ঝর দুরন্ত শ্রাবণে-
মনে পরে রজনীগন্ধার মালায় সাজানো
বিকেলের বর্ষামঙ্গলের তোমার
বিরহ-গাথা, বর্ষায় ভরা
টুপ টাপ জলধারায় 
বৃষ্টির গান,সে তুমি রবীন্দ্রনাথ -
আষাঢ়ের পাখনায় উড়ে চলছে নির্ঝর 
শ্রাবনের দিকে,
মংপুর কালোবরণ ঢেউ ছুটে চলেছে
কোন মহা নেশায় মহা প্রাপ্তির সনে!!
সঙ্গী তোমার দেবদারু,পাইন
নুড়ি পাথর বিছানো তিসতার কল কল শব্দে,
কখনো গভীর খোয়াই এর প্রান্তদেশে,
একাকী বজ্রমানিকের গগম্ভীর স্বরে
গেঁথেছ আদিগন্ত মাঠের সৃষ্টি জলছবি।
বৃষ্টি ধোয়া কুমারী রঙের সূর্যে আঁকা
ঘুম ভাঙা পাহাড়।
রামধনু আঁকা আকাশের বুকেসবুজের নির্নিমেষ 
বুনোফুলের হাতছানি,
প্রথম কদম ফুলের মৌতাতে
আমার সকল চেতনা লুপ্ত
জলজ সুখের নিবিড় দুঃখে,গহীন
গহনে মগ্ন হয়ে রই
২২ শে শ্রাবন
যদিও আমার মাঝে তুমি সুপ্ত

তুমি আসো

            ✍️সংগীতা দাস   
তুমি যে আসো বৃষ্টি হয়ে,
আমি থাকি বসে।
শ্রাবণের নবজল ধারায়, 
আমায় নিয়ে যায় ভেসে!

বৃষ্টির কলতান তোলে আলোড়ন,
ভরে যাক মনের আবরণ!
অজস্র জলধারা বেয়ে,
বহে যাক নিবিড় কানন!

আসন্নের ধারা হৃদয়ে তোলপাড়,
মনে অনাকাঙ্খিত সমাহার!
তুমি তুমি ফোঁটায় ভিজে যাক,
মনের জমিন দুনিয়ায়!

তেপান্তরের পাথর বেয়ে,
নামছে ফোয়ারাশি!
আমিও তো সেই জলে,
স্রোত হয়ে ভাসি!

শ্রাবণের বর্ষা ঋতু বৈভবশালী,
তোমার রূপ-সুধা হৃদয় স্পর্শ,
মনের প্রাণঢালা ভালোবাসা নিয়ে,
তুমি আসো শ্রাবণের ধারা হয়ে!!

তুমি আসো

            ✍️সংগীতা দাস   
তুমি যে আসো বৃষ্টি হয়ে,
আমি থাকি বসে।
শ্রাবণের নবজল ধারায়, 
আমায় নিয়ে যায় ভেসে!

বৃষ্টির কলতান তোলে আলোড়ন,
ভরে যাক মনের আবরণ!
অজস্র জলধারা বেয়ে,
বহে যাক নিবিড় কানন!

আসন্নের ধারা হৃদয়ে তোলপাড়,
মনে অনাকাঙ্খিত সমাহার!
তুমি তুমি ফোঁটায় ভিজে যাক,
মনের জমিন দুনিয়ায়!

তেপান্তরের পাথর বেয়ে,
নামছে ফোয়ারাশি!
আমিও তো সেই জলে,
স্রোত হয়ে ভাসি!

শ্রাবণের বর্ষা ঋতু বৈভবশালী,
তোমার রূপ-সুধা হৃদয় স্পর্শ,
মনের প্রাণঢালা ভালোবাসা নিয়ে,
তুমি আসো শ্রাবণের ধারা হয়ে!!

