সম্পাদকীয়

আজ ১৫-ই আগস্ট অর্থাৎ ভারতের স্বাধীনতা দিবস। আর এইদিনে ১৯৪৭ সালের ১৫ ই আগষ্ট ভারত স্বাধীনতা পেয়েছিল। ইংরেজরা প্রায় দুইশত বছর কুশাসন করার পর যখন নেতাজীর কঠোর ব্যাবস্থার পর ইংরেজ সরকার বুঝতে পেরে, এখন থেকে আর ভারতে থাকা যাবে না। তখন দেশ স্বাধীন হয়েছে।  কিন্তু সেটি ছিল রাজনৈতিক স্বাধীনতা। কারণ দেশ স্বাধীন হওয়ার পরও দেশের মানুষ এখনো অনেকে রাতে খাবার না খেয়ে ঘুমায়। কারণ আমরা  অর্থনৈতিক স্বাধীনতা পায়নি। স্বাধীনতা যদি হয়,তাহলে সব দিক দিয়ে আমাদের স্বাধীনতা পেতে হবে,তাহলে স্বাধীনতার মূল মানে বুঝাবে। তাই আমাদের জীবনের প্রত্যেক দিকে স্বাধীনতার জন্য লড়াই করতে হবে। 
শুভেচ্ছা এবং ধন্যবাদান্তে-
গৌরাঙ্গ সরকার 
সম্পাদক 
নবোন্মেষ সাহিত্য পত্রিকা ত্রিপুরা

সম্পাদকীয়

আজ ১৫-ই আগস্ট অর্থাৎ ভারতের স্বাধীনতা দিবস। আর এইদিনে ১৯৪৭ সালের ১৫ ই আগষ্ট ভারত স্বাধীনতা পেয়েছিল। ইংরেজরা প্রায় দুইশত বছর কুশাসন করার পর যখন নেতাজীর কঠোর ব্যাবস্থার পর ইংরেজ সরকার বুঝতে পেরে, এখন থেকে আর ভারতে থাকা যাবে না। তখন দেশ স্বাধীন হয়েছে।  কিন্তু সেটি ছিল রাজনৈতিক স্বাধীনতা। কারণ দেশ স্বাধীন হওয়ার পরও দেশের মানুষ এখনো অনেকে রাতে খাবার না খেয়ে ঘুমায়। কারণ আমরা  অর্থনৈতিক স্বাধীনতা পায়নি। স্বাধীনতা যদি হয়,তাহলে সব দিক দিয়ে আমাদের স্বাধীনতা পেতে হবে,তাহলে স্বাধীনতার মূল মানে বুঝাবে। তাই আমাদের জীবনের প্রত্যেক দিকে স্বাধীনতার জন্য লড়াই করতে হবে। 
শুভেচ্ছা এবং ধন্যবাদান্তে-
গৌরাঙ্গ সরকার 
সম্পাদক 
নবোন্মেষ সাহিত্য পত্রিকা ত্রিপুরা

মোর মাতৃভূমি

       ✍️মনচলি চক্রবর্তী 
হে মোর মাতৃভূমি 
তোমায় বন্দনা করি
ভালোবাসি জননী 
শস্য শ্যামলা এই ধরনী
মোর গর্ব,মোর  প্রাণ 
মাতৃভূমি তুমি মোর অহংকার 
জননী জন্মভূমি  স্বর্গের চেয়েও প্রিয়।
তোমার সুখ সমৃদ্ধিই মোদের   শ্রেয়,
দেশ মাতৃকা তোমার চরণে
দেহ,মন দেই সঁপে
হে মোর মাতৃভূমি 
তোমায়  প্রণমি প্রণমি।

মোর মাতৃভূমি

       ✍️মনচলি চক্রবর্তী 
হে মোর মাতৃভূমি 
তোমায় বন্দনা করি
ভালোবাসি জননী 
শস্য শ্যামলা এই ধরনী
মোর গর্ব,মোর  প্রাণ 
মাতৃভূমি তুমি মোর অহংকার 
জননী জন্মভূমি  স্বর্গের চেয়েও প্রিয়।
তোমার সুখ সমৃদ্ধিই মোদের   শ্রেয়,
দেশ মাতৃকা তোমার চরণে
দেহ,মন দেই সঁপে
হে মোর মাতৃভূমি 
তোমায়  প্রণমি প্রণমি।

"স্বাধীনতা"

      ✍️জয়তী দেবনাথ
দুইশত বৎসরের বহু যন্ত্রণার পর,
এসেছে আমাদের স্বাধীনতা।
কলুষিত ছোঁয়ায় যায়নি হারিয়ে,
এই পুণ্য -ভূমির পবিত্রতা।।
ব্রিটিশদের শোষণ পারলো কি ভাঙতে,
আমাদের এই ঐক্য ?
বলে গেছি যে শুধু আমরা,
দেশপ্রেমের বাক্য।
১৯৪৭ সালের ১৫-ই আগষ্টের 
সোনালী ভোরের আলো,
হটাল মোদের জীবন হতে বিষন্নতার কালো!
ভারত গগনের সুব্রতার জোরে
কাটলো সকল মেঘ!
তবুও মনে আছে বীরদের বেদনা -ভরা ত্যাগ !!
তোমার কত তনয় মাগো,
হারালো নিজের প্রাণ!
তবুও তাঁরা দিয়ে গেল তোমায় পরিত্রাণ !!
আজও দেখি শহীদ মিনারে তোমার কত বীর,
হাসি মুখে দাঁড়িয়ে যেন, উঁচু করে শীর!!
এই ভারতে যখনই কোনো পাপীর হবে বাস ,
ভারত মায়ের তনয়রাই করবে তাদের নাশ!!
কেউ পারবেনা ভাঙতে মোদের,
ঐক্য এবং প্রীতি !!
১৫-ই আগষ্ট ভারত-মাকে দিচ্ছি প্রতিশ্রুতি!

"স্বাধীনতা"

      ✍️জয়তী দেবনাথ
দুইশত বৎসরের বহু যন্ত্রণার পর,
এসেছে আমাদের স্বাধীনতা।
কলুষিত ছোঁয়ায় যায়নি হারিয়ে,
এই পুণ্য -ভূমির পবিত্রতা।।
ব্রিটিশদের শোষণ পারলো কি ভাঙতে,
আমাদের এই ঐক্য ?
বলে গেছি যে শুধু আমরা,
দেশপ্রেমের বাক্য।
১৯৪৭ সালের ১৫-ই আগষ্টের 
সোনালী ভোরের আলো,
হটাল মোদের জীবন হতে বিষন্নতার কালো!
ভারত গগনের সুব্রতার জোরে
কাটলো সকল মেঘ!
তবুও মনে আছে বীরদের বেদনা -ভরা ত্যাগ !!
তোমার কত তনয় মাগো,
হারালো নিজের প্রাণ!
তবুও তাঁরা দিয়ে গেল তোমায় পরিত্রাণ !!
আজও দেখি শহীদ মিনারে তোমার কত বীর,
হাসি মুখে দাঁড়িয়ে যেন, উঁচু করে শীর!!
এই ভারতে যখনই কোনো পাপীর হবে বাস ,
ভারত মায়ের তনয়রাই করবে তাদের নাশ!!
কেউ পারবেনা ভাঙতে মোদের,
ঐক্য এবং প্রীতি !!
১৫-ই আগষ্ট ভারত-মাকে দিচ্ছি প্রতিশ্রুতি!

💐মুক্তির দিশারী💐

       ✍️সাধন নমঃ
রাস্তার মধ্যে হাজারও অভাগার চিৎকার।
মাঝে থেকে ডাক আসে
ও পরাণ-দা,পরাণ-দা।
চাইয়্যা দেহি বিধু খারাইয়্যা।
পরাণ-দা লও ঐ শালাগরে  খেদাইয়্যা আনমো স্বাধীনতা।

দাওয়া থাইক্যা মাইয়া কয় - বাপজান স্বাধীনতা কী?
এইডা কি আমাগো আয়ুস ধানের মতো?
সুধাইলাম স্বাধীনতা কোনো গরম ভাতের আভাস নয়,
স্বাধীনতা মানে হাজারও বাপের,হাজারও ভাইয়ের,
হাজারও প্রেমিকের ঝরানো রক্ত।
হাসান দিয়াছে ঢালিয়া,রহিম- মহিম দিয়াছে হাসিয়া।
করুণা হারাইলো পরানের পোলা বিন্ধুরে,
সামিনা হারাইলো ভাইজানের আদররে
ফুলজান হারাইলো নাকছাবিটারে।
তবুও যে পাইলাম না মোরা স্বাধীনতারে।

মাইয়া কয়,বাপজান স্বাধীনতা কিতা হয়?
সুধাইলাম স্বাধীনতা মানে মায়ের সিক্ত আঁচল,
স্বাধীনতা মানে ভাইয়ের কোমল আদর,
স্বাধীনতা মানে প্রেয়সীর গলার মালা,
স্বাধীনতা মানে নতুন ভোর,নতুন অালো,নতুন সকাল।

মাইয়া কয়,ল বাপজান মুইও যাই তোর লগে।
আনমো মোরা স্বাধীনতা আঁচল ভইরা।
রাস্তার চিৎকার আবারও গর্জে ওঠে
স্বাধীনতা স্বাধীনতা,আনমো মোরা স্বাধীনতা
আর নয় হীনতা।

💐মুক্তির দিশারী💐

       ✍️সাধন নমঃ
রাস্তার মধ্যে হাজারও অভাগার চিৎকার।
মাঝে থেকে ডাক আসে
ও পরাণ-দা,পরাণ-দা।
চাইয়্যা দেহি বিধু খারাইয়্যা।
পরাণ-দা লও ঐ শালাগরে  খেদাইয়্যা আনমো স্বাধীনতা।

দাওয়া থাইক্যা মাইয়া কয় - বাপজান স্বাধীনতা কী?
এইডা কি আমাগো আয়ুস ধানের মতো?
সুধাইলাম স্বাধীনতা কোনো গরম ভাতের আভাস নয়,
স্বাধীনতা মানে হাজারও বাপের,হাজারও ভাইয়ের,
হাজারও প্রেমিকের ঝরানো রক্ত।
হাসান দিয়াছে ঢালিয়া,রহিম- মহিম দিয়াছে হাসিয়া।
করুণা হারাইলো পরানের পোলা বিন্ধুরে,
সামিনা হারাইলো ভাইজানের আদররে
ফুলজান হারাইলো নাকছাবিটারে।
তবুও যে পাইলাম না মোরা স্বাধীনতারে।

মাইয়া কয়,বাপজান স্বাধীনতা কিতা হয়?
সুধাইলাম স্বাধীনতা মানে মায়ের সিক্ত আঁচল,
স্বাধীনতা মানে ভাইয়ের কোমল আদর,
স্বাধীনতা মানে প্রেয়সীর গলার মালা,
স্বাধীনতা মানে নতুন ভোর,নতুন অালো,নতুন সকাল।

মাইয়া কয়,ল বাপজান মুইও যাই তোর লগে।
আনমো মোরা স্বাধীনতা আঁচল ভইরা।
রাস্তার চিৎকার আবারও গর্জে ওঠে
স্বাধীনতা স্বাধীনতা,আনমো মোরা স্বাধীনতা
আর নয় হীনতা।

শহীদের ভাই আমি

    ✍️রুবেল হোসেন
নদী দিয়ে গড়িয়ে গেছে 
            অনেক অশ্রু জল, 
ইতিহাসের পাতায় পাতায় 
            রইবে উজ্জ্বল। 
সময় পেরিয়ে গেছে 
            বেশ অনেকটা, 
জঙ্গী হামলায় হারিয়ে যাওয়া 
            হাসানো ভাইটা। 
আটকাতে পারেনি কেউ
            কোনও সেনাবল, 
মারণাস্ত্রে হামলা চালায়
            শত শত দল। 
রক্তার্ত বক্ষ ছাতা 
            কাঁপছে হৃদয় দ্বারা,
মায়ের মুখটি দেখার জন্য 
            আজও দেয়নি সারা।
তিন রাঙা পতাকার দিকে 
            চাইলে গর্ব হয়, 
দেশের জন্য লড়বো আমি 
            করবো না আর ভয়। 
কলম হাতে পত্র নিয়ে 
            লিখছি একটুখানি, 
লিখবো শহীদ স্মরণ করে 
            অমর ভাইয়ের বাণী।

শহীদের ভাই আমি

    ✍️রুবেল হোসেন
নদী দিয়ে গড়িয়ে গেছে 
            অনেক অশ্রু জল, 
ইতিহাসের পাতায় পাতায় 
            রইবে উজ্জ্বল। 
সময় পেরিয়ে গেছে 
            বেশ অনেকটা, 
জঙ্গী হামলায় হারিয়ে যাওয়া 
            হাসানো ভাইটা। 
আটকাতে পারেনি কেউ
            কোনও সেনাবল, 
মারণাস্ত্রে হামলা চালায়
            শত শত দল। 
রক্তার্ত বক্ষ ছাতা 
            কাঁপছে হৃদয় দ্বারা,
মায়ের মুখটি দেখার জন্য 
            আজও দেয়নি সারা।
তিন রাঙা পতাকার দিকে 
            চাইলে গর্ব হয়, 
দেশের জন্য লড়বো আমি 
            করবো না আর ভয়। 
কলম হাতে পত্র নিয়ে 
            লিখছি একটুখানি, 
লিখবো শহীদ স্মরণ করে 
            অমর ভাইয়ের বাণী।

স্বাধীনতা সংগ্রাম

      ✍️ প্রিয়াঙ্কা সেন।
ভারত মোদের স্বাধীনতার দেশ,
কত না সংগ্রাম করে পেয়েছি মোদের স্বাধীনতার দেশ।

একদা দেশের মাটিতে ,
বিদেশী শাসকরা এসে , মোদের হাতে তুলে দেয়
পরাধীনতার শৃঙ্খল।
দুই শত সাল শাসকরা এসে ,
দেশটাকে খেল লুঠে।
বিদেশিদের হাতে নির্মম আর তীব্র অত্যাচার, আর হাজারো রকম অমানবিক অবিচার।
দেশ জাতি বিপন্ন,
কৃষকদের নাই অন্ন।
মুক্তির চিন্তাই কেটে যেত রাতভর ।
স্বাধীনতা তরে আজ সংগ্রাম করে অবিরল।
এই স্বাধীনতা তরে রক্ত বুক পেতে দিয়েছিল মোদের 
ক্ষুদিরাম বসু ,ভগৎ সিং মত অজস্র  বীর সন্তান।
রক্ত ঢেলে দিয়েছিলো মোদের ভাই , বোন
মোদের আপনজন।
কত যে সন্তান পিতৃ হারা,
কত যে স্ত্রী স্বামী হারা।
তাদের রক্ত বিনিময়ে পেলাম মোদের স্বাধীনতার দেশ। 
লাখো লাখো মানুষের রক্তে ভেজা নরম মাটি,
ছিল তখন সোনার চেয়েও খাটি।
খালি সাধারণ মানুষ বাঁচার তরে ,
এগিয়েছিল যুদ্ধের প্রাণে যোদ্ধারা ,
রক্ষা করেছিল অজস্র মা বোনের সন্মান ।
তারা প্রতিষ্ঠিত করেছিল একতা।
যারা আজ চলে গেছে ,
বাস্তব সীমানা বাইরে 
দেখে যেতে পারেনি 
এই স্বাধীন ভারত দেশ,
আমরা আজও স্মরণ করি বীর শহীদদের বলিদান
তাদেরকে স্মরণ করি ৭৪ তম স্বাধীনতা দিবসে ‌।
আজ ১৫ আগষ্ট স্বাধীনতা দিবসে মন ,
সারা ভারত জুড়ে খুশিতে উচ্ছ্বাসিত ।
আজ কত মানুষের আশা আকাঙ্খা পূরণের দিন,
হিমালয় চূড়া কন্যা কুমারিকার তীরে ,
উড়িছে ভারতে তিবর্ন বিজয়ের পতাকা
জাতীয় পতাকা মাঝে অশোক চক্র আঁকা ।
উড়ে আকাশে বাতাসে অজস্র মানুষের রক্ত ভেজা সুগন্ধময়  মাটির গন্ধ ।
কত শত লোক খুশিতে পাগল আমরা ভারত হয়েছি স্বাধীন
আমাদের স্বাধীনতার দেশ লাহুর সাগরে পাওয়া, অমূল্য তার দাম,
এই মর্যাদা" রাখতে হবে " চিরকাল।
গর্ব করে বলতে পারি, আমরা হিন্দু,
আমরা মুসলিম, আমরা খ্রিস্টান,
গর্ব করে বলতে পারি আমরা
সকল হিন্দুস্থানী।
গড়ে উঠুক শান্তির বিশুদ্ধ নগর,
গড়ে উঠুক বিশ্বের প্রতিটি ঘরে ঘরে।
সহস্র  কণ্ঠ গায় আজ ভারতে জয়গান ।
 "জয়হিন্দ, বন্দেমাতরম"

স্বাধীনতা সংগ্রাম

      ✍️ প্রিয়াঙ্কা সেন।
ভারত মোদের স্বাধীনতার দেশ,
কত না সংগ্রাম করে পেয়েছি মোদের স্বাধীনতার দেশ।

একদা দেশের মাটিতে ,
বিদেশী শাসকরা এসে , মোদের হাতে তুলে দেয়
পরাধীনতার শৃঙ্খল।
দুই শত সাল শাসকরা এসে ,
দেশটাকে খেল লুঠে।
বিদেশিদের হাতে নির্মম আর তীব্র অত্যাচার, আর হাজারো রকম অমানবিক অবিচার।
দেশ জাতি বিপন্ন,
কৃষকদের নাই অন্ন।
মুক্তির চিন্তাই কেটে যেত রাতভর ।
স্বাধীনতা তরে আজ সংগ্রাম করে অবিরল।
এই স্বাধীনতা তরে রক্ত বুক পেতে দিয়েছিল মোদের 
ক্ষুদিরাম বসু ,ভগৎ সিং মত অজস্র  বীর সন্তান।
রক্ত ঢেলে দিয়েছিলো মোদের ভাই , বোন
মোদের আপনজন।
কত যে সন্তান পিতৃ হারা,
কত যে স্ত্রী স্বামী হারা।
তাদের রক্ত বিনিময়ে পেলাম মোদের স্বাধীনতার দেশ। 
লাখো লাখো মানুষের রক্তে ভেজা নরম মাটি,
ছিল তখন সোনার চেয়েও খাটি।
খালি সাধারণ মানুষ বাঁচার তরে ,
এগিয়েছিল যুদ্ধের প্রাণে যোদ্ধারা ,
রক্ষা করেছিল অজস্র মা বোনের সন্মান ।
তারা প্রতিষ্ঠিত করেছিল একতা।
যারা আজ চলে গেছে ,
বাস্তব সীমানা বাইরে 
দেখে যেতে পারেনি 
এই স্বাধীন ভারত দেশ,
আমরা আজও স্মরণ করি বীর শহীদদের বলিদান
তাদেরকে স্মরণ করি ৭৪ তম স্বাধীনতা দিবসে ‌।
আজ ১৫ আগষ্ট স্বাধীনতা দিবসে মন ,
সারা ভারত জুড়ে খুশিতে উচ্ছ্বাসিত ।
আজ কত মানুষের আশা আকাঙ্খা পূরণের দিন,
হিমালয় চূড়া কন্যা কুমারিকার তীরে ,
উড়িছে ভারতে তিবর্ন বিজয়ের পতাকা
জাতীয় পতাকা মাঝে অশোক চক্র আঁকা ।
উড়ে আকাশে বাতাসে অজস্র মানুষের রক্ত ভেজা সুগন্ধময়  মাটির গন্ধ ।
কত শত লোক খুশিতে পাগল আমরা ভারত হয়েছি স্বাধীন
আমাদের স্বাধীনতার দেশ লাহুর সাগরে পাওয়া, অমূল্য তার দাম,
এই মর্যাদা" রাখতে হবে " চিরকাল।
গর্ব করে বলতে পারি, আমরা হিন্দু,
আমরা মুসলিম, আমরা খ্রিস্টান,
গর্ব করে বলতে পারি আমরা
সকল হিন্দুস্থানী।
গড়ে উঠুক শান্তির বিশুদ্ধ নগর,
গড়ে উঠুক বিশ্বের প্রতিটি ঘরে ঘরে।
সহস্র  কণ্ঠ গায় আজ ভারতে জয়গান ।
 "জয়হিন্দ, বন্দেমাতরম"

স্বাধীনতা কীভাবে এল

  ✍️আমিনুল ইসলাম,( রিপন,)
যখনই আমরা হিন্দু, মুসলিম,বৌদ্ধ,খ্রিস্টান হয়েছি একতা।
তখনই ভারতে পেয়েছি স্বাধীনতা।
হাজার শহীদের রক্তের বিনিময়ে হয়েছে ভারত স্বাধীন।
ব্রিটিশ শক্তিকে আমরা ভারতবাসী পদানত করেছিলাম একদিন।
শত শত বীর শহীদের রক্ত হবে নাগো ব্যর্থ,
এই স্লোগানে আমরা এগিয়ে যাই প্রতিদিন।
নেতাজী,গান্ধীজি,নজরুল, ভগৎ, ক্ষুদিরাম, বিবেকানন্দ।
তাদের নেতৃত্বে আমরা ভারতবাসী পেয়েছি স্বাধীনতার আনন্দ।
ভারতের বুকে ফুটলো এমনি কিছু ফুল।
তাদের গন্ধে করেছে আমাদের ভারতকে আকুল।
একতাই ভারতের সবচেয়ে বড় শক্তি।
তাই যুবসমাজকে হাতে হাত রেখে চলার করি আকুতি।
স্বাধীন হয়েছি,স্বাধীন হয়েছি, আজও অনেকে হয়নি স্বাধীন।
সমাজের কাছে আজও অনেকে হয়ে আছে পরাধীন।
আজ আমরা দৃপ্তকণ্ঠে জয়হিন্দ বলে ফেলি।
শত বীর শহীদের রক্ত কিভাবে ভুলি।
তাই আজ ভারত জুড়ে হিমালয়ের শিরে,
অশোক লাঞ্ছিত ত্রিবর্ন পতাকা উড়বে ঐ আকাশে।

স্বাধীনতা কীভাবে এল

  ✍️আমিনুল ইসলাম,( রিপন,)
যখনই আমরা হিন্দু, মুসলিম,বৌদ্ধ,খ্রিস্টান হয়েছি একতা।
তখনই ভারতে পেয়েছি স্বাধীনতা।
হাজার শহীদের রক্তের বিনিময়ে হয়েছে ভারত স্বাধীন।
ব্রিটিশ শক্তিকে আমরা ভারতবাসী পদানত করেছিলাম একদিন।
শত শত বীর শহীদের রক্ত হবে নাগো ব্যর্থ,
এই স্লোগানে আমরা এগিয়ে যাই প্রতিদিন।
নেতাজী,গান্ধীজি,নজরুল, ভগৎ, ক্ষুদিরাম, বিবেকানন্দ।
তাদের নেতৃত্বে আমরা ভারতবাসী পেয়েছি স্বাধীনতার আনন্দ।
ভারতের বুকে ফুটলো এমনি কিছু ফুল।
তাদের গন্ধে করেছে আমাদের ভারতকে আকুল।
একতাই ভারতের সবচেয়ে বড় শক্তি।
তাই যুবসমাজকে হাতে হাত রেখে চলার করি আকুতি।
স্বাধীন হয়েছি,স্বাধীন হয়েছি, আজও অনেকে হয়নি স্বাধীন।
সমাজের কাছে আজও অনেকে হয়ে আছে পরাধীন।
আজ আমরা দৃপ্তকণ্ঠে জয়হিন্দ বলে ফেলি।
শত বীর শহীদের রক্ত কিভাবে ভুলি।
তাই আজ ভারত জুড়ে হিমালয়ের শিরে,
অশোক লাঞ্ছিত ত্রিবর্ন পতাকা উড়বে ঐ আকাশে।

আমরা স্বাধীনতা চাই

     ✍️গৌতম ভৌমিক
আমি ময়না,
ছোট একটি খাঁচার ভিতর থাকা ময়না 
যাকে দিনের পর দিন 
জোড়পূর্বক কথা শেখানোর চেষ্টা করো 
তোমরা মানুষ জাতি বলো 
আমি স্বাধীন না পরাধীন!
আমি মাছ,
যাকে ধরে এনে একটি ছোট 
কাঁচের ঘরে বন্দি করে রাখো 
শ্বাস নিতে না পারায় অক্সিজেন লাগিয়ে রাখো 
যাকে তোমরা বলো অ্যাকোয়ারিয়াম 
যা আমার মরণ ঘর
তোমরা মানুষ জাতি বলো 
আমি স্বাধীন না পরাধীন! 
তোমাদের ঘরে টবে রাখা 
আমি সেই অভাগা গাছ যার কাছে
না আসে রবির আলো 
না আসে বৃষ্টির বিন্দু 
এক ফোঁটা জলের আশায় 
তোমাদের পানে চেয়ে থাকতে হয়
তোমরা মানুষ জাতি বলো 
আমি স্বাধীন না পরাধীন!
আমরা সবাই তোমাদের হাতের খেলার পুতুল 
যে রকম ভাবে আমাদের রাখবে 
ঠিক সেই রকম ভাবে আমাদের থাকতে হবে!
আমরা কোন প্রতিবাদ করতে পারবো না!
যদি হিংস্র হয়ে কিছু প্রতিবাদ করতে চাই 
তখনই আমাদের মৃত্যু অনিবার্য! 
তা হলে এই কেমন স্বাধীনতা? 
যে স্বাধীনতা তোমাদের আছে আমাদের নেই!
আমরা, 
স্বাধীনতা চাই
মুক্তি চাই 
খোলা আকাশের নিচে বাঁচতে চাই 
দিবে আমাদের স্বাধীনতা!

আমরা স্বাধীনতা চাই

     ✍️গৌতম ভৌমিক
আমি ময়না,
ছোট একটি খাঁচার ভিতর থাকা ময়না 
যাকে দিনের পর দিন 
জোড়পূর্বক কথা শেখানোর চেষ্টা করো 
তোমরা মানুষ জাতি বলো 
আমি স্বাধীন না পরাধীন!
আমি মাছ,
যাকে ধরে এনে একটি ছোট 
কাঁচের ঘরে বন্দি করে রাখো 
শ্বাস নিতে না পারায় অক্সিজেন লাগিয়ে রাখো 
যাকে তোমরা বলো অ্যাকোয়ারিয়াম 
যা আমার মরণ ঘর
তোমরা মানুষ জাতি বলো 
আমি স্বাধীন না পরাধীন! 
তোমাদের ঘরে টবে রাখা 
আমি সেই অভাগা গাছ যার কাছে
না আসে রবির আলো 
না আসে বৃষ্টির বিন্দু 
এক ফোঁটা জলের আশায় 
তোমাদের পানে চেয়ে থাকতে হয়
তোমরা মানুষ জাতি বলো 
আমি স্বাধীন না পরাধীন!
আমরা সবাই তোমাদের হাতের খেলার পুতুল 
যে রকম ভাবে আমাদের রাখবে 
ঠিক সেই রকম ভাবে আমাদের থাকতে হবে!
আমরা কোন প্রতিবাদ করতে পারবো না!
যদি হিংস্র হয়ে কিছু প্রতিবাদ করতে চাই 
তখনই আমাদের মৃত্যু অনিবার্য! 
তা হলে এই কেমন স্বাধীনতা? 
যে স্বাধীনতা তোমাদের আছে আমাদের নেই!
আমরা, 
স্বাধীনতা চাই
মুক্তি চাই 
খোলা আকাশের নিচে বাঁচতে চাই 
দিবে আমাদের স্বাধীনতা!

আমরা কবে স্বাধীন হবো?

       ✍️কবিতা সাহা
জিজ্ঞেস করলাম মাকে; জড়িয়ে গলে,
আচ্ছা মা স্বাধীনতা কাকে বলে?
মা বললো;ঐ যে দেখছিস দূর আকাশে,
মুক্ত পাখিটা যেমন আনন্দে ভাসে,
তাকেই বলে স্বাধীনতা,
যাতে নেই কোনো বাধ্যবাধকতা।
তা শুনে মায়ের কোলে বসে;
মাকে বললাম মৃদু হেসে,
জানো মা, মাস্টারমশাই ও মিথ্যে বলে,
আমরা নাকি স্বাধীন সকলে।
স্বাধীন হলে তো মুক্ত হতাম,
যেথায় খুশি সেথায় যেতাম।
ঠিক যেমন ঐ লক্ষ্মী পেঁচাটা
মাঝরাতে ঘোরাঘুরি করে,
স্বাধীন হলে আমরাও তো
চলতে পারতাম রাতের আঁধারে।
স্বাধীন হলেতো তোমাকেও বাবা
উড়তে দিত পাখির মতো,
তোমার যতো ইচ্ছে ছিল
সেইগুলোও পূরণ হতো।
যদি আমরা স্বাধীন হতাম
দিদিতো একাই বাড়ি ফিরত,
দিদিকে নিয়ে বাবার শত ভয়
আর চিন্তাগুলোও দূর হয়ে যেতো।
মা...আমরা কবে স্বাধীন হবো?
আর কতদিন পিছিয়ে রব?
মাস্টারমশাই যে বলেছিলেন,
ঊনিশশ সাতচল্লিশ সালে
ভারত হয়েছিল স্বাধীন।
আমরাও তো ভারতবাসী,
তাহলে আমরা কেন
আজও পরাধীন?

আমরা কবে স্বাধীন হবো?

       ✍️কবিতা সাহা
জিজ্ঞেস করলাম মাকে; জড়িয়ে গলে,
আচ্ছা মা স্বাধীনতা কাকে বলে?
মা বললো;ঐ যে দেখছিস দূর আকাশে,
মুক্ত পাখিটা যেমন আনন্দে ভাসে,
তাকেই বলে স্বাধীনতা,
যাতে নেই কোনো বাধ্যবাধকতা।
তা শুনে মায়ের কোলে বসে;
মাকে বললাম মৃদু হেসে,
জানো মা, মাস্টারমশাই ও মিথ্যে বলে,
আমরা নাকি স্বাধীন সকলে।
স্বাধীন হলে তো মুক্ত হতাম,
যেথায় খুশি সেথায় যেতাম।
ঠিক যেমন ঐ লক্ষ্মী পেঁচাটা
মাঝরাতে ঘোরাঘুরি করে,
স্বাধীন হলে আমরাও তো
চলতে পারতাম রাতের আঁধারে।
স্বাধীন হলেতো তোমাকেও বাবা
উড়তে দিত পাখির মতো,
তোমার যতো ইচ্ছে ছিল
সেইগুলোও পূরণ হতো।
যদি আমরা স্বাধীন হতাম
দিদিতো একাই বাড়ি ফিরত,
দিদিকে নিয়ে বাবার শত ভয়
আর চিন্তাগুলোও দূর হয়ে যেতো।
মা...আমরা কবে স্বাধীন হবো?
আর কতদিন পিছিয়ে রব?
মাস্টারমশাই যে বলেছিলেন,
ঊনিশশ সাতচল্লিশ সালে
ভারত হয়েছিল স্বাধীন।
আমরাও তো ভারতবাসী,
তাহলে আমরা কেন
আজও পরাধীন?

স্বাধীনতা তুমি

   ✍️সৌরভ শীল
স্বাধীনতা তুমি রক্তে লাল শহীদ মিনার।
স্বাধীনতা তুমি বাঙালি আর বাংলার,
স্বাধীনতা তুমি ভোরের দোয়েল পাখি;
কত সুর ধরে আনন্দের ডাকাডাকি।
স্বাধীনতা তুমি হাসবে আবার সোনালি ধানে।
স্বাধীনতা তুমি আসবে বাউলের গানে।
স্বাধীনতা তুমি সংগ্রামের আত্ম বলিদান,
স্বাধীনতা তুমি, হাজারো স্বপ্নের ঘেরা নতুন করে উত্থান।
স্বাধীনতা তুমি ভোরের শিশির বিন্দু,
স্বাধীনতা তুমি গিরি পর্বত সিন্ধু।
স্বাধীনতা তুমি হাসবে আবার নব দিগন্তে,
তিরঙ্গা তুমি আকাশ জুড়ে
হাসবে আবার নতুন করে, আসবে আবার ফিরে নতুন ভোরে।
এই মাটির ছত্র তলে মাগো 
স্বাধীনতা তুমি আমার বাংলার সুভাষ,
স্বাধীনতা তুমি চলো দিল্লি সেই ডাক,
স্বাধীনতা তুমি হাতে হাত,
স্বাধীনতা তুমি ভুলাবে ভাই ভাই বিষাদ
স্বাধীনতা তুমি নব সংবিধান
স্বাধীনতা তুমি বীর শহীদের বলিদান।

স্বাধীনতা তুমি

   ✍️সৌরভ শীল
স্বাধীনতা তুমি রক্তে লাল শহীদ মিনার।
স্বাধীনতা তুমি বাঙালি আর বাংলার,
স্বাধীনতা তুমি ভোরের দোয়েল পাখি;
কত সুর ধরে আনন্দের ডাকাডাকি।
স্বাধীনতা তুমি হাসবে আবার সোনালি ধানে।
স্বাধীনতা তুমি আসবে বাউলের গানে।
স্বাধীনতা তুমি সংগ্রামের আত্ম বলিদান,
স্বাধীনতা তুমি, হাজারো স্বপ্নের ঘেরা নতুন করে উত্থান।
স্বাধীনতা তুমি ভোরের শিশির বিন্দু,
স্বাধীনতা তুমি গিরি পর্বত সিন্ধু।
স্বাধীনতা তুমি হাসবে আবার নব দিগন্তে,
তিরঙ্গা তুমি আকাশ জুড়ে
হাসবে আবার নতুন করে, আসবে আবার ফিরে নতুন ভোরে।
এই মাটির ছত্র তলে মাগো 
স্বাধীনতা তুমি আমার বাংলার সুভাষ,
স্বাধীনতা তুমি চলো দিল্লি সেই ডাক,
স্বাধীনতা তুমি হাতে হাত,
স্বাধীনতা তুমি ভুলাবে ভাই ভাই বিষাদ
স্বাধীনতা তুমি নব সংবিধান
স্বাধীনতা তুমি বীর শহীদের বলিদান।

মা এসেছি স্বাধীন দেশে!

     ✍️প্রীতম শীল
ওমা উঠো,,,, ওঠো মা ওঠো,,,, দেখো চারদিকে কেমন স্বাধীনতার নিশান উড়ছে। মা আমরা স্বাধীন দেশে এসে গেছি,,,, মা ওঠো বলছি।
মা শুনেছি স্বাধীন দেশে নাকি খাবার পাওয়া যায়। তোমাকে পেট পুরে খেতে দেবে । তুমি আর ঘুমিয়ে থেকোনা। 

ঐ তো, দেখো দেখো আমার মতো বাচ্চারা স্কুলে যাচ্ছে, তাদের কি সুন্দর পোষাক। তাদের পিঠে আজ বইয়ের কোনো বোঝা নেই, কি সুন্দর হাসছে, ওরাও আজ কেমন স্বাধীন। দেখো দেখো ওরা কিভাবে গাইছে মা "জন গন মন - অধীনায়ক জয় হে" 

ওমা এটাই কি স্বাধীনতার গান? 
মানুষ কী স্বাধীন হলেই এমন গান গায়?
মা কবে গাইবো আমি এ গান।এ গান কি আমাদের জন্য নয়? কবি কি শুধুই  ওদের জন্য লিখেছেন?

মা দেখো দেখো স্বাধীনতার নিশান উড়ছে আজ  বিজয় আকাশে।
ত্রিরঙা পতাকা হয়ে পুস্প বৃষ্টি ঝরছে দক্ষিণা বাতাসে।
কুচকাওয়াজে মুখরিত হচ্ছে আকাশ বাতাস।

তুমি মা ঘুমিয়ে রইলে? কোন্ সে পরাধীন দেশে।

উঠো মা উঠো, আমিও যে তোমার হাতটি ধরে বাচ্চাদের সাড়িতে দাঁড়াতে চাই।
আমিও যে মিড-ডে-মিলের খাবার পেট পুরে খেতে চাই।
আমিও যে বড়ো বড়ো বই পড়ে মানুষের মতো মানুষ হতে চাই।

মা দেখো দেখো স্বাধীন দেশের মানুষ গুলো আমাদের মতো নয়,ওরা ভীষন সুন্দর। চকচকে গায়ের রং, শরীরে  কোথাও কাঁদামাটি লেগে নেই। শরীর থেকে সুকোমল  গন্ধ ছড়িয়েছে বাতাসে। 

তবে ওরা আমাদের কে কাছে ঘেষতে দেয়না,
আমাদের শরীরের বাসি গন্ধে আজ নাকি ভাইরাস ছড়িয়েছে। তবে ওনারা জানেন না, খোলা ছাদের নিচে পৃথিবীটা কেমন বিষাক্ত।  চারদিকে কিলবিল করে কোটি কোটি ভাইরাস। 

তবে আমার জন্মও যদি ওদের মতো এমন স্বাধীন দেশে হতো? কোর্ট  টাই পড়ে,  আমিও বলতাম " এই আমার দেশ,  আমিও স্বাধীনতার মুক্ত আলো গায়ে মাখি।

ঠিক বলিনি মা? 
 ও- মা!  চুপটি করে থেকোনা। তোমার এই নিরবতা আমার দুগ্ধ কন্ঠে আজ গান হয়ে উঠবেনা।

আজ এই প্রশ্ন চিহ্নের মাঝে আমাকে একলা ফেলে রেখে তুমি যেতে পারোনা মা।

তুমি ফিরে এসো, দুজনে মিলে আবার স্বাধীনতা ভিক্ষে চাইবো এই কোর্ট টাই পড়া বাবুদের কাছে।

মা এসেছি স্বাধীন দেশে!

     ✍️প্রীতম শীল
ওমা উঠো,,,, ওঠো মা ওঠো,,,, দেখো চারদিকে কেমন স্বাধীনতার নিশান উড়ছে। মা আমরা স্বাধীন দেশে এসে গেছি,,,, মা ওঠো বলছি।
মা শুনেছি স্বাধীন দেশে নাকি খাবার পাওয়া যায়। তোমাকে পেট পুরে খেতে দেবে । তুমি আর ঘুমিয়ে থেকোনা। 

ঐ তো, দেখো দেখো আমার মতো বাচ্চারা স্কুলে যাচ্ছে, তাদের কি সুন্দর পোষাক। তাদের পিঠে আজ বইয়ের কোনো বোঝা নেই, কি সুন্দর হাসছে, ওরাও আজ কেমন স্বাধীন। দেখো দেখো ওরা কিভাবে গাইছে মা "জন গন মন - অধীনায়ক জয় হে" 

ওমা এটাই কি স্বাধীনতার গান? 
মানুষ কী স্বাধীন হলেই এমন গান গায়?
মা কবে গাইবো আমি এ গান।এ গান কি আমাদের জন্য নয়? কবি কি শুধুই  ওদের জন্য লিখেছেন?

মা দেখো দেখো স্বাধীনতার নিশান উড়ছে আজ  বিজয় আকাশে।
ত্রিরঙা পতাকা হয়ে পুস্প বৃষ্টি ঝরছে দক্ষিণা বাতাসে।
কুচকাওয়াজে মুখরিত হচ্ছে আকাশ বাতাস।

তুমি মা ঘুমিয়ে রইলে? কোন্ সে পরাধীন দেশে।

উঠো মা উঠো, আমিও যে তোমার হাতটি ধরে বাচ্চাদের সাড়িতে দাঁড়াতে চাই।
আমিও যে মিড-ডে-মিলের খাবার পেট পুরে খেতে চাই।
আমিও যে বড়ো বড়ো বই পড়ে মানুষের মতো মানুষ হতে চাই।

মা দেখো দেখো স্বাধীন দেশের মানুষ গুলো আমাদের মতো নয়,ওরা ভীষন সুন্দর। চকচকে গায়ের রং, শরীরে  কোথাও কাঁদামাটি লেগে নেই। শরীর থেকে সুকোমল  গন্ধ ছড়িয়েছে বাতাসে। 

তবে ওরা আমাদের কে কাছে ঘেষতে দেয়না,
আমাদের শরীরের বাসি গন্ধে আজ নাকি ভাইরাস ছড়িয়েছে। তবে ওনারা জানেন না, খোলা ছাদের নিচে পৃথিবীটা কেমন বিষাক্ত।  চারদিকে কিলবিল করে কোটি কোটি ভাইরাস। 

তবে আমার জন্মও যদি ওদের মতো এমন স্বাধীন দেশে হতো? কোর্ট  টাই পড়ে,  আমিও বলতাম " এই আমার দেশ,  আমিও স্বাধীনতার মুক্ত আলো গায়ে মাখি।

ঠিক বলিনি মা? 
 ও- মা!  চুপটি করে থেকোনা। তোমার এই নিরবতা আমার দুগ্ধ কন্ঠে আজ গান হয়ে উঠবেনা।

আজ এই প্রশ্ন চিহ্নের মাঝে আমাকে একলা ফেলে রেখে তুমি যেতে পারোনা মা।

তুমি ফিরে এসো, দুজনে মিলে আবার স্বাধীনতা ভিক্ষে চাইবো এই কোর্ট টাই পড়া বাবুদের কাছে।

'রুজা কেবল একটা নাম নয়, অনুপ্ররেণা'

       ✍️মোঃরুবেল
রুজা পৃথিবীর আলো দেখেছে সবে ৯ মাস অতিক্রান্ত হয়েছিল।।তার জন্ম হয় ত্রিপুরার মন্দির নগরী নামে খ্যাত উদয়পুরে। তখন রুজা কাছে একান্ত আপন এবং নিতান্তই চেনামুখ ছিল তার গর্ভধারণী এবং জন্মদাতা। দুর্ভাগ্যক্রমে রুজা তার বাবার আদর অনুধাবন করতে পারিনি বেশি দিন।রুজা বাবা নামক বটবৃক্ষের বুকে বেশিদিন নিরাপদে শান্তির নিঃশ্বাস নিতে পারেনি।কারণ রুজার যখন বয়স ৯ মাস, তখন অদৃশ্যের কি নির্মম পরিহাস - বাবাকে চলে যেতে হয়েছিল সমস্ত জাগতিক মোহ ত্যাগ করে আল্লাহর ডাকে।আমার মতে তা ছিল আল্লাহর নিষ্ঠুরতার জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত।   সেদিন অকাল রোদনে 'থ' বনে গিয়েছিল  রুজার পরিবার সহ গোটা উদয়পুরের আকাশ। সেদিন থেকেই এক বুক দুঃখ নিয়ে রুজা'কে কোলে-পিঠে লালন পালন করছে তার মা। পরবর্তী সময় ( রুজার বয়স তখন ৩ বছর) তাকে আগরতলায় চলে আসে তার মা কর্মসূত্রে। জীবন যাপনের মসৃণ প্রণালীটার ছন্দপতন হলেও ভেঙে পড়েনি রুজার মা। রুজাকে নিয়ে স্বপ্নে বিভোর দু চোখ হয়তো কিছুটা দুঃখ লাঘব করে( সাময়িক স্বস্তির জন্যে ক্ষতপূর্ণ  মনে মলম লাগানো মতো আর কি) কিন্তু অকালে চোখের সামনে নিজের প্রিয় মানুষটির প্রাণ অন্তর্ধান হওয়ার দুঃখের ছাপ  ঢাকা অসম্ভব।এক আকাশ সুখও হার মানবে এই দুঃখের কাছে।তবু সংসারের ঘানিটা সেই সময় থেকে এখনো টেনে নিয়ে যাচ্ছেন উদ্যম সাহসিকতাকে আপন করে। বর্তমানে রুজা ১৪ এ পা রেখেছে। এই একরত্তি মেয়ে এখন থেকেই মার দুঃখের ভাগাভাগি করে নিতে শিখে গেছে। যে বয়সে  আমাদের মন ছেলেমানুষি আর আবদারে ভরপুর ছিল। আর রুজা তার ঠিক বিপরীত। রুজা'র মার বয়স এখন প্রায়ই ৫৫ ছুঁই ছুঁই।মাঝে মাঝে অসুস্থ হয়ে পড়েন যা এই বয়সের কিছুটা প্রতিফলন। মা'র অসুস্থতায় রুজা দায়িত্বজ্ঞানের সাথে সর্বদা মা'র পাশে থাকে। এই যেমন ডাক্তার দেখানো, ডাক্তারের পরামর্শ মাফিক মা'র যত্ন নেওয়া, সময় মতো ঔষধ সেবন করানো ইত্যাদি কাজগুলি যথেষ্ট সাবলীলভাবে করে থাকে রুজা। শুধু তাই নয়- রুজাতে রয়েছে হরেক গুণের সমাহার। যেমন চিত্রশিল্পী; তেমনি গানেও বড্ড মিষ্টি কন্ঠ। রুজার কন্ঠে ভীষণ মানায় যে গানটা তা হল- সকাতরে ওই কাঁদিছে সকলে, শোনো শোনো পিতা 
কহো কানে কানে, শুনাও প্রাণে প্রাণে মঙ্গলবারতা ।তার কন্ঠে আমি বহুবার শুনেছি গানটা। অজান্তেই আমার চোখ বেয়ে অশ্রু গড়ালো বুকে। এই গানটাতে রুজা আল্লাহর কাছ থেকে কি জানি শান্তির বার্তা শুনতে চায়।
রুজার এইসমস্ত দায়িত্বজ্ঞান ওগুণের কাছে আমি নতজানু। আমি রুজার থেকে দায়িত্ব শিখি, অনুপ্ররেণা পায়।
রুজার মা আমার আদর্শ শিক্ষিকা, উনার মুখপানে তাকালে অনেক শ্রদ্ধা জাগে। আর যেদিন থেকে রুজার কথা শুনলাম তাকেও আমি আমার শিক্ষিকা মানতে শুরু করলাম।( যার কাছ থেকে প্রকৃত মানুষ হওয়ার শিক্ষা পাওয়া যায় সেই আদর্শ শিক্ষক-শিক্ষিকা; এবার সে হোক বয়সে ছোট আর বড়ো)
আমি মনে করি প্রতিটি মায়ের কুলে একটা করে রুজা থাকা দরকার। তাহলে হয়তো বৃদ্ধাশ্রমের মতো সামাজিক ব্যাধিগুলি অনাদিকালের জন্য আরোগ্য লাভ করবে। তখন বৃদ্ধাশ্রমের চিলিকোঠায় পড়ে থাকবে না  কোনো জন্মদাতা - জন্মদাত্রী।

'রুজা কেবল একটা নাম নয়, অনুপ্ররেণা'

       ✍️মোঃরুবেল
রুজা পৃথিবীর আলো দেখেছে সবে ৯ মাস অতিক্রান্ত হয়েছিল।।তার জন্ম হয় ত্রিপুরার মন্দির নগরী নামে খ্যাত উদয়পুরে। তখন রুজা কাছে একান্ত আপন এবং নিতান্তই চেনামুখ ছিল তার গর্ভধারণী এবং জন্মদাতা। দুর্ভাগ্যক্রমে রুজা তার বাবার আদর অনুধাবন করতে পারিনি বেশি দিন।রুজা বাবা নামক বটবৃক্ষের বুকে বেশিদিন নিরাপদে শান্তির নিঃশ্বাস নিতে পারেনি।কারণ রুজার যখন বয়স ৯ মাস, তখন অদৃশ্যের কি নির্মম পরিহাস - বাবাকে চলে যেতে হয়েছিল সমস্ত জাগতিক মোহ ত্যাগ করে আল্লাহর ডাকে।আমার মতে তা ছিল আল্লাহর নিষ্ঠুরতার জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত।   সেদিন অকাল রোদনে 'থ' বনে গিয়েছিল  রুজার পরিবার সহ গোটা উদয়পুরের আকাশ। সেদিন থেকেই এক বুক দুঃখ নিয়ে রুজা'কে কোলে-পিঠে লালন পালন করছে তার মা। পরবর্তী সময় ( রুজার বয়স তখন ৩ বছর) তাকে আগরতলায় চলে আসে তার মা কর্মসূত্রে। জীবন যাপনের মসৃণ প্রণালীটার ছন্দপতন হলেও ভেঙে পড়েনি রুজার মা। রুজাকে নিয়ে স্বপ্নে বিভোর দু চোখ হয়তো কিছুটা দুঃখ লাঘব করে( সাময়িক স্বস্তির জন্যে ক্ষতপূর্ণ  মনে মলম লাগানো মতো আর কি) কিন্তু অকালে চোখের সামনে নিজের প্রিয় মানুষটির প্রাণ অন্তর্ধান হওয়ার দুঃখের ছাপ  ঢাকা অসম্ভব।এক আকাশ সুখও হার মানবে এই দুঃখের কাছে।তবু সংসারের ঘানিটা সেই সময় থেকে এখনো টেনে নিয়ে যাচ্ছেন উদ্যম সাহসিকতাকে আপন করে। বর্তমানে রুজা ১৪ এ পা রেখেছে। এই একরত্তি মেয়ে এখন থেকেই মার দুঃখের ভাগাভাগি করে নিতে শিখে গেছে। যে বয়সে  আমাদের মন ছেলেমানুষি আর আবদারে ভরপুর ছিল। আর রুজা তার ঠিক বিপরীত। রুজা'র মার বয়স এখন প্রায়ই ৫৫ ছুঁই ছুঁই।মাঝে মাঝে অসুস্থ হয়ে পড়েন যা এই বয়সের কিছুটা প্রতিফলন। মা'র অসুস্থতায় রুজা দায়িত্বজ্ঞানের সাথে সর্বদা মা'র পাশে থাকে। এই যেমন ডাক্তার দেখানো, ডাক্তারের পরামর্শ মাফিক মা'র যত্ন নেওয়া, সময় মতো ঔষধ সেবন করানো ইত্যাদি কাজগুলি যথেষ্ট সাবলীলভাবে করে থাকে রুজা। শুধু তাই নয়- রুজাতে রয়েছে হরেক গুণের সমাহার। যেমন চিত্রশিল্পী; তেমনি গানেও বড্ড মিষ্টি কন্ঠ। রুজার কন্ঠে ভীষণ মানায় যে গানটা তা হল- সকাতরে ওই কাঁদিছে সকলে, শোনো শোনো পিতা 
কহো কানে কানে, শুনাও প্রাণে প্রাণে মঙ্গলবারতা ।তার কন্ঠে আমি বহুবার শুনেছি গানটা। অজান্তেই আমার চোখ বেয়ে অশ্রু গড়ালো বুকে। এই গানটাতে রুজা আল্লাহর কাছ থেকে কি জানি শান্তির বার্তা শুনতে চায়।
রুজার এইসমস্ত দায়িত্বজ্ঞান ওগুণের কাছে আমি নতজানু। আমি রুজার থেকে দায়িত্ব শিখি, অনুপ্ররেণা পায়।
রুজার মা আমার আদর্শ শিক্ষিকা, উনার মুখপানে তাকালে অনেক শ্রদ্ধা জাগে। আর যেদিন থেকে রুজার কথা শুনলাম তাকেও আমি আমার শিক্ষিকা মানতে শুরু করলাম।( যার কাছ থেকে প্রকৃত মানুষ হওয়ার শিক্ষা পাওয়া যায় সেই আদর্শ শিক্ষক-শিক্ষিকা; এবার সে হোক বয়সে ছোট আর বড়ো)
আমি মনে করি প্রতিটি মায়ের কুলে একটা করে রুজা থাকা দরকার। তাহলে হয়তো বৃদ্ধাশ্রমের মতো সামাজিক ব্যাধিগুলি অনাদিকালের জন্য আরোগ্য লাভ করবে। তখন বৃদ্ধাশ্রমের চিলিকোঠায় পড়ে থাকবে না  কোনো জন্মদাতা - জন্মদাত্রী।

ভারতবর্ষ

      ✍ সুমিতা স্মৃতি। 
ভারত আমার মহান ভারত, 
      তুমিই আমার স্বপ্ন। 
তোমাতে জনম লয়ে আমার, 
      জীবন হয়েছে ধন্য।। 
ভারত আমার মহান ভারত, 
     তুমিই আমার আশা। 
তোমার মাঝে ঠাই পেয়েছে, 
        কত শত ভাষা।। 
ভারত আমার ভারত ওগো, 
       তুমি খুব মহান। 
তোমার কাছে সকল ধর্ম
পেয়েছে মর্যাদা সমান।। 
ভারত আমার ভারতবর্ষ, 
  শ্রেষ্ঠ তোমার বিচার। 
জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে, 
সবার সমান অধিকার।। 
ভারত আমার স্বপ্নের ভারত, 
     সত্যি তুমি মহান। 
তোমার মাটিতে জন্মেছেন
হাজার হাজার বীর সন্তান।। 
ভারত আমার গৌরব তুমি, 
   তুমি আমার জীবন। 
তোমার জন্য করতে পারি, 
   হাসিমুখে মৃত্যুবরণ।।

ভারতবর্ষ

      ✍ সুমিতা স্মৃতি। 
ভারত আমার মহান ভারত, 
      তুমিই আমার স্বপ্ন। 
তোমাতে জনম লয়ে আমার, 
      জীবন হয়েছে ধন্য।। 
ভারত আমার মহান ভারত, 
     তুমিই আমার আশা। 
তোমার মাঝে ঠাই পেয়েছে, 
        কত শত ভাষা।। 
ভারত আমার ভারত ওগো, 
       তুমি খুব মহান। 
তোমার কাছে সকল ধর্ম
পেয়েছে মর্যাদা সমান।। 
ভারত আমার ভারতবর্ষ, 
  শ্রেষ্ঠ তোমার বিচার। 
জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে, 
সবার সমান অধিকার।। 
ভারত আমার স্বপ্নের ভারত, 
     সত্যি তুমি মহান। 
তোমার মাটিতে জন্মেছেন
হাজার হাজার বীর সন্তান।। 
ভারত আমার গৌরব তুমি, 
   তুমি আমার জীবন। 
তোমার জন্য করতে পারি, 
   হাসিমুখে মৃত্যুবরণ।।

বাঁচার স্বপ্ন

    ✍️সঞ্জয় দত্ত
আজ স্বপ্নে দাবানল দেখেছি,
কালের আশায় মরবো কেন?
          দুটো গুলি দে 
   পাষাণের কাজ করবো।

  আমি বৃষ্টি কণা গুলোকে
পাথর দিয়ে আটকে রেখেছি।
মিছিলের লাইন টা দেখলে মনে হয়!
শ্মশানঘাট আজও বুক ফুলিয়ে কথা বলবে।

দগ্ধ হাওয়ায় হাহাকার করে মাতৃভূমি,
ঝুঁকে গেছে বট গাছ বাঁচার স্বপ্ন দেখে।

বাঁচার স্বপ্ন

    ✍️সঞ্জয় দত্ত
আজ স্বপ্নে দাবানল দেখেছি,
কালের আশায় মরবো কেন?
          দুটো গুলি দে 
   পাষাণের কাজ করবো।

  আমি বৃষ্টি কণা গুলোকে
পাথর দিয়ে আটকে রেখেছি।
মিছিলের লাইন টা দেখলে মনে হয়!
শ্মশানঘাট আজও বুক ফুলিয়ে কথা বলবে।

দগ্ধ হাওয়ায় হাহাকার করে মাতৃভূমি,
ঝুঁকে গেছে বট গাছ বাঁচার স্বপ্ন দেখে।

স্বাধীনতা

      ✒️সুস্মিতা দেবনাথ 
পলাশীর আম্রকানন থেকে নৌপথ 
অনেক হল রক্তক্ষয়
একসাগর রক্তের বিনিময়ে 
ভারতের হল জয়।
এপাড় ওপাড় সীমান্তলড়াই
থামেনি কোনকালে
ভাগাভাগি  চলছে দিনরাত
ভাসছে মানচিত্র অশ্রু জলে।
সেদিন ছিল বঙ্গভঙ্গ
কার্গিল-কাশ্মীর
আজ চীন লাদাখ পাকিস্তান 
গিলতে চায় ভারত।
আমরা প্রস্তুত প্রয়োজনে
আরো আরো রক্ত দেবো
তবুও দেবোনা
সূচাগ্রমেদেনী।

স্বাধীনতা

      ✒️সুস্মিতা দেবনাথ 
পলাশীর আম্রকানন থেকে নৌপথ 
অনেক হল রক্তক্ষয়
একসাগর রক্তের বিনিময়ে 
ভারতের হল জয়।
এপাড় ওপাড় সীমান্তলড়াই
থামেনি কোনকালে
ভাগাভাগি  চলছে দিনরাত
ভাসছে মানচিত্র অশ্রু জলে।
সেদিন ছিল বঙ্গভঙ্গ
কার্গিল-কাশ্মীর
আজ চীন লাদাখ পাকিস্তান 
গিলতে চায় ভারত।
আমরা প্রস্তুত প্রয়োজনে
আরো আরো রক্ত দেবো
তবুও দেবোনা
সূচাগ্রমেদেনী।

