'নবোন্মেষ সুকান্ত সম্মাননা'-২০২১, পান বিশিষ্ট উদীয়মানা কবি সঞ্চয়িতা শর্মা। ২৫শে ফেব্রুয়ারী 'জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনী' গ্রন্থ প্রকাশ অনুষ্ঠানে 'নবোন্মেষ' পত্রিকার সম্পাদক শ্রী গৌরাঙ্গ সরকার মহাশয় 'সম্মাননা' উত্তরীয় এবং প্রশংসাপত্র সহ তুলে দেন কবির হাতে। সম্পাদক মহাশয় জানান যে, সবাই ভালো লেখেন, একজনকে নির্বাচন করা খুবই কঠিন কাজ। তাই উদীয়মান কবিদের শুধু লেখা নয়, আচার-আচরণ, ব্যবহার, শিষ্টাচার, সামাজিক কাজ, কথা-বার্তা সবকিছু দেখে নির্বাচন করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, তিনি সব সময় নবীনদের সাহিত্য ক্ষেত্রে মন-প্রাণ দিয়ে সহযোগিতা করবেন।
'নবোন্মেষ সুকান্ত সম্মাননা'-২০২১, পান বিশিষ্ট উদীয়মানা কবি সঞ্চয়িতা শর্মা। ২৫শে ফেব্রুয়ারী 'জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনী' গ্রন্থ প্রকাশ অনুষ্ঠানে 'নবোন্মেষ' পত্রিকার সম্পাদক শ্রী গৌরাঙ্গ সরকার মহাশয় 'সম্মাননা' উত্তরীয় এবং প্রশংসাপত্র সহ তুলে দেন কবির হাতে।
'নবোন্মেষ সুকান্ত সম্মাননা'-২০২১, পান বিশিষ্ট উদীয়মানা কবি সঞ্চয়িতা শর্মা। ২৫শে ফেব্রুয়ারী 'জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনী' গ্রন্থ প্রকাশ অনুষ্ঠানে 'নবোন্মেষ' পত্রিকার সম্পাদক শ্রী গৌরাঙ্গ সরকার মহাশয় 'সম্মাননা' উত্তরীয় এবং প্রশংসাপত্র সহ তুলে দেন কবির হাতে। সম্পাদক মহাশয় জানান যে, সবাই ভালো লেখেন, একজনকে নির্বাচন করা খুবই কঠিন কাজ। তাই উদীয়মান কবিদের শুধু লেখা নয়, আচার-আচরণ, ব্যবহার, শিষ্টাচার, সামাজিক কাজ, কথা-বার্তা সবকিছু দেখে নির্বাচন করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, তিনি সব সময় নবীনদের সাহিত্য ক্ষেত্রে মন-প্রাণ দিয়ে সহযোগিতা করবেন।
প্রকাশ পেল 'জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনী' থেকে 'সময়ের অক্ষর'' যৌথ কাব্য সংকলন মোহনপুর স্বামী বিবেকানন্দ মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ডঃ নির্মল ভদ্র' মহাশয়ের হাত ধরে। বইটি সম্পাদনা করেছেন কবি শিবশঙ্কর দেবনাথ এবং সৌরভ শীল।
প্রকাশ পেল 'জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনী' থেকে 'সময়ের অক্ষর' যৌথ কাব্য সংকলন মোহনপুর স্বামী বিবেকানন্দ মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ডঃ নির্মল ভদ্র' মহাশয়ের হাত ধরে। বইটি সম্পাদনা করেছেন কবি শিবশঙ্কর দেবনাথ এবং সৌরভ শীল। বইটিতে রয়েছে বিশিষ্ট কবি সাহিত্যিকদের কবিতা। বইটি আগরতলা বইমেলায় পাবেন জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনীতে stall no.B28
প্রকাশ পেল 'জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনী' থেকে 'সময়ের অক্ষর'' যৌথ কাব্য সংকলন মোহনপুর স্বামী বিবেকানন্দ মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ডঃ নির্মল ভদ্র' মহাশয়ের হাত ধরে। বইটি সম্পাদনা করেছেন কবি শিবশঙ্কর দেবনাথ এবং সৌরভ শীল।
প্রকাশ পেল 'জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনী' থেকে 'সময়ের অক্ষর' যৌথ কাব্য সংকলন মোহনপুর স্বামী বিবেকানন্দ মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ডঃ নির্মল ভদ্র' মহাশয়ের হাত ধরে। বইটি সম্পাদনা করেছেন কবি শিবশঙ্কর দেবনাথ এবং সৌরভ শীল। বইটিতে রয়েছে বিশিষ্ট কবি সাহিত্যিকদের কবিতা। বইটি আগরতলা বইমেলায় পাবেন জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনীতে stall no.B28
প্রকাশিত হল জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনী থেকে 'দ্যা গল্পগ্রাম' গল্প সংকলন। মলাট উন্মোচন করেন মোহনপুর স্বামী বিবেকানন্দ মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ডঃ নির্মল ভদ্র মহাশয়।
প্রকাশিত হল জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনী থেকে 'দ্যা গল্পগ্রাম' গল্প সংকলন। মলাট উন্মোচন করেন মোহনপুর স্বামী বিবেকানন্দ মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ডঃ নির্মল ভদ্র মহাশয়। এই বই নিয়ে জানান যে, গল্পগুলো পাঠকদের আকর্ষণ করবে নিশ্চিত। আরো জানান গল্পকার গৌরাঙ্গ সরকার'এর নবীন সাহিত্যে তার অবদান।
প্রকাশিত হল জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনী থেকে 'দ্যা গল্পগ্রাম' গল্প সংকলন। মলাট উন্মোচন করেন মোহনপুর স্বামী বিবেকানন্দ মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ডঃ নির্মল ভদ্র মহাশয়।
প্রকাশিত হল জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনী থেকে 'দ্যা গল্পগ্রাম' গল্প সংকলন। মলাট উন্মোচন করেন মোহনপুর স্বামী বিবেকানন্দ মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ডঃ নির্মল ভদ্র মহাশয়। এই বই নিয়ে জানান যে, গল্পগুলো পাঠকদের আকর্ষণ করবে নিশ্চিত। আরো জানান গল্পকার গৌরাঙ্গ সরকার'এর নবীন সাহিত্যে তার অবদান।
''নবোন্মেষ সুকান্ত সম্মাননা'-২০২১ পাচ্ছেন ত্রিপুরার বিশিষ্ট উদীয়মানা কবি সঞ্চয়িতা শর্মা। তারিখঃ ২৫ শে ফেব্রুয়ারী,২০২১ স্থানঃ স্টুডেন্টস্ হেল্থ হোম,আগরতলা
'নবোন্মেষ' সাহিত্য পত্রিকা
(আগরতলা, পশ্চিম ত্রিপুরা)
'নবোন্মেষ সুকান্ত সম্মাননা'-২০২১
পাচ্ছেন ত্রিপুরার বিশিষ্ট উদীয়মানা কবি সঞ্চয়িতা শর্মা।
তারিখঃ ২৫ শে ফেব্রুয়ারী,২০২১
স্থানঃ স্টুডেন্টস্ হেল্থ হোম,আগরতলা
''নবোন্মেষ সুকান্ত সম্মাননা'-২০২১ পাচ্ছেন ত্রিপুরার বিশিষ্ট উদীয়মানা কবি সঞ্চয়িতা শর্মা। তারিখঃ ২৫ শে ফেব্রুয়ারী,২০২১ স্থানঃ স্টুডেন্টস্ হেল্থ হোম,আগরতলা
'নবোন্মেষ' সাহিত্য পত্রিকা
(আগরতলা, পশ্চিম ত্রিপুরা)
'নবোন্মেষ সুকান্ত সম্মাননা'-২০২১
পাচ্ছেন ত্রিপুরার বিশিষ্ট উদীয়মানা কবি সঞ্চয়িতা শর্মা।
তারিখঃ ২৫ শে ফেব্রুয়ারী,২০২১
স্থানঃ স্টুডেন্টস্ হেল্থ হোম,আগরতলা
'আমরা এখন অভিজ্ঞ' প্রকাশিত হচ্ছে জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনীতে। ২৫ শে ফেব্রুয়ারী স্টুডেন্ট হেল্থ হোম আগরতলা।
লেখক গৌরাঙ্গ সরকার-এর সম্পাদনায় ত্রিপুরার বিশিষ্ট লেখকদের জীবনে ঘটা অভিজ্ঞতা নিয়ে যৌথ গল্প সংকলন 'আমরা এখন অভিজ্ঞ' প্রকাশিত হচ্ছে জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনী থেকে ২৫শে ফেব্রুয়ারী ২০২১ স্টুডেন্ট হেল্থ হোম হলে,আগরতলা। পাবেন আগরতলা ২০২১ বই মেলাতে, জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনীতে।
'আমরা এখন অভিজ্ঞ' প্রকাশিত হচ্ছে জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনীতে। ২৫ শে ফেব্রুয়ারী স্টুডেন্ট হেল্থ হোম আগরতলা।
লেখক গৌরাঙ্গ সরকার-এর সম্পাদনায় ত্রিপুরার বিশিষ্ট লেখকদের জীবনে ঘটা অভিজ্ঞতা নিয়ে যৌথ গল্প সংকলন 'আমরা এখন অভিজ্ঞ' প্রকাশিত হচ্ছে জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনী থেকে ২৫শে ফেব্রুয়ারী ২০২১ স্টুডেন্ট হেল্থ হোম হলে,আগরতলা। পাবেন আগরতলা ২০২১ বই মেলাতে, জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনীতে।
সময়ের অক্ষর,নবোন্মেষ সাহিত্য পত্রিকার পরিবেশনায় প্রকাশিত হচ্ছে। ২৫শে ফেব্রুয়ারী আগরতলা স্টুডেন্টস্ হেল্থ হোমে,
লেখক শিবশঙ্কর দেবনাথ এবং সৌরভ শীল-এর সম্পাদনায় ত্রিপুরার বিশিষ্ট কবিদের নিয়ে যৌথ কবিতা সংকলন 'সময়ের অক্ষর' প্রকাশিত হচ্ছে জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনী থেকে ২৫শে ফেব্রুয়ারী ২০২১ স্টুডেন্ট হেল্থ হোম হলে,আগরতলা। পাবেন আগরতলা ২০২১ বই মেলাতে, জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনীতে।
সময়ের অক্ষর,নবোন্মেষ সাহিত্য পত্রিকার পরিবেশনায় প্রকাশিত হচ্ছে। ২৫শে ফেব্রুয়ারী আগরতলা স্টুডেন্টস্ হেল্থ হোমে,
লেখক শিবশঙ্কর দেবনাথ এবং সৌরভ শীল-এর সম্পাদনায় ত্রিপুরার বিশিষ্ট কবিদের নিয়ে যৌথ কবিতা সংকলন 'সময়ের অক্ষর' প্রকাশিত হচ্ছে জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনী থেকে ২৫শে ফেব্রুয়ারী ২০২১ স্টুডেন্ট হেল্থ হোম হলে,আগরতলা। পাবেন আগরতলা ২০২১ বই মেলাতে, জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনীতে।
দ্যা গল্পগ্রাম,প্রকাশিত হচ্ছে জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনী থেকে,২৫ শে ফেব্রুয়ারী স্টুডেন্টস্ হেল্থ হোমে
লেখক গৌরাঙ্গ সরকার'এর সম্পাদনায় ত্রিপুরার এক ঝাঁক গল্পকার দ্বারা লিখিত যৌথ গল্প সংকলন 'দ্যা গল্পগ্রাম' প্রকাশিত হচ্ছে জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনী থেকে ২৫শে ফেব্রুয়ারী ২০২১ স্টুডেন্ট হেল্থ হোম হলে,আগরতলা। পাবেন আগরতলা ২০২১ বই মেলাতে, জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনীতে।
দ্যা গল্পগ্রাম,প্রকাশিত হচ্ছে জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনী থেকে,২৫ শে ফেব্রুয়ারী স্টুডেন্টস্ হেল্থ হোমে
লেখক গৌরাঙ্গ সরকার'এর সম্পাদনায় ত্রিপুরার এক ঝাঁক গল্পকার দ্বারা লিখিত যৌথ গল্প সংকলন 'দ্যা গল্পগ্রাম' প্রকাশিত হচ্ছে জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনী থেকে ২৫শে ফেব্রুয়ারী ২০২১ স্টুডেন্ট হেল্থ হোম হলে,আগরতলা। পাবেন আগরতলা ২০২১ বই মেলাতে, জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনীতে।
'স্থাপত্য কাব্যের পাঞ্জাবি' কবি গৌরাঙ্গ সরকার-এর কাব্যগ্রন্থ, প্রকাশিত হচ্ছে জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনী থেকে ২৫শে ফেব্রুয়ারী ২০২১ স্টুডেন্ট হেল্থ হোম হলে,আগরতলা।
কবি গৌরাঙ্গ সরকার'এর কাব্য 'স্থাপত্য কাব্যের পাঞ্জাবি' প্রকাশিত হচ্ছে জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনী থেকে ২৫শে ফেব্রুয়ারী ২০২১ স্টুডেন্ট হেল্থ হোম হলে,আগরতলা। গ্রন্থটি মূলত রোমান্টিক কবিতা নিয়ে। পাবেন আগরতলা ২০২১ বই মেলাতে, জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনীতে।
'স্থাপত্য কাব্যের পাঞ্জাবি' কবি গৌরাঙ্গ সরকার-এর কাব্যগ্রন্থ, প্রকাশিত হচ্ছে জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনী থেকে ২৫শে ফেব্রুয়ারী ২০২১ স্টুডেন্ট হেল্থ হোম হলে,আগরতলা।
কবি গৌরাঙ্গ সরকার'এর কাব্য 'স্থাপত্য কাব্যের পাঞ্জাবি' প্রকাশিত হচ্ছে জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনী থেকে ২৫শে ফেব্রুয়ারী ২০২১ স্টুডেন্ট হেল্থ হোম হলে,আগরতলা। গ্রন্থটি মূলত রোমান্টিক কবিতা নিয়ে। পাবেন আগরতলা ২০২১ বই মেলাতে, জ্ঞান বীক্ষণ প্রকাশনীতে।
সম্পাদকীয়
সম্পাদকীয়............✍️