আজ আর এসো না

        ✍️চয়ন সাহা,
কোনো এক তপ্ত দুপুরে আমি,
বুক পেতে দাঁড়িয়ে থাকা মরুভূমি, 
প্রখর তাপে নিজেকে ঝলসে দিলাম!
স্বপ্ন আর বিশ্বাসে বাঁধা বুক,
উজাড় করে শুষ্ক বালিতে জড়িয়ে দিলাম।

আজ মরীচিকার মতোই ভেসে আসে, 
আমিও পালিয়ে পালিয়ে বেড়াই,
নিদারুন নির্মমতায় নিজেকে বাঁচিয়ে রাখি,
বাঁচিয়ে রাখি নিজেকে সন্ধ্যা লগ্নে,
অন্তরে হাহাকার থামিবার নয়!
কেন এই তঁচকতা ?
জিজ্ঞাসা শুধু শ্রাবণের ধারায়!

দেখেছিলাম সেই তন্দ্রা হরনী চোখে, 
আমারই ধূসর ফ্যাকাসে ছবি,
ভরসায় রং ভরেছিলাম  অনর্গল ভাবনার,
বুক পুড়ে দেওয়া প্রখর তাপে, 
ভাবনা গুলো আজ রং হারায়।

চেয়েছিলাম একবার নামুক শ্রাবণ, 
হতেও পারতাম তার ইচ্ছের গড়ান!
আজি আর জুড়বে না ইচ্ছের চর,
আবেগের বুকে জমেছে তপ্ত বালি কণা! 
হে শ্রাবণ আজ আর এসো না।
ঝলসে গেছে বুক শুকিয়ে যাবে তোমার গতি,
যে বালুচর জমেছে তপ্ত বুকের পাঁজরে,
তার আতিথ্য গ্রহণে আসুক আবার,
পুড়ে যাওয়া তপ্ত বালির ঝড়!!

হে শ্রাবণ আজ আর এসো না,
আজ আর এসো না।

আজ আর এসো না

        ✍️চয়ন সাহা,
কোনো এক তপ্ত দুপুরে আমি,
বুক পেতে দাঁড়িয়ে থাকা মরুভূমি, 
প্রখর তাপে নিজেকে ঝলসে দিলাম!
স্বপ্ন আর বিশ্বাসে বাঁধা বুক,
উজাড় করে শুষ্ক বালিতে জড়িয়ে দিলাম।

আজ মরীচিকার মতোই ভেসে আসে, 
আমিও পালিয়ে পালিয়ে বেড়াই,
নিদারুন নির্মমতায় নিজেকে বাঁচিয়ে রাখি,
বাঁচিয়ে রাখি নিজেকে সন্ধ্যা লগ্নে,
অন্তরে হাহাকার থামিবার নয়!
কেন এই তঁচকতা ?
জিজ্ঞাসা শুধু শ্রাবণের ধারায়!

দেখেছিলাম সেই তন্দ্রা হরনী চোখে, 
আমারই ধূসর ফ্যাকাসে ছবি,
ভরসায় রং ভরেছিলাম  অনর্গল ভাবনার,
বুক পুড়ে দেওয়া প্রখর তাপে, 
ভাবনা গুলো আজ রং হারায়।

চেয়েছিলাম একবার নামুক শ্রাবণ, 
হতেও পারতাম তার ইচ্ছের গড়ান!
আজি আর জুড়বে না ইচ্ছের চর,
আবেগের বুকে জমেছে তপ্ত বালি কণা! 
হে শ্রাবণ আজ আর এসো না।
ঝলসে গেছে বুক শুকিয়ে যাবে তোমার গতি,
যে বালুচর জমেছে তপ্ত বুকের পাঁজরে,
তার আতিথ্য গ্রহণে আসুক আবার,
পুড়ে যাওয়া তপ্ত বালির ঝড়!!

হে শ্রাবণ আজ আর এসো না,
আজ আর এসো না।

শ্রাবণের কথা

        ✒️প্রিয়াঙ্কা দেবনাথ

শ্রাবণের গল্প -
 নতুন করে কি আর বলব?
কুড়িয়ে জমানো ছয়টি ঋতুর নানারঙ্গের স্মৃতির টুকরো,
মুছে দিয়ে যায় শ্রাবণ আজ
রোজ অল্প অল্প ।

সারাটি বছর জুড়ে যার এতো প্রতীক্ষা,
অধীর হয়ে বেলা কাটে যার আশে,
সেই শ্রাবণ ।
সবুজ শ্যামলীর পাতায় পাতায় যার স্পর্শ,
গোধূলি বেলায় রাখালেরা যবে ফিরে যায় ঘরে,
সেই পথের ধারের প্রতিটি ধূলির কণায় কণায়,
হাজারো স্মৃতি বিজড়িত যার -
কে সে? হ্যাঁ, সেই তো শ্রাবণ ।