*কবে আসবে সেদিন?*

         ✍️ অন্তরা সাহা
হারিয়ে যেতে চাই,
খানিক এর জন্য,,
আজ যে আমি,
হতে চাই বন্য,,

বছর খানেক হলো,
যোগাযোগ নেই মনের সাথে,,
আঁধার হলেই, 
মন যে আমায় ডাকে,,

সেই ডাক উপেক্ষা করি,
ফুটলে ভোরের আলো,,
এক গাল হাসি নিয়ে বলি,
হ্যাঁ, আজ আমি ভালো,,

মেতেছি ভালোই,
এই লুকোচুরি খেলায়,,
মনের কাছে আবার, 
ধরা পরে যাই শেষ বেলায়,,

এই খেলায় হারতে হারতে,
আজ আমি ক্লান্ত,,
কিন্তু মন যে,
কখনো হয় না শান্ত,,

বল কোথায় গেলে,
তোর ডাকে দিতে পারবো সাড়া,,
থাকবি তুই, থাকব আমি,
আর প্রকৃতি দেবে আমাদের পাহারা,,

জানি না কবে আসবে সেদিন,
কথা দিলাম, সেদিন সব বন্ধন ছিন্ন করে তোকে করবো স্বাধীন।

*কবে আসবে সেদিন?*

         ✍️ অন্তরা সাহা
হারিয়ে যেতে চাই,
খানিক এর জন্য,,
আজ যে আমি,
হতে চাই বন্য,,

বছর খানেক হলো,
যোগাযোগ নেই মনের সাথে,,
আঁধার হলেই, 
মন যে আমায় ডাকে,,

সেই ডাক উপেক্ষা করি,
ফুটলে ভোরের আলো,,
এক গাল হাসি নিয়ে বলি,
হ্যাঁ, আজ আমি ভালো,,

মেতেছি ভালোই,
এই লুকোচুরি খেলায়,,
মনের কাছে আবার, 
ধরা পরে যাই শেষ বেলায়,,

এই খেলায় হারতে হারতে,
আজ আমি ক্লান্ত,,
কিন্তু মন যে,
কখনো হয় না শান্ত,,

বল কোথায় গেলে,
তোর ডাকে দিতে পারবো সাড়া,,
থাকবি তুই, থাকব আমি,
আর প্রকৃতি দেবে আমাদের পাহারা,,

জানি না কবে আসবে সেদিন,
কথা দিলাম, সেদিন সব বন্ধন ছিন্ন করে তোকে করবো স্বাধীন।

স্বাধীনতার জন্মদিন

        ✍️উজ্জ্বল ভট্টাচার্য্য
শুনছো...... 
কেউ আছো কি?
কে?কে?
আমি।
আমি কে?
চিনতে পারছো না বুঝি?
আরে কি ঝামেলা!বলবে তো কে?
কি চাই?
আমি স্বাধীনতা।
হ্যাঁ, তো?কি করা?
আজ আমার জন্মদিন।
আচ্ছা,উপহার‌ কি চাও?
তোমাদের সাধ্যে আছে দেওয়ার?
আরে বলে কি'রে! অসাধ্য আমরা চিনিনা।
তাহলে মানুষ হয়ে বাঁচো,
মানুষের মতো হয়ে নয়!
মন্দির-মসজিদ স্বস্তির বারান্দা হোক!
আমার তিনরঙা আঁচলে 
আর দাগ কেটোনা,
আমায় তো 'মা' বলে ডাকো
আমি সন্তান কে দুধেভাতে চাই
রক্তের ডোবায় নয়!
ভালো থেকো আমার সোনার ছেলেরা
ইতি তোমাদের ভারতমায়ের আরেক রূপ
''আমি স্বাধীনতা"!

স্বাধীনতার জন্মদিন

        ✍️উজ্জ্বল ভট্টাচার্য্য
শুনছো...... 
কেউ আছো কি?
কে?কে?
আমি।
আমি কে?
চিনতে পারছো না বুঝি?
আরে কি ঝামেলা!বলবে তো কে?
কি চাই?
আমি স্বাধীনতা।
হ্যাঁ, তো?কি করা?
আজ আমার জন্মদিন।
আচ্ছা,উপহার‌ কি চাও?
তোমাদের সাধ্যে আছে দেওয়ার?
আরে বলে কি'রে! অসাধ্য আমরা চিনিনা।
তাহলে মানুষ হয়ে বাঁচো,
মানুষের মতো হয়ে নয়!
মন্দির-মসজিদ স্বস্তির বারান্দা হোক!
আমার তিনরঙা আঁচলে 
আর দাগ কেটোনা,
আমায় তো 'মা' বলে ডাকো
আমি সন্তান কে দুধেভাতে চাই
রক্তের ডোবায় নয়!
ভালো থেকো আমার সোনার ছেলেরা
ইতি তোমাদের ভারতমায়ের আরেক রূপ
''আমি স্বাধীনতা"!

স্বাধীন হতে চাই

        ✍️সুপর্ণা মজুমদার রায়
স্বাধীনতা!!  কথাটি শুনে হয়তো খাঁচার পাখিটি হাসে সেই চেনা বিদ্রূপের হাসি । 
হয়তো তার ছোট্ট মনের মাঝেও জ্বলে উঠে বিদ্রোহের আগুন!! 
হয়তো সে নিজের মনেই ব্যাকুল হয়ে বলে উঠে, "আমিও তো চেয়েছিলাম মুক্তির স্বাদ, 
মুক্ত আকাশ, মুক্ত বাতাস, চেয়েছিলাম বন্ধনহীন মুক্ত জীবন!! 
আমিও চেয়েছিলাম, মেঘ যেমনি করে আকাশের বুকে ভেসে বেড়ায়, ঠিক তেমনি করে ভেসে বেড়াতে !! 
চেয়েছিলাম তো!!  হ্যাঁ, চেয়েছিলাম। 
তবে কেন আমার পায়ে পরালে পরাধীনতার শৃঙ্খলের বেড়ী ?  বলো-- বলো-- কেন? 
সভ্য সমাজের স্বাধীন মানুষ, জবাব দাও ---,
জানি, তোমার কাছে কোন জবাব নেই । 
জান,তোমরা যখন স্বাধীন দেশের ধ্বজা উড়িয়ে স্বাধীনতার উল্লাসে মাতোয়ারা হও, আনন্দের বন্যা বইয়ে দাও চারিদিকে ----,
আমারও খুব ইচ্ছে করে খাঁচা ভেঙ্গে উড়ে গিয়ে বসি ঐ ত্রিবর্ণ পতাকার উপর, স্বাধীনতার স্বাদ খোঁজে পেতে । 
কিন্তু ---,কিন্তু পারি কই? শুধুমাত্র আমার অক্ষমতার কারণে, বন্দীজীবনে নীরব কান্না কেঁদে যাই নিরন্তর । 
সেই শব্দহীন কান্না তোমাদের কানে গিয়ে পৌঁছায় না । 
হয়তো পৌঁছালেও তোমরা এতটাই বিবেকশূন্য, সেই কান্নার শব্দ অনুভব করতে পার না । 
আমি যখন খাঁচাবন্দি হয়ে ছট্ফট্ করি, 
আমার নিদারুণ যন্ত্রণাকে তোমরা তেড়ে তেড়ে  উপভোগ করো, এতটাই নিষ্ঠুরতম তোমাদের হৃদয়, মানবজাতি ! অবাক হই । 
   তোমরা ভুলে গেছো অতীতের ইতিহাস, 
ভুলে গেছো তোমাদের পরাধীনতার শৃঙ্খলবদ্ধ দুর্বিষহ জীবনের কথা !! 
জীবনের প্রতিটি ক্ষণে  পরাধীনতার কাতর যন্ত্রণায় ডুকরে কেঁদেছ, 
কখনোবা দিয়েছো শানিত হুঙ্কার । 
ভুলে গেছো সেই রক্তঝরা স্বাধীনতার রাত !! 
হতে পারে ভুলে যাওনি । 
তবে কেন আমার খাঁচাবন্দি জীবনকে তোমাদের আনন্দের অংশীদার করে নাও ? 
কেন তোমাদের উপভোগের বিষয় করে নাও আমার নিদারুণ  কষ্টের জীবনটাকে ? 
আমার মাঝে রক্ত ঝরানোর শক্তি যে নেই মানুষ , 
তাই তো আমি অবলা । 
তবুও মানবজাতি,  ওহে স্বাধীন দেশের সভ্য মানুষ  ----,
আমার যে বড়ো স্বাধীন হবার স্বাধ জাগে !! 
খাঁচাবন্দি জীবন হতে আমায় মুক্তি দাও । 
আমি আরও তোমাদের শিখানো বুলি বলতে চাই না । 
বনের স্বাধীন পাখিদের সাথে গলা মেলাতে চাই । 
আমিও তোমাদের মতো মুক্ত কন্ঠে  গাইতে চাই, "আমার মুক্তি আলোয় আলোয়, এই আকাশে । "
ফিরিয়ে দাও আমার স্বাধীনতা শৃঙ্খলবদ্ধ পরাধীন জীবনের পরিবর্তে ফিরিয়ে দাও আমার স্বাধীনতা । 
আমি স্বাধীন হতে চাই ------,
আমি মুক্তি পেতে চাই -------,
আমি স্বাধীন হতে চাই ------।।

স্বাধীন হতে চাই

        ✍️সুপর্ণা মজুমদার রায়
স্বাধীনতা!!  কথাটি শুনে হয়তো খাঁচার পাখিটি হাসে সেই চেনা বিদ্রূপের হাসি । 
হয়তো তার ছোট্ট মনের মাঝেও জ্বলে উঠে বিদ্রোহের আগুন!! 
হয়তো সে নিজের মনেই ব্যাকুল হয়ে বলে উঠে, "আমিও তো চেয়েছিলাম মুক্তির স্বাদ, 
মুক্ত আকাশ, মুক্ত বাতাস, চেয়েছিলাম বন্ধনহীন মুক্ত জীবন!! 
আমিও চেয়েছিলাম, মেঘ যেমনি করে আকাশের বুকে ভেসে বেড়ায়, ঠিক তেমনি করে ভেসে বেড়াতে !! 
চেয়েছিলাম তো!!  হ্যাঁ, চেয়েছিলাম। 
তবে কেন আমার পায়ে পরালে পরাধীনতার শৃঙ্খলের বেড়ী ?  বলো-- বলো-- কেন? 
সভ্য সমাজের স্বাধীন মানুষ, জবাব দাও ---,
জানি, তোমার কাছে কোন জবাব নেই । 
জান,তোমরা যখন স্বাধীন দেশের ধ্বজা উড়িয়ে স্বাধীনতার উল্লাসে মাতোয়ারা হও, আনন্দের বন্যা বইয়ে দাও চারিদিকে ----,
আমারও খুব ইচ্ছে করে খাঁচা ভেঙ্গে উড়ে গিয়ে বসি ঐ ত্রিবর্ণ পতাকার উপর, স্বাধীনতার স্বাদ খোঁজে পেতে । 
কিন্তু ---,কিন্তু পারি কই? শুধুমাত্র আমার অক্ষমতার কারণে, বন্দীজীবনে নীরব কান্না কেঁদে যাই নিরন্তর । 
সেই শব্দহীন কান্না তোমাদের কানে গিয়ে পৌঁছায় না । 
হয়তো পৌঁছালেও তোমরা এতটাই বিবেকশূন্য, সেই কান্নার শব্দ অনুভব করতে পার না । 
আমি যখন খাঁচাবন্দি হয়ে ছট্ফট্ করি, 
আমার নিদারুণ যন্ত্রণাকে তোমরা তেড়ে তেড়ে  উপভোগ করো, এতটাই নিষ্ঠুরতম তোমাদের হৃদয়, মানবজাতি ! অবাক হই । 
   তোমরা ভুলে গেছো অতীতের ইতিহাস, 
ভুলে গেছো তোমাদের পরাধীনতার শৃঙ্খলবদ্ধ দুর্বিষহ জীবনের কথা !! 
জীবনের প্রতিটি ক্ষণে  পরাধীনতার কাতর যন্ত্রণায় ডুকরে কেঁদেছ, 
কখনোবা দিয়েছো শানিত হুঙ্কার । 
ভুলে গেছো সেই রক্তঝরা স্বাধীনতার রাত !! 
হতে পারে ভুলে যাওনি । 
তবে কেন আমার খাঁচাবন্দি জীবনকে তোমাদের আনন্দের অংশীদার করে নাও ? 
কেন তোমাদের উপভোগের বিষয় করে নাও আমার নিদারুণ  কষ্টের জীবনটাকে ? 
আমার মাঝে রক্ত ঝরানোর শক্তি যে নেই মানুষ , 
তাই তো আমি অবলা । 
তবুও মানবজাতি,  ওহে স্বাধীন দেশের সভ্য মানুষ  ----,
আমার যে বড়ো স্বাধীন হবার স্বাধ জাগে !! 
খাঁচাবন্দি জীবন হতে আমায় মুক্তি দাও । 
আমি আরও তোমাদের শিখানো বুলি বলতে চাই না । 
বনের স্বাধীন পাখিদের সাথে গলা মেলাতে চাই । 
আমিও তোমাদের মতো মুক্ত কন্ঠে  গাইতে চাই, "আমার মুক্তি আলোয় আলোয়, এই আকাশে । "
ফিরিয়ে দাও আমার স্বাধীনতা শৃঙ্খলবদ্ধ পরাধীন জীবনের পরিবর্তে ফিরিয়ে দাও আমার স্বাধীনতা । 
আমি স্বাধীন হতে চাই ------,
আমি মুক্তি পেতে চাই -------,
আমি স্বাধীন হতে চাই ------।।

এ কোন স্বাধীন ভারত?

★এ কোন ভারতে আছি?★
১৯৪৭ সালের ১৫ ই আগস্ট এই দিনেই ভাগের বিনিময়ে 'স্বাধীনতা'র নামে 'ক্ষমতা হস্তান্তর' করা হয়েছিল। আজ দেশের এহেন স্বাধীনতার এত বছরের কাঠগড়ায় এসে সমগ্র দেশবাসী হিসেব-নিকেশ করছে স্বাধীনতার নামে আমরা কী পেলাম? এত দীর্ঘ সংগ্রাম করে আমরা দেশবাসী কি এই স্বাধীনতাই চেয়েছিলাম? এই স্বাধীনতা লাভের জন্যই কি দেশবাসী এত রক্ত দিয়েছিল? এমন হাজারো প্রশ্নের জবাব আজও খুঁজে বেড়াচ্ছে দেশবাসী। বিশেষ করে ভারতবর্ষের স্বাধীনতার জন্যে তাদের ত্যাগ তিতিক্ষা ও রক্ত ঝরেছে সবচেয়ে বেশী সেই ক্ষুদিরাম-নেতাজী'র বংশধর বাঙালীদের বার বার যন্ত্রণা ও বেদনা ভরা চিৎকার--এ কোন স্বাধীন ভারত ? ব্রিটিশ শাসিত ভারতবর্ষের স্বাধীনতার জন্য যে জাতির সন্তানদের ত্যাগ, তিতিক্ষা ও রক্তের বলিদান সবচেয়ে বেশী সেই বাঙালীদের কি আজ বিনিময়ে এই প্রতিদান ভারত দিচ্ছে ? এই স্বাধীনতা কার ? যে স্বাধীনতা আজকের ভারত স্বাধীন হওয়ার মূল কান্ডারী নেতাজী সুভাষ'কে চিরতরে আমাদের কাছ থেকে দূরে সরিয়ে দিল, যে স্বাধীন দেশে আজ বাঙালীকে 'উদ্বাস্তু', 'অনুপ্রবেশকারী' 'বিদেশি' তকমা দিয়ে ডিটেনশন ক্যাম্প ও প্রকাশ্যে আত্মহত্যা,খুন করানো হচ্ছে-- সে স্বাধীনতা কার জন্য ? জবাব চাইছে বাঙালীরা । জবাব দেবার মতো কি কেউ নেই ? যদি না থেকে থাকে তবে বাঙালীরাই ভারত থেকে বিশ্ব সবাইকে আগাম কিছু সত্য ইতিহাস ও ভবিষ্যৎ বিপ্লবের কথা প্রকাশ্যে বলে দিতে চাইছে--- ভারত স্বাধীনতা লাভের সাথে সাথেই যেহেতু বাংলা ও পঞ্জাবকে ভাগ করা হয়; সেই সময় তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেছিলেন-- "Whenever the minorities of East Bengal will across the border; they will be welcome." অর্থাৎ দেশভাগের বলি হয়ে পরিস্থিতির চাপে পড়ে যদি সংখ্যালঘু বাঙালীরা তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তান (অধুনা বাংলাদেশ) ছেড়ে ভারতে প্রবেশ করে তবে সসম্মানে এদেশে তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে । আর ঠিক এই উদ্বাস্তু নীতিতেই ধরা পড়ে গেল পুঁজিপতি ফ্যাসিস্টদের শোষণকামী কুৎসিত চেহারাটা । অর্থাৎ ১৯৪৯ সালের মধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকার পশ্চিম পাকিস্তান থেকে আগত পঞ্জাবী উদ্বাস্তু ( ৪৭ লাখ)-দের ক্ষেত্রে পুনর্বাসন ঘোষিত প্রতিশ্রুতি মাফিক অক্ষরে অক্ষরে সুসম্পন্ন করে ফেলল । কিন্তু পূর্ব পাকিস্তান (অধুনা বাংলাদেশ) থেকে আগত বাঙালী উদ্বাস্তু (প্রায় ২ কোটি)-দের ক্ষেত্রে তার এক ছিটেফোঁটাও আজ পর্যন্ত সম্পন্ন করলো না । মানে, বাঙালী উদ্বাস্তুদের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারের সম্পূর্ণ বিপরীত নীতি ! ইচ্ছাকৃতভাবে দেশীয় পুঁজিবাদীরা এই বাঙালী উদ্বাস্তু সমস্যাকে এখনও বাঁচিয়ে রেখেছে । এ এক দীর্ঘ বাংলা ও বাঙালী বিদ্বেষী গভীর ষড়যন্ত্র । যে ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে সম্প্রতি অসম, মনিপুর, মেঘালয়, অরুণাচল প্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা তথা সমগ্র ভারতে বাঙালীরা অবৈধ অনুপ্রবেশকারী বা বিদেশী এসব নামে চিহ্নিত হয়ে অত্যাচারিত ও শোষিত । আজ কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার এনআরসি নামে এক কালো আইনের অজুহাতে অসমে ১৯ লাখ বাঙালী ( হিন্দু বাঙালী ১৭ লাখ ও মুসলিম বাঙালি ২ লাখ )-কে বিদেশী, অনুপ্রবেশকারী বানিয়ে দিল ! তাজা খবর এখন পর্যন্ত ১০০ জনের বেশী বাঙালীদের আত্মহত্যার পথে ঠেলে দেয়া হয়েছে তথা পরিকল্পিত ভাবে বাঙালীদের হত্যা করানো হচ্ছে ! আর বাঙালীদের পঁচিয়ে মারার জন্য ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম ডিটেনশন ক্যাম্প খুলছে এবং আরো বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চলছে ! সম্প্রতি করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই অসম চুক্তির ৬ নং ধারা অসাংবিধানিক ভাবে রূপায়ণ করে আসামের বাঙালীকে চিরতরে পঙ্গু করে ফেলার চূড়ান্ত ঘোষণা দিয়ে দিয়েছে অসম বিজেপি সরকার । তাই বাঁচতে হলে বলা আবশ্যক যে, সাম্রাজ্যবাদীরা যে অসমের মাটিতে বাঙালীদের অনুপ্রবেশকারী, বিদেশী চিহ্নিত করে বন্দি, অত্যাচার ও খুন করছে সেই মাটির আসল ইতিহাস কী? ইতিহাস সাক্ষী-- ১৮৭৪ সালে এই দুর্বল অসমকে সবল করার জন্য ব্রিটিশ সরকার বাঙলার অঞ্চল সিলেট, কাছাড়, গোয়ালপাড়া কামরূপ জেলা, বরপেটা, নগাঁও ইত্যাদি জায়গাগুলো কেটে অসমের সাথে জুড়ে দিয়ে বর্তমানের অসম প্রদেশ গঠন করে । অর্থাৎ এই অসম বাঙালীর আধিভূমি । এই অসমের ভূমিপত্র বাঙালীরাই । পাশাপাশি ত্রিপুরার ইতিহাসও চাই নাহলে বাঙালী বাঁচবে না । কারণ, ত্রিপুরাতে সেই সত্তোরের দশক থেকে ত্রিপুরার ভূমিসন্তান বাঙালীদের বাংলাদেশী, অনুপ্রবেশকারী ও বিদেশী তকমা দিয়ে গণহত্যার মতো ভয়ঙ্কর রাজনীতি চলেছিল তা বর্তমানে এনআরসি, সিএএ ইত্যাদিকে কেন্দ্র আবার জ্বলে উঠেছে । যার জ্বলন্ত আগুনে ২০১৯-এর ডিসেম্বর মাসে ত্রিপুরার বেশ কয়েকটি জেলায় বাঙালীকে মারণ আক্রমণ করে শরণার্থী বানিয়ে রেখেছে । অর্থাৎ যারা ত্রিপুরার কাঞ্চনপুর মহকুমার আনন্দবাজার এলাকার থানাতে এখনও দীর্ঘ ৭১দিন ধরে শরণার্থী ও মৃত্যু পথযাত্রী । আর এই বিষয়ে বর্তমান রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকার ধৃতরাষ্ট্রের ভূমিকায় ! আর এত কিছুর পরও ত্রিপুরার বাঙালীদের হুমকি ধমকি শুনতে হচ্ছে বাঙালী বাংলাদেশী ত্রিপুরা ছাড়ো কারণ, ত্রিপুরা ত্রিপুরিদের ! তাই আজ ত্রিপুরার আসল ইতিহাস জনসমক্ষে প্রকাশ করা সময় এসেছে । নাহলে বাঙালী বাঁচবে না । ইতিহাস সাক্ষী-- আজ থেকে ৫০০ বছর আগে এই ত্রিপুরার নাম ছিল 'শ্রীভূম' । যার ভূমিসন্তান বাঙালীরা । তাছাড়া রাজন্য আমল থেকে ত্রিপুরার রাজভাষা বাংলা হওয়া ও রাজ আমলের বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন এবং বিভিন্ন প্রামাণ্য দলিল ও তথ্য প্রমাণ ইত্যাদি স্পষ্ট ভাবে প্রমাণ দেয় যে, ত্রিপুরার ভূমিসন্তান বাঙালী । কিন্তু আজ উল্টো অসম, ত্রিপুরা সহ সারা ভারতে বাংলা ও বাঙালীর ইতিহাসকে বিকৃত করা হচ্ছে ও ষড়যন্ত্র করে মুছে দেওয়া হচ্ছে ! আর তাই বাঙালীকে আবার মরতে হচ্ছে । অর্থাৎ, আজ বাঙালীর মাটিতেই বাঙালীকে বিদেশী ও অনুপ্রবেশকারী চিহ্নিত করে ডিটেনশন ক্যাম্পে বন্দি করা হচ্ছে ! এ কোন্ সাম্রাজ্যবাদের একনায়কতন্ত্র চলছে ? যে স্বাধীন ভারতের জাতীয় গান ও সংগীত দু'জন মহাপুরুষ বাঙালীর দেওয়া আজ সেই বাঙালীরাই অসমের মাটিতে উপেক্ষিত ও তাঁদের বংশধরেরা বিদেশী ! এ কেমন অবিচার ? এ ভারত কি এখনো ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের কবলে ? নাকি ক্ষমতা হস্তান্তর করা ব্রিটিশের যোগ্য উত্তরাধিকারী হিন্দি সাম্রাজ্যবাদ ও দেশীয় পুঁজিপতিদের কবলে এ বর্তমান ভারত ? এরা বাঙলার অর্থনীতিকে শোষণ করছে ও বাঙালী জাতিটাকেই পুরোপুরি দুর্বল ও ধ্বংস করার কাজে মত্ত রয়েছে । মোদ্দা কথা, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার যদি সারা দেশেই বাঙালীদের নিয়ে এমনই বিদেশী, অনুপ্রবেশকারী এসব ষড়যন্ত্রের খেলা খেলতেই থাকে তবে তাদেরকেই বলে দিতে হবে বাঙালীর আসল জায়গা কোনটা ? তার জন্মভূমি কোনটা ? আমরা বাঙলার ইতিহাস চাই । আমরা আমাদের ন্যায্য অধিকার চাই । সাফ কথা, পঞ্জাবীদের যেমন পুনর্বাসনের রেজিমেন্ট দেওয়া হয়েছিল ঠিক তেমনি বাঙালীদের জন্যও পুনর্বাসন ও রেজিমেন্ট অবিলম্বে দিতে হবে । তাছাড়া জাতির এহেন সংকটজনক পরিস্থিতিতে ভারতীয় সংবিধানের ১-এর ৩ নং ধারা মোতাবেক বৃহৎ বাঙলা থেকে কেটে নেওয়া অঞ্চলগুলোকে আমাদের পুনরায় ফিরিয়ে দিতে হবে এবং এদের একত্রে জুড়ে দিয়ে এক শোষণমুক্ত স্বয়ং সম্পূর্ণ সামাজিক-অর্থনৈতিক অঞ্চল গঠন করে দিতে হবে । এ দাবী যুগের দাবী । এ দাবী বাঁচার ও অধিকারের দাবী । এই দাবী স্বাধীন ও সাংবিধানিক । অর্থাৎ "রাঢ়-সমতট-বরেন্দ্র-বঙ্গ-শ্রীভূমি-- এই পাঁচটি ক্ষেত্র নিয়ে যে সামাজিক-অর্থনৈতিক অঞ্চল, বাঙলার সেই সমস্ত অঞ্চলকে আবার এক করতে হবে । বাঙলায় আজ একতাবোধের প্রয়োজন সবচেয়ে বেশী । এই একতাবোধ জেগে উঠলেই ভাঙ্গা বাঙলা আবার জোড়া লাগবে ।" ( প্রাউট প্রবক্তা শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকার ) । সার কথা হল-- সামাজিক-অর্থনৈতিক অঞ্চল গঠনই সব সমস্যার একমাত্র মকরধ্বজ । সারা ভারতসহ পুরো বাঙলার অর্থনৈতিক স্বাধীনতার জন্যেই আজ নোতুন এক বিপ্লবের ডাক দিতে হবে । নাহলে ভারত বাঁচবে না । দেশবাসীর ভালো করে মনে রাখা উচিত যে, বাঙলা বাঁচলে ভারত বাঁচবে আর ভারত বাঁচলে বিশ্ব বাঁচবে । বাঙালী জাতি সবসময় একটা স্বপ্নই দেখে, "ভারত আমার ভারতবর্ষ স্বদেশ আমার স্বপ্ন গো"। তাই এবার সময় এসেছে আরেকটা প্রকৃত স্বাধীনতা সংগ্রামের । প্রস্তুত হও দেশবাসী...

এ কোন স্বাধীন ভারত?

★এ কোন ভারতে আছি?★
১৯৪৭ সালের ১৫ ই আগস্ট এই দিনেই ভাগের বিনিময়ে 'স্বাধীনতা'র নামে 'ক্ষমতা হস্তান্তর' করা হয়েছিল। আজ দেশের এহেন স্বাধীনতার এত বছরের কাঠগড়ায় এসে সমগ্র দেশবাসী হিসেব-নিকেশ করছে স্বাধীনতার নামে আমরা কী পেলাম? এত দীর্ঘ সংগ্রাম করে আমরা দেশবাসী কি এই স্বাধীনতাই চেয়েছিলাম? এই স্বাধীনতা লাভের জন্যই কি দেশবাসী এত রক্ত দিয়েছিল? এমন হাজারো প্রশ্নের জবাব আজও খুঁজে বেড়াচ্ছে দেশবাসী। বিশেষ করে ভারতবর্ষের স্বাধীনতার জন্যে তাদের ত্যাগ তিতিক্ষা ও রক্ত ঝরেছে সবচেয়ে বেশী সেই ক্ষুদিরাম-নেতাজী'র বংশধর বাঙালীদের বার বার যন্ত্রণা ও বেদনা ভরা চিৎকার--এ কোন স্বাধীন ভারত ? ব্রিটিশ শাসিত ভারতবর্ষের স্বাধীনতার জন্য যে জাতির সন্তানদের ত্যাগ, তিতিক্ষা ও রক্তের বলিদান সবচেয়ে বেশী সেই বাঙালীদের কি আজ বিনিময়ে এই প্রতিদান ভারত দিচ্ছে ? এই স্বাধীনতা কার ? যে স্বাধীনতা আজকের ভারত স্বাধীন হওয়ার মূল কান্ডারী নেতাজী সুভাষ'কে চিরতরে আমাদের কাছ থেকে দূরে সরিয়ে দিল, যে স্বাধীন দেশে আজ বাঙালীকে 'উদ্বাস্তু', 'অনুপ্রবেশকারী' 'বিদেশি' তকমা দিয়ে ডিটেনশন ক্যাম্প ও প্রকাশ্যে আত্মহত্যা,খুন করানো হচ্ছে-- সে স্বাধীনতা কার জন্য ? জবাব চাইছে বাঙালীরা । জবাব দেবার মতো কি কেউ নেই ? যদি না থেকে থাকে তবে বাঙালীরাই ভারত থেকে বিশ্ব সবাইকে আগাম কিছু সত্য ইতিহাস ও ভবিষ্যৎ বিপ্লবের কথা প্রকাশ্যে বলে দিতে চাইছে--- ভারত স্বাধীনতা লাভের সাথে সাথেই যেহেতু বাংলা ও পঞ্জাবকে ভাগ করা হয়; সেই সময় তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেছিলেন-- "Whenever the minorities of East Bengal will across the border; they will be welcome." অর্থাৎ দেশভাগের বলি হয়ে পরিস্থিতির চাপে পড়ে যদি সংখ্যালঘু বাঙালীরা তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তান (অধুনা বাংলাদেশ) ছেড়ে ভারতে প্রবেশ করে তবে সসম্মানে এদেশে তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে । আর ঠিক এই উদ্বাস্তু নীতিতেই ধরা পড়ে গেল পুঁজিপতি ফ্যাসিস্টদের শোষণকামী কুৎসিত চেহারাটা । অর্থাৎ ১৯৪৯ সালের মধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকার পশ্চিম পাকিস্তান থেকে আগত পঞ্জাবী উদ্বাস্তু ( ৪৭ লাখ)-দের ক্ষেত্রে পুনর্বাসন ঘোষিত প্রতিশ্রুতি মাফিক অক্ষরে অক্ষরে সুসম্পন্ন করে ফেলল । কিন্তু পূর্ব পাকিস্তান (অধুনা বাংলাদেশ) থেকে আগত বাঙালী উদ্বাস্তু (প্রায় ২ কোটি)-দের ক্ষেত্রে তার এক ছিটেফোঁটাও আজ পর্যন্ত সম্পন্ন করলো না । মানে, বাঙালী উদ্বাস্তুদের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারের সম্পূর্ণ বিপরীত নীতি ! ইচ্ছাকৃতভাবে দেশীয় পুঁজিবাদীরা এই বাঙালী উদ্বাস্তু সমস্যাকে এখনও বাঁচিয়ে রেখেছে । এ এক দীর্ঘ বাংলা ও বাঙালী বিদ্বেষী গভীর ষড়যন্ত্র । যে ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে সম্প্রতি অসম, মনিপুর, মেঘালয়, অরুণাচল প্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা তথা সমগ্র ভারতে বাঙালীরা অবৈধ অনুপ্রবেশকারী বা বিদেশী এসব নামে চিহ্নিত হয়ে অত্যাচারিত ও শোষিত । আজ কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার এনআরসি নামে এক কালো আইনের অজুহাতে অসমে ১৯ লাখ বাঙালী ( হিন্দু বাঙালী ১৭ লাখ ও মুসলিম বাঙালি ২ লাখ )-কে বিদেশী, অনুপ্রবেশকারী বানিয়ে দিল ! তাজা খবর এখন পর্যন্ত ১০০ জনের বেশী বাঙালীদের আত্মহত্যার পথে ঠেলে দেয়া হয়েছে তথা পরিকল্পিত ভাবে বাঙালীদের হত্যা করানো হচ্ছে ! আর বাঙালীদের পঁচিয়ে মারার জন্য ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম ডিটেনশন ক্যাম্প খুলছে এবং আরো বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চলছে ! সম্প্রতি করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই অসম চুক্তির ৬ নং ধারা অসাংবিধানিক ভাবে রূপায়ণ করে আসামের বাঙালীকে চিরতরে পঙ্গু করে ফেলার চূড়ান্ত ঘোষণা দিয়ে দিয়েছে অসম বিজেপি সরকার । তাই বাঁচতে হলে বলা আবশ্যক যে, সাম্রাজ্যবাদীরা যে অসমের মাটিতে বাঙালীদের অনুপ্রবেশকারী, বিদেশী চিহ্নিত করে বন্দি, অত্যাচার ও খুন করছে সেই মাটির আসল ইতিহাস কী? ইতিহাস সাক্ষী-- ১৮৭৪ সালে এই দুর্বল অসমকে সবল করার জন্য ব্রিটিশ সরকার বাঙলার অঞ্চল সিলেট, কাছাড়, গোয়ালপাড়া কামরূপ জেলা, বরপেটা, নগাঁও ইত্যাদি জায়গাগুলো কেটে অসমের সাথে জুড়ে দিয়ে বর্তমানের অসম প্রদেশ গঠন করে । অর্থাৎ এই অসম বাঙালীর আধিভূমি । এই অসমের ভূমিপত্র বাঙালীরাই । পাশাপাশি ত্রিপুরার ইতিহাসও চাই নাহলে বাঙালী বাঁচবে না । কারণ, ত্রিপুরাতে সেই সত্তোরের দশক থেকে ত্রিপুরার ভূমিসন্তান বাঙালীদের বাংলাদেশী, অনুপ্রবেশকারী ও বিদেশী তকমা দিয়ে গণহত্যার মতো ভয়ঙ্কর রাজনীতি চলেছিল তা বর্তমানে এনআরসি, সিএএ ইত্যাদিকে কেন্দ্র আবার জ্বলে উঠেছে । যার জ্বলন্ত আগুনে ২০১৯-এর ডিসেম্বর মাসে ত্রিপুরার বেশ কয়েকটি জেলায় বাঙালীকে মারণ আক্রমণ করে শরণার্থী বানিয়ে রেখেছে । অর্থাৎ যারা ত্রিপুরার কাঞ্চনপুর মহকুমার আনন্দবাজার এলাকার থানাতে এখনও দীর্ঘ ৭১দিন ধরে শরণার্থী ও মৃত্যু পথযাত্রী । আর এই বিষয়ে বর্তমান রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকার ধৃতরাষ্ট্রের ভূমিকায় ! আর এত কিছুর পরও ত্রিপুরার বাঙালীদের হুমকি ধমকি শুনতে হচ্ছে বাঙালী বাংলাদেশী ত্রিপুরা ছাড়ো কারণ, ত্রিপুরা ত্রিপুরিদের ! তাই আজ ত্রিপুরার আসল ইতিহাস জনসমক্ষে প্রকাশ করা সময় এসেছে । নাহলে বাঙালী বাঁচবে না । ইতিহাস সাক্ষী-- আজ থেকে ৫০০ বছর আগে এই ত্রিপুরার নাম ছিল 'শ্রীভূম' । যার ভূমিসন্তান বাঙালীরা । তাছাড়া রাজন্য আমল থেকে ত্রিপুরার রাজভাষা বাংলা হওয়া ও রাজ আমলের বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন এবং বিভিন্ন প্রামাণ্য দলিল ও তথ্য প্রমাণ ইত্যাদি স্পষ্ট ভাবে প্রমাণ দেয় যে, ত্রিপুরার ভূমিসন্তান বাঙালী । কিন্তু আজ উল্টো অসম, ত্রিপুরা সহ সারা ভারতে বাংলা ও বাঙালীর ইতিহাসকে বিকৃত করা হচ্ছে ও ষড়যন্ত্র করে মুছে দেওয়া হচ্ছে ! আর তাই বাঙালীকে আবার মরতে হচ্ছে । অর্থাৎ, আজ বাঙালীর মাটিতেই বাঙালীকে বিদেশী ও অনুপ্রবেশকারী চিহ্নিত করে ডিটেনশন ক্যাম্পে বন্দি করা হচ্ছে ! এ কোন্ সাম্রাজ্যবাদের একনায়কতন্ত্র চলছে ? যে স্বাধীন ভারতের জাতীয় গান ও সংগীত দু'জন মহাপুরুষ বাঙালীর দেওয়া আজ সেই বাঙালীরাই অসমের মাটিতে উপেক্ষিত ও তাঁদের বংশধরেরা বিদেশী ! এ কেমন অবিচার ? এ ভারত কি এখনো ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের কবলে ? নাকি ক্ষমতা হস্তান্তর করা ব্রিটিশের যোগ্য উত্তরাধিকারী হিন্দি সাম্রাজ্যবাদ ও দেশীয় পুঁজিপতিদের কবলে এ বর্তমান ভারত ? এরা বাঙলার অর্থনীতিকে শোষণ করছে ও বাঙালী জাতিটাকেই পুরোপুরি দুর্বল ও ধ্বংস করার কাজে মত্ত রয়েছে । মোদ্দা কথা, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার যদি সারা দেশেই বাঙালীদের নিয়ে এমনই বিদেশী, অনুপ্রবেশকারী এসব ষড়যন্ত্রের খেলা খেলতেই থাকে তবে তাদেরকেই বলে দিতে হবে বাঙালীর আসল জায়গা কোনটা ? তার জন্মভূমি কোনটা ? আমরা বাঙলার ইতিহাস চাই । আমরা আমাদের ন্যায্য অধিকার চাই । সাফ কথা, পঞ্জাবীদের যেমন পুনর্বাসনের রেজিমেন্ট দেওয়া হয়েছিল ঠিক তেমনি বাঙালীদের জন্যও পুনর্বাসন ও রেজিমেন্ট অবিলম্বে দিতে হবে । তাছাড়া জাতির এহেন সংকটজনক পরিস্থিতিতে ভারতীয় সংবিধানের ১-এর ৩ নং ধারা মোতাবেক বৃহৎ বাঙলা থেকে কেটে নেওয়া অঞ্চলগুলোকে আমাদের পুনরায় ফিরিয়ে দিতে হবে এবং এদের একত্রে জুড়ে দিয়ে এক শোষণমুক্ত স্বয়ং সম্পূর্ণ সামাজিক-অর্থনৈতিক অঞ্চল গঠন করে দিতে হবে । এ দাবী যুগের দাবী । এ দাবী বাঁচার ও অধিকারের দাবী । এই দাবী স্বাধীন ও সাংবিধানিক । অর্থাৎ "রাঢ়-সমতট-বরেন্দ্র-বঙ্গ-শ্রীভূমি-- এই পাঁচটি ক্ষেত্র নিয়ে যে সামাজিক-অর্থনৈতিক অঞ্চল, বাঙলার সেই সমস্ত অঞ্চলকে আবার এক করতে হবে । বাঙলায় আজ একতাবোধের প্রয়োজন সবচেয়ে বেশী । এই একতাবোধ জেগে উঠলেই ভাঙ্গা বাঙলা আবার জোড়া লাগবে ।" ( প্রাউট প্রবক্তা শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকার ) । সার কথা হল-- সামাজিক-অর্থনৈতিক অঞ্চল গঠনই সব সমস্যার একমাত্র মকরধ্বজ । সারা ভারতসহ পুরো বাঙলার অর্থনৈতিক স্বাধীনতার জন্যেই আজ নোতুন এক বিপ্লবের ডাক দিতে হবে । নাহলে ভারত বাঁচবে না । দেশবাসীর ভালো করে মনে রাখা উচিত যে, বাঙলা বাঁচলে ভারত বাঁচবে আর ভারত বাঁচলে বিশ্ব বাঁচবে । বাঙালী জাতি সবসময় একটা স্বপ্নই দেখে, "ভারত আমার ভারতবর্ষ স্বদেশ আমার স্বপ্ন গো"। তাই এবার সময় এসেছে আরেকটা প্রকৃত স্বাধীনতা সংগ্রামের । প্রস্তুত হও দেশবাসী...

