সম্পাদকীয়
সকলকে পৌষপার্বণের প্রীতি শুভেচ্ছা। বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ। তারই একটি অঙ্গ হিসেবে রয়েছে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পৌষপার্বণ। এই উৎসব সাধারণত ইংরেজি মাসের 14 জানুয়ারি বা তার একদিন আগে -পরে তিথি অনুযায়ী হয়ে থাকে। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে বাঙালির ঘরে ঘরে রসনা পিঠে ও পায়েশ তৈরি করে। চোখ ধাঁধানো আলপনায় মেয়েরা সূর্য দেবের পূজা করে থাকেন। সারা দিন খাওয়া দাওয়ার শেষে বিকেল বেলা ঘুড়ি উড়ানো উৎসব। পৌষের শেষ দিনে সারা রাত টুসু গানের আসর বসে। এই উৎসব বাঙালির ঘরে নিয়ে আসে আনন্দ বার্তা। আত্মীয় স্বজনদের আগমনে এই উৎসব পূর্ণতা লাভ করে।
পিঠেপুলি উৎসবের মাধ্যমে পৌষকে বিদায় জানিয়ে নতুন মাঘ মাসকে আমরা বরণ করতে যাচ্ছি। এই লগ্নে নবোন্মেষ সাহিত্য পত্রিকার পৌষপার্বণের বিশেষ সংখ্যার প্রকাশ। এই সংখ্যার বিষয় ছিল বাংলা ও বাঙালি । যে সকল সাহিত্য প্রেমিক কবি বন্ধুদের লেখনীতে পৌষপার্বণের বিশেষ সংখ্যা সম্পূর্ণ হল তাদের জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।
সম্পাদকীয়
সকলকে পৌষপার্বণের প্রীতি শুভেচ্ছা। বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ। তারই একটি অঙ্গ হিসেবে রয়েছে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পৌষপার্বণ। এই উৎসব সাধারণত ইংরেজি মাসের 14 জানুয়ারি বা তার একদিন আগে -পরে তিথি অনুযায়ী হয়ে থাকে। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে বাঙালির ঘরে ঘরে রসনা পিঠে ও পায়েশ তৈরি করে। চোখ ধাঁধানো আলপনায় মেয়েরা সূর্য দেবের পূজা করে থাকেন। সারা দিন খাওয়া দাওয়ার শেষে বিকেল বেলা ঘুড়ি উড়ানো উৎসব। পৌষের শেষ দিনে সারা রাত টুসু গানের আসর বসে। এই উৎসব বাঙালির ঘরে নিয়ে আসে আনন্দ বার্তা। আত্মীয় স্বজনদের আগমনে এই উৎসব পূর্ণতা লাভ করে।
পিঠেপুলি উৎসবের মাধ্যমে পৌষকে বিদায় জানিয়ে নতুন মাঘ মাসকে আমরা বরণ করতে যাচ্ছি। এই লগ্নে নবোন্মেষ সাহিত্য পত্রিকার পৌষপার্বণের বিশেষ সংখ্যার প্রকাশ। এই সংখ্যার বিষয় ছিল বাংলা ও বাঙালি । যে সকল সাহিত্য প্রেমিক কবি বন্ধুদের লেখনীতে পৌষপার্বণের বিশেষ সংখ্যা সম্পূর্ণ হল তাদের জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।
শীতকাল
✍️ মনচলি চক্রবর্তী
হিম শীতল কনকনে ঠান্ডা আনে শীতকাল
সাদা কুয়াশার চাদরে মোড়ানো সকাল
আড়ালে সূর্য মাঝে মাঝে দেয় উঁকি
রোদের তাপও দেয় তার সাথে ফাঁকি হাড়কাঁপানো সকালে গায়ে রোদের পরশে মজা।
কনকনে ঠান্ডা জলে স্নান করার সাজা
শীতে বসে সুমিষ্ট কমলার স্বাদ পাওয়া
পিকনিকে ঘুরাঘুরির কত মজা নেওয়া
শীত মানে বড়দিনের আনন্দ উচ্ছাস হাসি।
কেক আর চকলেটের বর্ষন রাশি রাশি
শীতকাল আনে পৌষপার্বণ আর মেলার মজা
ঘরে ঘরে পিঠে পায়েস আর পাটিসাপটা ভাজা।
শীতের আমেজ আসে মিঠে গুড় আর খেজুরের রসে
শীতকালের অনুভূতি আসে জবুথবু হয়ে কম্বল মুড়িয়ে শুয়ে বসে।
শীতকাল
✍️ মনচলি চক্রবর্তী
হিম শীতল কনকনে ঠান্ডা আনে শীতকাল
সাদা কুয়াশার চাদরে মোড়ানো সকাল
আড়ালে সূর্য মাঝে মাঝে দেয় উঁকি
রোদের তাপও দেয় তার সাথে ফাঁকি হাড়কাঁপানো সকালে গায়ে রোদের পরশে মজা।
কনকনে ঠান্ডা জলে স্নান করার সাজা
শীতে বসে সুমিষ্ট কমলার স্বাদ পাওয়া
পিকনিকে ঘুরাঘুরির কত মজা নেওয়া
শীত মানে বড়দিনের আনন্দ উচ্ছাস হাসি।
কেক আর চকলেটের বর্ষন রাশি রাশি
শীতকাল আনে পৌষপার্বণ আর মেলার মজা
ঘরে ঘরে পিঠে পায়েস আর পাটিসাপটা ভাজা।
শীতের আমেজ আসে মিঠে গুড় আর খেজুরের রসে
শীতকালের অনুভূতি আসে জবুথবু হয়ে কম্বল মুড়িয়ে শুয়ে বসে।
পৌষপার্বণ
✍️পূনম দাস
চারিদিকে খুশির আমেজ
এলো রে পৌষপার্বণ।
বাংলা মায়ের প্রতি ঘরে
পিঠেপুলির আয়োজন।
আলপনা আর চালের গুঁড়ো
দুটি মিষ্টি সম্পর্ক
সম্পর্কে অটুট ওদের এ বন্ধুত্ব
রাঙিয়ে দেবে আলপনায়
বাঙালির আঙিনায়।
পৌষপার্বণ
✍️পূনম দাস
চারিদিকে খুশির আমেজ
এলো রে পৌষপার্বণ।
বাংলা মায়ের প্রতি ঘরে
পিঠেপুলির আয়োজন।
আলপনা আর চালের গুঁড়ো
দুটি মিষ্টি সম্পর্ক
সম্পর্কে অটুট ওদের এ বন্ধুত্ব
রাঙিয়ে দেবে আলপনায়
বাঙালির আঙিনায়।
বাঙালির পৌষপার্বণ
✍️সুব্রত দেবনাথ
বারো মাসে তেরো পার্বণ,
এটা বাঙালির প্রচলিত রীতি নীতি।
এই বছরটা একটু ব্যতিক্রম,
সবই অর্থসঙ্কটের পরিণতি।। অভাব-অনটনে কাটছে দিন,
কত দরিদ্রের ঘরে।
পৌষ মাস মানে কি? ভুলে গেছে তারা,
এই অর্থ সংকটে র তরে।।
খিদে মেটাবার চাল নেই ঘরে,
পৌষ পার্বণ পালন করবে কিসে?
যে ঋণ করেছে তারা, এই মহামারিতে,
মেটানোর জন্য আজ নিরবে, ভাবে বসে বসে।।
আমিও খাব না পিঠে,এই একটি বছর!
দাঁড়াবো তাদের পাশে ।
যে টাকা করবো খরচ নিজের স্বার্থে ,
তাহা দেবো দরিদ্রদের খিদে মেটানোর জন্য, আমি অনায়াসে।।
জানি বেশি কিছু করতে পারবো না,
এটুকু তো করতে পারি।
শিক্ষা নিয়েছি মায়ের কাছ থেকে,
তা কি কখনো ভুলতে পারি।।
বাঙালির পৌষপার্বণ
✍️সুব্রত দেবনাথ
বারো মাসে তেরো পার্বণ,
এটা বাঙালির প্রচলিত রীতি নীতি।
এই বছরটা একটু ব্যতিক্রম,
সবই অর্থসঙ্কটের পরিণতি।। অভাব-অনটনে কাটছে দিন,
কত দরিদ্রের ঘরে।
পৌষ মাস মানে কি? ভুলে গেছে তারা,
এই অর্থ সংকটে র তরে।।
খিদে মেটাবার চাল নেই ঘরে,
পৌষ পার্বণ পালন করবে কিসে?
যে ঋণ করেছে তারা, এই মহামারিতে,
মেটানোর জন্য আজ নিরবে, ভাবে বসে বসে।।
আমিও খাব না পিঠে,এই একটি বছর!
