সম্পাদকীয়.............….✍
আজ আমাদের সমাজ, সাহিত্য, চিন্তাভাবনা ইত্যাদি সবকিছুরই ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে। তাই আমরা পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে গিয়ে আমাদের মনের খাঁটি আবেগ, সাহিত্য চর্চা করা ইত্যাদিকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছি। আমরা আগের মতো আর নানান বই পড়ি না, শুধু কেরিয়ার গড়ার বই পড়ি। এই নিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উক্তি আছে- *"এককালে পৃথিবী বইয়ের উপর কাজ করত, এখন বই-ই পৃথিবীর উপর কাজ করে"। তাই *নবোন্মেষ* জন্ম হয়েছে *নোতুন পৃথিবী সামাজিক সংস্থা* নামক একটি আদর্শের বৃক্ষ থেকে। যার উদ্দেশ্য হল নিঃস্বার্থ ভাবে সমাজের জন্য, সাহিত্যের জন্য কাজ করে যাওয়া; মনকে সাহিত্যমুখী করা। *নবোন্মেষ* নবীনদের জন্য পথ পরিদর্শনকারী এবং জ্ঞানীদের জন্য স্নেহময় বৃক্ষ।
নবোন্মেষ কবি-লেখকদের স্বাধীনভাবে বাঁচতে,লেখতে এবং বলতে শিখিয়েছে। নবোন্মেষ সেই পথেই রত থাকবে।
ধন্যবাদান্তে এবং শুভকামনায়
গৌরাঙ্গ সরকার
(সম্পাদক)
'নবোন্মেষ' পত্রিকা
সম্পাদকীয়.............….✍
আজ আমাদের সমাজ, সাহিত্য, চিন্তাভাবনা ইত্যাদি সবকিছুরই ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে। তাই আমরা পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে গিয়ে আমাদের মনের খাঁটি আবেগ, সাহিত্য চর্চা করা ইত্যাদিকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছি। আমরা আগের মতো আর নানান বই পড়ি না, শুধু কেরিয়ার গড়ার বই পড়ি। এই নিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উক্তি আছে- *"এককালে পৃথিবী বইয়ের উপর কাজ করত, এখন বই-ই পৃথিবীর উপর কাজ করে"। তাই *নবোন্মেষ* জন্ম হয়েছে *নোতুন পৃথিবী সামাজিক সংস্থা* নামক একটি আদর্শের বৃক্ষ থেকে। যার উদ্দেশ্য হল নিঃস্বার্থ ভাবে সমাজের জন্য, সাহিত্যের জন্য কাজ করে যাওয়া; মনকে সাহিত্যমুখী করা। *নবোন্মেষ* নবীনদের জন্য পথ পরিদর্শনকারী এবং জ্ঞানীদের জন্য স্নেহময় বৃক্ষ।
নবোন্মেষ কবি-লেখকদের স্বাধীনভাবে বাঁচতে,লেখতে এবং বলতে শিখিয়েছে। নবোন্মেষ সেই পথেই রত থাকবে।
ধন্যবাদান্তে এবং শুভকামনায়
গৌরাঙ্গ সরকার
(সম্পাদক)
'নবোন্মেষ' পত্রিকা
:সূচিপত্র:
নবোন্মেষ মানে - সুব্রত দেবনাথ
সাহিত্য - জয়তী দেবনাথ
যে কথা হয়নি বলা - দীপ্র দাস চৌধুরী
এমন ভাবে আর - শুভমিতা
কবিতা তুমি হারিয়ে যাও - সৌরভ শীল
বিনিময় - সুপর্ণা মজুমদার (রায়)
মুক্তি - রাজদীপ ঘোষ
আবর্ত - ইন্দ্রাণী ভট্টাচার্য
করোনা - অভিজিৎ দেবনাথ
মা - সুমিতা স্মৃতি
মা-বাবার কথা - সুস্মিতা দেবনাথ
লোলুপ - সৌম্যদীপ দেব
পাখি - মনিকা বিশ্বাস
গরীবের জবাব - সুকান্ত দেব
রাষ্ট্রপতি হালিমা নমস্কার - প্রগতি চাকমা
স্বার্থের দুনিয়া - মামনি শীল
লক ডাউন - কিশান দেবনাথ
মানসিকতা - সুচিত্রা দেবনাথ
আমি কোথায়? - সীমা চক্রবর্তী
একটা মজার দেশ - স্নেহাশীষ রায়
আমার ছোট্টবেলা - সঞ্জয় দত্ত
শ্রাবণ - আক্তার হোসেন
ফেরত চাই - মেহেদী হাসান রানা
আজগুবি ভাইরাস - ইমরান খান রাজ
তুমি আজও কিশোরী - সুস্মিতা মহাজন
অবশেষে - জুয়েল দেব
এই নিয়ে আঠারো - প্রীতম শীল
স্বেচ্ছাসেবক - শুভজিৎ চক্রবর্তী
জীবন - দীপা সরকার
রুপকথার দেশ - প্রীতম শীল
দরিয়ার নৌকা - আক্তার হোসেন
ইচ্ছে করে বাঁধন হারা - বিপাশা দেব
:সূচিপত্র:
নবোন্মেষ মানে - সুব্রত দেবনাথ
সাহিত্য - জয়তী দেবনাথ
যে কথা হয়নি বলা - দীপ্র দাস চৌধুরী
এমন ভাবে আর - শুভমিতা
কবিতা তুমি হারিয়ে যাও - সৌরভ শীল
বিনিময় - সুপর্ণা মজুমদার (রায়)
মুক্তি - রাজদীপ ঘোষ
আবর্ত - ইন্দ্রাণী ভট্টাচার্য
করোনা - অভিজিৎ দেবনাথ
মা - সুমিতা স্মৃতি
মা-বাবার কথা - সুস্মিতা দেবনাথ
লোলুপ - সৌম্যদীপ দেব
পাখি - মনিকা বিশ্বাস
গরীবের জবাব - সুকান্ত দেব
রাষ্ট্রপতি হালিমা নমস্কার - প্রগতি চাকমা
স্বার্থের দুনিয়া - মামনি শীল
লক ডাউন - কিশান দেবনাথ
মানসিকতা - সুচিত্রা দেবনাথ
আমি কোথায়? - সীমা চক্রবর্তী
একটা মজার দেশ - স্নেহাশীষ রায়
আমার ছোট্টবেলা - সঞ্জয় দত্ত
শ্রাবণ - আক্তার হোসেন
ফেরত চাই - মেহেদী হাসান রানা
আজগুবি ভাইরাস - ইমরান খান রাজ
তুমি আজও কিশোরী - সুস্মিতা মহাজন
অবশেষে - জুয়েল দেব
এই নিয়ে আঠারো - প্রীতম শীল
স্বেচ্ছাসেবক - শুভজিৎ চক্রবর্তী
জীবন - দীপা সরকার
রুপকথার দেশ - প্রীতম শীল
দরিয়ার নৌকা - আক্তার হোসেন
ইচ্ছে করে বাঁধন হারা - বিপাশা দেব
নবোন্মেষ মানে
….✍ সুব্রত দেবনাথ
নবোন্মেষ মানে,
প্রতিদিন কিছু না কিছু শিক্ষা লাভ করা।
নবোন্মেষ মানে,
একের পর এক নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করা।।
নবোন্মেষ মানে,
বেঁচে থাকার স্বপ্ন কে সুদৃঢ় করা।
নবোন্মেষ মানে,
একতা এবং আলোচনার মাধ্যমে পরিবারের শক্তিকে বৃদ্ধি করা।।
নবোন্মেষ মানে,
কবিতা গল্প ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক রীতিনীতির পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কাজে এগিয়ে আসা।
নবোন্মেষ মানে,
ভালো কাজের প্রশংসা এবং সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া।।
নবোন্মেষ মানে,
নিন্দনীয় এবং সমাজ বিরোধী কাজের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ গড়ে তোলা।
নবোন্মেষ মানে,
জাতি-ধর্ম-বর্ণ সবকিছু কে পেছনে ফেলে নিজেদের স্বপ্নগুলো বাস্তবায়ন করা।।
নবোন্মেষ মানে,
শুধু কবিতা কিংবা গল্প লেখা নয় সমাজের বিভিন্ন পিছিয়ে পড়া দিকগুলি তুলে ধরা।
নয়তো প্রিয় নবোন্মেষ এর, স্বপ্ন গুলি থেকে যাবে অধরা।।
নবোন্মেষ মানে
….✍ সুব্রত দেবনাথ
নবোন্মেষ মানে,
প্রতিদিন কিছু না কিছু শিক্ষা লাভ করা।
নবোন্মেষ মানে,
একের পর এক নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করা।।
নবোন্মেষ মানে,
বেঁচে থাকার স্বপ্ন কে সুদৃঢ় করা।
নবোন্মেষ মানে,
একতা এবং আলোচনার মাধ্যমে পরিবারের শক্তিকে বৃদ্ধি করা।।
নবোন্মেষ মানে,
কবিতা গল্প ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক রীতিনীতির পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কাজে এগিয়ে আসা।