নিস্তব্ধতা

        ✍️ঈশিতা পাল
আমাদের দেশের মাটিতে কৃষাণ ক্লান্তি নাশিত কন্ঠে তার সুমধুর লয়ে 
হয় আত্মহারা। 

সবুজ ঘাসের বুকে শেফালীর হাসিতে, 
বেলা কাঁটে রাখালের সূরলিয়া বাঁশিতে! 

চারিদিকে ছড়িয়ে থাকা পল্লবের স্তূপ, 
ফণীমনসার ঝোপের আড়ালে প্রকৃতি আজ চুপ। 

চুপ কেনই বা না রইবে? 
তাঁর কোলে,তাঁর বুকের সন্তান রক্তে  সজ্জিত! 

চক্ষুর সামনে কত নারী হয়েছে বিধবা, কত যে মা হল সন্তান হারা! 
আপনজনের লাশ দগ্ধ লহমায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে।

রক্তপ্লুত এক ভয়ানক দৃশ্য দর্শিত হচ্ছিল, 
এগুলো দেখে প্রকৃত স্তম্ভিত  ! 
বুকে বেদনা নিয়ে মৌনতার ব্রত পালনে লিপ্ত, 
তাই এই বিহিনতার মাঝে প্রকৃতি নিস্তব্ধতার রুপ নিয়েছে।।।

নিস্তব্ধতা

        ✍️ঈশিতা পাল
আমাদের দেশের মাটিতে কৃষাণ ক্লান্তি নাশিত কন্ঠে তার সুমধুর লয়ে 
হয় আত্মহারা। 

সবুজ ঘাসের বুকে শেফালীর হাসিতে, 
বেলা কাঁটে রাখালের সূরলিয়া বাঁশিতে! 

চারিদিকে ছড়িয়ে থাকা পল্লবের স্তূপ, 
ফণীমনসার ঝোপের আড়ালে প্রকৃতি আজ চুপ। 

চুপ কেনই বা না রইবে? 
তাঁর কোলে,তাঁর বুকের সন্তান রক্তে  সজ্জিত! 

চক্ষুর সামনে কত নারী হয়েছে বিধবা, কত যে মা হল সন্তান হারা! 
আপনজনের লাশ দগ্ধ লহমায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে।

রক্তপ্লুত এক ভয়ানক দৃশ্য দর্শিত হচ্ছিল, 
এগুলো দেখে প্রকৃত স্তম্ভিত  ! 
বুকে বেদনা নিয়ে মৌনতার ব্রত পালনে লিপ্ত, 
তাই এই বিহিনতার মাঝে প্রকৃতি নিস্তব্ধতার রুপ নিয়েছে।।।

স্বাধীনতার সংগ্রাম

         ✍️সুব্রত দেবনাথ
 যাদের জন্য এই ভারত বর্ষ,
 হয়েছে ধন্য ।
তাদের আজ কেউই নেই,
 সবার জীবন হলো বিপন্ন।।
 ওরা দেশের জন্য সংগ্রাম করে,
দিয়েছে কত রক্ত,
 দিয়েছে কত প্রাণ ,
নিজের স্বার্থকে ব্যর্থ বলে।
 দিয়েছে আত্ম বলিদান।।
ভারত স্বাধীন করার জন্য ,
এই দেশের বীরেরা ।
দিয়েছে কত রক্ত! 
অকালে ঝরিয়েছে কত প্রাণ।
 শুধু দেশের মাটিকে রক্ষার জন্য,
 দিয়েছে আত্ম বলিদান।
 নিজের স্বপ্নকে বিসর্জন দিয়ে,
 দেশের মাটিকে রক্ষার জন্য।
 দিয়েছে কত রক্ত,
 এই কারণে আজ গোটা ভারত,
 তাদের জন্মদিনে আনন্দ!
 মৃত্যুদিনে শোক প্রকাশের জন্য,
 হয়ে থাকে আসক্ত ।
দেশের মাটিকে রক্ষার স্বার্থে,
 কত মা যে হারিয়েছে তার কোল।
তবুও দেয়নি বাধা,
 সন্তানের এমন প্রশংসনীয় কাজের জন্য।
 আমরা আজ স্বাধীন ভারত বলে গর্ব করি,
 শুধু তোমাদের জন্য।
 তোমরাই শিখিয়েছো ,গোটা ভারতকে।
 কিভাবে দাঁড়াতে হয়
 অন্যায়ের বিরুদ্ধে ।।
তোমরাই শিখিয়েছো ,
মৃত্যুতে ভয় নেই, ক্ষতি নেই,
 যদি সে মৃত্যু হয় !
সকলের জন্য মঙ্গল।
 তাই আজ আনন্দের দিনে,
 হে বীর তোমাদের পড়ছে মনে।
 জানাই তোমাদের শতকোটি প্রণাম।।

স্বাধীনতার সংগ্রাম

         ✍️সুব্রত দেবনাথ
 যাদের জন্য এই ভারত বর্ষ,
 হয়েছে ধন্য ।
তাদের আজ কেউই নেই,
 সবার জীবন হলো বিপন্ন।।
 ওরা দেশের জন্য সংগ্রাম করে,
দিয়েছে কত রক্ত,
 দিয়েছে কত প্রাণ ,
নিজের স্বার্থকে ব্যর্থ বলে।
 দিয়েছে আত্ম বলিদান।।
ভারত স্বাধীন করার জন্য ,
এই দেশের বীরেরা ।
দিয়েছে কত রক্ত! 
অকালে ঝরিয়েছে কত প্রাণ।
 শুধু দেশের মাটিকে রক্ষার জন্য,
 দিয়েছে আত্ম বলিদান।
 নিজের স্বপ্নকে বিসর্জন দিয়ে,
 দেশের মাটিকে রক্ষার জন্য।
 দিয়েছে কত রক্ত,
 এই কারণে আজ গোটা ভারত,
 তাদের জন্মদিনে আনন্দ!
 মৃত্যুদিনে শোক প্রকাশের জন্য,
 হয়ে থাকে আসক্ত ।
দেশের মাটিকে রক্ষার স্বার্থে,
 কত মা যে হারিয়েছে তার কোল।
তবুও দেয়নি বাধা,
 সন্তানের এমন প্রশংসনীয় কাজের জন্য।
 আমরা আজ স্বাধীন ভারত বলে গর্ব করি,
 শুধু তোমাদের জন্য।
 তোমরাই শিখিয়েছো ,গোটা ভারতকে।
 কিভাবে দাঁড়াতে হয়
 অন্যায়ের বিরুদ্ধে ।।
তোমরাই শিখিয়েছো ,
মৃত্যুতে ভয় নেই, ক্ষতি নেই,
 যদি সে মৃত্যু হয় !
সকলের জন্য মঙ্গল।
 তাই আজ আনন্দের দিনে,
 হে বীর তোমাদের পড়ছে মনে।
 জানাই তোমাদের শতকোটি প্রণাম।।

সম্পাদকীয়...................

আজ ২২-শে শ্রাবণ, গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবস। এইদিনেই অর্থাৎ ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের ২২শে শ্রাবণ(7th August, 1941) আমাদের আঁখি ফাঁকি দিয়ে চলে গিয়েছিলেন মহান সাধক, দার্শনিক, বিশ্বকবি, সংগীতকার, সুরকার এবং মানুষের প্রাণের প্রাণ গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, যেন আকাশ-বাতাস বিষাদের বাসস্থান তৈরি হয়েছিল। উনি আমাদের ভালোবাসার উৎস, বাঙালীর,ভারতবর্ষের এবং পার্থিব জগতের গর্ব, ধনাত্মক উৎসাহের বটগাছ। উনার চরণতলে রইলো শতকোটি প্রণাম, রইলো প্রাণ ভরা ভালোবাসা। 
সবার জন্য রইলো করুণ ভালোবাসা 
 -গৌরাঙ্গ সরকার
    *সম্পাদক*
    *নবোন্মেষ*

নবোন্মেষ এ আপনাকে স্বাগত

নবোন্মেষ এ আপনাকে স্বাগত

সম্পাদকীয়...................

আজ ২২-শে শ্রাবণ, গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবস। এইদিনেই অর্থাৎ ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের ২২শে শ্রাবণ(7th August, 1941) আমাদের আঁখি ফাঁকি দিয়ে চলে গিয়েছিলেন মহান সাধক, দার্শনিক, বিশ্বকবি, সংগীতকার, সুরকার এবং মানুষের প্রাণের প্রাণ গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, যেন আকাশ-বাতাস বিষাদের বাসস্থান তৈরি হয়েছিল। উনি আমাদের ভালোবাসার উৎস, বাঙালীর,ভারতবর্ষের এবং পার্থিব জগতের গর্ব, ধনাত্মক উৎসাহের বটগাছ। উনার চরণতলে রইলো শতকোটি প্রণাম, রইলো প্রাণ ভরা ভালোবাসা। 
সবার জন্য রইলো করুণ ভালোবাসা 
 -গৌরাঙ্গ সরকার
    *সম্পাদক*
    *নবোন্মেষ*

💐শ্রদ্ধাঞ্জলি💐

         ✍️কবিতা সাহা

স্তব্ধ সকাল যেন আজ রবিহীন, 
অঝোরে অশ্রুধারা বইছে সারা দিন।
জমা জল ভেঙেছে বাঁধ,
বেড়েছে হৃৎস্পন্দন!
বিনামেঘেই বৃষ্টি নামলো,
তবে, এ বুঝি রবি হারানোর ক্রন্দন?
আজ শ্রাবণ ধারায় ভাসছে বুক,
ভেসে আসছে রবির সেই চেনা মুখ ।
রবির ছবি সেজে উঠেছে
শুভ্র সাদা জুঁই ফুলে,
তা দেখে চারদিক যেন,
ঝাপসা হয়ে আসছে নোনাজলে।
আজকের দিনেই বাইশে শ্রাবণ,
বিদায় নিয়েছিলেন রবি।
সৃষ্টির মাধ্যমে আজও স্মরণীয়, 
মোদের বিশ্বকবি।।
রচনা করে গেলেন তিনি 
বহু গান, কবিতা এবং গদ্য ।
বাংলা সাহিত্যকে কবিগুরুই
করেছিলেন সমৃদ্ধ।
সারা বিশ্বে বরণীয় তিনি,
বাঙালীর মহারাজা। 
শিশু মনকে  ভাবতে শিখিয়েছিলেন,
"আমরা সবাই রাজা"।
"ভেঙে মোর ঘরের চাবি 
নিয়ে যাবি কে আমারে";
এই গানের মাধ্যমে তিনি
যেমন প্রেম জাগিয়েছিলেন,
ঠিক তেমনি একা পথিককে
জুগিয়েছিলেন মনোবল-
"যদি তোর ডাক শুনে কেউ না
আসে তবে একলা চলো রে "।
তিনি বঙ্গভঙ্গ রোধের সমর্থনে,
"ও আমার দেশের মাটি"
গানের মাধ্যমে জাগ্রত
করেছিলেন দেশপ্রেম।
"জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে"
ও "আমার সোনার বাংলা"
এই দুই রাষ্ট্রীয় সংগীতের মতো 
অনবদ্য সকল সৃষ্টির মাধ্যমে, 
সর্বদা মোদের মাঝে কবিগুরু
আজও বিরাজমান।
তাই,কবির প্রতি শ্রদ্ধা জানাই,
এবং চরণে জানাই সহস্র প্রনাম।
পরিশেষে কবিরই গানের ভাষায়;
আজ কবিকে জানাতে চাই,
"তুমি রবে নীরবে হৃদয়ে মম"।

💐শ্রদ্ধাঞ্জলি💐

         ✍️কবিতা সাহা

স্তব্ধ সকাল যেন আজ রবিহীন, 
অঝোরে অশ্রুধারা বইছে সারা দিন।
জমা জল ভেঙেছে বাঁধ,
বেড়েছে হৃৎস্পন্দন!
বিনামেঘেই বৃষ্টি নামলো,
তবে, এ বুঝি রবি হারানোর ক্রন্দন?
আজ শ্রাবণ ধারায় ভাসছে বুক,
ভেসে আসছে রবির সেই চেনা মুখ ।
রবির ছবি সেজে উঠেছে
শুভ্র সাদা জুঁই ফুলে,
তা দেখে চারদিক যেন,
ঝাপসা হয়ে আসছে নোনাজলে।
আজকের দিনেই বাইশে শ্রাবণ,
বিদায় নিয়েছিলেন রবি।
সৃষ্টির মাধ্যমে আজও স্মরণীয়, 
মোদের বিশ্বকবি।।
রচনা করে গেলেন তিনি 
বহু গান, কবিতা এবং গদ্য ।
বাংলা সাহিত্যকে কবিগুরুই
করেছিলেন সমৃদ্ধ।
সারা বিশ্বে বরণীয় তিনি,
বাঙালীর মহারাজা। 
শিশু মনকে  ভাবতে শিখিয়েছিলেন,
"আমরা সবাই রাজা"।
"ভেঙে মোর ঘরের চাবি 
নিয়ে যাবি কে আমারে";
এই গানের মাধ্যমে তিনি
যেমন প্রেম জাগিয়েছিলেন,
ঠিক তেমনি একা পথিককে
জুগিয়েছিলেন মনোবল-
"যদি তোর ডাক শুনে কেউ না
আসে তবে একলা চলো রে "।
তিনি বঙ্গভঙ্গ রোধের সমর্থনে,
"ও আমার দেশের মাটি"
গানের মাধ্যমে জাগ্রত
করেছিলেন দেশপ্রেম।
"জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে"
ও "আমার সোনার বাংলা"
এই দুই রাষ্ট্রীয় সংগীতের মতো 
অনবদ্য সকল সৃষ্টির মাধ্যমে, 
সর্বদা মোদের মাঝে কবিগুরু
আজও বিরাজমান।
তাই,কবির প্রতি শ্রদ্ধা জানাই,
এবং চরণে জানাই সহস্র প্রনাম।
পরিশেষে কবিরই গানের ভাষায়;
আজ কবিকে জানাতে চাই,
"তুমি রবে নীরবে হৃদয়ে মম"।

২২-শে শ্রাবণ

      ✍️সুস্মিতা দেবনাথ 
২২-শে শ্রাবন
সেদিন তুমি চলে গিয়েছিলে চিরনীরবে।
যাবার আগে অনেক অলঙ্কারে;
বিশ্বভুবন রেখে গেছো সাজিয়ে।
বাতাসের ধ্বনি, পাহাড়ের নির্জনে;
নিঃসঙ্গ  হিমাদ্রি চূড়া জ্বালিয়েছো শব্দের আগুনে।
সমুদ্রের গর্জনে, জনতার কোলাহলে। 
করুণ ব্যাথা নারীর অন্তঃপুরে
কাব্য আর কবিতায়
অম্ল মধুর ছন্দে।
ছবির ক্যানভাসে তুলি টেনে
গল্প  আর নাটকে,
সমাজের ছবি এঁকে
তুমি দেখিয়েছো আলো;
সমাজকে সমাজের দরবারে।
আজকের  মতোই 
সেদিন যাবার আগে,
পৃথিবীর কোলে শেষবারের মত,
মাথা রেখে কবি তুমি দেখেছিলে।
বৃষ্টির ধ্বনি বাজিয়ে
কাজল চোখের এক
কৃষ্ণাঙ্গ বালিকা নাচে,
রিমঝিম, রিমঝিম
তারপর নিঃশব্দে 
চিরঘুমে,চিরবিদায়.......।

২২-শে শ্রাবণ

      ✍️সুস্মিতা দেবনাথ 
২২-শে শ্রাবন
সেদিন তুমি চলে গিয়েছিলে চিরনীরবে।
যাবার আগে অনেক অলঙ্কারে;
বিশ্বভুবন রেখে গেছো সাজিয়ে।
বাতাসের ধ্বনি, পাহাড়ের নির্জনে;
নিঃসঙ্গ  হিমাদ্রি চূড়া জ্বালিয়েছো শব্দের আগুনে।
সমুদ্রের গর্জনে, জনতার কোলাহলে। 
করুণ ব্যাথা নারীর অন্তঃপুরে
কাব্য আর কবিতায়
অম্ল মধুর ছন্দে।
ছবির ক্যানভাসে তুলি টেনে
গল্প  আর নাটকে,
সমাজের ছবি এঁকে
তুমি দেখিয়েছো আলো;
সমাজকে সমাজের দরবারে।
আজকের  মতোই 
সেদিন যাবার আগে,
পৃথিবীর কোলে শেষবারের মত,
মাথা রেখে কবি তুমি দেখেছিলে।
বৃষ্টির ধ্বনি বাজিয়ে
কাজল চোখের এক
কৃষ্ণাঙ্গ বালিকা নাচে,
রিমঝিম, রিমঝিম
তারপর নিঃশব্দে 
চিরঘুমে,চিরবিদায়.......।

