রণক্ষেত্র

    ✍️ সংহিতা চৌধুরী

যুদ্ধ! যুদ্ধ! যুদ্ধ! 
আর কতো হতে পারে যুদ্ধ? 
এবার তো থামতে হবে, পৃথিবী হয়েছে অশান্ত। 
মায়ের বুক একে একে খালি করা, সেটাই কি যুদ্ধ? 
স্বভাবজাত না পাল্টালে, বোমা বারুদ হবে না বন্ধ। 
পৃথিবীর বুক উঠেছে কেঁপে, রক্তের ঝর্ণা বইছে দেখে, 
বুকে আর্তনাদ, বিপর্যস্ত সমাজতন্ত্র, কন্ঠরুদ্ধ সমস্ত প্রান্তরে। 
কে জানতো একদিন এইভাবে পৃথিবী উঠবে কেঁপে! ধরাতলে সত্য মিথ্যার জালে? 
রুশের চোখ এখন রক্তশূল, দাবানলের আগুনে জ্বলে পুড়ে যাচ্ছে। 
সবেমাত্র পা রাখা কলেজের ছাত্ররা, পাড়ি দিয়েছে ইউক্রেনে। 
রক্তে রক্তাক্ত গোলাবারুদের মাঝখানে, কতো শতো নবীন ঝরে গেলো রুশের হিংসাস্তুপে। 
রুশ বাহিনীর মিসাইল হামলা পরিনত হচ্ছে ধংসস্তুপে। 
এসেছো একা,যেতে হবে একা, তবে কেন সাম্রাজ্য নিয়ে এতো কথা? 
ক্ষয়িষ্ণু নয় ইউক্রেন, বিদ্যুতের ঝলক চোখেমুখে। 
বিশ্বজুড়ে প্রতীক্ষিত, অন্যায়ের বাঁধ ভাঙ্গবে কবে? 
মেশিনগানে খসে যাওয়া বুকের মাংস, পৃথিবী দেখছে মানুষের গলিত অংশ। 
কফিন ভর্তি মৃতদেহের ভীড়ে, পৃথিবীবাসীর চোখ হতাশার নীড়ে। 
সীমান্ত নিয়ে যুদ্ধ, আর চলবে কতোদিন? 
সমাজ কালো ধোঁয়ার সাথে লড়াই করছে প্রতিক্ষণ। 
বন্ধ করো তোমাদের আস্ফালন, তোমাদের লম্ফ ঝম্ফ। 
বন্ধ হোক তবে এই প্রতিহিংসার অভিমান, আর যুদ্ধ নয়! 
বাঁচতে দাও তোমরা এই বিশ্ববাসীকে! করছে সবাই শান্তির আহ্বান। 
নীরব সাক্ষী হয়ে উঠবে ইতিহাসের নুতন পাতায়।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন