.....✍️ গোবিন্দ ধর
সেই কবিতাটি লিখে ফেললে পড়ে নিও।
তারণ্য তো কোথাও ফেসে গেছে বিপদতামী পথের ঠিকানায়।
হয়তো তরুণদের অভিভাবকও তেমনই চেয়েছিলো বলে
দীর্ঘ নিরবতায় দমিয়ে দিতে দিতে
তারণ্যের মনের কোঠর থেকে বিশ্বাস নামক পাখিটি
আর ভোরের কিচিরমিচির ডাকে না।
লুল পড়া সেই অভিভাবক তেমনই চেয়েছিলেন
দীর্ঘ নিরবতা থাকবে যাবার সময়।কেউ কাঁদবে না।
কারো বিবেকের ঘর থেকে প্রতিবাদে ডাকবে না পাখি।
সময় চলছে বেশ গড্ডালিকায়
নতুন করে পথ দেখাতে চাইলে দেগে দেবে বুড়োভেড়াশাবক।
মূল স্রোত বলে চালিয়ে দেওয়া পেচ্ছাপকরণই
আমাদের মেধাস্বত্ববিকাশের অদ্বিতীয়ম বটিকা।
সুতরাং সেই কবিতা কে লেখবে আর।
সবই গড্ডারিকা।
তা থেকে কোন পাখি ভোরবেলা জাগিয়ে দিলে তা-ই হবে প্রতিস্রোত।সেখানেই দেগে দেওয়া হবে কবিতাকে, কবিকে।
মানুষ মুখচোখকান সব মাস্কের ভেতর আটকে রেখে বেশ তো ক্রান্তিকালে মরে মরে হাঁটছে খাচ্ছে অফিশ যাচ্ছে।
আবার বাড়ি আসছে খাচ্ছে ঘুমাচ্ছে। মুখে মুখোশ।চোখ বন্ধ। কানবধির।দিব্যি বেশ তো আছে।এই সময়ই তো চেয়েছিলেন আমাদের প্রাজ্ঞ অভিভাবক।
১৩:০৮:২০২১
ধর্মনগর।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন