প্রেমী

✒️পান্থ দাস 

যতই সময় যাক না চলে নিস্তব্ধতায়
আর কষ্ট পেলে একা থাকবো না,
সময় পেলে সময়ে বাঁধবো হাজারো ব্যস্ততায়
গোপনে চোখের জল মুছে কাঁদাবো না।

বসন্তের ছোঁয়া

✒️ডঃ অপর্ণা গাঙ্গুলী

বসন্তের মৃদুমন্দ হওয়া বয়ে যাওয়া 
শীতের আবহে শুধু তোমায় চাওয়া ।
মিষ্টি মধুর সোনালী রোদ্দুরকে
 অনুভবে পাওয়া ।
রোদে দাঁড়িয়ে শরীর তপ্ত করে নেওয়া
 বসন্তের রংবেরঙের ফুলে ভেসে যাওয়া 
সুগন্ধে নিজেকে ভরিয়ে নেওয়া।
 তোমাকে কাছে পাওয়া।।
 ডালে ডালে আম্র মুকুলের বড় হওয়া
পলাশ শিমুল ফুলের রং মাখিয়ে নেওয়া।
নীল আকাশের সাদা মেঘের ন্যায়
মনকে উঁচুতে নিয়ে যাওয়া।
কোকিলের কুহু তানে মনপ্রাণ মুগ্ধ হওয়া 
ছট্ ফটে মনকে নিয়ে শুধু
 তোমার কথা ভেবে যাওয়া। 
মন যেন করে তোমার পিছু
 পিছু ধাওয়া।।

বইমেলা

 
✒️সংগীত শীল

পাড় ভাঙা নদী যেমন 
খুঁজে নেয় পথ লোকালয়ে
বইপোকা দলে দলে ঢুকে পড়ে
মহাপাঠাগার গর্ভে।

অদৃশ্য পিপাসায় ডানে বাঁয়ে আগে পিছে
খুটে খায়, গন্ধ শুঁকে, বসত বানায়। 

বসন্তের রঙে রাঙা হাঁপানিয়ার বুক,
লাল নীল সবুজ জলরঙে আঁকা ঝিল,
যেমনটা দেখেছি ঋতুপর্ণের চোখে।

ঝিলের পিঠে সবুজ গালিচায়,
গল্প আড্ডায় নব উন্মেষ,
খুঁজে চলে জীবনের মিঠে রস।

গোলাপী শাপলা

  ✒️মাধুরী লোধ

তুমি পেছন থেকে ডাকলে
আমার মনের ডোবায় ফোটে  
   গুচ্ছ গুচ্ছ গোলাপী শাপলা
 লাজবতী বধুর ওষ্ঠে ফুটে
হাসির পদ্ম সে পদ্মে খেলে দুষ্ট ভ্রমর
   ইষ্টিকুটুম পাখি বাজায় তবলা।
   তুমি পিছন থেকে ডাকলে
      রোমকুপ হয় টানটান 
শিরায় শিরায় ফোটে রামধনু আকাশ
লাজবতী বধুর অবয়বে ভর করে
     ময়ূর ময়ূরীর তার লয়
শিবের সভায় যেন বেহুলা র নাচ।
      তুমি পিছন থেকে ডাকলে
   মনের ভিত হলো
    ভাবনা হীন বাসর ঘর
লাজবতী বধুর শরীরে
উড়ে উড়ে আসে দোল রঙ 
ছুট ছুট ছুট আর নেইকো ডর।

মনুষ‍্যত্ব

✒️পাপিয়া দাস

আজ মনুষ‍্যত্ব হারিয়েছে
হিংসা আর অহংকার নামক বিশাল  গুহায়।

সেখানে  কেউ কাউকে ভালোবাসে না
ভালোবাসার  সং সেজে শুধু দেখায়
সাজানো ভালোবাসা।

 অহংকারীরা মনুষ‍্যত্বের বুক চিরে হৃৎপিণ্ড খুলে রক্ত চুষে।

হিংসুটেও মনুষ‍্যত্বের মাথার খুলি বের করে আনে হাতের তালুতে।
 শুধু তারা কপটতা আর অবিশ্বাসের  জাল বুনে।
এখন আর আমাদের  আশেপাশে মনুষ‍্যত্বকে খুঁজে পাই না কারন-
ঐ গুহায় অজস্র মনুষ‍্যত্ব হারিয়েছে।