'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' বা ২১শে ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশ সহ সমগ্র বিশ্বে মাথা উঁচু করে বিশ্ববাসী 'শহীদ দিবস' হিসাবে জনগনের গৌরবোজ্জ্বল একটি দিন পালন করছে। যার সৃষ্টি বিশ্বের এক শ্রেষ্ঠ জাতি 'বাঙালী'র হাত ধরে, বাঙালী'র রক্তে, ত্যাগে! এই জাতি বিশ্ববাসীকে শিখিয়েছে যে, মাতৃভাষা মায়ের দুধের সমান, আর মাতৃভাষার জন্য যে প্রাণ দেওয়া যায় সেটাও বাঙালী দেখিয়েছে। আমরা ইতিহাস শুনেছি, যখন অধম পশ্চিম পাকিস্তান (বর্তমান পাকিস্তান) অপশক্তির বলে পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) বসবাসকারী বাংলাবাসীর জনগনের উপর নানান নির্মম গণহত্যা ও অত্যাচারের মাধ্যমে উর্দু ভাষা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তখন ১৯৫২ সালে( ৮ ফাল্গুন, ১৩৫৮, বৃহস্পতিবার) নিজের মাতৃভাষা তথা বাংলাভাষা'কে রক্ষা এবং পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা আন্দোলন করে তখন ছাত্রদের উপর পাকিস্তানি পুলিশের গুলিবর্ষণে কয়েকজন তরুণ শহীদ হন। তাঁদের মধ্যে অন্যতম রফিক, জব্বার, শফিউল, সালাম, বরকত আরো অনেকেই। তাই এই দিনটি শহীদ বা দধীচি দিবস হিসেবে চিহ্নিত এবং অমর হয়ে আছে। তারপর ২০১০ সালে জাতিসংঘ গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুসারে প্রতিবছর ২১শে ফেব্রুয়ারী বিশ্বব্যাপী 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে পালন করা হয়।
'নবোন্মেষ' সাহিত্য পত্রিকার ফেব্রুয়ারী ই-সংখ্যা 'মাতৃভাষা' সংখ্যার মাধ্যমে বাংলাভাষা, সমগ্র মাতৃভাষা এবং মাতৃভাষা রক্ষা করতে যাঁরা প্রাণ দিয়েছেন তাঁদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা এবং অফুরন্ত ভালোবাসা রইল।
ধন্যবাদ এবং শ্রদ্ধা
গৌরাঙ্গ সরকার (সম্পাদক,নবোন্মেষ)
ও
শিবশঙ্কর দেবনাথ (সহ-সম্পাদক, নবোন্মেষ)
সম্পাদকীয়
সম্পাদকীয়............✍️
'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' বা ২১শে ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশ সহ সমগ্র বিশ্বে মাথা উঁচু করে বিশ্ববাসী 'শহীদ দিবস' হিসাবে জনগনের গৌরবোজ্জ্বল একটি দিন পালন করছে। যার সৃষ্টি বিশ্বের এক শ্রেষ্ঠ জাতি 'বাঙালী'র হাত ধরে, বাঙালী'র রক্তে, ত্যাগে! এই জাতি বিশ্ববাসীকে শিখিয়েছে যে, মাতৃভাষা মায়ের দুধের সমান, আর মাতৃভাষার জন্য যে প্রাণ দেওয়া যায় সেটাও বাঙালী দেখিয়েছে। আমরা ইতিহাস শুনেছি, যখন অধম পশ্চিম পাকিস্তান (বর্তমান পাকিস্তান) অপশক্তির বলে পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) বসবাসকারী বাংলাবাসীর জনগনের উপর নানান নির্মম গণহত্যা ও অত্যাচারের মাধ্যমে উর্দু ভাষা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তখন ১৯৫২ সালে( ৮ ফাল্গুন, ১৩৫৮, বৃহস্পতিবার) নিজের মাতৃভাষা তথা বাংলাভাষা'কে রক্ষা এবং পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা আন্দোলন করে তখন ছাত্রদের উপর পাকিস্তানি পুলিশের গুলিবর্ষণে কয়েকজন তরুণ শহীদ হন। তাঁদের মধ্যে অন্যতম রফিক, জব্বার, শফিউল, সালাম, বরকত আরো অনেকেই। তাই এই দিনটি শহীদ বা দধীচি দিবস হিসেবে চিহ্নিত এবং অমর হয়ে আছে। তারপর ২০১০ সালে জাতিসংঘ গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুসারে প্রতিবছর ২১শে ফেব্রুয়ারী বিশ্বব্যাপী 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে পালন করা হয়।
'নবোন্মেষ' সাহিত্য পত্রিকার ফেব্রুয়ারী ই-সংখ্যা 'মাতৃভাষা' সংখ্যার মাধ্যমে বাংলাভাষা, সমগ্র মাতৃভাষা এবং মাতৃভাষা রক্ষা করতে যাঁরা প্রাণ দিয়েছেন তাঁদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা এবং অফুরন্ত ভালোবাসা রইল।
ধন্যবাদ এবং শ্রদ্ধা
গৌরাঙ্গ সরকার (সম্পাদক,নবোন্মেষ)
ও
শিবশঙ্কর দেবনাথ (সহ-সম্পাদক, নবোন্মেষ)
বর্ণমালার চাদর
✍️খোকন সাহা
এই দিতা ! মাথা তোল ।
কেন মেঘ দিয়ে মাখলি চুল।
অমিতাভই যদি দুঃহাতে মাখিস্
তোর সুমেরু কুমেরু বুকে ,
কেন তবে লাল ফিতায় বাঁধলি -না
ঢেউ তোলা আঁধারের ঢল্ ।
যাবি যদি চল্ ।
অষ্টাদশীর কুলোতে ঝাড়ন্
একুশ ধানের শীষ ;
খল্ খল্ নদীর পাশে
অগ্নিবৃত্তের মুখ ধোওয়া
আ-মরি ! বাংলা ভাষার বুকে ;
মুখ তোলে ------
নগরনটির হাস্যমুখর হংসপাখার তলে ।
আয় আয় ! বন্দী সুন্দরের নগ্ন উনুন হতে
যত বারুদের বর্ণমালা ডেকে ওঠে
তোর নদীমাতৃক . দেশমাতৃক. বন্দনার মর্মতল
ছিন্নভিন্ন করে ,
পারিস্ -তো, দু-বেলার আত্মজীবনী সেলাই করে
রক্ত তোলপাড় , পরানমাঝির বৈঠা দিয়ে
বন্ধ বন্যার আর্তনাদ ভেঙ্গে ফেল্ ।
কারুময় মাটির কাচুলি দিয়ে
ঢেকে ফেলা জলোচ্ছ্বাসের প্রত্নময় ছেনীতে ---
যে আগুন এখনও , রক্তে ডাকে বান -----
শুকিয়ে যাওয়া ধূলট পথে
ফুল ফুটানোর অমৃতজয়ী গান , ......
সেখানে পাঁজরের হাড় গুণে গুণে
বোকা মেয়ের পায়ের কাছে
তীব্র চাবুক চিৎকার........ তৃতীয় বিশ্বের প্রাণঃ
.........তোর যত ভাঙ্গনের প্রবাহ দিয়ে
গড়েছ মোদের হাঃ হাঃ , হো হো.....
সূর্যের শর্ষক্ষেতে, মাধ্যাকর্ষনের যত নম্র নখ
ঝক্ ঝক্ করে ----- আমাদের শরীরে ;
তাদের ধন্য করে, কিসের শরীর থেকে
কাদের শরীরে গলে যাওয়ার আগে ......
হে বস্তির দূরন্ত মেয়ে ! অফুরন্ত মনিমঞ্জুষা !
ধূলোবালি গায়ে মেখে সারাদিন টই টই ডাংগুলি ঘুড়ি ,
আর ক্লান্ত লাটাইয়ে যখন
কুড়োনো খাবার তুলে ঘুমিয়ে পড় ----
শহরের এঁটোবাস গলির ভাঙ্গা রিক্ সায় ;
------তখন , আমরাই তোর গায়ে
শীতের রোদের মত জড়িয়ে থাকি
বর্ণমালার চাদর নিয়ে , অক্ষরবুটির আকাশছায়ায়
জ্বলে উঠি , রাত্রিশেষের ঝড়োপাতায় ।
তবু তোর দু-চোখ ভরে
বিজয়ার বাজনা মুছে , এঁকে দি ----
অপুষ্টির অন্নসৃজন শিল্পের দুনিয়া ।
আর দেশভ্রাতৃক নদীমাতৃক বন্দনার মর্মতল
তোলপাড় করে -----
নানা ছাঁদে , নানা রঙে , এঁকে দি
তোর ভাষাজলতার মনজলতার দীর্ঘ বেণী !
তবুও , বঙ্গভঙ্গের আমরন অনশন ঝেড়ে ফেলে.....
একবার , শুধু একবার
.....এই দিতা , মাথা তোল্ ! মুখ খোল্ !
তোর জাগরন আমরনে চেয়ে আছে ----
পিতামাতার অন্নজল তুলে ধরা
বোবা দস্যু রত্নাকরের দল ।
নতুবা , পৃথিবীর সব শব্দগুহায়
আজও লিখে চলে ----
ধমনীতান্ডব অক্ষরের জয় ,
মানুষের......বিপন্ন....... বিস্ময় !
বর্ণমালার চাদর
✍️খোকন সাহা
এই দিতা ! মাথা তোল ।
কেন মেঘ দিয়ে মাখলি চুল।
অমিতাভই যদি দুঃহাতে মাখিস্
তোর সুমেরু কুমেরু বুকে ,
কেন তবে লাল ফিতায় বাঁধলি -না
ঢেউ তোলা আঁধারের ঢল্ ।
যাবি যদি চল্ ।
অষ্টাদশীর কুলোতে ঝাড়ন্
একুশ ধানের শীষ ;
খল্ খল্ নদীর পাশে
অগ্নিবৃত্তের মুখ ধোওয়া
আ-মরি ! বাংলা ভাষার বুকে ;
মুখ তোলে ------
নগরনটির হাস্যমুখর হংসপাখার তলে ।
আয় আয় ! বন্দী সুন্দরের নগ্ন উনুন হতে
যত বারুদের বর্ণমালা ডেকে ওঠে
তোর নদীমাতৃক . দেশমাতৃক. বন্দনার মর্মতল
ছিন্নভিন্ন করে ,
পারিস্ -তো, দু-বেলার আত্মজীবনী সেলাই করে
রক্ত তোলপাড় , পরানমাঝির বৈঠা দিয়ে
বন্ধ বন্যার আর্তনাদ ভেঙ্গে ফেল্ ।
কারুময় মাটির কাচুলি দিয়ে
ঢেকে ফেলা জলোচ্ছ্বাসের প্রত্নময় ছেনীতে ---
যে আগুন এখনও , রক্তে ডাকে বান -----
শুকিয়ে যাওয়া ধূলট পথে
ফুল ফুটানোর অমৃতজয়ী গান , ......
সেখানে পাঁজরের হাড় গুণে গুণে
বোকা মেয়ের পায়ের কাছে
তীব্র চাবুক চিৎকার........ তৃতীয় বিশ্বের প্রাণঃ
.........তোর যত ভাঙ্গনের প্রবাহ দিয়ে
গড়েছ মোদের হাঃ হাঃ , হো হো.....
সূর্যের শর্ষক্ষেতে, মাধ্যাকর্ষনের যত নম্র নখ
ঝক্ ঝক্ করে ----- আমাদের শরীরে ;
তাদের ধন্য করে, কিসের শরীর থেকে
কাদের শরীরে গলে যাওয়ার আগে ......
হে বস্তির দূরন্ত মেয়ে ! অফুরন্ত মনিমঞ্জুষা !
ধূলোবালি গায়ে মেখে সারাদিন টই টই ডাংগুলি ঘুড়ি ,
আর ক্লান্ত লাটাইয়ে যখন
কুড়োনো খাবার তুলে ঘুমিয়ে পড় ----
শহরের এঁটোবাস গলির ভাঙ্গা রিক্ সায় ;
------তখন , আমরাই তোর গায়ে
শীতের রোদের মত জড়িয়ে থাকি
বর্ণমালার চাদর নিয়ে , অক্ষরবুটির আকাশছায়ায়
জ্বলে উঠি , রাত্রিশেষের ঝড়োপাতায় ।
তবু তোর দু-চোখ ভরে
বিজয়ার বাজনা মুছে , এঁকে দি ----
অপুষ্টির অন্নসৃজন শিল্পের দুনিয়া ।
আর দেশভ্রাতৃক নদীমাতৃক বন্দনার মর্মতল
তোলপাড় করে -----
নানা ছাঁদে , নানা রঙে , এঁকে দি
তোর ভাষাজলতার মনজলতার দীর্ঘ বেণী !
তবুও , বঙ্গভঙ্গের আমরন অনশন ঝেড়ে ফেলে.....
একবার , শুধু একবার
.....এই দিতা , মাথা তোল্ ! মুখ খোল্ !
তোর জাগরন আমরনে চেয়ে আছে ----
পিতামাতার অন্নজল তুলে ধরা
বোবা দস্যু রত্নাকরের দল ।
নতুবা , পৃথিবীর সব শব্দগুহায়
আজও লিখে চলে ----
ধমনীতান্ডব অক্ষরের জয় ,
মানুষের......বিপন্ন....... বিস্ময় !