নবোন্মেষ মানে,
ভালো কাজের প্রশংসা এবং সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া।।
নবোন্মেষ মানে,
নিন্দনীয় এবং সমাজ বিরোধী কাজের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ গড়ে তোলা।
নবোন্মেষ মানে,
জাতি-ধর্ম-বর্ণ সবকিছু কে পেছনে ফেলে নিজেদের স্বপ্নগুলো বাস্তবায়ন করা।।
নবোন্মেষ মানে,
শুধু কবিতা কিংবা গল্প লেখা নয় সমাজের বিভিন্ন পিছিয়ে পড়া দিকগুলি তুলে ধরা।
নয়তো প্রিয় নবোন্মেষ এর, স্বপ্ন গুলি থেকে যাবে অধরা।।
সাহিত্য
….✍ জয়তী দেবনাথ
বড্ড আদরে বিধাতা তুমি গড়লে এই ভূবন ।
স্বর্গ -তুল্য করতে ধরা সাহিত্যের হলো চয়ন।।
হৃদয়-মাঝে সাহিত্য , যেন সুধার ধারা ।
সাহিত্যের ছোঁয়ায় হৃদয় হয় যে দুঃখ -হারা।।
রবির কিরণ যেমন করে ঘুচায় সকল কালো,
হৃদয় -মাঝে সাহিত্যও তেমনি রবির আলো।
মেঘে যখন হৃদয় ঢাকে , লাগে দিশা -হারা ।
সকল পুলক , সকল সুখ হয়ে যায় সারা,
সাহিত্যের হওয়া তখন লাগলো যদি প্রাণে ,
সকল মেঘ পড়বে ঝরে , কাটবে আঁধার ক্ষণে ।
সাহিত্যের এমনই জোর , এমনই তার সুধা ,
তার বলেই হৃদয়ের মেটে অপার ক্ষুধা ।
সাহিত্যের রঙে রাঙিয়ে দেখো হৃদয় খানি,
মনের মাঝে পাবে শুধু সুখেরই হাতছানি ।।
সাহিত্য
….✍ জয়তী দেবনাথ
বড্ড আদরে বিধাতা তুমি গড়লে এই ভূবন ।
স্বর্গ -তুল্য করতে ধরা সাহিত্যের হলো চয়ন।।
হৃদয়-মাঝে সাহিত্য , যেন সুধার ধারা ।
সাহিত্যের ছোঁয়ায় হৃদয় হয় যে দুঃখ -হারা।।
রবির কিরণ যেমন করে ঘুচায় সকল কালো,
হৃদয় -মাঝে সাহিত্যও তেমনি রবির আলো।
মেঘে যখন হৃদয় ঢাকে , লাগে দিশা -হারা ।
সকল পুলক , সকল সুখ হয়ে যায় সারা,
সাহিত্যের হওয়া তখন লাগলো যদি প্রাণে ,
সকল মেঘ পড়বে ঝরে , কাটবে আঁধার ক্ষণে ।
সাহিত্যের এমনই জোর , এমনই তার সুধা ,
তার বলেই হৃদয়ের মেটে অপার ক্ষুধা ।
সাহিত্যের রঙে রাঙিয়ে দেখো হৃদয় খানি,
মনের মাঝে পাবে শুধু সুখেরই হাতছানি ।।
যে কথা হয়নি বলা
….✍ দীপ্র দাস চৌধুরী
যে কথা হয়নি বলা, তা বলা হবেনা কোনোদিন
আমাদের কথাগুলো রয়ে যাবে মনের গভীরে,
রাতগুলো ফিকে হবে, চোখেরা হবে স্বপ্নবিহীন
আমরা হারিয়ে যাব ফের জনমানবের ভিড়ে।
শহরে নেমেছে রাত, প্রেমিকেরা ফিরে গেছে ঘরে
তবু আমি প্রতি রাতে হাতড়িয়ে খুঁজছি তোমাকে,
প্রেমকে বোঝেনা কেউ পরিচিত প্রাচীন শহরে....
প্রেমিক বলেই শুধু খোঁটা দেয় সকলে আমাকে।
স্মৃতিরা ফিরবে জানি, রোজ রোজ কাহিনির মতো
তুমি ফিরবেনা তবু গুনে চলি প্রহরের কাঁটা,
বারিশ মুছিয়ে দিয়ে নিয়ে যায় অভিমান যত
বসে ভরাতে থাকি ফেলে দেওয়া কবিতার খাতা।
সময় চলবে ঠিক, থামবনা কেউ আর জানি,
দেখব না ফিরে আর, কী হেরেছি দুজনে জীবনে?
স্মৃতিরা আসবে ফিরে, করে দেবে ফের অভিমানী
কখনো দেখবো ছবি, প্রোফাইল ঘাটবো গোপনে।।
যে কথা হয়নি বলা
….✍ দীপ্র দাস চৌধুরী
যে কথা হয়নি বলা, তা বলা হবেনা কোনোদিন
আমাদের কথাগুলো রয়ে যাবে মনের গভীরে,
রাতগুলো ফিকে হবে, চোখেরা হবে স্বপ্নবিহীন
আমরা হারিয়ে যাব ফের জনমানবের ভিড়ে।
শহরে নেমেছে রাত, প্রেমিকেরা ফিরে গেছে ঘরে
তবু আমি প্রতি রাতে হাতড়িয়ে খুঁজছি তোমাকে,
প্রেমকে বোঝেনা কেউ পরিচিত প্রাচীন শহরে....
প্রেমিক বলেই শুধু খোঁটা দেয় সকলে আমাকে।
স্মৃতিরা ফিরবে জানি, রোজ রোজ কাহিনির মতো
তুমি ফিরবেনা তবু গুনে চলি প্রহরের কাঁটা,
বারিশ মুছিয়ে দিয়ে নিয়ে যায় অভিমান যত
বসে ভরাতে থাকি ফেলে দেওয়া কবিতার খাতা।
সময় চলবে ঠিক, থামবনা কেউ আর জানি,
দেখব না ফিরে আর, কী হেরেছি দুজনে জীবনে?
স্মৃতিরা আসবে ফিরে, করে দেবে ফের অভিমানী
কখনো দেখবো ছবি, প্রোফাইল ঘাটবো গোপনে।।
এমন ভাবে আমি
….✍ শুভমিতা।
এমন ভাবে আমি কখনো জানালার সামনে বসিনি,
দক্ষিণের হাওয়া নেই, পূর্ণিমার চাঁদ নেই, আছে শুধু অন্ধকার অন্ধকার
কয়েকটি ঝি ঝি পোকা আমাকে আলো দেখাতে এসে আমাকেই না দেখে চলে গেল!
ঘরে আলো নেই আমার
আলো আমার ঘরকে কোনো দিন ও পূর্ণ করতে পারেনি
সেক্ষেত্রে অন্ধকার আমাকে নিরাশ করেনি
আলো চড়া দাম বাজারে
কিনে আনার মতো পয়সা নেই আমার
কিন্তু অন্ধকার একা একা চলে আসে ঘরে।
আমি জানালা দরজা খুলে রেখেছি ঘরের অন্ধকার ঘর থেকে বেড়িয়ে যায় না,
আমি তাই বাইরের আর ভেতরের অন্ধকারকে দেখছি।
এমন ভাবে আমি
….✍ শুভমিতা।
এমন ভাবে আমি কখনো জানালার সামনে বসিনি,
দক্ষিণের হাওয়া নেই, পূর্ণিমার চাঁদ নেই, আছে শুধু অন্ধকার অন্ধকার
কয়েকটি ঝি ঝি পোকা আমাকে আলো দেখাতে এসে আমাকেই না দেখে চলে গেল!
ঘরে আলো নেই আমার
আলো আমার ঘরকে কোনো দিন ও পূর্ণ করতে পারেনি
সেক্ষেত্রে অন্ধকার আমাকে নিরাশ করেনি
আলো চড়া দাম বাজারে
কিনে আনার মতো পয়সা নেই আমার
কিন্তু অন্ধকার একা একা চলে আসে ঘরে।
আমি জানালা দরজা খুলে রেখেছি ঘরের অন্ধকার ঘর থেকে বেড়িয়ে যায় না,
আমি তাই বাইরের আর ভেতরের অন্ধকারকে দেখছি।
কবিতা তুমি হারিয়ে যাও
….✍ সৌরভ শীল
হাজার কবিতা বইয়ের পাতায় পাতায়।
সবকিছু বেকার শুধু মনের তৃপ্ততা
মনের ভয় দূর করার একটা নিশ্বাস।
বিষাদের ক্লান্তি মান অভিমানের ভঙ্গিমা মাত্র।
বিরহের প্রেমের হাজার কবিতা।
শুধু মনের কথা ছন্দের রূপ
বৈশাখী বাদলী রুপালি চৈতালি রূপছায়া
সব বন্দী লাইব্রেরি ঘরে
ভোলা কি পাগলা আর কি সাহিত্য বোঝে
সব তালাবন্দি নেই কোন সন্ধি
কবিতা আজ হারিয়ে যাক
আবেগ অনুভূতির আড়ালে
ক্ষুধার জ্বালা কি আর কবিতা বোঝে?
যতই তুমি সুর ধরো
লিখে যাও রূপক ছন্দ
সবই আজ প্যানপেনে ঘেন ঘেন
কারাবন্দি ঘরবন্দি লাইব্রেরীর সেই কোনে।
কবিতা তুমি হারিয়ে যাও
….✍ সৌরভ শীল
হাজার কবিতা বইয়ের পাতায় পাতায়।
সবকিছু বেকার শুধু মনের তৃপ্ততা
মনের ভয় দূর করার একটা নিশ্বাস।
বিষাদের ক্লান্তি মান অভিমানের ভঙ্গিমা মাত্র।
বিরহের প্রেমের হাজার কবিতা।
শুধু মনের কথা ছন্দের রূপ
বৈশাখী বাদলী রুপালি চৈতালি রূপছায়া
সব বন্দী লাইব্রেরি ঘরে
ভোলা কি পাগলা আর কি সাহিত্য বোঝে
সব তালাবন্দি নেই কোন সন্ধি
কবিতা আজ হারিয়ে যাক
আবেগ অনুভূতির আড়ালে
ক্ষুধার জ্বালা কি আর কবিতা বোঝে?