সাত পাকের রূপকথা

    ✒️নিধির রায়

এই তো সেদিন,
বাসন্তী রাতে
আকাশে ফুলঝুড়ি ফুটে ছিল,
পাড়ার লোক কপালে হাত ঠেকিয়ে 
দেখছিল আলোর ভেলকি,
ফুলঝুড়ি বাজির ভেতর
চন্দনকাঠের মূর্তি তোমার মুখ
ভেসে উঠেছিল অকূল আঁধারে।
হঠাৎ জ্বলে উঠেই মৃত তারাদের মতো
বিলীন হলো সেই মুখ।
আজ তোমার সাতপাকে বাঁধাজীবন
রূপকথার গল্প শোনাবে,
ছুটে পাড় হবে 
তেপান্তরের মাঠ,
খুঁজে আনবে 
রূপোর কাঠি আর সোনার কাঠি,
ধরে আনবে রাক্ষুসীর 
প্রাণভমরা।
আরো আনবে 
অমর মানিক।

লং তরাই

✒️অরূপ রায় বর্মণ

একটা ভালো কবিতার জন্যে
বার বার ঘুরে ঘুরে ফিরেছি, তোমার চারপাশে
তোমার ভ্রুভঙ্গি, তোমার অপলক দৃষ্টি
কাছে এসে বার বার দূরে যাওয়া,
ভেসে ভেসে মন ছুঁয়ে যাওয়া
সবেতেই খুঁজেছি কবিতা ছোঁয়া।
আমার কাছে নেই সমুদ্র
নেই তারাভরা নীল নীল আঁচল
বালির পাড়ে বসে বসে
ঢেউয়ের আকুতি শুনবো !
সেও নেই আমার কাছে।
আমার রয়েছে শুধুই
এক বুক উঁচু উঁচু পাহাড়,  
সুন্দরী, অহংকারী, সবুজ সবুজ
ঢেউ খেলানো পাহাড়,
তাই যেন আঁচল;
সেখানে আমার প্রবেশ
নিতান্তই অবারিত আর আকাঙ্খিত,
নেই কোনো বাধা, নেই কোন বিরহ,
শুধুই মিলন আর ভালোবাসার গান।
 
কোনো এক শীতের ভোরে
আমি ঘুরে মরি পাহাড়ের ঢালে
তার ছোট্ট সুষ্পষ্ট উপত্যকার মাঝে
রাস্তা দুভাগ হয়ে যায়, আর আমি
ভেসে যাই সবুজের সাথে!
কখনো এপথে, কখনো বা ওধারে।
ঝর্নারা এখন শ্তব্ধ,
তবু তার পথরেখা উজ্জল, উন্মুক্ত আর চিহ্নিত
একটু হাওয়াতেই ঢলে ঢলে পড়ে
ফুলেরা, পাতারা,
জড়াজড়ি খেয়ে যায় পরস্পরে।
আমি দিশেহারা, বার বার ছুটে যাই
সবুজ প্রান্তরের এদিকে ওদিকে,
মিশে যাই নিবিড় আলিঙ্গনে সবুজের সাথে।
ভাবি কি লাভ বসে থেকে
বরষা কিংবা বসন্তের আশে,
ঝোপঝাড় হাতছানি দেয়  
চোখ টিপে টিপে হাসে কুয়াশার ঘেরাটোপে
এই তোমার ভালোবাসা, এই তোমার বাসর
এখানেই যাও মিশে আজ
নীরব প্রতিশ্রুতিতে।

স্মার্ট ফোন

  ✒️সানিয়া জাহান

স্মার্ট ফোনের ভালোবাসা 
সকল হৃদয় জুড়ে। 

বিশ্ব আজ ব্যস্ত 
স্মার্ট ফোন নিয়ে। 
প্রকৃতিকে ভুলে সবাই 
স্মার্ট ফোনে ডুবে।
আজ জনে জনে হাতে নিয়ে
কতইনা যত্ন করে।
আত্মীয় স্বজন আজ বড্ড দূরত্ব 
এখন কথা বলার অনেক সময়। 

ছবি আঁকা, মাঠে খেলা,
হয়েছে অনেক পুরনো, 
এখন মোবাইলের গেম থেকে 
চোখ সহজে যায় কি সরানো।

মানুষ চালায় যন্ত্র 
না যন্ত্র চালায় মানুষ 
আজ তা বোঝা বড় দায় হয়েছে 

মানুষ তো আজ যন্ত্রের প্রেমে 
ব্যস্ত রয়েছে।

তোমার শহর

✒️রিপন সিংহ 

তোমার এই শহর, হয়তো সবার জন্য নয়
            অনেক স্বপ্ন নিয়ে এই শহরে পা রাখি
হয়তো স্বপ্ন'ই ---
           মনে হয় আবার ফিরে যেতে হবে
        কিন্তু কোথায়?
                পথ যে চিন্হহীন।

যখন পূর্বাহ্নে ছিলাম,
         গন্ধহীন, রঙহীন, আলোহীন ; 
                ম্লান থেকে
        সায়াহ্নে এসে --- 
তোমার নাভিতে যখন নতুনভাবে আবিষ্কার করি
আমার সমস্ত রঙ নিভে দিয়েছ তুমি
যতটা সহজ তার চাইতেও ততটা নয়
এই শহর আমার আর জানার নই

  তবে অদ্ভুত এক শান্তি  
          কত বাড়ি
          কত গাড়ি
          কতইনা নারী 
    কিন্তু সবই অদ্ভুত 
                 এ আমার নই

যা দেওয়ার নয় তা দিয়েছ ঢের
তারপরও
তোমার এই শহর থেকে 
           ফিরে যেতে হবে
                    আবার

            এ আমার নই

নুডলসের গপ্পো (৮ম পর্ব)

 ✒️রাজা দেবরায়

জাপানে মুরগীর বাচ্চাদের ২.৬ গ্রাম হারে এমএসজি খাইয়ে দেখা গেছে, তিনদিনের মধ্যে বাচ্চাগুলো মারা গেছে। মৃত্যুর পর মুরগীর বাচ্চাগুলোর হৃদযন্ত্র, যকৃৎ এবং পেশীতে অনুসন্ধান করে সাদা রঙের একটি আবরণী পড়তে দেখা গেছে।

এই সমস্ত পরীক্ষানিরীক্ষার ওপর ভিত্তি করে ১৯৭৩ সালে খাদ্যে MSG দেওয়ার সর্বোচ্চ মাত্রা ঠিক করে দেওয়া হয় FAO (Food & Agriculture Organisation) এবং WHO (World Health Organisation)-এর তরফ থেকে। সাধারণের ক্ষেত্রে প্রতি কিলোগ্রাম ওজন পিছু ১২০ মি.গ্রা. (দৈনিক) অর্থাৎ ৫০ কেজি ওজনের একজন ব্যক্তির দৈনিক সর্বোচ্চ মাত্রা দাঁড়াবে ৬ গ্রাম।

কিন্তু ওই সময় এবং পরবর্তীকালে আরও কিছু পরীক্ষায় শিশুদের ওপর এর ক্ষতিকারক প্রভাবের যে চিত্র পাওয়া যায় তাতে এ নিয়ে সারা বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি হয়।

(চলবে)

বসন্তের ফুল

✒️শ্রী জনার্দন

তুমি হয়তো জানো না,
তোমাকে না বলে' তোমার অগোচরে ;
তোমার চোখদুটোর সাথেই কথা বলি।

তুমি যখন আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকো,
তোমায় একান্তে ভালোবেসে যাই।

যেদিন ভালোবেসে একটি ফুলের নাম ধরে ডেকেছিলাম,
সেদিন তুমি বলেছিলে;
এমনি করেই আদর করে ডেকো আমায়।

সেদিন থেকে একরাশ কৃষ্ণচূড়া প্রেম,
জমেছিলো বুকের গভীরে।

এই প্রেম হয়তো এক তরফা কোনো এক বসন্তের ফুল,
যাকে ঘিরে সহস্র রঙিন স্বপ্নগুলো;
কৃষ্ণচূড়ার সাথে মিশে যায়।

চলো না

✒️রেহানা বেগম হেনা

চলো না, দুজনায়
আজ ভিজে যাই
গোধূলির সেই লাল আভায়,
ভিজে ভিজে দেহ
কাঁধে কাঁধ গৃহ
হেঁটে হেঁটে যাই
লক্ষ আলোকবর্ষ চূড়ায়।

একান্তে চলো যাই
আকুল পাগলপারায় --
হাতে হাতে দুটি হাত
মনের জলপ্রপাত
বয়ে বয়ে চলা নদী মোহনায়।