বাড়িটা কাঁদছে
✍️নিধির রায়
বাড়িটা কাঁদছে
ছাদ থেকে গড়িয়ে পড়েছে অশ্রুজল,
আমার কানের কাছে সেই জল পড়ার শব্দ
অবিরত বেজে চলেছে,
আজ বাড়িটির মালিক চলে যাচ্ছে,
অন্যত্র বাসা হয়েছে তার।
এতবছর ধরে আমার কানের কাছে
আমার ঠিক শিয়রের কাছে
ঝরেছে ছাদের জল,বৃষ্টির জল
একদিনও মনে হয়নি বাড়িটা কাঁদছে,
মনে হতো বিরক্তিকর ঝর্ণাধ্বনি,ভেবেছি
একদিন বলবো,বন্ধ করো ঐ ঝর্ণা
ঘুম হয়না, জানো না।
বলার আগেই চলে গেছে ওরা
অন্যত্র হয়েছে বাস,
বাড়িটা একা পড়ে আছে,
একা আছে বলেই ওর কান্না
দীর্ঘতর বড়াখেয়ালের মতো
স্থায়ী থেকে অন্তরায় ধীরতম ধীর লয়ে
ছড়িয়ে পড়েছে সমস্ত পাড়ায়।
বাড়িটিও কাঁদে মালিক এর জন্য
মালিকটি যেমন কেঁদেছিল বিদায়ের বেলা।
বাড়িটা কাঁদছে
✍️নিধির রায়
বাড়িটা কাঁদছে
ছাদ থেকে গড়িয়ে পড়েছে অশ্রুজল,
আমার কানের কাছে সেই জল পড়ার শব্দ
অবিরত বেজে চলেছে,
আজ বাড়িটির মালিক চলে যাচ্ছে,
অন্যত্র বাসা হয়েছে তার।
এতবছর ধরে আমার কানের কাছে
আমার ঠিক শিয়রের কাছে
ঝরেছে ছাদের জল,বৃষ্টির জল
একদিনও মনে হয়নি বাড়িটা কাঁদছে,
মনে হতো বিরক্তিকর ঝর্ণাধ্বনি,ভেবেছি
একদিন বলবো,বন্ধ করো ঐ ঝর্ণা
ঘুম হয়না, জানো না।
বলার আগেই চলে গেছে ওরা
অন্যত্র হয়েছে বাস,
বাড়িটা একা পড়ে আছে,
একা আছে বলেই ওর কান্না
দীর্ঘতর বড়াখেয়ালের মতো
স্থায়ী থেকে অন্তরায় ধীরতম ধীর লয়ে
ছড়িয়ে পড়েছে সমস্ত পাড়ায়।
বাড়িটিও কাঁদে মালিক এর জন্য
মালিকটি যেমন কেঁদেছিল বিদায়ের বেলা।
স্বপ্নের বাস্তব
✍️ডাঃ রূপক পোদ্দার
গানের ভিতর দিয়ে যখন দেখি ভুবনখানি তখন তারে চিনি আমি,
তখন তারে জানি। তখন তারি আলোর ভাষায়
আকাশ ভরে ভালোবাসায়,
তখন তারি ধুলায় ধুলায় জাগে পরম বাণী।
তখন সে যে বাহির ছেড়ে অন্তরে মোর আসে,
তখন আমার হৃদয় কাঁপে তারি ঘাসে ঘাসে।
রূপের রেখা রসের ধারায়
আপন সীমা কোথায় হারায়,
তখন দেখি আমার সাথে সবার কানাকানি ॥
স্বপ্নের বাস্তব
✍️ডাঃ রূপক পোদ্দার
গানের ভিতর দিয়ে যখন দেখি ভুবনখানি তখন তারে চিনি আমি,
তখন তারে জানি। তখন তারি আলোর ভাষায়
আকাশ ভরে ভালোবাসায়,
তখন তারি ধুলায় ধুলায় জাগে পরম বাণী।
তখন সে যে বাহির ছেড়ে অন্তরে মোর আসে,
তখন আমার হৃদয় কাঁপে তারি ঘাসে ঘাসে।
রূপের রেখা রসের ধারায়
আপন সীমা কোথায় হারায়,
তখন দেখি আমার সাথে সবার কানাকানি ॥
মাতৃভাষা
✍️ মনচলি চক্রবর্তী
বাংলা মোদের মা।
বাংলা মোদের মাতৃভাষা ।।
বাংলা ভাষার মাঝে আছে প্রান।
এই ভাষায় জাগে বুকে শিহরণ ।।
কত দেশ কত যে ভাষা,
আমার হৃদয়ে লেখা থাকুক
চিরকাল অমর হয়ে ।
আমার মাতৃভাষা বাংলা ভাষা ।।
বাংলা ভাষায় বলবো কথা।
বাংলাভাষায় লিখবো গাথা।।
বাংলায় ভাষায় গাইব গান ।
বাংলা মনে আনে ছন্দ তাল।।
মায়ের ভাষার আছে সুখ ।
মাতৃভাষায় জুড়ে যায় বুক।।
বাংলা মায়ের মুখ দেখে।
জীবন মন দেবো সঁপে।।
রক্ত জড়ানো একুশে ফুটুক।
শত শ্রদ্ধার একরাশ গোলাপ।।
মাতৃভাষা
✍️ মনচলি চক্রবর্তী
বাংলা মোদের মা।
বাংলা মোদের মাতৃভাষা ।।
বাংলা ভাষার মাঝে আছে প্রান।
এই ভাষায় জাগে বুকে শিহরণ ।।
কত দেশ কত যে ভাষা,
আমার হৃদয়ে লেখা থাকুক
চিরকাল অমর হয়ে ।
আমার মাতৃভাষা বাংলা ভাষা ।।
বাংলা ভাষায় বলবো কথা।
বাংলাভাষায় লিখবো গাথা।।
বাংলায় ভাষায় গাইব গান ।
বাংলা মনে আনে ছন্দ তাল।।
মায়ের ভাষার আছে সুখ ।
মাতৃভাষায় জুড়ে যায় বুক।।
বাংলা মায়ের মুখ দেখে।
জীবন মন দেবো সঁপে।।
রক্ত জড়ানো একুশে ফুটুক।
শত শ্রদ্ধার একরাশ গোলাপ।।
মাতৃভাষা
✍️সুপর্ণা মজুমদার
বাংলা আমার মাতৃভাষা বাংলা আমার দেশ,
এই ভাষাতেই "মা " বলি ভাই এই ভাষাটাই বেশ।
বাংলায় আমি গরব করি বাংলায় হই সরব,
আত্মপ্রকাশের ভাষা আমার নয়তো ছিলাম নীরব।
অতুল, রজনী, নজরুল,
ডি.এল রায় আর রবি,
এই ভাষাতেই হয়েছিলেন বিশ্বখ্যাত কবি।
বাংলার পুত্র বীরেশ্বর
করলেন বিশ্বজয়,
সুভাষ বোস তো এই ভাষাতেই সব বাঙালির হৃদয়ে রয়!
বাংলা ভাষা মায়ের মতো মিস্টি মধুর ভাষা,
এই ভাষাতেই গান গেয়ে যায় মাঝি ভাই আর চাষা।
এই ভাষাতেই কেঁদে হেসে মিটে সবার আশা,
প্রাণের ভাষা, মনের ভাষা আমার বাংলা ভাষা।
মাতৃভাষা
✍️সুপর্ণা মজুমদার
বাংলা আমার মাতৃভাষা বাংলা আমার দেশ,
এই ভাষাতেই "মা " বলি ভাই এই ভাষাটাই বেশ।
বাংলায় আমি গরব করি বাংলায় হই সরব,
আত্মপ্রকাশের ভাষা আমার নয়তো ছিলাম নীরব।
অতুল, রজনী, নজরুল,
ডি.এল রায় আর রবি,
এই ভাষাতেই হয়েছিলেন বিশ্বখ্যাত কবি।
বাংলার পুত্র বীরেশ্বর
করলেন বিশ্বজয়,
সুভাষ বোস তো এই ভাষাতেই সব বাঙালির হৃদয়ে রয়!