বারোমাস ধরে কাতরে কাতরে,
তৃষ্ণার্ত প্রাণ যার মুখপানে চেয়ে ,
ক্লান্ত হয়ে ঘরে ফেরে -
সেই তো মায়াভরা শ্রাবণ ।
হাজারো প্রতীক্ষার পরে যার আগমন,
দেহ - মনে  পুলক আনে,
জাগায় তীব্র শিহরণ ।

সে কি অভূতপূর্ব তার নিদর্শন !
অসম্ভব নিপুনতায় ধুয়ে নিয়ে যায়
অতীতের সব মলিনতা ,
মনের কোণে জমে থাকা সকল ব্যর্থ অভিমান ।
ক্ষণিকের বৃষ্টিস্নাত শীতলতার পরম তৃপ্তিতে - 
যেন ঘুচে যায় সব কষ্ট,
হয় সকল ব্যথার অবসান।

তবে কি জানো ?
সকল শ্রাবণ তৃপ্ততা নিয়ে আসেনা ।
বয়ে নিয়ে আসে কিছু ব্যর্থ প্রতীক্ষা ,
ভারাক্রান্ত করে তুলে মনপ্রাণ।
স্মৃতির পাতায় কড়া নাড়ে বারবার,
ক্ষত বিক্ষত করে যায় এপার - ওপার । 
একগাল বাঁকা হাসি হেসে
যেন ব্যঙ্গ করে বলে যায়
এই ছিল তোর স্বর্গীয় সুখ ?

এভাবেই ভাসিয়ে দিয়ে যায় আজও শ্রাবণ ।
তবে, শীতল বারিবিন্দুর কোমল স্পর্শে নয়,
হৃৎপিণ্ডের অঝোর রক্তক্ষরণে। 

তবুও বলি হে মায়াবী শ্রাবণ,
আজীবন ঋণী হয়ে থাকবো তোর কাছে।
অবিরাম দুঃখ - সুখের জোয়ার  ভাটায় -
আকঁড়ে ধরে রাখতে যেন পারি,
সত্য মিথ্যার ছবি চির অমলিন এই মননে ।
           
               ******

শ্রাবণের কথা

        ✒️প্রিয়াঙ্কা দেবনাথ

শ্রাবণের গল্প -
 নতুন করে কি আর বলব?
কুড়িয়ে জমানো ছয়টি ঋতুর নানারঙ্গের স্মৃতির টুকরো,
মুছে দিয়ে যায় শ্রাবণ আজ
রোজ অল্প অল্প ।

সারাটি বছর জুড়ে যার এতো প্রতীক্ষা,
অধীর হয়ে বেলা কাটে যার আশে,
সেই শ্রাবণ ।
সবুজ শ্যামলীর পাতায় পাতায় যার স্পর্শ,
গোধূলি বেলায় রাখালেরা যবে ফিরে যায় ঘরে,
সেই পথের ধারের প্রতিটি ধূলির কণায় কণায়,
হাজারো স্মৃতি বিজড়িত যার -
কে সে? হ্যাঁ, সেই তো শ্রাবণ ।

বারোমাস ধরে কাতরে কাতরে,
তৃষ্ণার্ত প্রাণ যার মুখপানে চেয়ে ,
ক্লান্ত হয়ে ঘরে ফেরে -
সেই তো মায়াভরা শ্রাবণ ।
হাজারো প্রতীক্ষার পরে যার আগমন,
দেহ - মনে  পুলক আনে,
জাগায় তীব্র শিহরণ ।

সে কি অভূতপূর্ব তার নিদর্শন !
অসম্ভব নিপুনতায় ধুয়ে নিয়ে যায়
অতীতের সব মলিনতা ,
মনের কোণে জমে থাকা সকল ব্যর্থ অভিমান ।
ক্ষণিকের বৃষ্টিস্নাত শীতলতার পরম তৃপ্তিতে - 
যেন ঘুচে যায় সব কষ্ট,
হয় সকল ব্যথার অবসান।

তবে কি জানো ?
সকল শ্রাবণ তৃপ্ততা নিয়ে আসেনা ।
বয়ে নিয়ে আসে কিছু ব্যর্থ প্রতীক্ষা ,
ভারাক্রান্ত করে তুলে মনপ্রাণ।
স্মৃতির পাতায় কড়া নাড়ে বারবার,
ক্ষত বিক্ষত করে যায় এপার - ওপার । 
একগাল বাঁকা হাসি হেসে
যেন ব্যঙ্গ করে বলে যায়
এই ছিল তোর স্বর্গীয় সুখ ?

এভাবেই ভাসিয়ে দিয়ে যায় আজও শ্রাবণ ।
তবে, শীতল বারিবিন্দুর কোমল স্পর্শে নয়,
হৃৎপিণ্ডের অঝোর রক্তক্ষরণে। 

তবুও বলি হে মায়াবী শ্রাবণ,
আজীবন ঋণী হয়ে থাকবো তোর কাছে।
অবিরাম দুঃখ - সুখের জোয়ার  ভাটায় -
আকঁড়ে ধরে রাখতে যেন পারি,
সত্য মিথ্যার ছবি চির অমলিন এই মননে ।
           
               ******

লাশ

     ✍️আমিনুল ইসলাম(রিপন)

তুমি-আমি হয়ে যাব একদিন লাশ।
শত শত মানুষ থাকবে আমাদের আশপাশ।
কাঁদবে জগৎ,কাঁদবে বিশ্ব,
সেদিন আমরা হয়ে থাকবো নিঃস্ব।
সবাই আসবে দেখতে, একবার শেষ সময়ে।
চিরনিদ্রায় ঘুমিয়ে যাব না ভাঙার স্বপ্নে।
আপনজনে কাঁধে তুলে নেবে পরপারে।
হিন্দু হলে শ্মশানে, মুসলিম কবরে।
চিরবিদায় নেবে ক্ষণিকের সময়ে।
সেদিন থাকবে না কোন জোর,কোন ক্ষমতা।
হেলে দুলে আসবে শ্মশান, কবরে জনতা।
কেন এত অহংকার?, কেন হাহাকার?
কেন আমরা মিলেমিশে হইনা একাকার?
তাই হাসতে হাসতে কাটাও দিন।
এই ভুবন ছেড়ে চলে তো যাবে একদিন।
ঘরের আপনজন, পাড়া প্রতিবেশী আছে যারা,
জন্মের মত পর করে দেবে তারা।
নাম-যশ, টাকা-পয়সা সবই পড়ে রবে।
তুমি-আমি চলে যাব একদিন নীরবে।
কোন এক সময়ে,কোন এক মাস।
চিরদিনের মত তোমার-আমার নাম হবে লাশ।

লাশ

     ✍️আমিনুল ইসলাম(রিপন)

তুমি-আমি হয়ে যাব একদিন লাশ।
শত শত মানুষ থাকবে আমাদের আশপাশ।
কাঁদবে জগৎ,কাঁদবে বিশ্ব,
সেদিন আমরা হয়ে থাকবো নিঃস্ব।
সবাই আসবে দেখতে, একবার শেষ সময়ে।
চিরনিদ্রায় ঘুমিয়ে যাব না ভাঙার স্বপ্নে।
আপনজনে কাঁধে তুলে নেবে পরপারে।
হিন্দু হলে শ্মশানে, মুসলিম কবরে।
চিরবিদায় নেবে ক্ষণিকের সময়ে।
সেদিন থাকবে না কোন জোর,কোন ক্ষমতা।
হেলে দুলে আসবে শ্মশান, কবরে জনতা।
কেন এত অহংকার?, কেন হাহাকার?
কেন আমরা মিলেমিশে হইনা একাকার?
তাই হাসতে হাসতে কাটাও দিন।
এই ভুবন ছেড়ে চলে তো যাবে একদিন।
ঘরের আপনজন, পাড়া প্রতিবেশী আছে যারা,
জন্মের মত পর করে দেবে তারা।
নাম-যশ, টাকা-পয়সা সবই পড়ে রবে।
তুমি-আমি চলে যাব একদিন নীরবে।
কোন এক সময়ে,কোন এক মাস।
চিরদিনের মত তোমার-আমার নাম হবে লাশ।

শ্রাবণ ধারা

      ✍ সুচরিতা পাটারী

বসেছিলাম ছাদের কোণে,
চেয়ে রয়েছি আকাশ পানে
দিয়ে এক মন, দিয়ে এক প্রাণ, 
ভাবছি শুধু সেই চেনা গান। 
হঠাৎ করেই মেঘ গুড়গুড়,
ডাকছে আকাশ, যেন বহুদূর। 
আলতো আলতো বিদ্যুৎ ঝলক,
ছুঁয়ে গেল চোখের পলক। 
নিজের মধ্যে হারিয়ে গেলাম, 
নতুন সখী খুঁজে পেলাম। 
আচমকাই বৃষ্টি এল একপশলা!
চুল থেকে নখ ভিজিয়ে দিল, 
ধুয়ে দিল গানের মালা।
তখনই সখী মেঘ বালিকা,
ছুটে এসে ছুঁলো আমায়, 
বলল আমায় "সখী তুই গা"। 
চমকে গিয়ে বলি আমি!
দুজনেই গাই একসাথে? 
বিশ্বকবির সেই গান খানা,
যে গান ছিল মোর ভাবনাতে।
যে গান খানা উজাড় করে
দিয়েছিলেন শ্রাবণ তরে, 

ধরো সখী সেই গান খানা
"শ্রাবণের ধারার মতো পরুক ঝড়ে"।

শ্রাবণ ধারা

      ✍ সুচরিতা পাটারী

বসেছিলাম ছাদের কোণে,
চেয়ে রয়েছি আকাশ পানে
দিয়ে এক মন, দিয়ে এক প্রাণ, 
ভাবছি শুধু সেই চেনা গান। 
হঠাৎ করেই মেঘ গুড়গুড়,
ডাকছে আকাশ, যেন বহুদূর। 
আলতো আলতো বিদ্যুৎ ঝলক,
ছুঁয়ে গেল চোখের পলক। 
নিজের মধ্যে হারিয়ে গেলাম, 
নতুন সখী খুঁজে পেলাম। 
আচমকাই বৃষ্টি এল একপশলা!
চুল থেকে নখ ভিজিয়ে দিল, 
ধুয়ে দিল গানের মালা।
তখনই সখী মেঘ বালিকা,
ছুটে এসে ছুঁলো আমায়, 
বলল আমায় "সখী তুই গা"। 
চমকে গিয়ে বলি আমি!
দুজনেই গাই একসাথে? 
বিশ্বকবির সেই গান খানা,
যে গান ছিল মোর ভাবনাতে।
যে গান খানা উজাড় করে
দিয়েছিলেন শ্রাবণ তরে, 

ধরো সখী সেই গান খানা
"শ্রাবণের ধারার মতো পরুক ঝড়ে"।

রবির আলো

      ✍️রুবেল হোসেন

তুমি কবিগুরু, তুমি বিশ্বকবি, 
তুমিই রবীন্দ্র সংগীতের স্রষ্টা। 
তুমি ঔপন্যাসিক, তুমি নাট্যকার,  
তুমিই ছোটগল্প সংজ্ঞার প্রতিষ্ঠাতা। 
তোমার চিত্রকলা, তোমার ছন্দ
হৃদয় জুড়ানো শান্তি।
তোমার গল্প, তোমার থিয়েটার 
ফুরিয়ে দেয় যে ক্লান্তি। 
তোমার সংগীত, তোমার উপন্যাস 
কাঁদে বিধাতার প্রাণ।
শ্রবণ পঠনে কিরণ দায়ক,
তোমার শ্রেষ্ঠ দান।
তোমার সৃষ্টি মুখ ফিরালে 
লোহায় পড়তো জং,
তোমার দানে লুপ্ত আছে 
রামধনুর সাত রং। 
তুমি সুন্দর, তুমি সুন্দর, 
তুমি সুন্দর অপরূপ। 
শ্রাবণের মুগ্ধ সকালের
ধরণীর ছায়ারূপ।