দাঁড়াবো তাদের পাশে ।
যে টাকা করবো খরচ নিজের স্বার্থে ,
তাহা দেবো দরিদ্রদের খিদে মেটানোর জন্য, আমি অনায়াসে।।
জানি বেশি কিছু করতে পারবো না,
এটুকু তো করতে পারি।
শিক্ষা নিয়েছি মায়ের কাছ থেকে,
তা কি কখনো ভুলতে পারি।।
যদি ফিরে আসি
✍️দীপা সরকার
যদি ফিরে আসি কোনো এক
বসন্তের ভরা দুপুরে
ফাগুন হাওয়া তুমি কি মাখবে গায়
যদি ফিরে আসি শিউলি তলে
কোনো এক আশ্বিনের প্রাতে
তুমি কি কুড়াবে ফুল, তুলবে হাতে
যদি ফিরে আসি
পাকা ধানের রূপে অঘ্রানের মাঠে
তুমি কি করবে ঘরে নবান্ন
যদি ফিরে আসি
দিকভ্রান্ত পথিকের বেশে
তুমি কি চিহ্নিত করে দেবে
পায়ে পায়ে সৃষ্ট পথ
যদি ফিরে আসি
আরো একটি বার
আরো একটা সৌরবর্ষ পর
প্রতুত্তরে ও নবলব্দ
নবীনার রূপে
যদি ফিরে আসি ।।
যদি ফিরে আসি
✍️দীপা সরকার
যদি ফিরে আসি কোনো এক
বসন্তের ভরা দুপুরে
ফাগুন হাওয়া তুমি কি মাখবে গায়
যদি ফিরে আসি শিউলি তলে
কোনো এক আশ্বিনের প্রাতে
তুমি কি কুড়াবে ফুল, তুলবে হাতে
যদি ফিরে আসি
পাকা ধানের রূপে অঘ্রানের মাঠে
তুমি কি করবে ঘরে নবান্ন
যদি ফিরে আসি
দিকভ্রান্ত পথিকের বেশে
তুমি কি চিহ্নিত করে দেবে
পায়ে পায়ে সৃষ্ট পথ
যদি ফিরে আসি
আরো একটি বার
আরো একটা সৌরবর্ষ পর
প্রতুত্তরে ও নবলব্দ
নবীনার রূপে
যদি ফিরে আসি ।।
প্রবন্ধ । বিষয় - বাঙালির পৌষ পার্বন
✍️ইন্দ্রাণী ভট্টাচার্য
ছয় ঋতুকে ঘিরেই বাঙালীর উৎসব,সংস্কৃতি, যাপনকথা। আর শীতকালটা প্রত্যেক ভোজন রসিক বাঙালীর কাছেই এক কাঙ্খিত ঋতু। ঋতু চক্রের আবর্তনে যখন শীত জাঁকিয়ে বসে , তখনই মাঠে মাঠে ফসল কাটা আরম্ভ হয়। নূতন চালে নবান্নের উৎসব শুরু হয় গ্রামে গজ্ঞে। আর তার রেশ এসে লাগে শহুরে জন জীবনেও। আখের গুঁড়, খেজুর গুঁড়, নলেন গুঁড়, পাটালি গুঁড় দিয়ে তৈরী নূতন চালের নানা ধরনের পিঠে পুলি তৈরী হয় এই সময়েই। কারণ শীত মানেই যে রকমারী খাবারের সময় !
এই শীতেই পৌষের শেষে দিনে বাঙালিদের মকর সংক্রান্তি উৎসব হয়ে থাকে। বাচ্চারা ধান কাটার পর মাঠ থেকে খড় এনে উঠোনে অস্থায়ী ঘর বানিয়ে রাত জেগে রান্না বান্না করে সবাই প্রাণ খোলা আনন্দ করে। আর পরদিন সকালে স্নান করে এই ঘরে আগুন জ্বালিয়ে সবাই তাপ নেয়। রান্নাঘরে তখন দু’দিন ধরে চলে পিঠে পুলি তৈরীর জোড় প্রস্তুতি। প্রত্যেক হেঁসেলে মা ঠাকুমারা ব্যাস্ত থাকেন চিরায়ত পিঠে পুলি তৈরীতে।পাটিসাপটা, নূতন চালের গুড়োর মালপোয়া,চানার পিঠে, নূতন আলুর পিঠে, সুজির পিঠে,লবঙ্গ, বকফুল, নূতন ধানের চিড়ের পিঠে, বিরোন চালের পায়েস আর কাঁচা বাঁশে বিরোন চাল ঢুকিয়ে চোঙা পিঠে.....এ সমস্ত পিঠে বিশেষত এই একটা দিনেই বিশেষ গ্রহনযোগ্যতা পায়।
গ্রাম বাঙলার এ উৎসব কিন্তু আমাদের শহুরে ব্যাস্ত জীবনেও যথেষ্ট সমাদৃত। আসলে বাঙালি মানেই খাওয়া দাওয়া,হুল্লোড়,উৎসব- আর বহমান নগরায়নেও মাস, তিথি, বছরের ছোট ছোট উদযাপন । এই উদযাপনেই পিঠে পুলি উৎসব অর্থাৎ মকর সংক্রান্তিও বাঙালিকে আষ্টে পৃষ্টে জড়িয়ে রেখেছে।আর যতদিন বাঙালি থাকবে, ততদিন এই পিঠে পুলি তৈরীও প্রতিটি বাঙালির রান্নাঘরে স্থান পাবে। তাই গর্ব করে বলতেই হয় — “বেঁচে থাক বাঙালী, তুমি বেঁচে ওঠ “..........
প্রবন্ধ । বিষয় - বাঙালির পৌষ পার্বন
✍️ইন্দ্রাণী ভট্টাচার্য
ছয় ঋতুকে ঘিরেই বাঙালীর উৎসব,সংস্কৃতি, যাপনকথা। আর শীতকালটা প্রত্যেক ভোজন রসিক বাঙালীর কাছেই এক কাঙ্খিত ঋতু। ঋতু চক্রের আবর্তনে যখন শীত জাঁকিয়ে বসে , তখনই মাঠে মাঠে ফসল কাটা আরম্ভ হয়। নূতন চালে নবান্নের উৎসব শুরু হয় গ্রামে গজ্ঞে। আর তার রেশ এসে লাগে শহুরে জন জীবনেও। আখের গুঁড়, খেজুর গুঁড়, নলেন গুঁড়, পাটালি গুঁড় দিয়ে তৈরী নূতন চালের নানা ধরনের পিঠে পুলি তৈরী হয় এই সময়েই। কারণ শীত মানেই যে রকমারী খাবারের সময় !
এই শীতেই পৌষের শেষে দিনে বাঙালিদের মকর সংক্রান্তি উৎসব হয়ে থাকে। বাচ্চারা ধান কাটার পর মাঠ থেকে খড় এনে উঠোনে অস্থায়ী ঘর বানিয়ে রাত জেগে রান্না বান্না করে সবাই প্রাণ খোলা আনন্দ করে। আর পরদিন সকালে স্নান করে এই ঘরে আগুন জ্বালিয়ে সবাই তাপ নেয়। রান্নাঘরে তখন দু’দিন ধরে চলে পিঠে পুলি তৈরীর জোড় প্রস্তুতি। প্রত্যেক হেঁসেলে মা ঠাকুমারা ব্যাস্ত থাকেন চিরায়ত পিঠে পুলি তৈরীতে।পাটিসাপটা, নূতন চালের গুড়োর মালপোয়া,চানার পিঠে, নূতন আলুর পিঠে, সুজির পিঠে,লবঙ্গ, বকফুল, নূতন ধানের চিড়ের পিঠে, বিরোন চালের পায়েস আর কাঁচা বাঁশে বিরোন চাল ঢুকিয়ে চোঙা পিঠে.....এ সমস্ত পিঠে বিশেষত এই একটা দিনেই বিশেষ গ্রহনযোগ্যতা পায়।
গ্রাম বাঙলার এ উৎসব কিন্তু আমাদের শহুরে ব্যাস্ত জীবনেও যথেষ্ট সমাদৃত। আসলে বাঙালি মানেই খাওয়া দাওয়া,হুল্লোড়,উৎসব- আর বহমান নগরায়নেও মাস, তিথি, বছরের ছোট ছোট উদযাপন । এই উদযাপনেই পিঠে পুলি উৎসব অর্থাৎ মকর সংক্রান্তিও বাঙালিকে আষ্টে পৃষ্টে জড়িয়ে রেখেছে।আর যতদিন বাঙালি থাকবে, ততদিন এই পিঠে পুলি তৈরীও প্রতিটি বাঙালির রান্নাঘরে স্থান পাবে। তাই গর্ব করে বলতেই হয় — “বেঁচে থাক বাঙালী, তুমি বেঁচে ওঠ “..........