বাংলা ভাষা মায়ের মতো মিস্টি মধুর ভাষা,
এই ভাষাতেই গান গেয়ে যায় মাঝি ভাই আর চাষা।
এই ভাষাতেই কেঁদে হেসে মিটে সবার আশা,
প্রাণের ভাষা, মনের ভাষা আমার বাংলা ভাষা।
বাংলা আমার অহংকার
✍️সৈকত মজুমদার
আমি গর্বিত আজ
আমার মায়ের ভাষা বাংলা ,
আমি বাংলায় কথা বলি এবং
গর্ববোধ করি একজন বাঙালি।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
রাজা রামমোহন রায়
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর থেকে
স্বামী বিবেকানন্দ প্রমুখ
মনীষীদের জন্য গর্ববোধ করি।
উনারা সবাই বাঙালি, আর
সেই ভাষায় আমি কথা বলি;
২১ ও পাড় ১৯ এ পাড়
ভাষা শহীদরা আমার অহংকার।
বাংলা আমার অহংকার
✍️সৈকত মজুমদার
আমি গর্বিত আজ
আমার মায়ের ভাষা বাংলা ,
আমি বাংলায় কথা বলি এবং
গর্ববোধ করি একজন বাঙালি।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
রাজা রামমোহন রায়
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর থেকে
স্বামী বিবেকানন্দ প্রমুখ
মনীষীদের জন্য গর্ববোধ করি।
উনারা সবাই বাঙালি, আর
সেই ভাষায় আমি কথা বলি;
২১ ও পাড় ১৯ এ পাড়
ভাষা শহীদরা আমার অহংকার।
একুশে ফেব্রুয়ারি
✍️ সুজন দেবনাথ
কত যে ভাইয়ের রক্তে রাঙিয়ে
স্মরণে আজ একুশে ফেব্রুয়ারি।
আমরা ভুলবো না কভু সেই কথা
সদা স্মরণে থাকবে তুমি সবারই।।
আমি বাঙালি, এই বাংলা আজি
তোমার আমার সবার অহংকার।
কত বাঙালির মহান ত্যাগে আজ
বাংলা হয়েছে আমাদের অলংকার।।
অথচ মর্ডান যুগের বাঙালি আজ
ভুলে যাচ্ছি আমাদের সেই আদর্শ।
যেই ভাষাকে মর্যাদা দিতে বাঙালির
আঘাতে আঘাতে কেটেছে কত বর্ষ।।
মোদের গর্ব, আশা প্রিয় বাংলাভাষা
আজ চেয়ে দেখো তার কি অবগতি।
স্বদেশি বন্ধনা ছেড়ে বিদেশি চর্চায়
বাঙালির আজ হয়েছে ভ্রষ্ট মতি।।
উন্নতি হয়েছে বাঙালির চিন্তাধারা
তাই চেতনায় ধরাচ্ছে মলিন ঘুন।
বিদেশি শিক্ষায় সবে শিক্ষিত হচ্ছে
ক্রমান্বয়ে স্বদেশ টাকে করছে খুন।।
একুশে ফেব্রুয়ারি
✍️ সুজন দেবনাথ
কত যে ভাইয়ের রক্তে রাঙিয়ে
স্মরণে আজ একুশে ফেব্রুয়ারি।
আমরা ভুলবো না কভু সেই কথা
সদা স্মরণে থাকবে তুমি সবারই।।
আমি বাঙালি, এই বাংলা আজি
তোমার আমার সবার অহংকার।
কত বাঙালির মহান ত্যাগে আজ
বাংলা হয়েছে আমাদের অলংকার।।
অথচ মর্ডান যুগের বাঙালি আজ
ভুলে যাচ্ছি আমাদের সেই আদর্শ।
যেই ভাষাকে মর্যাদা দিতে বাঙালির
আঘাতে আঘাতে কেটেছে কত বর্ষ।।
মোদের গর্ব, আশা প্রিয় বাংলাভাষা
আজ চেয়ে দেখো তার কি অবগতি।
স্বদেশি বন্ধনা ছেড়ে বিদেশি চর্চায়
বাঙালির আজ হয়েছে ভ্রষ্ট মতি।।
উন্নতি হয়েছে বাঙালির চিন্তাধারা
তাই চেতনায় ধরাচ্ছে মলিন ঘুন।
বিদেশি শিক্ষায় সবে শিক্ষিত হচ্ছে
ক্রমান্বয়ে স্বদেশ টাকে করছে খুন।।
বোধের বহ্নিশিখা
✍️মিঠু মল্লিক বৈদ্য
একুশের ভোর সমাগত রাষ্ট্রের বুকে
কতো আয়োজন,কতো উদ্ভাবন।
মুকুলিত তাজা গোলাপের সুভাষিত পরিমলে-
শুভ্র মল্লিকায় সজ্জিত মিনার।
কোকিলের মিষ্টি কলতানে;বাউলের গীতে
কৃষ্ণচূড়া ডালের মৃদু সমীরণে,
বাঙ্গালীর স্বপনে-মননে,একুশের ভাবনা,
রকমারী পুষ্পালঙ্কারে অলংকৃত বেদি।
সহসা নি:শব্দ যামিনীর অলৌকিক সুরে
ভেসে আসে কাতর স্বর।
জিজ্ঞাসে আমারে কেন রাখনি প্রতিশ্রুতি?
ভুলে গেলে আত্মত্যাগের কাহিনী?
আমরা তো চাইনি সারম্বরতা,তুচ্ছপ্রমোদ
চেয়েছিলাম তৃপ্তি,ভাষার স্বাধীনতা।
রক্তে কেনা গৌরব সঁপেছিলাম আমরা
কেন তবে এতো অবমাননা?
নারী ছেঁড়া ফুলের বুঝনি যাতনা,
একুশের গর্বে গৌরবান্বিত বাঙ্গালী ;
অথচ গৌরব নিয়েই খেলছে ছিনিমিনি
প্রজন্মরে শিখায় ইংরেজি বুলি।
শিখড়কে ভুলি ডালে ডালে চলো,
নাড়ীর বাঁধন ছিন্ন করি
অন্যরে রাখো আপন স্নেহডোরে বাাঁধি।
চেতনার বহ্নিশিখা উধাও আধুনিকার হাওয়ায়।
আমি নির্বাক,প্রতিভাষ নেই মুখে।
চিটা অবয়বে শহীদ আত্মারা
খোঁজে নেয় উত্তর,ফেলে দীর্ঘশ্বাস
গর্জে উঠে বজ্র নিনাদে।
সহস্র ক্ষোভের ঢেউ উঠে বুকে
অতুষ্ট আত্মারা মুখলুকিয়ে কাঁদে।
শহীদদের আত্মনিনাদ,শত মায়ের কান্না
আজও স্পষ্ট ধ্বনিত কর্ণকুহরে।
একুশের ভোর, ভাসবে প্রভাতফেরীর জনজোয়ারে
মিনারে বইবে পুষ্পাঞ্জলির স্রোত।
রক্তিম সাঁঝে অস্তমিত দিবাকরের সাথে
বোধের অর্চিও মিশবে বিশ্বায়নে।
শপথের কথা পরে থাকে বকেয়া
শহীদদের স্বপ্নভাঙ্গে প্রতি একুশে।
একটি বছরের অপেক্ষায় আবারও দিনগুনে
রঙ্গিন ফুলেরা বিবর্ণ হয় মিনারেই।
বোধের বহ্নিশিখা
✍️মিঠু মল্লিক বৈদ্য
একুশের ভোর সমাগত রাষ্ট্রের বুকে
কতো আয়োজন,কতো উদ্ভাবন।
মুকুলিত তাজা গোলাপের সুভাষিত পরিমলে-
শুভ্র মল্লিকায় সজ্জিত মিনার।
কোকিলের মিষ্টি কলতানে;বাউলের গীতে
কৃষ্ণচূড়া ডালের মৃদু সমীরণে,
বাঙ্গালীর স্বপনে-মননে,একুশের ভাবনা,
রকমারী পুষ্পালঙ্কারে অলংকৃত বেদি।
সহসা নি:শব্দ যামিনীর অলৌকিক সুরে
ভেসে আসে কাতর স্বর।
জিজ্ঞাসে আমারে কেন রাখনি প্রতিশ্রুতি?
ভুলে গেলে আত্মত্যাগের কাহিনী?
আমরা তো চাইনি সারম্বরতা,তুচ্ছপ্রমোদ
চেয়েছিলাম তৃপ্তি,ভাষার স্বাধীনতা।
রক্তে কেনা গৌরব সঁপেছিলাম আমরা
কেন তবে এতো অবমাননা?