ভালোবেসে-বেসে স্নিগ্ধ জ্যোছনায় স্নান
স্নান সেরে নিই জীবনের।
যা ছিল না পাওয়া
শুধু তুলে তুলে নেওয়া
গ্রীষ্ম বর্ষা ফাগুনের।

এমনই করে এ পথে পথচলা
যেন কখনও না ফুরায়,
না ফুরায়!
চলো না গো আজ দুজনায়
শুধু ভালোবেসে-বেসে যাই
অজানার কোনও ঠিকানায়।

কালের বিবর্তন

✒️প্রদীপ্ত চক্রবর্তী                       

                      জংলী ছিলাম মানুষ হলাম,
                           কালের হল বিবর্তন;
           কাচা মাংস খেতাম,গাছের বাকল পড়তাম,
                            সময় হল পরিবর্তন।

                    কোথায় ছিলাম, কোথায় এলাম? 
                           শিখলাম ভালোবাসতে;
                      যাযাবর ছিলাম, স্থায়ী হলাম,
                        পেলাম,জগতকে জানতে।

                       ভালোবাসলাম, ঘৃণা করলাম,
            ছুড়িও ধরলাম, নিজের - ই, ভাইয়ের বুকে;
                      রাজা দেখলাম, প্রজা দেখলাম,
   মন্ত্রী মিনিস্টারও দেখলাম, হলো সাধারণ লোকে।

                     ধর্ম দেখলাম, অধর্ম দেখলাম,
                        দেখলাম ধর্মের জয় হতে;
                      বাস্তব জগত সত্য, দেখলাম,
                          মিথ্যা দেখলাম মরতে।

                         এক জগত শ্রেষ্ঠ জগত,
                        মানব জগত সবার শ্রেষ্ঠ;
                         শুভ শক্তির আশীর্বাদে,
                    অশুভশক্তির হলো মাথা নস্ট ।


তোমায় নমি

✒️চন্দ্রিমা বণিক

হে নারী,তুমি যুগে যুগে কত গড়েছ ইতিহাস, 
তোমায় ছাড়া আজো অসম্পূর্ণ এই অর্ধেক আকাশ। 
কখনো মা, কখনো বোন, কখনোবা দুহিতা রূপে,
স্নেহ মায়ায় আগলে রেখেছ এই বিশ্ব জগতটাকে,
অর্ধাঙ্গিনী হয়ে পুরুষের পাশে তুমি ধর সংসারের হাল 
শক্তি রূপে শক্তি জোগাও,দূর কর আপদ জঞ্জাল। 
বেদ পুরাণের যুগ থেকে তুমি ছিলেনাতো পিছিয়ে! 
অপালা ঘোষা বিশ্ববারা এরই দৃষ্টান্ত দেয় স্মরণ করিয়ে, 
মহাকাশ থেকে সমুদ্রের তলদেশে তুমি জমিয়েছ পাড়ি
স্মৃতির কোঠায় অবিস্মৃত কল্পনাকে আজো নমন করি।
ঘরের লক্ষ্মী তুমি ঘরে, সাহসে লক্ষ্মীবাই,
যুদ্ধক্ষেত্র থেকে এভারেস্ট বিজয়ে তোমাকেইতো আমরা চাই। 
শিল্পকলা বিজ্ঞান থেকে নেই তুমি যে দূরে 
যুক্তিতর্ক প্রযুক্তিতেও চলেছ একই সুরে।
প্রাণদায়ী তুমি কল্যানময়ী চিকিৎসকও বটে,
তোমার সেবায় রাতেদিনে কতনা চমৎকার ঘটে। 
তুমি গায়িকা, তুমি নায়িকা, রাজনীতিতেও সেরা,
বহুমুখী প্রতিভা তোমার, তুমি সেরার সেরা।

               
                

বহুভাষী

 ✒️চন্দন পাল 

একবার বাংলায়, একবার ইংরেজি। 
কখনও ফার্সি, উর্দু, জাপানি --
যা বলো তাই করি।

হুকুমের গোলাম আমি , তবে মনে রেখো--
তোমার উত্থান-পতন, জেল-ফাঁসি, বেদ-বাইবেল, 
আমারই স্বাক্ষরে সিদ্ধ ! 
শাণিত শব্দে ভোঁতা হয় বেয়নেট্, শোষক রাজপাট। 