💐মহাকালের মহাপ্রয়াণ💐

       ✍️সাধন নমঃ
হাজারটা আলো এসে ভীড় করেছে
চোখের কোণে।
তবু আমি গুরুদেব ছুটেছি
তোমার শিখার পানে।।
সপ্তরঙের আভাস  দিয়েছো
মোর আঁখিপানে,
হাজারও ভাষা দিয়েছ প্রভু
মোর শুষ্ক ঠোঁটে।।
অবুঝ শিশু বলে নিলে পারে তোলে
কোমল স্নেহের প্রেমে।
আজ কেন কাঁদিয়ে গেলে মোরে
বুকফাটা সুরে ?
আজ যখন শ্রাবণ সন্ধ্যায় ভাঙ্গলো
আমার ঘুম,
দেখি পথের মোরে হাজারও যাত্রী
করে আছে চুপ।।
যদি বা জানিতাম যাবে প্রভু
এই শ্রাবণঘন মোহে,
জড়িয়ে ধরিতাম যুগল চরণ
নাহি দিতাম যেতে।।

💐মহাকালের মহাপ্রয়াণ💐

       ✍️সাধন নমঃ
হাজারটা আলো এসে ভীড় করেছে
চোখের কোণে।
তবু আমি গুরুদেব ছুটেছি
তোমার শিখার পানে।।
সপ্তরঙের আভাস  দিয়েছো
মোর আঁখিপানে,
হাজারও ভাষা দিয়েছ প্রভু
মোর শুষ্ক ঠোঁটে।।
অবুঝ শিশু বলে নিলে পারে তোলে
কোমল স্নেহের প্রেমে।
আজ কেন কাঁদিয়ে গেলে মোরে
বুকফাটা সুরে ?
আজ যখন শ্রাবণ সন্ধ্যায় ভাঙ্গলো
আমার ঘুম,
দেখি পথের মোরে হাজারও যাত্রী
করে আছে চুপ।।
যদি বা জানিতাম যাবে প্রভু
এই শ্রাবণঘন মোহে,
জড়িয়ে ধরিতাম যুগল চরণ
নাহি দিতাম যেতে।।

পরাণ

       ✍️উজ্জ্বল ভট্টাচার্য্য
সখী মোর কই গেলা কই?
পরাণে বাঁচি
মৃত্যু যন্ত্রণা লই!
তুমি দেখলেই জানবে কোন্ কারণ!
শ্রাবণের ধারায়
আমি কত অসহায়!
শোকাশোকের সুরে 
স্মৃতি ভবঘুরে
রোজ-রোজ একটু-একটু
আগাছায় পরাণটারে কোপায়়! 
আর কত? আর কত?
সইতে পারিনা যে!
হৃদয়হীনা তুমি বড়ো স্বার্থপর!
আমারে এ অচেনা পৃথিবীর
মধ্যবিন্দু'য়
মনে হয় মিছি মিছি।
জানিনা চক্রান্ত কি'না
ছেড়ে গেলে অনাথের মত!
ফাঁসির আসামীর মতো
চিল্লায় পরাণ শান্ত হয় ফের,
কে আর খোঁজ রাখে
এতসব গোলমাল
ব্যস্ত দুনিয়ায় আগুন দাম সময়ের!

পরাণ

       ✍️উজ্জ্বল ভট্টাচার্য্য
সখী মোর কই গেলা কই?
পরাণে বাঁচি
মৃত্যু যন্ত্রণা লই!
তুমি দেখলেই জানবে কোন্ কারণ!
শ্রাবণের ধারায়
আমি কত অসহায়!
শোকাশোকের সুরে 
স্মৃতি ভবঘুরে
রোজ-রোজ একটু-একটু
আগাছায় পরাণটারে কোপায়়! 
আর কত? আর কত?
সইতে পারিনা যে!
হৃদয়হীনা তুমি বড়ো স্বার্থপর!
আমারে এ অচেনা পৃথিবীর
মধ্যবিন্দু'য়
মনে হয় মিছি মিছি।
জানিনা চক্রান্ত কি'না
ছেড়ে গেলে অনাথের মত!
ফাঁসির আসামীর মতো
চিল্লায় পরাণ শান্ত হয় ফের,
কে আর খোঁজ রাখে
এতসব গোলমাল
ব্যস্ত দুনিয়ায় আগুন দাম সময়ের!

চিরস্মৃতিতে তুমি

      ✍️ বিথী দেব ভট্টাচার্য
আমি একা বসে ঘরে হেরি যবে তোমার ছবি,
মনে হয় তুমি ছবি নও শুধু-
আমার কবিতারও কবি!
আঁখি পানে চেয়ে থাকি যবে দুনয়ন মেলে,
মনে হয় তুমি সত্যিই আছ-
ছবির ঐ অন্তরালে।

তুমি ছিলে বলেই প্রেম জেগেছিল শূন্য হৃদয় মাঝে,
তুমি ছিলে বলেই সুন্দর পৃথিবী-
আজও সকাল সাজে।
তোমাকে মনে করে যে আমার 
কবিতায় ছন্দ সাজে,
তোমাকে মনে করে এ প্রাণে
সুরের ঝংকার  বাজে।

তুমি নেই আজ ভাবি কেমনে!
হারিয়ে যাবে তুমি সইব কেমনে!!...
ভেবে আমার এ ব্যাকুল হৃদয়-
শান্ত থাকেনা,যে..!
তাইতো আমার চোখের ভাষায় রেখেছি তোমায় মনের কথায়,
চিরজীবিত থাকবে তুমি- আমার হৃদয় মাঝে।।

চিরস্মৃতিতে তুমি

      ✍️ বিথী দেব ভট্টাচার্য
আমি একা বসে ঘরে হেরি যবে তোমার ছবি,
মনে হয় তুমি ছবি নও শুধু-
আমার কবিতারও কবি!
আঁখি পানে চেয়ে থাকি যবে দুনয়ন মেলে,
মনে হয় তুমি সত্যিই আছ-
ছবির ঐ অন্তরালে।

তুমি ছিলে বলেই প্রেম জেগেছিল শূন্য হৃদয় মাঝে,
তুমি ছিলে বলেই সুন্দর পৃথিবী-
আজও সকাল সাজে।
তোমাকে মনে করে যে আমার 
কবিতায় ছন্দ সাজে,
তোমাকে মনে করে এ প্রাণে
সুরের ঝংকার  বাজে।

তুমি নেই আজ ভাবি কেমনে!
হারিয়ে যাবে তুমি সইব কেমনে!!...
ভেবে আমার এ ব্যাকুল হৃদয়-
শান্ত থাকেনা,যে..!
তাইতো আমার চোখের ভাষায় রেখেছি তোমায় মনের কথায়,
চিরজীবিত থাকবে তুমি- আমার হৃদয় মাঝে।।

বিমর্ষে তুমি

      ✍️ পরিতোষ সরকার
সেদিন দেখেছিলাম তোমায় শহরতলীর ভিরে।
প্রতিটি গলিতে তোমার পদরেনুর স্পর্শ পরছে।
গোল চেহারায় টান-টান চোখ, আর-
মাঝে মাঝে শুকিয়ে ওঠা ঠোঁট।
বিনি বাঁধানো সত্ত্বেও অবাধ্য মেয়ে-ছেলের মতো
একগোছা চুল ভ্রু বেয়ে কানের পাশ কেটে
মাঝ গালে হাওয়ায় হাওয়ায় উড়ে -
যেন আপন নগরী সাজিয়েছে।
বিকেলের রক্তিম আলো তোমার শরীরে
ঝড়া পাতার মতন খসে পড়েছে।
চোখে-মুখে তোমার আনন্দের ভরাডুবি।
আমি জানিনে কীসের সেই আনন্দ,
যৌবনের -
না-কি সাময়িক স্বাধীনতা।
আজ দীর্ঘকাল আমি তোমার পাশে বসি,
তোমার হাত ছোঁয়ে দেই।
মাঝ রাতে ঠোঁটের উত্তপ্ত শিহরণ নিয়ে
নতুন এক আঙিনা সাজাই।
কিন্ত তবুও ফেলে আসা তোমার সেই - 
মসৃণ রুপের উদ্দামতা খুঁজে পাই না ।
জানি না কেন তোমার রুপ এখন
বড্ড ফ্যাঁকাশে লাগে।
মনে হয় যেন, কোনো এক অভিনয়ের
রঙে রাঙায়িত তুমি।
তোমার চোঁখে আর এখন তাকানো যায় না-
সব কিছু যেন বিমর্ষ লাগে।

বিমর্ষে তুমি

      ✍️ পরিতোষ সরকার
সেদিন দেখেছিলাম তোমায় শহরতলীর ভিরে।
প্রতিটি গলিতে তোমার পদরেনুর স্পর্শ পরছে।
গোল চেহারায় টান-টান চোখ, আর-
মাঝে মাঝে শুকিয়ে ওঠা ঠোঁট।
বিনি বাঁধানো সত্ত্বেও অবাধ্য মেয়ে-ছেলের মতো
একগোছা চুল ভ্রু বেয়ে কানের পাশ কেটে
মাঝ গালে হাওয়ায় হাওয়ায় উড়ে -
যেন আপন নগরী সাজিয়েছে।
বিকেলের রক্তিম আলো তোমার শরীরে
ঝড়া পাতার মতন খসে পড়েছে।
চোখে-মুখে তোমার আনন্দের ভরাডুবি।
আমি জানিনে কীসের সেই আনন্দ,
যৌবনের -
না-কি সাময়িক স্বাধীনতা।
আজ দীর্ঘকাল আমি তোমার পাশে বসি,
তোমার হাত ছোঁয়ে দেই।
মাঝ রাতে ঠোঁটের উত্তপ্ত শিহরণ নিয়ে
নতুন এক আঙিনা সাজাই।
কিন্ত তবুও ফেলে আসা তোমার সেই - 
মসৃণ রুপের উদ্দামতা খুঁজে পাই না ।
জানি না কেন তোমার রুপ এখন
বড্ড ফ্যাঁকাশে লাগে।
মনে হয় যেন, কোনো এক অভিনয়ের
রঙে রাঙায়িত তুমি।
তোমার চোঁখে আর এখন তাকানো যায় না-
সব কিছু যেন বিমর্ষ লাগে।

শ্রাবণের ধারার মতো

         ✍️জয়শ্রী রায়
দিগন্তের ঐ নীলরঙা আকাশের কোনে
ঝর ঝর দুরন্ত শ্রাবণে-
মনে পরে রজনীগন্ধার মালায় সাজানো
বিকেলের বর্ষামঙ্গলের তোমার
বিরহ-গাথা, বর্ষায় ভরা
টুপ টাপ জলধারায় 
বৃষ্টির গান,সে তুমি রবীন্দ্রনাথ -
আষাঢ়ের পাখনায় উড়ে চলছে নির্ঝর 
শ্রাবনের দিকে,
মংপুর কালোবরণ ঢেউ ছুটে চলেছে
কোন মহা নেশায় মহা প্রাপ্তির সনে!!
সঙ্গী তোমার দেবদারু,পাইন
নুড়ি পাথর বিছানো তিসতার কল কল শব্দে,
কখনো গভীর খোয়াই এর প্রান্তদেশে,
একাকী বজ্রমানিকের গগম্ভীর স্বরে
গেঁথেছ আদিগন্ত মাঠের সৃষ্টি জলছবি।
বৃষ্টি ধোয়া কুমারী রঙের সূর্যে আঁকা
ঘুম ভাঙা পাহাড়।
রামধনু আঁকা আকাশের বুকেসবুজের নির্নিমেষ 
বুনোফুলের হাতছানি,
প্রথম কদম ফুলের মৌতাতে
আমার সকল চেতনা লুপ্ত
জলজ সুখের নিবিড় দুঃখে,গহীন
গহনে মগ্ন হয়ে রই
২২ শে শ্রাবন
যদিও আমার মাঝে তুমি সুপ্ত

শ্রাবণের ধারার মতো

         ✍️জয়শ্রী রায়
দিগন্তের ঐ নীলরঙা আকাশের কোনে
ঝর ঝর দুরন্ত শ্রাবণে-
মনে পরে রজনীগন্ধার মালায় সাজানো
বিকেলের বর্ষামঙ্গলের তোমার
বিরহ-গাথা, বর্ষায় ভরা
টুপ টাপ জলধারায় 
বৃষ্টির গান,সে তুমি রবীন্দ্রনাথ -
আষাঢ়ের পাখনায় উড়ে চলছে নির্ঝর 
শ্রাবনের দিকে,
মংপুর কালোবরণ ঢেউ ছুটে চলেছে
কোন মহা নেশায় মহা প্রাপ্তির সনে!!
সঙ্গী তোমার দেবদারু,পাইন
নুড়ি পাথর বিছানো তিসতার কল কল শব্দে,
কখনো গভীর খোয়াই এর প্রান্তদেশে,
একাকী বজ্রমানিকের গগম্ভীর স্বরে
গেঁথেছ আদিগন্ত মাঠের সৃষ্টি জলছবি।
বৃষ্টি ধোয়া কুমারী রঙের সূর্যে আঁকা
ঘুম ভাঙা পাহাড়।
রামধনু আঁকা আকাশের বুকেসবুজের নির্নিমেষ 
বুনোফুলের হাতছানি,
প্রথম কদম ফুলের মৌতাতে
আমার সকল চেতনা লুপ্ত
জলজ সুখের নিবিড় দুঃখে,গহীন
গহনে মগ্ন হয়ে রই
২২ শে শ্রাবন
যদিও আমার মাঝে তুমি সুপ্ত

তুমি আসো

            ✍️সংগীতা দাস   
তুমি যে আসো বৃষ্টি হয়ে,
আমি থাকি বসে।
শ্রাবণের নবজল ধারায়, 
আমায় নিয়ে যায় ভেসে!

বৃষ্টির কলতান তোলে আলোড়ন,
ভরে যাক মনের আবরণ!
অজস্র জলধারা বেয়ে,
বহে যাক নিবিড় কানন!

আসন্নের ধারা হৃদয়ে তোলপাড়,
মনে অনাকাঙ্খিত সমাহার!
তুমি তুমি ফোঁটায় ভিজে যাক,
মনের জমিন দুনিয়ায়!

তেপান্তরের পাথর বেয়ে,
নামছে ফোয়ারাশি!
আমিও তো সেই জলে,
স্রোত হয়ে ভাসি!

শ্রাবণের বর্ষা ঋতু বৈভবশালী,
তোমার রূপ-সুধা হৃদয় স্পর্শ,
মনের প্রাণঢালা ভালোবাসা নিয়ে,
তুমি আসো শ্রাবণের ধারা হয়ে!!

তুমি আসো

            ✍️সংগীতা দাস   
তুমি যে আসো বৃষ্টি হয়ে,
আমি থাকি বসে।
শ্রাবণের নবজল ধারায়, 
আমায় নিয়ে যায় ভেসে!

বৃষ্টির কলতান তোলে আলোড়ন,
ভরে যাক মনের আবরণ!
অজস্র জলধারা বেয়ে,
বহে যাক নিবিড় কানন!

আসন্নের ধারা হৃদয়ে তোলপাড়,
মনে অনাকাঙ্খিত সমাহার!
তুমি তুমি ফোঁটায় ভিজে যাক,
মনের জমিন দুনিয়ায়!

তেপান্তরের পাথর বেয়ে,
নামছে ফোয়ারাশি!
আমিও তো সেই জলে,
স্রোত হয়ে ভাসি!

শ্রাবণের বর্ষা ঋতু বৈভবশালী,
তোমার রূপ-সুধা হৃদয় স্পর্শ,
মনের প্রাণঢালা ভালোবাসা নিয়ে,
তুমি আসো শ্রাবণের ধারা হয়ে!!

আজ আর এসো না

        ✍️চয়ন সাহা,
কোনো এক তপ্ত দুপুরে আমি,
বুক পেতে দাঁড়িয়ে থাকা মরুভূমি, 
প্রখর তাপে নিজেকে ঝলসে দিলাম!
স্বপ্ন আর বিশ্বাসে বাঁধা বুক,
উজাড় করে শুষ্ক বালিতে জড়িয়ে দিলাম।

আজ মরীচিকার মতোই ভেসে আসে, 
আমিও পালিয়ে পালিয়ে বেড়াই,
নিদারুন নির্মমতায় নিজেকে বাঁচিয়ে রাখি,
বাঁচিয়ে রাখি নিজেকে সন্ধ্যা লগ্নে,
অন্তরে হাহাকার থামিবার নয়!
কেন এই তঁচকতা ?
জিজ্ঞাসা শুধু শ্রাবণের ধারায়!

দেখেছিলাম সেই তন্দ্রা হরনী চোখে, 
আমারই ধূসর ফ্যাকাসে ছবি,
ভরসায় রং ভরেছিলাম  অনর্গল ভাবনার,
বুক পুড়ে দেওয়া প্রখর তাপে, 
ভাবনা গুলো আজ রং হারায়।

চেয়েছিলাম একবার নামুক শ্রাবণ, 
হতেও পারতাম তার ইচ্ছের গড়ান!
আজি আর জুড়বে না ইচ্ছের চর,
আবেগের বুকে জমেছে তপ্ত বালি কণা! 
হে শ্রাবণ আজ আর এসো না।
ঝলসে গেছে বুক শুকিয়ে যাবে তোমার গতি,
যে বালুচর জমেছে তপ্ত বুকের পাঁজরে,
তার আতিথ্য গ্রহণে আসুক আবার,
পুড়ে যাওয়া তপ্ত বালির ঝড়!!

হে শ্রাবণ আজ আর এসো না,
আজ আর এসো না।

আজ আর এসো না

        ✍️চয়ন সাহা,
কোনো এক তপ্ত দুপুরে আমি,
বুক পেতে দাঁড়িয়ে থাকা মরুভূমি, 
প্রখর তাপে নিজেকে ঝলসে দিলাম!
স্বপ্ন আর বিশ্বাসে বাঁধা বুক,
উজাড় করে শুষ্ক বালিতে জড়িয়ে দিলাম।

আজ মরীচিকার মতোই ভেসে আসে, 
আমিও পালিয়ে পালিয়ে বেড়াই,
নিদারুন নির্মমতায় নিজেকে বাঁচিয়ে রাখি,
বাঁচিয়ে রাখি নিজেকে সন্ধ্যা লগ্নে,
অন্তরে হাহাকার থামিবার নয়!
কেন এই তঁচকতা ?
জিজ্ঞাসা শুধু শ্রাবণের ধারায়!