অভ্যাস
✍️অনিমেষ গোপ
বাস্তবসত্য বাক্যচন্দ সাজানোর প্রয়াস করছি।
বেশ কিছুদিন ও বিভিন্ন জায়গায় দেখেছি ।
বাচ্চাদের সান্ত করতে নানা সময় নানা সা্ন্তনা ।
কিছু কিছু সময় অধিক দেওয়া যা এক ভাবনা।
সান্ত করতে ও ঝামেলা এড়াতে তৈরি হয় অভ্যাস
বাচ্চাকে মোবাইল দেওয়া বড় একটি বদ্য-অভ্যাস!
শর্তানুসারে , বিশ্রামে বাচ্চাকে মোবাইল দেওয়া ।
দিয়ে আবার বদ্য-অভ্যাসের দোষ অন্যকে দেওয়া!
পড়াশোনায়,শর্তানুসারে বাচ্চাকে মোবাইল দেওয়া ।
আর আঘাত প্রাপ্তকে বিনাচিকিৎসায় রেখে দেওয়া
নানা ভাবে বাচ্চাদের মোবাইলের দিয়ে অভ্যাস মোবাইলের অভ্যাস বাচ্চার করবেন ভীষন সবর্নাশ!
পরিবারে কেউ মোবাইল গেইম বাচ্চাকে দিবেন না
ভাল পড়াশোনার যাতাকলে সবর্নাশ করবেন না
শুনছি ও দেখছি মোবাইল গেইম ভীষন খারাপ ।
বুঝতে কষ্ঠ যে মোবাইল আশির্বাদ না অভিশাপ ।
আহার,ঘুম,পড়া বাচ্চারা ভুলে মোবাইল অভ্যাসে।
সবর্নাশ বিনা নিমন্তএ চল আসবে ঘরে সুবাতাসে
দোষাদোষি ছেড়ে বাচ্চাকে বাচান সবার আগে
কপালের দোষ দিবেন সবর্নাশ হলে আপন রাগে।
প্রচলিত কথা আছে যা হল "অভ্যাস মানুষের দাস"
কিন্তুু আধুনিকতায় উল্টো" মানুষ অভ্যাসের দাস"
অভ্যাস
✍️অনিমেষ গোপ
বাস্তবসত্য বাক্যচন্দ সাজানোর প্রয়াস করছি।
বেশ কিছুদিন ও বিভিন্ন জায়গায় দেখেছি ।
বাচ্চাদের সান্ত করতে নানা সময় নানা সা্ন্তনা ।
কিছু কিছু সময় অধিক দেওয়া যা এক ভাবনা।
সান্ত করতে ও ঝামেলা এড়াতে তৈরি হয় অভ্যাস
বাচ্চাকে মোবাইল দেওয়া বড় একটি বদ্য-অভ্যাস!
শর্তানুসারে , বিশ্রামে বাচ্চাকে মোবাইল দেওয়া ।
দিয়ে আবার বদ্য-অভ্যাসের দোষ অন্যকে দেওয়া!
পড়াশোনায়,শর্তানুসারে বাচ্চাকে মোবাইল দেওয়া ।
আর আঘাত প্রাপ্তকে বিনাচিকিৎসায় রেখে দেওয়া
নানা ভাবে বাচ্চাদের মোবাইলের দিয়ে অভ্যাস মোবাইলের অভ্যাস বাচ্চার করবেন ভীষন সবর্নাশ!
পরিবারে কেউ মোবাইল গেইম বাচ্চাকে দিবেন না
ভাল পড়াশোনার যাতাকলে সবর্নাশ করবেন না
শুনছি ও দেখছি মোবাইল গেইম ভীষন খারাপ ।
বুঝতে কষ্ঠ যে মোবাইল আশির্বাদ না অভিশাপ ।
আহার,ঘুম,পড়া বাচ্চারা ভুলে মোবাইল অভ্যাসে।
সবর্নাশ বিনা নিমন্তএ চল আসবে ঘরে সুবাতাসে
দোষাদোষি ছেড়ে বাচ্চাকে বাচান সবার আগে
কপালের দোষ দিবেন সবর্নাশ হলে আপন রাগে।
প্রচলিত কথা আছে যা হল "অভ্যাস মানুষের দাস"
কিন্তুু আধুনিকতায় উল্টো" মানুষ অভ্যাসের দাস"
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যসমূহ (Atom)