রবির আলো

      ✍️রুবেল হোসেন

তুমি কবিগুরু, তুমি বিশ্বকবি, 
তুমিই রবীন্দ্র সংগীতের স্রষ্টা। 
তুমি ঔপন্যাসিক, তুমি নাট্যকার,  
তুমিই ছোটগল্প সংজ্ঞার প্রতিষ্ঠাতা। 
তোমার চিত্রকলা, তোমার ছন্দ
হৃদয় জুড়ানো শান্তি।
তোমার গল্প, তোমার থিয়েটার 
ফুরিয়ে দেয় যে ক্লান্তি। 
তোমার সংগীত, তোমার উপন্যাস 
কাঁদে বিধাতার প্রাণ।
শ্রবণ পঠনে কিরণ দায়ক,
তোমার শ্রেষ্ঠ দান।
তোমার সৃষ্টি মুখ ফিরালে 
লোহায় পড়তো জং,
তোমার দানে লুপ্ত আছে 
রামধনুর সাত রং। 
তুমি সুন্দর, তুমি সুন্দর, 
তুমি সুন্দর অপরূপ। 
শ্রাবণের মুগ্ধ সকালের
ধরণীর ছায়ারূপ।

রবি কবি

     ✍️মনচলি চক্রবর্তী 

কবি তুমি উদয়স্ত রহিবে রবি হয়ে।
মোদের হৃদয় আকাশ মাঝে
প্রতিনিয়ত অনুভবে,প্রাণে, স্মরণে।
মর্মে মোদের জড়ায়ে
তোমার সৃষ্টি সুরের আলোকঝর্ণায়; 
মোদের প্রাণ হয় পল্লবিত।
তোমার আদর্শ, সৃষ্টিসমগ্রে
এই ভুবন হোক আলোড়িত।

রবি কবি

     ✍️মনচলি চক্রবর্তী 

কবি তুমি উদয়স্ত রহিবে রবি হয়ে।
মোদের হৃদয় আকাশ মাঝে
প্রতিনিয়ত অনুভবে,প্রাণে, স্মরণে।
মর্মে মোদের জড়ায়ে
তোমার সৃষ্টি সুরের আলোকঝর্ণায়; 
মোদের প্রাণ হয় পল্লবিত।
তোমার আদর্শ, সৃষ্টিসমগ্রে
এই ভুবন হোক আলোড়িত।

*তুমি অমর রবে*

         ✍️ *অন্তরা সাহা* 

আজ বড্ড অস্থির এই মনটা,
কিছুতেই যে শান্ত হচ্ছে না,

তোমার বিরহের আগুনে আজ আমি দগ্ধ।
কোথায় গেলে পাবো তোমায় বলো?

আবার ফিরে এসো এই ধরায়, যদি বলি,
আমার ডাকে সাড়া দেবে কি তুমি?

যদি বলি তোমার চরণতলে দিও আমায় ঠায়,
তবে আমার আবদারটা গ্রহণ করবে কি তুমি?

আজ আমার নয়ন দুটো,
তোমায় দেখিতে চায় শুধু,
আসতে পারো না বুঝি
একরাতে স্বপ্নের সাথী হয়ে?

যখন তোমার স্মৃতিগুলো,
আমার চোখের জল হলো,
তখন হঠাৎ শ্রাবণের ধারা হয়ে ভিজিয়ে দিলে আমায়,

লুকায়িত হলো আমার চোখের জল,
মিলিয়ে গেলাম তোমাতে,

তখন চারিদিক থেকে ভেসে আসলো তোমারই সুরধ্বনি,
    "তুমি রবে নীরবে,
    হৃদয়ে মম -----"

ওগো, এখন চোখের জল মুছো সবে,
এবং উচ্চস্বরে শুধু বলো - 
      তুমি অমর রবে
      তুমি অমর রবে
      তুমি অমর রবে।

*তুমি অমর রবে*

         ✍️ *অন্তরা সাহা* 

আজ বড্ড অস্থির এই মনটা,
কিছুতেই যে শান্ত হচ্ছে না,

তোমার বিরহের আগুনে আজ আমি দগ্ধ।
কোথায় গেলে পাবো তোমায় বলো?

আবার ফিরে এসো এই ধরায়, যদি বলি,
আমার ডাকে সাড়া দেবে কি তুমি?

যদি বলি তোমার চরণতলে দিও আমায় ঠায়,
তবে আমার আবদারটা গ্রহণ করবে কি তুমি?

আজ আমার নয়ন দুটো,
তোমায় দেখিতে চায় শুধু,
আসতে পারো না বুঝি
একরাতে স্বপ্নের সাথী হয়ে?

যখন তোমার স্মৃতিগুলো,
আমার চোখের জল হলো,
তখন হঠাৎ শ্রাবণের ধারা হয়ে ভিজিয়ে দিলে আমায়,

লুকায়িত হলো আমার চোখের জল,
মিলিয়ে গেলাম তোমাতে,

তখন চারিদিক থেকে ভেসে আসলো তোমারই সুরধ্বনি,
    "তুমি রবে নীরবে,
    হৃদয়ে মম -----"

ওগো, এখন চোখের জল মুছো সবে,
এবং উচ্চস্বরে শুধু বলো - 
      তুমি অমর রবে
      তুমি অমর রবে
      তুমি অমর রবে।

জীবনের মানে রবীন্দ্রনাথ

           ✍️সৌরভ শীল

জীবনের মানে বুঝতে গেলে রবি ঠাকুর কে চিনতে হয়;
হাজারো উপন্যাস,গানে-গানে রয়।
জীবনের আনন্দ-কষ্টে কবি রয়েছো তুমি,
তোমারে হাজারো প্রণাম তোমার চরণে চুমি।
সুখে-দুঃখের নিত্য সহচরী, তুমি আর তোমার উপন্যাস, প্রবন্ধ;
ছড়িয়েছো তুমি মনের মাঝে হাজারো ছন্দ।
জীবনের মানে শিখিয়েছ
ধরেছো তুমি হাতে খড়ি;
সৌম্য মূর্তি তুমি ধরেছো হাত।
তোমার গানে গানে আসবে নতুন প্রভাত।।
সার্থক স্বপ্ন দেখিয়েছো তুমি
আমি তো নগণ্য তোমায় কতটুকু বা জানি।
দেখিয়েছো তুমি আলোকের সন্ধান,
করেছ তুমি ভালোবাসার  উদ্যান।
তুমি নক্ষত্র রাজ রবি
তুমি আর কেউ নও আমাদের বিশ্ব কবি।
তুমি রয়েছো প্রতি মুহূর্তে মনে প্রাণে,
রয়েছো তুমি হৃদয়ের স্মৃতির কোণে।
তুমি চলে যাও নি,
রেখে গেছো হাজারো উপহার
ধন্য হলাম ধন্য ওগো 
ভারতের পূর্ণ  তীর্থে চরণ তোমার।

জীবনের মানে রবীন্দ্রনাথ

           ✍️সৌরভ শীল

জীবনের মানে বুঝতে গেলে রবি ঠাকুর কে চিনতে হয়;
হাজারো উপন্যাস,গানে-গানে রয়।
জীবনের আনন্দ-কষ্টে কবি রয়েছো তুমি,
তোমারে হাজারো প্রণাম তোমার চরণে চুমি।
সুখে-দুঃখের নিত্য সহচরী, তুমি আর তোমার উপন্যাস, প্রবন্ধ;
ছড়িয়েছো তুমি মনের মাঝে হাজারো ছন্দ।
জীবনের মানে শিখিয়েছ
ধরেছো তুমি হাতে খড়ি;
সৌম্য মূর্তি তুমি ধরেছো হাত।
তোমার গানে গানে আসবে নতুন প্রভাত।।
সার্থক স্বপ্ন দেখিয়েছো তুমি
আমি তো নগণ্য তোমায় কতটুকু বা জানি।
দেখিয়েছো তুমি আলোকের সন্ধান,
করেছ তুমি ভালোবাসার  উদ্যান।
তুমি নক্ষত্র রাজ রবি
তুমি আর কেউ নও আমাদের বিশ্ব কবি।
তুমি রয়েছো প্রতি মুহূর্তে মনে প্রাণে,
রয়েছো তুমি হৃদয়ের স্মৃতির কোণে।
তুমি চলে যাও নি,
রেখে গেছো হাজারো উপহার
ধন্য হলাম ধন্য ওগো 
ভারতের পূর্ণ  তীর্থে চরণ তোমার।