দেখেছিলাম সেই তন্দ্রা হরনী চোখে, 
আমারই ধূসর ফ্যাকাসে ছবি,
ভরসায় রং ভরেছিলাম  অনর্গল ভাবনার,
বুক পুড়ে দেওয়া প্রখর তাপে, 
ভাবনা গুলো আজ রং হারায়।

চেয়েছিলাম একবার নামুক শ্রাবণ, 
হতেও পারতাম তার ইচ্ছের গড়ান!
আজি আর জুড়বে না ইচ্ছের চর,
আবেগের বুকে জমেছে তপ্ত বালি কণা! 
হে শ্রাবণ আজ আর এসো না।
ঝলসে গেছে বুক শুকিয়ে যাবে তোমার গতি,
যে বালুচর জমেছে তপ্ত বুকের পাঁজরে,
তার আতিথ্য গ্রহণে আসুক আবার,
পুড়ে যাওয়া তপ্ত বালির ঝড়!!

হে শ্রাবণ আজ আর এসো না,
আজ আর এসো না।

শ্রাবণের কথা

        ✒️প্রিয়াঙ্কা দেবনাথ

শ্রাবণের গল্প -
 নতুন করে কি আর বলব?
কুড়িয়ে জমানো ছয়টি ঋতুর নানারঙ্গের স্মৃতির টুকরো,
মুছে দিয়ে যায় শ্রাবণ আজ
রোজ অল্প অল্প ।

সারাটি বছর জুড়ে যার এতো প্রতীক্ষা,
অধীর হয়ে বেলা কাটে যার আশে,
সেই শ্রাবণ ।
সবুজ শ্যামলীর পাতায় পাতায় যার স্পর্শ,
গোধূলি বেলায় রাখালেরা যবে ফিরে যায় ঘরে,
সেই পথের ধারের প্রতিটি ধূলির কণায় কণায়,
হাজারো স্মৃতি বিজড়িত যার -
কে সে? হ্যাঁ, সেই তো শ্রাবণ ।

বারোমাস ধরে কাতরে কাতরে,
তৃষ্ণার্ত প্রাণ যার মুখপানে চেয়ে ,
ক্লান্ত হয়ে ঘরে ফেরে -
সেই তো মায়াভরা শ্রাবণ ।
হাজারো প্রতীক্ষার পরে যার আগমন,
দেহ - মনে  পুলক আনে,
জাগায় তীব্র শিহরণ ।

সে কি অভূতপূর্ব তার নিদর্শন !
অসম্ভব নিপুনতায় ধুয়ে নিয়ে যায়
অতীতের সব মলিনতা ,
মনের কোণে জমে থাকা সকল ব্যর্থ অভিমান ।
ক্ষণিকের বৃষ্টিস্নাত শীতলতার পরম তৃপ্তিতে - 
যেন ঘুচে যায় সব কষ্ট,
হয় সকল ব্যথার অবসান।

তবে কি জানো ?
সকল শ্রাবণ তৃপ্ততা নিয়ে আসেনা ।
বয়ে নিয়ে আসে কিছু ব্যর্থ প্রতীক্ষা ,
ভারাক্রান্ত করে তুলে মনপ্রাণ।
স্মৃতির পাতায় কড়া নাড়ে বারবার,
ক্ষত বিক্ষত করে যায় এপার - ওপার । 
একগাল বাঁকা হাসি হেসে
যেন ব্যঙ্গ করে বলে যায়
এই ছিল তোর স্বর্গীয় সুখ ?

এভাবেই ভাসিয়ে দিয়ে যায় আজও শ্রাবণ ।
তবে, শীতল বারিবিন্দুর কোমল স্পর্শে নয়,
হৃৎপিণ্ডের অঝোর রক্তক্ষরণে। 

তবুও বলি হে মায়াবী শ্রাবণ,
আজীবন ঋণী হয়ে থাকবো তোর কাছে।
অবিরাম দুঃখ - সুখের জোয়ার  ভাটায় -
আকঁড়ে ধরে রাখতে যেন পারি,
সত্য মিথ্যার ছবি চির অমলিন এই মননে ।
           
               ******

শ্রাবণের কথা

        ✒️প্রিয়াঙ্কা দেবনাথ

শ্রাবণের গল্প -
 নতুন করে কি আর বলব?
কুড়িয়ে জমানো ছয়টি ঋতুর নানারঙ্গের স্মৃতির টুকরো,
মুছে দিয়ে যায় শ্রাবণ আজ
রোজ অল্প অল্প ।

সারাটি বছর জুড়ে যার এতো প্রতীক্ষা,
অধীর হয়ে বেলা কাটে যার আশে,
সেই শ্রাবণ ।
সবুজ শ্যামলীর পাতায় পাতায় যার স্পর্শ,
গোধূলি বেলায় রাখালেরা যবে ফিরে যায় ঘরে,
সেই পথের ধারের প্রতিটি ধূলির কণায় কণায়,
হাজারো স্মৃতি বিজড়িত যার -
কে সে? হ্যাঁ, সেই তো শ্রাবণ ।

বারোমাস ধরে কাতরে কাতরে,
তৃষ্ণার্ত প্রাণ যার মুখপানে চেয়ে ,
ক্লান্ত হয়ে ঘরে ফেরে -
সেই তো মায়াভরা শ্রাবণ ।
হাজারো প্রতীক্ষার পরে যার আগমন,
দেহ - মনে  পুলক আনে,
জাগায় তীব্র শিহরণ ।

সে কি অভূতপূর্ব তার নিদর্শন !
অসম্ভব নিপুনতায় ধুয়ে নিয়ে যায়
অতীতের সব মলিনতা ,
মনের কোণে জমে থাকা সকল ব্যর্থ অভিমান ।
ক্ষণিকের বৃষ্টিস্নাত শীতলতার পরম তৃপ্তিতে - 
যেন ঘুচে যায় সব কষ্ট,
হয় সকল ব্যথার অবসান।

তবে কি জানো ?
সকল শ্রাবণ তৃপ্ততা নিয়ে আসেনা ।
বয়ে নিয়ে আসে কিছু ব্যর্থ প্রতীক্ষা ,
ভারাক্রান্ত করে তুলে মনপ্রাণ।
স্মৃতির পাতায় কড়া নাড়ে বারবার,
ক্ষত বিক্ষত করে যায় এপার - ওপার । 
একগাল বাঁকা হাসি হেসে
যেন ব্যঙ্গ করে বলে যায়
এই ছিল তোর স্বর্গীয় সুখ ?

এভাবেই ভাসিয়ে দিয়ে যায় আজও শ্রাবণ ।
তবে, শীতল বারিবিন্দুর কোমল স্পর্শে নয়,
হৃৎপিণ্ডের অঝোর রক্তক্ষরণে। 

তবুও বলি হে মায়াবী শ্রাবণ,
আজীবন ঋণী হয়ে থাকবো তোর কাছে।
অবিরাম দুঃখ - সুখের জোয়ার  ভাটায় -
আকঁড়ে ধরে রাখতে যেন পারি,
সত্য মিথ্যার ছবি চির অমলিন এই মননে ।
           
               ******

লাশ

     ✍️আমিনুল ইসলাম(রিপন)

তুমি-আমি হয়ে যাব একদিন লাশ।
শত শত মানুষ থাকবে আমাদের আশপাশ।
কাঁদবে জগৎ,কাঁদবে বিশ্ব,
সেদিন আমরা হয়ে থাকবো নিঃস্ব।
সবাই আসবে দেখতে, একবার শেষ সময়ে।
চিরনিদ্রায় ঘুমিয়ে যাব না ভাঙার স্বপ্নে।
আপনজনে কাঁধে তুলে নেবে পরপারে।
হিন্দু হলে শ্মশানে, মুসলিম কবরে।
চিরবিদায় নেবে ক্ষণিকের সময়ে।
সেদিন থাকবে না কোন জোর,কোন ক্ষমতা।
হেলে দুলে আসবে শ্মশান, কবরে জনতা।
কেন এত অহংকার?, কেন হাহাকার?
কেন আমরা মিলেমিশে হইনা একাকার?
তাই হাসতে হাসতে কাটাও দিন।
এই ভুবন ছেড়ে চলে তো যাবে একদিন।
ঘরের আপনজন, পাড়া প্রতিবেশী আছে যারা,
জন্মের মত পর করে দেবে তারা।
নাম-যশ, টাকা-পয়সা সবই পড়ে রবে।
তুমি-আমি চলে যাব একদিন নীরবে।
কোন এক সময়ে,কোন এক মাস।
চিরদিনের মত তোমার-আমার নাম হবে লাশ।

লাশ

     ✍️আমিনুল ইসলাম(রিপন)

তুমি-আমি হয়ে যাব একদিন লাশ।
শত শত মানুষ থাকবে আমাদের আশপাশ।
কাঁদবে জগৎ,কাঁদবে বিশ্ব,
সেদিন আমরা হয়ে থাকবো নিঃস্ব।
সবাই আসবে দেখতে, একবার শেষ সময়ে।
চিরনিদ্রায় ঘুমিয়ে যাব না ভাঙার স্বপ্নে।
আপনজনে কাঁধে তুলে নেবে পরপারে।
হিন্দু হলে শ্মশানে, মুসলিম কবরে।
চিরবিদায় নেবে ক্ষণিকের সময়ে।
সেদিন থাকবে না কোন জোর,কোন ক্ষমতা।
হেলে দুলে আসবে শ্মশান, কবরে জনতা।
কেন এত অহংকার?, কেন হাহাকার?
কেন আমরা মিলেমিশে হইনা একাকার?
তাই হাসতে হাসতে কাটাও দিন।
এই ভুবন ছেড়ে চলে তো যাবে একদিন।
ঘরের আপনজন, পাড়া প্রতিবেশী আছে যারা,
জন্মের মত পর করে দেবে তারা।
নাম-যশ, টাকা-পয়সা সবই পড়ে রবে।
তুমি-আমি চলে যাব একদিন নীরবে।
কোন এক সময়ে,কোন এক মাস।
চিরদিনের মত তোমার-আমার নাম হবে লাশ।

শ্রাবণ ধারা

      ✍ সুচরিতা পাটারী

বসেছিলাম ছাদের কোণে,
চেয়ে রয়েছি আকাশ পানে
দিয়ে এক মন, দিয়ে এক প্রাণ, 
ভাবছি শুধু সেই চেনা গান। 
হঠাৎ করেই মেঘ গুড়গুড়,
ডাকছে আকাশ, যেন বহুদূর। 
আলতো আলতো বিদ্যুৎ ঝলক,
ছুঁয়ে গেল চোখের পলক। 
নিজের মধ্যে হারিয়ে গেলাম, 
নতুন সখী খুঁজে পেলাম। 
আচমকাই বৃষ্টি এল একপশলা!
চুল থেকে নখ ভিজিয়ে দিল, 
ধুয়ে দিল গানের মালা।
তখনই সখী মেঘ বালিকা,
ছুটে এসে ছুঁলো আমায়, 
বলল আমায় "সখী তুই গা"। 
চমকে গিয়ে বলি আমি!
দুজনেই গাই একসাথে? 
বিশ্বকবির সেই গান খানা,
যে গান ছিল মোর ভাবনাতে।
যে গান খানা উজাড় করে
দিয়েছিলেন শ্রাবণ তরে, 

ধরো সখী সেই গান খানা
"শ্রাবণের ধারার মতো পরুক ঝড়ে"।

শ্রাবণ ধারা

      ✍ সুচরিতা পাটারী

বসেছিলাম ছাদের কোণে,
চেয়ে রয়েছি আকাশ পানে
দিয়ে এক মন, দিয়ে এক প্রাণ, 
ভাবছি শুধু সেই চেনা গান। 
হঠাৎ করেই মেঘ গুড়গুড়,
ডাকছে আকাশ, যেন বহুদূর। 
আলতো আলতো বিদ্যুৎ ঝলক,
ছুঁয়ে গেল চোখের পলক। 
নিজের মধ্যে হারিয়ে গেলাম, 
নতুন সখী খুঁজে পেলাম। 
আচমকাই বৃষ্টি এল একপশলা!
চুল থেকে নখ ভিজিয়ে দিল, 
ধুয়ে দিল গানের মালা।
তখনই সখী মেঘ বালিকা,
ছুটে এসে ছুঁলো আমায়, 
বলল আমায় "সখী তুই গা"। 
চমকে গিয়ে বলি আমি!
দুজনেই গাই একসাথে? 
বিশ্বকবির সেই গান খানা,
যে গান ছিল মোর ভাবনাতে।
যে গান খানা উজাড় করে
দিয়েছিলেন শ্রাবণ তরে, 

ধরো সখী সেই গান খানা
"শ্রাবণের ধারার মতো পরুক ঝড়ে"।

রবির আলো

      ✍️রুবেল হোসেন

তুমি কবিগুরু, তুমি বিশ্বকবি, 
তুমিই রবীন্দ্র সংগীতের স্রষ্টা। 
তুমি ঔপন্যাসিক, তুমি নাট্যকার,  
তুমিই ছোটগল্প সংজ্ঞার প্রতিষ্ঠাতা। 
তোমার চিত্রকলা, তোমার ছন্দ
হৃদয় জুড়ানো শান্তি।
তোমার গল্প, তোমার থিয়েটার 
ফুরিয়ে দেয় যে ক্লান্তি। 
তোমার সংগীত, তোমার উপন্যাস 
কাঁদে বিধাতার প্রাণ।
শ্রবণ পঠনে কিরণ দায়ক,
তোমার শ্রেষ্ঠ দান।
তোমার সৃষ্টি মুখ ফিরালে 
লোহায় পড়তো জং,
তোমার দানে লুপ্ত আছে 
রামধনুর সাত রং। 
তুমি সুন্দর, তুমি সুন্দর, 
তুমি সুন্দর অপরূপ। 
শ্রাবণের মুগ্ধ সকালের
ধরণীর ছায়ারূপ।

রবির আলো

      ✍️রুবেল হোসেন

তুমি কবিগুরু, তুমি বিশ্বকবি, 
তুমিই রবীন্দ্র সংগীতের স্রষ্টা। 
তুমি ঔপন্যাসিক, তুমি নাট্যকার,  
তুমিই ছোটগল্প সংজ্ঞার প্রতিষ্ঠাতা। 
তোমার চিত্রকলা, তোমার ছন্দ
হৃদয় জুড়ানো শান্তি।
তোমার গল্প, তোমার থিয়েটার 
ফুরিয়ে দেয় যে ক্লান্তি। 
তোমার সংগীত, তোমার উপন্যাস 
কাঁদে বিধাতার প্রাণ।
শ্রবণ পঠনে কিরণ দায়ক,
তোমার শ্রেষ্ঠ দান।
তোমার সৃষ্টি মুখ ফিরালে 
লোহায় পড়তো জং,
তোমার দানে লুপ্ত আছে 
রামধনুর সাত রং। 
তুমি সুন্দর, তুমি সুন্দর, 
তুমি সুন্দর অপরূপ। 
শ্রাবণের মুগ্ধ সকালের
ধরণীর ছায়ারূপ।

রবি কবি

     ✍️মনচলি চক্রবর্তী 

কবি তুমি উদয়স্ত রহিবে রবি হয়ে।
মোদের হৃদয় আকাশ মাঝে
প্রতিনিয়ত অনুভবে,প্রাণে, স্মরণে।
মর্মে মোদের জড়ায়ে
তোমার সৃষ্টি সুরের আলোকঝর্ণায়; 
মোদের প্রাণ হয় পল্লবিত।
তোমার আদর্শ, সৃষ্টিসমগ্রে
এই ভুবন হোক আলোড়িত।

রবি কবি

     ✍️মনচলি চক্রবর্তী 

কবি তুমি উদয়স্ত রহিবে রবি হয়ে।
মোদের হৃদয় আকাশ মাঝে
প্রতিনিয়ত অনুভবে,প্রাণে, স্মরণে।
মর্মে মোদের জড়ায়ে
তোমার সৃষ্টি সুরের আলোকঝর্ণায়; 
মোদের প্রাণ হয় পল্লবিত।
তোমার আদর্শ, সৃষ্টিসমগ্রে
এই ভুবন হোক আলোড়িত।

*তুমি অমর রবে*

         ✍️ *অন্তরা সাহা* 

আজ বড্ড অস্থির এই মনটা,
কিছুতেই যে শান্ত হচ্ছে না,

তোমার বিরহের আগুনে আজ আমি দগ্ধ।
কোথায় গেলে পাবো তোমায় বলো?

আবার ফিরে এসো এই ধরায়, যদি বলি,
আমার ডাকে সাড়া দেবে কি তুমি?

যদি বলি তোমার চরণতলে দিও আমায় ঠায়,
তবে আমার আবদারটা গ্রহণ করবে কি তুমি?

আজ আমার নয়ন দুটো,
তোমায় দেখিতে চায় শুধু,
আসতে পারো না বুঝি
একরাতে স্বপ্নের সাথী হয়ে?

যখন তোমার স্মৃতিগুলো,
আমার চোখের জল হলো,
তখন হঠাৎ শ্রাবণের ধারা হয়ে ভিজিয়ে দিলে আমায়,

লুকায়িত হলো আমার চোখের জল,
মিলিয়ে গেলাম তোমাতে,

তখন চারিদিক থেকে ভেসে আসলো তোমারই সুরধ্বনি,
    "তুমি রবে নীরবে,
    হৃদয়ে মম -----"

ওগো, এখন চোখের জল মুছো সবে,
এবং উচ্চস্বরে শুধু বলো - 
      তুমি অমর রবে
      তুমি অমর রবে
      তুমি অমর রবে।

*তুমি অমর রবে*

         ✍️ *অন্তরা সাহা* 

আজ বড্ড অস্থির এই মনটা,
কিছুতেই যে শান্ত হচ্ছে না,

তোমার বিরহের আগুনে আজ আমি দগ্ধ।
কোথায় গেলে পাবো তোমায় বলো?

আবার ফিরে এসো এই ধরায়, যদি বলি,
আমার ডাকে সাড়া দেবে কি তুমি?

যদি বলি তোমার চরণতলে দিও আমায় ঠায়,
তবে আমার আবদারটা গ্রহণ করবে কি তুমি?

আজ আমার নয়ন দুটো,
তোমায় দেখিতে চায় শুধু,
আসতে পারো না বুঝি
একরাতে স্বপ্নের সাথী হয়ে?

যখন তোমার স্মৃতিগুলো,
আমার চোখের জল হলো,
তখন হঠাৎ শ্রাবণের ধারা হয়ে ভিজিয়ে দিলে আমায়,

লুকায়িত হলো আমার চোখের জল,
মিলিয়ে গেলাম তোমাতে,

তখন চারিদিক থেকে ভেসে আসলো তোমারই সুরধ্বনি,
    "তুমি রবে নীরবে,
    হৃদয়ে মম -----"

ওগো, এখন চোখের জল মুছো সবে,
এবং উচ্চস্বরে শুধু বলো - 
      তুমি অমর রবে
      তুমি অমর রবে
      তুমি অমর রবে।