যতই তুমি সুর ধরো
লিখে যাও রূপক ছন্দ
সবই আজ প্যানপেনে ঘেন ঘেন
কারাবন্দি ঘরবন্দি লাইব্রেরীর সেই কোনে।
বিনিময়
….✍ সুপর্ণা মজুমদার (রায়)
চল্ তোকে নিয়ে যাবো
সমুদ্র স্নানে,
তুই যে বলেছিলিস যাবি একসনে !
যেথা তীরে এসে চুমু খায় ঢেউ দলে দলে,
আবার দুজন যাবো সেই নীল জলে ।
চল্ তোকে নিয়ে যাবো সমুদ্র স্নানে,
যেথা তরঙ্গ টঙ্কার তুলে সাগরের প্রাণে ।
নোনাবালি চড় ধরে যাবো বহুদূর ,
নয়ন ভরে দেখবো সেথা মোদের নূতন ভোর ।
নীল জলের ঐ পারে অবগাহন শেষে ,
অভ্রজ্যোতি অরুণোদয় গৈরিক বেশে।
চল্ তোকে নিয়ে যাবো ঊষর বালিয়াড়ি,
যতদূর চোখ যায় বালি সারি সারি ।
বালুকাবেলা হাত ছুঁবে ক্লান্ত দিনের শেষে,
নীরবতা কথা বলে নিঃশব্দকে ভালবেসে ।
চল্ তোকে নিয়ে যাবো শান্ত নদী তীর,
যেথা পানকৌড়ি ভেসে বেড়ায় ছোট্ট ঢেউয়ের নীর ।
চুপটি করে বসবো দুজন সেই বিজন ধার,
তরী নিয়ে মাঝি ভাই হচ্ছে পারাপার ।
নদীর বুকে রাজহংসের অবাধ সন্তরণ ,
দিগন্তের ঐ অস্তরাগ দেখবো দুজন ।
চল্ তোকে নিয়ে যাবো বৃষ্টি ধারা মাঝে,
গুরুগম্ভীর মেঘ যেথা গরজে বাজে।
ঝরো হাওয়া শীতল স্পর্শে দোলা দিয়ে যায়,
ভালবাসা এমনি হয় কানে বলে যায় ।
চল্ তোকে নিয়ে যাবো নীল গগনের পাশে ,
যেথা ভালবাসা বিনিময়ে ক্ষীণ মেঘ ভাসে ।
আমিও তোর চোখে ভেসে যাবো বলে,
নিশীথ রাত জাগি একা নীরব হলে পড়ে।
কবে কি ঘটেছে, ভুলে যেতে চাই,
খসে যাওয়া ঝরাপাতা পিছুটান নাই ।
রাতজাগা পাখি হয়ে সুরে সুর মেলাবো,
(তোর) ভালবাসার কাছে আমি সবটুকু বিলাবো।
বিনিময়
….✍ সুপর্ণা মজুমদার (রায়)
চল্ তোকে নিয়ে যাবো
সমুদ্র স্নানে,
তুই যে বলেছিলিস যাবি একসনে !
যেথা তীরে এসে চুমু খায় ঢেউ দলে দলে,
আবার দুজন যাবো সেই নীল জলে ।
চল্ তোকে নিয়ে যাবো সমুদ্র স্নানে,
যেথা তরঙ্গ টঙ্কার তুলে সাগরের প্রাণে ।
নোনাবালি চড় ধরে যাবো বহুদূর ,
নয়ন ভরে দেখবো সেথা মোদের নূতন ভোর ।
নীল জলের ঐ পারে অবগাহন শেষে ,
অভ্রজ্যোতি অরুণোদয় গৈরিক বেশে।
চল্ তোকে নিয়ে যাবো ঊষর বালিয়াড়ি,
যতদূর চোখ যায় বালি সারি সারি ।
বালুকাবেলা হাত ছুঁবে ক্লান্ত দিনের শেষে,
নীরবতা কথা বলে নিঃশব্দকে ভালবেসে ।
চল্ তোকে নিয়ে যাবো শান্ত নদী তীর,
যেথা পানকৌড়ি ভেসে বেড়ায় ছোট্ট ঢেউয়ের নীর ।
চুপটি করে বসবো দুজন সেই বিজন ধার,
তরী নিয়ে মাঝি ভাই হচ্ছে পারাপার ।
নদীর বুকে রাজহংসের অবাধ সন্তরণ ,
দিগন্তের ঐ অস্তরাগ দেখবো দুজন ।
চল্ তোকে নিয়ে যাবো বৃষ্টি ধারা মাঝে,
গুরুগম্ভীর মেঘ যেথা গরজে বাজে।
ঝরো হাওয়া শীতল স্পর্শে দোলা দিয়ে যায়,
ভালবাসা এমনি হয় কানে বলে যায় ।
চল্ তোকে নিয়ে যাবো নীল গগনের পাশে ,
যেথা ভালবাসা বিনিময়ে ক্ষীণ মেঘ ভাসে ।
আমিও তোর চোখে ভেসে যাবো বলে,
নিশীথ রাত জাগি একা নীরব হলে পড়ে।
কবে কি ঘটেছে, ভুলে যেতে চাই,
খসে যাওয়া ঝরাপাতা পিছুটান নাই ।
রাতজাগা পাখি হয়ে সুরে সুর মেলাবো,
(তোর) ভালবাসার কাছে আমি সবটুকু বিলাবো।
মুক্তি
….✍ রাজদীপ ঘোষ
তুমি তো মুক্তি চেয়েছি,
যাও! চলে যাও।
তোমায় মুক্ত করে দিলাম।
এবার তুমি স্বাধীনভাবে চলতে পারো,
যে অভিযোগটা করেছিলে,
তুমি আমার বিরুদ্ধে।
সে অভিযোগের বিচারটি আজ,
নিজেই হাতেই করলাম।
জীবনের গল্পখানি বোধ হয়,
সম্পূর্ণ লেখে উঠতে পারিনি।
একজন ভাল প্রেমিকের মত,
বোধহয় তোমাকে ভালোবাসতে পারিনি।
একজন ভালো বন্ধুর মতো,
বোধহয় তোমাকে কাছে টেনে নিতে পারিনি।
কী?
অভিযোগ !
তুমি বড্ড হাসালে আমাকে,
তোমার বিরুদ্ধে আমার নেই কোন অভিযোগ।
আর দশটা প্রেমিক এর মতো তো আর,
তোমাকে ভালোবাসতে পারিনি।
তোমাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ,
তুমি ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্যও বটে।
কেন? জিজ্ঞাসা করছো,
তাহলে বলছি শুনো।
ভালবাসা আজ তোমার কাছে টাকা,
আর ভালবাসার মানুষগুলো তোমার কাছে বোকা।
মুক্তি
….✍ রাজদীপ ঘোষ
তুমি তো মুক্তি চেয়েছি,
যাও! চলে যাও।
তোমায় মুক্ত করে দিলাম।
এবার তুমি স্বাধীনভাবে চলতে পারো,
যে অভিযোগটা করেছিলে,
তুমি আমার বিরুদ্ধে।
সে অভিযোগের বিচারটি আজ,
নিজেই হাতেই করলাম।
জীবনের গল্পখানি বোধ হয়,
সম্পূর্ণ লেখে উঠতে পারিনি।
একজন ভাল প্রেমিকের মত,
বোধহয় তোমাকে ভালোবাসতে পারিনি।
একজন ভালো বন্ধুর মতো,
বোধহয় তোমাকে কাছে টেনে নিতে পারিনি।
কী?
অভিযোগ !
তুমি বড্ড হাসালে আমাকে,
তোমার বিরুদ্ধে আমার নেই কোন অভিযোগ।
আর দশটা প্রেমিক এর মতো তো আর,
তোমাকে ভালোবাসতে পারিনি।
তোমাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ,
তুমি ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্যও বটে।
কেন? জিজ্ঞাসা করছো,
তাহলে বলছি শুনো।
ভালবাসা আজ তোমার কাছে টাকা,
আর ভালবাসার মানুষগুলো তোমার কাছে বোকা।
আবর্ত
….✍ ইন্দ্রাণী ভট্টাচার্য
জীবন একটা ধূসর পানডু লিপি
যার সুতোর টানেই আমাদের নকশি কাঁথা বোনা।
ভাবীকালের চির গোধূলি মাঠে যত
আঁচড় পরে অনাদি অতীতের।
আমাদের যাপনের প্রতিটি পড়তে পড়তে ভাঙ্গা গড়ার খেলা.....
সবাই নিজের পৃথিবী নিয়েই আজ একাকী, নি:স...
কথাগুলো আজ বেঁচে আছে,
থাকবে চিরকাল কথাদের ভিড়ে ।
সময় চলছে তার নিরন্তর খেয়ালে....
আবর্ত
….✍ ইন্দ্রাণী ভট্টাচার্য
জীবন একটা ধূসর পানডু লিপি
যার সুতোর টানেই আমাদের নকশি কাঁথা বোনা।
ভাবীকালের চির গোধূলি মাঠে যত
আঁচড় পরে অনাদি অতীতের।
আমাদের যাপনের প্রতিটি পড়তে পড়তে ভাঙ্গা গড়ার খেলা.....
সবাই নিজের পৃথিবী নিয়েই আজ একাকী, নি:স...
কথাগুলো আজ বেঁচে আছে,
থাকবে চিরকাল কথাদের ভিড়ে ।
সময় চলছে তার নিরন্তর খেয়ালে....
করেনা
….✍ অভিজিৎ দেবনাথ
করোনা তুমার নাম
করুনাময়ী আর হতে পারলে না ।
বিশ্ব - ভুবন সুন্দর ছিল তুমার আসার আগে
কেন তুমি এসে মোদের ফেলে দিলে ফাঁদে!
জীবন স্রোত আজ স্তব্ধ পারাবার
রেখে দিয়েছ মোদের বন্ধি কারাগারে
শতশত সহস্র প্রাণ কেড়ে
রাতে কি ঘুমাতে পার কম্বল উড়ে?
স্বপ্ন আসেনা তুমার, কান্না শুনতে পাওনা তুমি ?
তাহলে কেন তুমি মৃত্যু লিলায় মেতেছ
স্বাধীন জীবন যাপনকে করছ তুচ্ছ।
বুঝে গেছে অনেক দেশ- ইতালি, রাশিয়া,আমেরিকা
মিথাইল যা পারেনি তা পেরেছে করোনা।
রক্ত তুমার পছন্দের নয় তাইনা?
রক্ত বিনা যুদ্ধ জয়ী তুমি ।।
করেনা
….✍ অভিজিৎ দেবনাথ
করোনা তুমার নাম
করুনাময়ী আর হতে পারলে না ।
বিশ্ব - ভুবন সুন্দর ছিল তুমার আসার আগে
কেন তুমি এসে মোদের ফেলে দিলে ফাঁদে!
জীবন স্রোত আজ স্তব্ধ পারাবার
রেখে দিয়েছ মোদের বন্ধি কারাগারে
শতশত সহস্র প্রাণ কেড়ে
রাতে কি ঘুমাতে পার কম্বল উড়ে?
স্বপ্ন আসেনা তুমার, কান্না শুনতে পাওনা তুমি ?
তাহলে কেন তুমি মৃত্যু লিলায় মেতেছ
স্বাধীন জীবন যাপনকে করছ তুচ্ছ।
বুঝে গেছে অনেক দেশ- ইতালি, রাশিয়া,আমেরিকা
মিথাইল যা পারেনি তা পেরেছে করোনা।
রক্ত তুমার পছন্দের নয় তাইনা?
রক্ত বিনা যুদ্ধ জয়ী তুমি ।।
মা
….✍ সুমিতা স্মৃতি
মা তুমি ঈশ্বরের সৃষ্টি এক শ্রেষ্ঠ দান।
কেউ কখনো ভুলতে পারেনি তোমার অবদান।।
সব কষ্ট সহ্য করে সন্তানকে রাখো সুখে।
মানুষ আজকাল ভুলে যায় সেই দয়াময়ী মা'কে।।
তোমার চরণ তলে মাগো পাই আমি সব সুখ।
তোমাকে আমি এনে দেব মা পৃথিবীর সর্ব সুখ।।
মা আমি কথা দিলাম কভু ভুলবনা তোমার দান।
আমার জীবনে প্রথমেই দেব তোমাকে স্থান।।
সন্তান হোক পাপী তাপী মস্ত অন্যায়কারী।
মা কখনো দেয়না সন্তানকে অভিশাপের বারি।।
মা তুমি আমার ঈশ্বর, আমার ভগবান।
জীবনে কখনো ভুলবনা মা তোমার অবদান।।
মা তুমি সুখে থেকো এটাই আমি চাই।
তোমাকে পেয়েছি আমার জীবনে আর কিছু না চাই।।
মা
….✍ সুমিতা স্মৃতি
মা তুমি ঈশ্বরের সৃষ্টি এক শ্রেষ্ঠ দান।
কেউ কখনো ভুলতে পারেনি তোমার অবদান।।
সব কষ্ট সহ্য করে সন্তানকে রাখো সুখে।
মানুষ আজকাল ভুলে যায় সেই দয়াময়ী মা'কে।।
তোমার চরণ তলে মাগো পাই আমি সব সুখ।
তোমাকে আমি এনে দেব মা পৃথিবীর সর্ব সুখ।।
মা আমি কথা দিলাম কভু ভুলবনা তোমার দান।
আমার জীবনে প্রথমেই দেব তোমাকে স্থান।।
সন্তান হোক পাপী তাপী মস্ত অন্যায়কারী।
মা কখনো দেয়না সন্তানকে অভিশাপের বারি।।
মা তুমি আমার ঈশ্বর, আমার ভগবান।
জীবনে কখনো ভুলবনা মা তোমার অবদান।।
মা তুমি সুখে থেকো এটাই আমি চাই।
তোমাকে পেয়েছি আমার জীবনে আর কিছু না চাই।।
মা-বাবার কথা
….✍ সুস্মিতা দেবনাথ
ভালোবেসে জন্ম দিয়েছ, পালন করেছ।
হাত ধরে হাটা শিখিয়েছ।
স্বপ্ন দেখিয়ে পথ চলিয়েছ।
খাবার খাইয়ে দিয়েছ।
না ঘুমালে ঘুম পাড়িয়ে দিয়েছ।
কথা আমায় বলতে শিখিয়েছ।
মঙ্গল কামনা করেছ।
ভালোবেসে নাম দিয়েছ।
তোমাদের দেওয়া নামে আমায়
এই পৃথিবীতে পরিচয় করিয়েছ।
মা বাবা তোমরাই আমার জন্য
মাথার ঘাম পায়ে ফেলেছ।
তবুও আমায় ভালো রেখেছ।
তাই এই ছোট কবিতা তোমাদের জন্য।
যতই বাধা আসুক থামবেনা আমার পথ চলা।
তোমাদের আদেশ অনুসারে।
পথ চলব দ্রুত গতিতে
স্বপ্ন আমার পূর্ণ করব।
তোমাদের নাম আমি উজ্জ্বল করব।
মা-বাবার কথা
….✍ সুস্মিতা দেবনাথ
ভালোবেসে জন্ম দিয়েছ, পালন করেছ।
হাত ধরে হাটা শিখিয়েছ।
স্বপ্ন দেখিয়ে পথ চলিয়েছ।
খাবার খাইয়ে দিয়েছ।
না ঘুমালে ঘুম পাড়িয়ে দিয়েছ।
কথা আমায় বলতে শিখিয়েছ।
মঙ্গল কামনা করেছ।
ভালোবেসে নাম দিয়েছ।
তোমাদের দেওয়া নামে আমায়
এই পৃথিবীতে পরিচয় করিয়েছ।
মা বাবা তোমরাই আমার জন্য
মাথার ঘাম পায়ে ফেলেছ।
তবুও আমায় ভালো রেখেছ।
তাই এই ছোট কবিতা তোমাদের জন্য।
যতই বাধা আসুক থামবেনা আমার পথ চলা।
তোমাদের আদেশ অনুসারে।
পথ চলব দ্রুত গতিতে
স্বপ্ন আমার পূর্ণ করব।
তোমাদের নাম আমি উজ্জ্বল করব।
লোলুপ
….✍ সৌম্যদীপ দেব
কিসের লোভে?
কি কারণে?
কে মরেছে?
নাইবা হলো জানা।
বাড়ির পাশে
অলিতে - গলিতে
আজও পরে হানা।
না,কেউ মরেনি
তবে মরবে ঠিক!
আজ নয়তো অনাদি কালে ;
জীবন তার চৈতন্য -
হারায়েছে, সমাজের উথাল দিক পালে।
পাশের বাড়ির খুকিটি আর
রাতে বাড়ি ফেরেনা।
সোনা কাকির মেজো বউটি
ঘোমটা আর ফেলে না।
পাশের পাড়ার শহুরে মেয়ে
শাড়ি ছাড়া হাটে না।
কমলী পাড়ার রাঙ্গা ঠাম্মা
বৈধব্যেও ব্লাউস পরতে ভোলে না।
চলছে সবে ডিজিটাল পথে -
তুমি- আমি ও সে।
গলির পথে আঁধার রাতে
আজও কষাই গুলো ফুকে ,
দিনের আলোয় আঁধার দেখি
এ কোন সমাজের বুকে?
লোলুপ
….✍ সৌম্যদীপ দেব
কিসের লোভে?
কি কারণে?
কে মরেছে?
নাইবা হলো জানা।
বাড়ির পাশে
অলিতে - গলিতে
আজও পরে হানা।
না,কেউ মরেনি
তবে মরবে ঠিক!
আজ নয়তো অনাদি কালে ;
জীবন তার চৈতন্য -
হারায়েছে, সমাজের উথাল দিক পালে।
পাশের বাড়ির খুকিটি আর
রাতে বাড়ি ফেরেনা।
সোনা কাকির মেজো বউটি
ঘোমটা আর ফেলে না।
পাশের পাড়ার শহুরে মেয়ে
শাড়ি ছাড়া হাটে না।
কমলী পাড়ার রাঙ্গা ঠাম্মা
বৈধব্যেও ব্লাউস পরতে ভোলে না।
চলছে সবে ডিজিটাল পথে -
তুমি- আমি ও সে।
গলির পথে আঁধার রাতে
আজও কষাই গুলো ফুকে ,
দিনের আলোয় আঁধার দেখি
এ কোন সমাজের বুকে?
পাখি
….✍-মনিকা বিশ্বাস
আমার সব পাখিগুলি
আমার সেই পিঞ্জিরা ছেড়ে
চলে গেল অনেক দূরে ।
করবে কে আর কিচিরমিচির?
সেই মিস্টি মধুর সুরে।
আমি ডাকছি হাত বাড়িয়ে‐‐‐
আমার কাছে আয়!
আমার সেই ডাক শুনে‐‐‐
আবার আমার দিকে পেছন ফিরে চায়।
পাখিরা বলছে তোমার কাছে,
আসতে তো চায়।
কিন্তু কেমন করে আসি?
আমরা তো বাঁচতে চায়।
তোমার সেই পিঞ্জিরাতে নয়,
ওই নীল আকাশের গায়।
পাখি
….✍-মনিকা বিশ্বাস
আমার সব পাখিগুলি
আমার সেই পিঞ্জিরা ছেড়ে
চলে গেল অনেক দূরে ।
করবে কে আর কিচিরমিচির?
সেই মিস্টি মধুর সুরে।
আমি ডাকছি হাত বাড়িয়ে‐‐‐
আমার কাছে আয়!
আমার সেই ডাক শুনে‐‐‐
আবার আমার দিকে পেছন ফিরে চায়।
পাখিরা বলছে তোমার কাছে,
আসতে তো চায়।
কিন্তু কেমন করে আসি?
আমরা তো বাঁচতে চায়।
তোমার সেই পিঞ্জিরাতে নয়,
ওই নীল আকাশের গায়।
গরীবের জবাব
….✍-সুকান্ত দেব
দুঃখে যাদের কাটছে জীবন দুঃখ তাদের কি?
শুকনো রুটি, বাসি ভাত এটাই বা কম কি?
করছো যারা গাড়ি, বাড়ি আছো মহাসুখে।
গরীবের পেটে মারছো লাথি সরকারি টাকা লুটে।
গরীব হলেও মানুষ মোরা আছে মোদের মন।
দেশকে আমরা ভালোবাসি, দেশের হিতে জীবন।
সলতের মতো জ্বলে উঠছে কয়েকদিনের বনবাস।
অন্যহীন এর উপর বাড়ছে মৃত্যুর করাল গ্রাস।
কৃষক মজুর এক হয়ে দেখাব এবার ভোটে।
ভোটবাকসে এর জবাব দেবো, বাহাদুরী যাবে টুটে।
গরীবের জবাব
….✍-সুকান্ত দেব
দুঃখে যাদের কাটছে জীবন দুঃখ তাদের কি?
শুকনো রুটি, বাসি ভাত এটাই বা কম কি?
করছো যারা গাড়ি, বাড়ি আছো মহাসুখে।
গরীবের পেটে মারছো লাথি সরকারি টাকা লুটে।
গরীব হলেও মানুষ মোরা আছে মোদের মন।
দেশকে আমরা ভালোবাসি, দেশের হিতে জীবন।
সলতের মতো জ্বলে উঠছে কয়েকদিনের বনবাস।
অন্যহীন এর উপর বাড়ছে মৃত্যুর করাল গ্রাস।
কৃষক মজুর এক হয়ে দেখাব এবার ভোটে।
ভোটবাকসে এর জবাব দেবো, বাহাদুরী যাবে টুটে।
রাষ্ট্রপতি হালিমা
….✍-প্রগতি চাকমা
সিঙ্গাপুরের অষ্টম রাষ্ট্রপতি হলো মহিলা
নাম তার হালিমা বিনতে ইয়াকুব,
বহু কাঠখড় পুরিয়ে পৌঁছে উচ্চ সীমায়
বাবা যে গরীব মোহাম্মদ ইয়াকুব।
বাবা ভারতীয় মা মালয় বংশোদ্ভূত জন্ম
ঊনিশশো চুয়ান্নতে তেইশ আগস্ট,
দুই হাজার সতেরো চৌদ্দ সেপ্টেম্বর হতে
রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পেয়েছে ফাস্ট।
আট বছর বয়সে বাবামারা যায় দশহতে
স্কুলে ভর্তি বাবা তার পাহারাদার,
তেনজং কেটং গার্লস স্কুল,সিঙ্গাপুরবিশ্ব
বিদ্যালয় থেকে আইনে ডিগ্রী যার।
এনইউএসতে উচ্চ সন্মান ডক্টরেট ডিগ্রী
মার হোটেল কাজে সাহায্য করতো,
পলিটেকনিকের সামনে প্রিন্স এডওয়ার্ড
সড়কেতে নাসি পেডং বিক্রি করতো।
সমগ্র পৃথিবীতে সেইপ্রথম মুসলিম নারী
রাষ্ট্রপতি দুঃখ কষ্টের ঝুপড়ি থেকে,
সারাপৃথিবী নাড়িয়েদিলো অথচ জীবনে
"আত্মহত্যা"রক্ষা করে আল্লাহ্তাকে।
পৃথিবীতে যাদেরকিছু নাই নিজেরচেষ্টায়
সফলতা এনে দিয়েছে তাদের মধ্যে,
সিঙ্গাপুরের এ'নারী একজন বুঝে দিলো
ইচ্ছায় গদ্য বদলে যেতে পারে পদ্যে।
আমি এই মহান মহিয়সী বিদূষী নারীকে
সাদরে শ্রদ্ধায় জানাই কুর্নিশ হাজার,
অন্ততঃ আমার পক্ষথেকেএকতোড়াফুল
করজোড়ে প্রার্থনা করি নিও নমস্কার।
রাষ্ট্রপতি হালিমা
….✍-প্রগতি চাকমা
সিঙ্গাপুরের অষ্টম রাষ্ট্রপতি হলো মহিলা
নাম তার হালিমা বিনতে ইয়াকুব,
বহু কাঠখড় পুরিয়ে পৌঁছে উচ্চ সীমায়
বাবা যে গরীব মোহাম্মদ ইয়াকুব।
বাবা ভারতীয় মা মালয় বংশোদ্ভূত জন্ম
ঊনিশশো চুয়ান্নতে তেইশ আগস্ট,
দুই হাজার সতেরো চৌদ্দ সেপ্টেম্বর হতে
রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পেয়েছে ফাস্ট।
আট বছর বয়সে বাবামারা যায় দশহতে
স্কুলে ভর্তি বাবা তার পাহারাদার,
তেনজং কেটং গার্লস স্কুল,সিঙ্গাপুরবিশ্ব
বিদ্যালয় থেকে আইনে ডিগ্রী যার।
এনইউএসতে উচ্চ সন্মান ডক্টরেট ডিগ্রী
মার হোটেল কাজে সাহায্য করতো,
পলিটেকনিকের সামনে প্রিন্স এডওয়ার্ড
সড়কেতে নাসি পেডং বিক্রি করতো।
সমগ্র পৃথিবীতে সেইপ্রথম মুসলিম নারী
রাষ্ট্রপতি দুঃখ কষ্টের ঝুপড়ি থেকে,
সারাপৃথিবী নাড়িয়েদিলো অথচ জীবনে
"আত্মহত্যা"রক্ষা করে আল্লাহ্তাকে।
পৃথিবীতে যাদেরকিছু নাই নিজেরচেষ্টায়
সফলতা এনে দিয়েছে তাদের মধ্যে,
সিঙ্গাপুরের এ'নারী একজন বুঝে দিলো
ইচ্ছায় গদ্য বদলে যেতে পারে পদ্যে।
আমি এই মহান মহিয়সী বিদূষী নারীকে
সাদরে শ্রদ্ধায় জানাই কুর্নিশ হাজার,
অন্ততঃ আমার পক্ষথেকেএকতোড়াফুল
করজোড়ে প্রার্থনা করি নিও নমস্কার।
স্বার্থের দুনিয়া
….✍ মামনি শীল
স্বার্থ ছাড়া এই দুনিয়াতে কিছু নাই,
স্বার্থ ছাড়া ভালোবাসে শুধু আমার মা
আজকাল মানুষরা শুধু স্বার্থের দিকে ঘুরে।
কেউ কারোর জন্য,
মানুষ হল বেইমান আজ তুমি উপহার করো।
কাল তোমাকে ভুলে যাবে,
সেটা হল মানুষের নীতি।
স্বার্থের দুনিয়াতে তুমি যাকে ভাববে প্রিয়জন,
সে তোমাকে বুঝিয়ে দেবে তুমি ছিলে তার প্রয়োজন।
বিপদে পড়লে বোঝা যায় কে আছে পাশে,
জনম দুঃখী মা ছাড়া কেউ পাশে নাই।
স্বার্থের দুনিয়া
….✍ মামনি শীল
স্বার্থ ছাড়া এই দুনিয়াতে কিছু নাই,
স্বার্থ ছাড়া ভালোবাসে শুধু আমার মা
আজকাল মানুষরা শুধু স্বার্থের দিকে ঘুরে।
কেউ কারোর জন্য,
মানুষ হল বেইমান আজ তুমি উপহার করো।
কাল তোমাকে ভুলে যাবে,
সেটা হল মানুষের নীতি।
স্বার্থের দুনিয়াতে তুমি যাকে ভাববে প্রিয়জন,
সে তোমাকে বুঝিয়ে দেবে তুমি ছিলে তার প্রয়োজন।
বিপদে পড়লে বোঝা যায় কে আছে পাশে,
জনম দুঃখী মা ছাড়া কেউ পাশে নাই।
লকডাউন
….✍ কিশান দেবনাথ
আজ কোথায় ইশ্বর
কোথায় ধর্ম
আজ সরকারি , বেসরকারি অফিসে
ঝুলছে যে তালা,
ট্যাস্কি,বাস,ট্রেন ছেড়ে
সবাই ঘড়ে পালা।
আজ বাণিজ্য, অফিস
সবই আছে বন্ধ,
দিন আনা,দিন খাওয়া মানুষের
জিবন নিয়ে দ্বন্ধ।
আজ কারখানা, কর্মশালায়,
নেই যে কোনো শব্দ,
করোনা তুমি বোঝালে যে আজ
ডাক্তারদের কি মর্ম।
আজ করোনা তোমাকে নিয়ে
বিশ্ববাসী ক্লান্ত ।
শত শত মানুষের জীবন নিয়ে
কবে হবে তুমি শান্ত।।
লকডাউন
….✍ কিশান দেবনাথ
আজ কোথায় ইশ্বর
কোথায় ধর্ম
আজ সরকারি , বেসরকারি অফিসে
ঝুলছে যে তালা,
ট্যাস্কি,বাস,ট্রেন ছেড়ে
সবাই ঘড়ে পালা।
আজ বাণিজ্য, অফিস
সবই আছে বন্ধ,
দিন আনা,দিন খাওয়া মানুষের
জিবন নিয়ে দ্বন্ধ।
আজ কারখানা, কর্মশালায়,
নেই যে কোনো শব্দ,
করোনা তুমি বোঝালে যে আজ
ডাক্তারদের কি মর্ম।
আজ করোনা তোমাকে নিয়ে
বিশ্ববাসী ক্লান্ত ।
শত শত মানুষের জীবন নিয়ে
কবে হবে তুমি শান্ত।।
মানসিকতা
….✍ সুচিত্রা দেবনাথ
সোশ্যাল মিডিয়া আজ শুধু
মানসিকতার পরিচয়,
সে ও, মানসিকতা
স্টেটাস দেই, যে কী না
পাঁচ বছরের বাচ্চাটাকে
যৌনতার প্রলোভন দেই।
এগার মাসের বাচ্চাটাও
আজ যৌনতার স্বীকার ।
রক্তছিন গলার আর্তনাদ,
যার কানে বাজে না।
সে ও কী না মানুষ এর দুঃখ বুঝে,
মানসিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে।
বয়সের তোয়াকা না করে,
মা, ভোন এর সম্পর্কে চোখে ঠুলি ধরে,
অজান্তে,রাতের অন্ধকারে মুখ চাপে।
ভাই,সে ও অন্যের মানসিকতা নিয়ে
পাবলিসিটি করে।
মানসিকতা নিয়ে ধিক্কার জানানো কিছু মানুষ,
পাশের সিটে বসে থাকা মেয়েটিকে দেখে,
তার হাত সামলানো দাই।
মোমবাতি জ্বালিয়ে শুক করা ছেলেটা ও
রাস্তার মোড়ে মেয়েটি কে ইফটিজিং করে।
এই হলো আজ আমাদের মানসিকতা।।
মানসিকতা
….✍ সুচিত্রা দেবনাথ
সোশ্যাল মিডিয়া আজ শুধু
মানসিকতার পরিচয়,
সে ও, মানসিকতা
স্টেটাস দেই, যে কী না
পাঁচ বছরের বাচ্চাটাকে
যৌনতার প্রলোভন দেই।
এগার মাসের বাচ্চাটাও
আজ যৌনতার স্বীকার ।
রক্তছিন গলার আর্তনাদ,
যার কানে বাজে না।
সে ও কী না মানুষ এর দুঃখ বুঝে,
মানসিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে।
বয়সের তোয়াকা না করে,
মা, ভোন এর সম্পর্কে চোখে ঠুলি ধরে,
অজান্তে,রাতের অন্ধকারে মুখ চাপে।
ভাই,সে ও অন্যের মানসিকতা নিয়ে
পাবলিসিটি করে।
মানসিকতা নিয়ে ধিক্কার জানানো কিছু মানুষ,
পাশের সিটে বসে থাকা মেয়েটিকে দেখে,
তার হাত সামলানো দাই।
মোমবাতি জ্বালিয়ে শুক করা ছেলেটা ও
রাস্তার মোড়ে মেয়েটি কে ইফটিজিং করে।
এই হলো আজ আমাদের মানসিকতা।।
আমি কোথায়?
….✍ সীমা চক্রবর্তী
আমি এখন বেচে নেই হয়ত
আমি এখন পচে গেছি, গলে গেছি
এখন গায়ে শুধু পচা মাংসের গন্ধ।
সুগন্ধি পারফিউমের মাথা ধরা ঘ্রাণ এখন আর নেই।
ঘুনপোকায় ধরা এই আমি এখন
তোমার বৃত্তের বাইরে অতি মাত্রায়
সত্যি শূন্যতায় দাড়িয়ে।
এখন দিন নেই রাত নেই শুধু মনে হয়
তুমি বুঝি সত্যিই গগনচন্দ্র,
তিন লক্ষ চুরাশি হাজার কিলোমিটার দূরে আমি
পৃথিবী থেকে শুধু তার আলোর ঝলকানি ভালবাসতে পারি।
আমি কোথায়?
….✍ সীমা চক্রবর্তী
আমি এখন বেচে নেই হয়ত
আমি এখন পচে গেছি, গলে গেছি
এখন গায়ে শুধু পচা মাংসের গন্ধ।
সুগন্ধি পারফিউমের মাথা ধরা ঘ্রাণ এখন আর নেই।
ঘুনপোকায় ধরা এই আমি এখন
তোমার বৃত্তের বাইরে অতি মাত্রায়
সত্যি শূন্যতায় দাড়িয়ে।
এখন দিন নেই রাত নেই শুধু মনে হয়
তুমি বুঝি সত্যিই গগনচন্দ্র,
তিন লক্ষ চুরাশি হাজার কিলোমিটার দূরে আমি
পৃথিবী থেকে শুধু তার আলোর ঝলকানি ভালবাসতে পারি।
একটা মজার দেশ
….✍ স্নেহাশীষ রায়
মরছে যখন মজার দেশে
হাজার হাজার লোক,
খরচ করে লক্ষ টাকার
করছে উপভোগ।
মানুষ যখন মরছে দেশে
কর্মহীনের জ্বালায়,
কোটি ব্যয়ে রুপোর ইট
শিলান্যাসে লাগায়।
যখন দেশে দরকার ছিল
খাদ্য, একটু কর্মের,
তখন রাজা সুর চড়ালে
অন্ধভক্তি ধর্মের।
মহামারীর প্রবল কোপে
জনগণ নাজেহাল!
তখন রাজা গড়ল নাকো
একটিও হাসপাতাল।
শ্রমিক মরে, কৃষক মরে
হারায় কত স্বজন,
কোটি কোটি খরচা করে
হচ্ছে দেবের পূজন।
অভাব ছিল ঔষধের আজ
হাসপাতালের অভাব,
ধর্মনিরপেক্ষ দেশে
ছড়ালে বিভেদ ভাব।
আজকেই কি ছিল দরকার
স্বপ্নপূরণ করার?
মহামারীতে মনগড়া মতো
শূন্য কলসী ভরার?
ইতিহাসে তো থাকবে লেখা
উঠেছিল গড়ে ধাম,
যখন ছিল সর্বস্থানে
হাসপাতালের কাম।
কোথা রাম, কোথা ঈশ্বর
কোথায় তোমার গুরু,
ধর্মে ধর্মে বিভেদবাণী
আজকে সবে শুরু।
একটা মজার দেশ
….✍ স্নেহাশীষ রায়
মরছে যখন মজার দেশে
হাজার হাজার লোক,
খরচ করে লক্ষ টাকার
করছে উপভোগ।
মানুষ যখন মরছে দেশে
কর্মহীনের জ্বালায়,
কোটি ব্যয়ে রুপোর ইট
শিলান্যাসে লাগায়।
যখন দেশে দরকার ছিল
খাদ্য, একটু কর্মের,
তখন রাজা সুর চড়ালে
অন্ধভক্তি ধর্মের।
মহামারীর প্রবল কোপে
জনগণ নাজেহাল!
তখন রাজা গড়ল নাকো
একটিও হাসপাতাল।
শ্রমিক মরে, কৃষক মরে
হারায় কত স্বজন,
কোটি কোটি খরচা করে
হচ্ছে দেবের পূজন।
অভাব ছিল ঔষধের আজ
হাসপাতালের অভাব,
ধর্মনিরপেক্ষ দেশে
ছড়ালে বিভেদ ভাব।
আজকেই কি ছিল দরকার
স্বপ্নপূরণ করার?
মহামারীতে মনগড়া মতো
শূন্য কলসী ভরার?
ইতিহাসে তো থাকবে লেখা
উঠেছিল গড়ে ধাম,
যখন ছিল সর্বস্থানে
হাসপাতালের কাম।
কোথা রাম, কোথা ঈশ্বর
কোথায় তোমার গুরু,
ধর্মে ধর্মে বিভেদবাণী
আজকে সবে শুরু।
আমার ছোট্টবেলা
….✍ সঞ্জয় দত্ত
আমি খুব ছোট ছিলাম,
তখন আমাকে কেউ চিনতো না!
কিছু সময়ের জন্য আমি নিঃস্ব,
এই নিঃসঙ্গতা আমায় ভাবায়!
আমার চোখের ঘুম নেই!
আমি চিন্তিত ছিলাম খুব।
এই চিন্তা ভাবনার মধ্যে
ধীরে ধীরে বড়ো হতে লাগলাম।
আমাকে চিনতে পারছে অনেকেই,
সাথে আমিও।
সেই ছোট পরিবারটা আর নেই,
অনেক বড়ো হয়েছে এখন।
দেশ বিদেশে এখন আমার অনেক বন্ধু,
ভালোবাসায় যেন বুক ভরে গেছে।
আমাকে নিয়ে কতো স্বপ্ন দেখছে!
সেই স্বপ্নের পূর্ণতা দিতে ব্যস্ত আমি।
আমার ছোট্টবেলা
….✍ সঞ্জয় দত্ত
আমি খুব ছোট ছিলাম,
তখন আমাকে কেউ চিনতো না!
কিছু সময়ের জন্য আমি নিঃস্ব,
এই নিঃসঙ্গতা আমায় ভাবায়!
আমার চোখের ঘুম নেই!
আমি চিন্তিত ছিলাম খুব।
এই চিন্তা ভাবনার মধ্যে
ধীরে ধীরে বড়ো হতে লাগলাম।
আমাকে চিনতে পারছে অনেকেই,
সাথে আমিও।
সেই ছোট পরিবারটা আর নেই,
অনেক বড়ো হয়েছে এখন।
দেশ বিদেশে এখন আমার অনেক বন্ধু,
ভালোবাসায় যেন বুক ভরে গেছে।
আমাকে নিয়ে কতো স্বপ্ন দেখছে!
সেই স্বপ্নের পূর্ণতা দিতে ব্যস্ত আমি।
শ্রাবণ
….✍ আক্তার হোসেন
শ্রাবণ তুমি এসো ফিরে আবার বছর ঘুরে,
তোমার অপেক্ষায় থাকবো আমি চৌরাস্তার মোরে।
গ্রীষ্মের শেষে যখন তুমি এসো বর্ষা হয়ে,
ধূসর কালো পৃথিবীকে সবুজ করো ধুয়ে।
সবুজ ঘাসে সাজিয়ে তুলো গ্রাম বাংলার মাঠ,
তুমি আমার প্রানের স্পন্দন সাঁতার খেলার ঘাট।
যখন আমি তোমার জন্য থাকি অপেক্ষায়,
বৃষ্টি হয়ে এসো তুমি আমার ঘরের দাওয়ায়।
শ্রাবণ তুমি অঝোর প্রেমে ,
এসো আমার বুকে নেমে।
তোমার প্রেমের শীতল পরশ,
প্রাণে আমার তুলবে হরষ।
কাশ ফুলেরই গুচ্ছ তুলে,
পড়িয়ে দেবো তোমার চুলে।
শ্রাবণ
….✍ আক্তার হোসেন
শ্রাবণ তুমি এসো ফিরে আবার বছর ঘুরে,
তোমার অপেক্ষায় থাকবো আমি চৌরাস্তার মোরে।
গ্রীষ্মের শেষে যখন তুমি এসো বর্ষা হয়ে,
ধূসর কালো পৃথিবীকে সবুজ করো ধুয়ে।
সবুজ ঘাসে সাজিয়ে তুলো গ্রাম বাংলার মাঠ,
তুমি আমার প্রানের স্পন্দন সাঁতার খেলার ঘাট।
যখন আমি তোমার জন্য থাকি অপেক্ষায়,
বৃষ্টি হয়ে এসো তুমি আমার ঘরের দাওয়ায়।
শ্রাবণ তুমি অঝোর প্রেমে ,
এসো আমার বুকে নেমে।
তোমার প্রেমের শীতল পরশ,
প্রাণে আমার তুলবে হরষ।
কাশ ফুলেরই গুচ্ছ তুলে,
পড়িয়ে দেবো তোমার চুলে।
ফেরত চাই
….✍ মেহেদী হাসান রানা
ফেরত চাই আমার পাঠানো শব্দের প্রতিটি অক্ষর..
যেগুলো আমি ধার করেছিলাম বিজয়নগর থেকে,
মৃত ইনকার ভগ্নস্তূপ বেয়ে কুড়িয়ে এনেছিলাম।।
ফেরত চাই আমার শব্দ'দের,
যাদের তুমি পরতে পরতে লাগিয়েছো ইতিহাসের বিবর্ন কালো ছাপ...,প্রতিটি প্রেমের শব্দে মিশিয়েছো ব্যর্থতার চরম পরিহাস..।।
যেসব শব্দ তোমার মায়াবী ঠোঁটে পায়নি স্থান,
যে শব্দে তোমার বন্দরে বাজেনি সাইরেন,
আমি সেই শব্দের প্রতিটি অক্ষর আজ ফেরত চাই
ছড়িয়ে দিতে চাই শহুরে ওলিতে গলিতে...,
স্লোগানে স্লোগানে ভেসে যাক আমার শব্দে বাণ..
সহস্র শতাব্দীর পরেও জেগে উঠুক তোমায় পাঠানো প্রতিটি শব্দের মান।।
ভগ্ন হৃদয়ের চরম অস্থিরতায় আমি ফেরত চাই,
ফেরত চাই পাঠানো প্রতিটি রক্তকনিকার স্রোত,
শিরায় শিরায় ছড়িয়ে দেওয়া শব্দের ঝাঁক।।
তোমাকে পাঠানো প্রতিটি শব্দ আজ এক্ষুনি ফেরত চাই....।।
ফেরত চাই
….✍ মেহেদী হাসান রানা
ফেরত চাই আমার পাঠানো শব্দের প্রতিটি অক্ষর..
যেগুলো আমি ধার করেছিলাম বিজয়নগর থেকে,
মৃত ইনকার ভগ্নস্তূপ বেয়ে কুড়িয়ে এনেছিলাম।।
ফেরত চাই আমার শব্দ'দের,
যাদের তুমি পরতে পরতে লাগিয়েছো ইতিহাসের বিবর্ন কালো ছাপ...,প্রতিটি প্রেমের শব্দে মিশিয়েছো ব্যর্থতার চরম পরিহাস..।।
যেসব শব্দ তোমার মায়াবী ঠোঁটে পায়নি স্থান,
যে শব্দে তোমার বন্দরে বাজেনি সাইরেন,
আমি সেই শব্দের প্রতিটি অক্ষর আজ ফেরত চাই
ছড়িয়ে দিতে চাই শহুরে ওলিতে গলিতে...,
স্লোগানে স্লোগানে ভেসে যাক আমার শব্দে বাণ..
সহস্র শতাব্দীর পরেও জেগে উঠুক তোমায় পাঠানো প্রতিটি শব্দের মান।।
ভগ্ন হৃদয়ের চরম অস্থিরতায় আমি ফেরত চাই,
ফেরত চাই পাঠানো প্রতিটি রক্তকনিকার স্রোত,
শিরায় শিরায় ছড়িয়ে দেওয়া শব্দের ঝাঁক।।
তোমাকে পাঠানো প্রতিটি শব্দ আজ এক্ষুনি ফেরত চাই....।।
আজগুবি ভাইরাস
….✍ ইমরান খান রাজ
আজগুবি এক ভাইরাস এলো
সারা বিশ্ব জুড়ে,
করোনা নাম শুনেই সবাই
পালিয়ে যায় দূরে !
হ্যান্ডশেক আর কোলাকুলি
মানুষ গেছে ভুলে,
করোনাভাইরাস কার সৃষ্টি ?
কে আছে তার মূলে ?
ঈদের দিনেও ছাড় দেয়নি
এ কেমন ভাইরাস ?
বাঁচবে কদিন তাও জানোনা
পাপ করো মাইনাস !
সাবান পানি দিয়ে সবাই
হাত পরিস্কার রাখো,
স্বাস্থ্যবিধি রক্ষা করে
স্বাধীন বেশে বাঁচো !
আজগুবি ভাইরাস
….✍ ইমরান খান রাজ
আজগুবি এক ভাইরাস এলো
সারা বিশ্ব জুড়ে,
করোনা নাম শুনেই সবাই
পালিয়ে যায় দূরে !
হ্যান্ডশেক আর কোলাকুলি
মানুষ গেছে ভুলে,
করোনাভাইরাস কার সৃষ্টি ?
কে আছে তার মূলে ?
ঈদের দিনেও ছাড় দেয়নি
এ কেমন ভাইরাস ?
বাঁচবে কদিন তাও জানোনা
পাপ করো মাইনাস !
সাবান পানি দিয়ে সবাই
হাত পরিস্কার রাখো,
স্বাস্থ্যবিধি রক্ষা করে
স্বাধীন বেশে বাঁচো !
তুমি আজও কিশোরী
….✍ সুস্মিতা মহাজন
মায়াবিনী রূপবতী কন্যা তুমি,
ধরিত্রী তোমার "মা"।
কখনো কূল ভাঙ্গে স্রোতে,
আবার কখনো গড়ে উঠে পলিতে।
কন্যা তুমি রুপ নেও মাতৃ-
তীরে বুকে বাঁচে হাজারো সন্তান তোমার।
তোমাতেই পূণ্য যেনো;
তোমাতেই ভাসে পাপী।
বরষাতে পূর্ণ গর্ভ তোমার,
চৈত্রেতে শুষ্ক রূপী।
কূল ভাঙ্গে, কূল গড়ে-
তবু তুমি থামো নাকো।
চলছে তোমার চলন স্রোত,
চলছেই অবিরাম অবিশ্রান্ত!
সময় পাল্টে ঘড়ির কাঁটায়,
তুমি সেই আজও কিশোরী।
তুমি আজও কিশোরী
….✍ সুস্মিতা মহাজন
মায়াবিনী রূপবতী কন্যা তুমি,
ধরিত্রী তোমার "মা"।
কখনো কূল ভাঙ্গে স্রোতে,
আবার কখনো গড়ে উঠে পলিতে।
কন্যা তুমি রুপ নেও মাতৃ-
তীরে বুকে বাঁচে হাজারো সন্তান তোমার।
তোমাতেই পূণ্য যেনো;
তোমাতেই ভাসে পাপী।
বরষাতে পূর্ণ গর্ভ তোমার,
চৈত্রেতে শুষ্ক রূপী।
কূল ভাঙ্গে, কূল গড়ে-
তবু তুমি থামো নাকো।
চলছে তোমার চলন স্রোত,
চলছেই অবিরাম অবিশ্রান্ত!