আমি তোমার বুকের অলঙ্কার, ভাষার পিয়ন - কলম।

মহীরূহ

✒️প্রসেনজিৎ রায়

অনেকদিন দেখা হয় না প্রেয়সীর সাথে...
যাওয়া হয় না একসাথে ধূসর প্রান্তর ছাড়িয়ে দিগন্তরেখার কাছাকাছি,
কথা হয়েছিল বসন্তের কোনো বিকেলে সুগন্ধী প্রসূনে সাজাবো তোমার খোঁপা,
রাখা হয়নি রূঢ় পৃথিবীর বাস্তব মেনে সে কথা |
ভালোবাসা কেমন জানি ছন্নছাড়া লাগে বেরঙিন ক্লান্ত ভোরে,
প্রতি রাতে আশায় বুক বাঁধি এক নতুন ভোরের প্রতীক্ষায়,
ভাবি কালই বুক ভরে নেবো একবুক মুক্তির নিঃশ্বাস,
আসে না সে কাঙ্ক্ষিত সকাল |
অপেক্ষাতে বয়স বেড়ে যায় নিয়ম মেনে,
খিটখিটে স্বভাবে বদলে যায় বন্দী আকাঙ্ক্ষার অপূর্ণ শর্ত;
না জানি আর কত আত্মত্যাগে হয়ে উঠবো...
তোমার ফুরফুরে যুবক প্রেমিক থেকে কোনো ভীষণ ব্যস্ত শহরের এক মহীরূহ ...

কানামাছি

 ✒️শিশির অধিকারী 

ইচ্ছের যেমন বয়স নেই তেমনি বয়সেরও বাধা নেই এগিয়ে চলার নামই জীবন।।

গুটিগুটি পায়ে শৈশব কৈশোর যৌবন পার হয়ে এগিয়ে চলেছে মানুষ ।।
পিছু কিছু ভাববার অবকাশ নেই 

সে কখনো খেলোয়াড় কখনো সে মাস্টার কখনো ডাক্তার কখনো উকিল কখনো বা রেলের কুলি কখনোসমাজসেবী 
কখনো ছদ্মবেশী 
রঙ্গমঞ্চের চলেছে এক একটি পর্ব 
জীবন সংগ্রামের ইতি কথা ।।

জীবন সায়lন্নে সব যেন লুকোচুরি খেলা 
তোমার ভালো না লাগতেই পারে 
তুমি তোমার বার্ধক্য কে লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করবে কারণ তুমিও চক্রবর্তের ঘূর্ণিপাকে ঘুরে বেড়াচ্ছ
খেলছো খেলা ।।

আমরা সবাই চলেছি ভূ 
ভূ কানামাছি খেলে 
দৃশ্য ওর দৃশ্যের নানা চরিত্র হয়ে।। 
তোমার আমার প্রেম ভালোবাসা এখন যেন বিবর্ণ ফোকাস।।

হরিণের জন্য পঙক্তিগুচ্ছ

✒️অর্পিতা দাস ( অন্তরীপা)

বসন্তের শুভেচ্ছায় নিস্তব্দ শহর অস্থির শ্বাস আনমনা মনে ,
নীরব অনুভূতির ছোঁয়ায় রাতের পাশবালিশ কবিতার মত জাগিয়ে রাখে।

আমি অপেক্ষায়!

মুঠো ফোনে রিংটোনের সিগন্যাল বাজবে তানপুরার মূর্ছনা জেগে উঠার শিহরণে।
ঋতুর মুহূর্তে আজ বসন্ত সকালের বার্তা পৌঁছাবে কোকিলের কুহুতানে।

আমি জেগে আছি তোমাকে ,তোমার মতো করে ছুঁয়ে!

মধ্যরাত পেরিয়ে যায় একলা ক্লান্ত মন ভোরের আভাস শহর জুড়ে,
সূর্যের আলোয় উত্তাপ মিশে শরীরে বইছে তৃপ্ত বাতাস সূর্যমুখী ফুলের ভীড়ে।

ইচ্ছে হলে এসো!
রোদেলা দুপুরে আমলকী ছায়ার নিচে কলম ঠুকে লিখব ভালোবাসার গান,
সুগন্ধি ফুলের আভা মেখে মিটিয়ে দেব অসহ্য ব্যথার উপাখ্যান।

এই কাঁচা হলুদরঙা বসন্তে আমি তোমার পথ চেয়ে বসে আছি...