নারী ছেঁড়া ফুলের বুঝনি যাতনা,
একুশের গর্বে গৌরবান্বিত বাঙ্গালী ;
অথচ গৌরব নিয়েই খেলছে ছিনিমিনি
প্রজন্মরে শিখায় ইংরেজি বুলি।
শিখড়কে ভুলি ডালে ডালে চলো,
নাড়ীর বাঁধন ছিন্ন করি
অন্যরে রাখো আপন স্নেহডোরে বাাঁধি।
চেতনার বহ্নিশিখা উধাও আধুনিকার হাওয়ায়।
আমি নির্বাক,প্রতিভাষ নেই মুখে।
চিটা অবয়বে শহীদ আত্মারা
খোঁজে নেয় উত্তর,ফেলে দীর্ঘশ্বাস
গর্জে উঠে বজ্র নিনাদে।
সহস্র ক্ষোভের ঢেউ উঠে বুকে
অতুষ্ট আত্মারা মুখলুকিয়ে কাঁদে।
শহীদদের আত্মনিনাদ,শত মায়ের কান্না
আজও স্পষ্ট ধ্বনিত কর্ণকুহরে।
একুশের ভোর, ভাসবে প্রভাতফেরীর জনজোয়ারে
মিনারে বইবে পুষ্পাঞ্জলির স্রোত।
রক্তিম সাঁঝে অস্তমিত দিবাকরের সাথে
বোধের অর্চিও মিশবে বিশ্বায়নে।
শপথের কথা পরে থাকে বকেয়া
শহীদদের স্বপ্নভাঙ্গে প্রতি একুশে।
একটি বছরের অপেক্ষায় আবারও দিনগুনে
রঙ্গিন ফুলেরা বিবর্ণ হয় মিনারেই।
ভাষা
✍️পান্হ দাস
ছোট্ট একটি শব্দ যেথা,
তবে ভাবতে প্রয়োজন
গভীর মানসিকতা ৷
ভাষা হল আসলে রঙ তুলি
যা আঁকি তাই শিখি ৷
রয়েছে কতইনা
ভাষা মোর পৃথিবীতে,
রয়েছে কতইনা
ভাস্কর্য মোর পৃথিবীতে,
তবে, বাংলার মতো সৃষ্টি
দ্বিতীয় নেই আর মোর নীলেতে ৷
কতইনা বীর ভাষা সংগ্রামী
হলেন শহীদ,
দিয়ে গেলেন ভাষার প্রতি
অফুরন্ত প্রতিকৃত ৷
মোর ভাষা মোর অহংকার
যা দূর করে সকল অন্ধকার,
মোর ভাষা মোর গর্ব
রইলো ভাষার প্রতি সকলের শ্রদ্ধার্ঘ ৷
ভাষা
✍️পান্হ দাস
ছোট্ট একটি শব্দ যেথা,
তবে ভাবতে প্রয়োজন
গভীর মানসিকতা ৷
ভাষা হল আসলে রঙ তুলি
যা আঁকি তাই শিখি ৷
রয়েছে কতইনা
ভাষা মোর পৃথিবীতে,
রয়েছে কতইনা
ভাস্কর্য মোর পৃথিবীতে,
তবে, বাংলার মতো সৃষ্টি
দ্বিতীয় নেই আর মোর নীলেতে ৷
কতইনা বীর ভাষা সংগ্রামী
হলেন শহীদ,
দিয়ে গেলেন ভাষার প্রতি
অফুরন্ত প্রতিকৃত ৷
মোর ভাষা মোর অহংকার
যা দূর করে সকল অন্ধকার,
মোর ভাষা মোর গর্ব
রইলো ভাষার প্রতি সকলের শ্রদ্ধার্ঘ ৷
Nwng phaimabai
✍️Rakhi Debbarma
Nwng phaimabai
kha thwijak khumulwngni khumbarbo
wari rik wngna chengkha.
Nwng phaimabai
tokpupu bolongni toksa toktwini
mwthakjak rwchapmung
haino hai chengjakha.
Nwng phaimabai
hapar sikla chana nangkha
ransajak twimani twi
khwrang wngna nangkha.
Nwng phaimabai
tangna korojak takhuk-bukhuk
hukni lamao lam rikha.
Nwng phaimabai
doljak thanti
bwrwima teisa takna yak rikha.
Nwng phaimabai
korojak bwthai
chariwi khwtwng surjakha.
Nwng phaimabai
mwktwi choraijak cherai
wari rik wngkha.
Nwng phaimabai
mwnak chumui kobontwi kobonkha
pohor phaikha rwtharwi.
Nwng ani khapang
khani kwcharni
nwng ani langmani ari.
Nwng phaimabai
✍️Rakhi Debbarma
Nwng phaimabai
kha thwijak khumulwngni khumbarbo
wari rik wngna chengkha.
Nwng phaimabai
tokpupu bolongni toksa toktwini
mwthakjak rwchapmung
haino hai chengjakha.
Nwng phaimabai
hapar sikla chana nangkha
ransajak twimani twi
khwrang wngna nangkha.
Nwng phaimabai
tangna korojak takhuk-bukhuk
hukni lamao lam rikha.
Nwng phaimabai
doljak thanti
bwrwima teisa takna yak rikha.
Nwng phaimabai
korojak bwthai
chariwi khwtwng surjakha.
Nwng phaimabai
mwktwi choraijak cherai
wari rik wngkha.
Nwng phaimabai
mwnak chumui kobontwi kobonkha
pohor phaikha rwtharwi.
Nwng ani khapang
khani kwcharni
nwng ani langmani ari.
বর্ণমালা
✍️ মোঃরুবেল
প্রতিটি নীরব রাতে,
বর্ণমালার সাথে কথোপকথনে--
ভেসে আসে এক বুকভরা বেদনা।
একটি নিস্তব্ধ আকাশের করুণ বর্নণা।
বারুদের বিষাক্ত বায়ু।
কার্তুজ বনাম দীপ্ত কন্ঠের সংঘর্ষ।
তাজা প্রাণের নিথর দেহের একটি শহীদ মিনার ।
উষ্ণ রক্তমাখা রাজপথ।
রফিক,সালাম,জব্বার বরকত'র দীপ্ত কন্ঠে উদ্ভাসিত মাতৃভাষা 'বাংলা চাই।'
তবুও,
বর্ণমালার রাজমুকুটের ভেতরে পাহাড় প্রমাণ বেদনা পুষেও যখন বর্ণমালা এখনো প্রেমের গান লিখে, কখনও বা প্রতিবাদে সুর মেলায় পাতায় পাতায়।
তখনই আন্দোলিত হৃদয়ের কাছে নতজানু হয়ে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলি...
এই ভাষা আমার মায়ের।
এই ভাষা রক্তে রাঙানো।
এই ভাষা আমার।
বর্ণমালা
✍️ মোঃরুবেল
প্রতিটি নীরব রাতে,
বর্ণমালার সাথে কথোপকথনে--
ভেসে আসে এক বুকভরা বেদনা।
একটি নিস্তব্ধ আকাশের করুণ বর্নণা।
বারুদের বিষাক্ত বায়ু।
কার্তুজ বনাম দীপ্ত কন্ঠের সংঘর্ষ।
তাজা প্রাণের নিথর দেহের একটি শহীদ মিনার ।
উষ্ণ রক্তমাখা রাজপথ।
রফিক,সালাম,জব্বার বরকত'র দীপ্ত কন্ঠে উদ্ভাসিত মাতৃভাষা 'বাংলা চাই।'
তবুও,
বর্ণমালার রাজমুকুটের ভেতরে পাহাড় প্রমাণ বেদনা পুষেও যখন বর্ণমালা এখনো প্রেমের গান লিখে, কখনও বা প্রতিবাদে সুর মেলায় পাতায় পাতায়।
তখনই আন্দোলিত হৃদয়ের কাছে নতজানু হয়ে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলি...