সময় পাল্টে ঘড়ির কাঁটায়,
তুমি সেই আজও কিশোরী।
অবশেষে
**********★**********
….✍ জুয়েল দেব
দিন পেরিয়া রাত হলো,বাবা তো মা আসলো না,
বললে তুমি আসবে বাবা,হাতে নিয়ে জামা খানা।
বাবা যখন আসবে তখন করব আমি বায়না,
বাবা তখন হাঁসবে আর বলবে কাছে আয় না।
বাবাকে মা দেখিনা বড্ড দিন হলো,
বাবা আমায় একলা ফেলে কেমন করে রইল।।
আসবে বাবা খেলবো মোরা আহা কি আনন্দ,
আসবে বাবা মাংস নিয়ে আহা কি গন্ধ।।
বলছ তুমি আসবে বাবা দুদিন হতে চলল,
বাবা যে কেন আসছে না তা নিয়েই ত দন্ধ।।
আসবে বাবা ঘুরবো মুরা আহা কি আনন্দ,
এই কথা শুনলেই তুমি কেন নীরবে কাঁদ।।
আসবে বাবা দেখবি তুই, কত দেবে যত্ন,
তুই যে বাবার জীবন যুদ্ধের একলা মানিক রত্ন।।
বাবা যে আজ দূর দেশে পাবিনা তার গন্ধ,
বাবা ছাড়াই কাটবে যে তোর জীবন যুদ্ধের ছন্দ।
আসবে না যে পায়ে হেটে,ডাকবে না আর সোনা বলে,
দেখবি তুই আসছে বাবা,চড়ে চার জনার দন্ড।।
মুখ লোকিয়ে কেন আছ? দেখছনা আর তুমি,
বাবা যখন আসবে তখন কাঁদবে না আর তুমি।।
অবশেষে
**********★**********
….✍ জুয়েল দেব
দিন পেরিয়া রাত হলো,বাবা তো মা আসলো না,
বললে তুমি আসবে বাবা,হাতে নিয়ে জামা খানা।
বাবা যখন আসবে তখন করব আমি বায়না,
বাবা তখন হাঁসবে আর বলবে কাছে আয় না।
বাবাকে মা দেখিনা বড্ড দিন হলো,
বাবা আমায় একলা ফেলে কেমন করে রইল।।
আসবে বাবা খেলবো মোরা আহা কি আনন্দ,
আসবে বাবা মাংস নিয়ে আহা কি গন্ধ।।
বলছ তুমি আসবে বাবা দুদিন হতে চলল,
বাবা যে কেন আসছে না তা নিয়েই ত দন্ধ।।
আসবে বাবা ঘুরবো মুরা আহা কি আনন্দ,
এই কথা শুনলেই তুমি কেন নীরবে কাঁদ।।
আসবে বাবা দেখবি তুই, কত দেবে যত্ন,
তুই যে বাবার জীবন যুদ্ধের একলা মানিক রত্ন।।
বাবা যে আজ দূর দেশে পাবিনা তার গন্ধ,
বাবা ছাড়াই কাটবে যে তোর জীবন যুদ্ধের ছন্দ।
আসবে না যে পায়ে হেটে,ডাকবে না আর সোনা বলে,
দেখবি তুই আসছে বাবা,চড়ে চার জনার দন্ড।।
মুখ লোকিয়ে কেন আছ? দেখছনা আর তুমি,
বাবা যখন আসবে তখন কাঁদবে না আর তুমি।।
এই নিয়ে আঠারো
….✍ প্রীতম শীল
এই মেয়ে যাচ্ছিস কোথায়?
-কেনো বলোতো?
না এমনি, গায়ের ও পথে যেতে নেই।
- কেনো কি আছে ও পথে?
ফিরে এসো মেয়ে বেশি প্রশ্ন করোনা।
-না ফিরবোনা যাও!
বেশ যাও তবে আর আটকাবোনা।
কতোগুলো মানুষের কোলাহল--
কি হয়েছে ভাই?
-আর বলবেন না, একটি মেয়ের লাশ।
কই দেখি দেখি!
এই তো সেই মেয়ে যাকে আমি বারন করেছি।
শরীরে কতোগুলো মানুষ রুপি হায়ানার দাগ,
জানতাম আমি জানতাম আমি।
তবে আমার মতো আর কেউ জানতো কিনা,
কে জানে বাপু ছেঃ ছেঃ ছেঃ।
যাই বাড়ি যাই, কলমে লিখে রাখি *এই নিয়ে আঠারোটা*।
এই নিয়ে আঠারো
….✍ প্রীতম শীল
এই মেয়ে যাচ্ছিস কোথায়?
-কেনো বলোতো?
না এমনি, গায়ের ও পথে যেতে নেই।
- কেনো কি আছে ও পথে?
ফিরে এসো মেয়ে বেশি প্রশ্ন করোনা।
-না ফিরবোনা যাও!
বেশ যাও তবে আর আটকাবোনা।
কতোগুলো মানুষের কোলাহল--
কি হয়েছে ভাই?
-আর বলবেন না, একটি মেয়ের লাশ।
কই দেখি দেখি!
এই তো সেই মেয়ে যাকে আমি বারন করেছি।
শরীরে কতোগুলো মানুষ রুপি হায়ানার দাগ,
জানতাম আমি জানতাম আমি।
তবে আমার মতো আর কেউ জানতো কিনা,
কে জানে বাপু ছেঃ ছেঃ ছেঃ।
যাই বাড়ি যাই, কলমে লিখে রাখি *এই নিয়ে আঠারোটা*।
স্বেচ্ছাসেবক
….✍ শুভজিৎ চক্রবর্তী
স্বেচ্ছায় সেবক হতে চললাম
আজ আমি,
মানুষের সেবা করি,
চিরকাল আমি
বৃদ্ধ মায়ের সেবা করলাম
আজ মনে তৃপ্তি পেলাম,
জনগণের, সমাজের সেবায় ব্রতী হয়ে
জীবন ধন্য হলো আজি আমার,
একই শব্দ, একই গান
স্বেচ্ছায় সেবা করা
আমার কাম।।
স্বেচ্ছাসেবক
….✍ শুভজিৎ চক্রবর্তী
স্বেচ্ছায় সেবক হতে চললাম
আজ আমি,
মানুষের সেবা করি,
চিরকাল আমি
বৃদ্ধ মায়ের সেবা করলাম
আজ মনে তৃপ্তি পেলাম,
জনগণের, সমাজের সেবায় ব্রতী হয়ে
জীবন ধন্য হলো আজি আমার,
একই শব্দ, একই গান
স্বেচ্ছায় সেবা করা
আমার কাম।।
জীবন
**********★***********
….✍দীপা সরকার
ক্লান্ত শরীর নিয়ে দিনের শেষে যখন ঘরে ফিরি
আমি আমার শিরদাঁড়া সোজা করতে পারি না
সারাদিন কাজ আর কাজ,
আষ্টে পিষ্টে ঘিরে ধরে আছে কাজ আমাকে
ক্লান্তিরা আমার বালিশের পাশে বসে
কখনো একা বা কখনো সারা পৃথিবীর গল্প নিয়ে আসে
শ্রাবণের বৃষ্টির, ভাদ্রের তপ্ত রোদের আর মানুষের ইদুর দৌড়ের গল্প শোনায় আমাকে ,
মানুষ শুধু ছুটছে জীবন নামক প্রতিযোগীতয়
কেউ দেশে
কেউ বিদেশে ।
যে যার মতো করে ছুটছে
আমিও ছুটছি
তবে সেই ছুটাছুটির মধ্যে জীবন কে ছুয়ে দেখিনি কখনো ,
শহুরে জীবন, মাথার উপরে ইট আর কংক্রিটের প্রলেপ
বৃষ্টি রোদ ছুতে পারেনা আমাকে
সূর্যোদয় আর সূর্যাস্তের খবর ঘড়ি বলে দেয় ,
জীবনের মধ্যে থেকে জীবনকে
না ছুঁইয়ে বেঁচে থাকা এমন ভাবেই কাটছে আমার।
জীবন
**********★***********
….✍দীপা সরকার
ক্লান্ত শরীর নিয়ে দিনের শেষে যখন ঘরে ফিরি
আমি আমার শিরদাঁড়া সোজা করতে পারি না
সারাদিন কাজ আর কাজ,
আষ্টে পিষ্টে ঘিরে ধরে আছে কাজ আমাকে
ক্লান্তিরা আমার বালিশের পাশে বসে
কখনো একা বা কখনো সারা পৃথিবীর গল্প নিয়ে আসে
শ্রাবণের বৃষ্টির, ভাদ্রের তপ্ত রোদের আর মানুষের ইদুর দৌড়ের গল্প শোনায় আমাকে ,
মানুষ শুধু ছুটছে জীবন নামক প্রতিযোগীতয়
কেউ দেশে
কেউ বিদেশে ।
যে যার মতো করে ছুটছে
আমিও ছুটছি
তবে সেই ছুটাছুটির মধ্যে জীবন কে ছুয়ে দেখিনি কখনো ,
শহুরে জীবন, মাথার উপরে ইট আর কংক্রিটের প্রলেপ
বৃষ্টি রোদ ছুতে পারেনা আমাকে
সূর্যোদয় আর সূর্যাস্তের খবর ঘড়ি বলে দেয় ,
জীবনের মধ্যে থেকে জীবনকে
না ছুঁইয়ে বেঁচে থাকা এমন ভাবেই কাটছে আমার।