এই ভাষা আমার মায়ের।
এই ভাষা রক্তে রাঙানো।
এই ভাষা আমার।
ভালোবাসা
✍ মৌমিতা চক্রবর্তী
অনেকদিন পর আজ ভালোবাসাকে দেখলাম।
হ্যাঁ গো, ভালোবাসা।
তোমার জানলায় উঁকি মেরে
আমাদের পশ্চিমের বারান্দায়
ঢলানি সূর্যের আবির মাখবে বলে পা ছড়িয়ে বসেছিল। শাড়িটা কখন যে হাঁটুর ওপর উঠে গেছে,
খেয়াল করেনি ভালোবাসা।
দাদুর সাদা ধুতিতে কালা নেই কোনও --
মাইয়া মানুষের এহেন বেসামাল চালচলন
কিছুতেই সহ্য করবেন না শাস্ত্র-পুং।
সেখান থেকে বেরিয়ে ধর্মযুদ্ধে রাজনৈতিক পাশা খেলায় অংশগ্রহণে অনিচ্ছুক ভালোবাসা
চর, বাঁশ বাগান, লজ্জাবতীর অতি সম্ভ্রম পেরিয়ে
উঠলো গিয়ে ঈশ্বরী পাটনির নৌকায়।
হায় রে ভালোবাসা,
এখনও বুঝতে পারিসনি,
কী আছে তোর কাছে!
রাখতে পারবি আমার সন্তানকে দুধে-ভাতে?
সেই থেকে ভালোবাসা ঘুরছে- ঘুরছে ,
ঘুরছে দিশেহারা হয়ে।
ঘোষবাড়ির ডুমুর গাছতলায়,
সেন গিন্নির আলনার পেছনে লুকিয়ে রাখা অন্তর্বাসে, সোনালির বিগত প্রেমিকের সুইসাইড নোটে,
শৈবালের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে।
ভালোবাসা
✍ মৌমিতা চক্রবর্তী
অনেকদিন পর আজ ভালোবাসাকে দেখলাম।
হ্যাঁ গো, ভালোবাসা।
তোমার জানলায় উঁকি মেরে
আমাদের পশ্চিমের বারান্দায়
ঢলানি সূর্যের আবির মাখবে বলে পা ছড়িয়ে বসেছিল। শাড়িটা কখন যে হাঁটুর ওপর উঠে গেছে,
খেয়াল করেনি ভালোবাসা।
দাদুর সাদা ধুতিতে কালা নেই কোনও --
মাইয়া মানুষের এহেন বেসামাল চালচলন
কিছুতেই সহ্য করবেন না শাস্ত্র-পুং।
সেখান থেকে বেরিয়ে ধর্মযুদ্ধে রাজনৈতিক পাশা খেলায় অংশগ্রহণে অনিচ্ছুক ভালোবাসা
চর, বাঁশ বাগান, লজ্জাবতীর অতি সম্ভ্রম পেরিয়ে
উঠলো গিয়ে ঈশ্বরী পাটনির নৌকায়।
হায় রে ভালোবাসা,
এখনও বুঝতে পারিসনি,
কী আছে তোর কাছে!
রাখতে পারবি আমার সন্তানকে দুধে-ভাতে?
সেই থেকে ভালোবাসা ঘুরছে- ঘুরছে ,
ঘুরছে দিশেহারা হয়ে।
ঘোষবাড়ির ডুমুর গাছতলায়,
সেন গিন্নির আলনার পেছনে লুকিয়ে রাখা অন্তর্বাসে, সোনালির বিগত প্রেমিকের সুইসাইড নোটে,
শৈবালের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে।
বাংলা আমার অহংকার
✍️উজ্জ্বল ভট্টাচার্য্য
আমি গর্বিত আমি অহংকারী
বাঙালি ঐতিহ্য-সংস্কারে,
আমি সেই শিক্ষিতের জন্মগত শত্তুর
যারা নিজ ঐতিহ্য-ভাষার গায়ে চুনকাম করে
স্বর্গসুখ পায় সাহেবীয়ানা ঝেড়ে।
শিক্ষিতরুপী মূর্খের দল,
বলি কিসের এত দম্ভ?
ধারে নেওয়া জিনিসের করা যায় কি গর্ব?
ভাবছ দু-খান সাহেবী বুলি ঝেড়ে সমাজের তুমি মেরুদন্ড!
টিপছাপীদেরও অসীম জ্ঞান ভান্ডার
আসলে তোমরা ভন্ড।
যে মা তোমায় জন্ম দিলো
যার ভাষায় মুখ ফোটে,
পরিচয়ে তুলে ধরতে বড্ড লাগে মর্যাদায় তাই না!
তোমার রঙমশালের শিক্ষিতমহলে।
বাঃ আমার শিক্ষিত সমাজ সাবাশ!
মানসিকতা নর্দমার অভিরুপ
আর শরীরে ছিটাও নামি শুভাস।
ইতিহাস ঘেঁটে দেখ বাংলা-বাঙালীর স্থান কি
গ্রাম,শহর আকাশসমগ্র বাঙালি বিশ্ব জিতেছি।
সময়ের স্রোতে গা ভাসাবো'ই
তবে তাই বলে কি ভুলবো শিকড়ের টান!
শিক্ষিত সমাজের হুঁশ ফেরাতে
দিচ্ছি তাই কলমে শান।
বাংলা আমার অহংকার
✍️উজ্জ্বল ভট্টাচার্য্য
আমি গর্বিত আমি অহংকারী
বাঙালি ঐতিহ্য-সংস্কারে,
আমি সেই শিক্ষিতের জন্মগত শত্তুর
যারা নিজ ঐতিহ্য-ভাষার গায়ে চুনকাম করে
স্বর্গসুখ পায় সাহেবীয়ানা ঝেড়ে।
শিক্ষিতরুপী মূর্খের দল,
বলি কিসের এত দম্ভ?
ধারে নেওয়া জিনিসের করা যায় কি গর্ব?
ভাবছ দু-খান সাহেবী বুলি ঝেড়ে সমাজের তুমি মেরুদন্ড!
টিপছাপীদেরও অসীম জ্ঞান ভান্ডার
আসলে তোমরা ভন্ড।
যে মা তোমায় জন্ম দিলো
যার ভাষায় মুখ ফোটে,
পরিচয়ে তুলে ধরতে বড্ড লাগে মর্যাদায় তাই না!
তোমার রঙমশালের শিক্ষিতমহলে।
বাঃ আমার শিক্ষিত সমাজ সাবাশ!
মানসিকতা নর্দমার অভিরুপ
আর শরীরে ছিটাও নামি শুভাস।
ইতিহাস ঘেঁটে দেখ বাংলা-বাঙালীর স্থান কি
গ্রাম,শহর আকাশসমগ্র বাঙালি বিশ্ব জিতেছি।
সময়ের স্রোতে গা ভাসাবো'ই
তবে তাই বলে কি ভুলবো শিকড়ের টান!
শিক্ষিত সমাজের হুঁশ ফেরাতে
দিচ্ছি তাই কলমে শান।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যসমূহ (Atom)